📄 বুগ্ব (বিদ্বেষ/মনোমালিন্য) ও স্বভাব সংকোচনের ওয়াসওয়াসা
রাগ দমনের দ্বারা মনের মধ্যে ক্ষোভ ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হয় এবং অন্যভাবে তার প্রতিশোধ নেয়ার চিন্তা-ভাবনা জাগে। এই মনোভাবকে বলা হয় বুগ্ব বা কীনা। শয়তান মনের মধ্যে প্রতিশোধ নেয়ার চিন্তা জাগিয়ে তোলে এবং তাকে ক্ষমা না করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে।
বুগ্ব বা কীনা রোগের প্রতিকার হল:
১. যার প্রতি বিদ্বেষ হয় তাকে ক্ষমা করে দেয়া।
২. মনে না চাইলেও তার সাথে মেলামেশা অব্যাহত রাখা।
তবে উল্লেখ্য যে, যদি প্রতিশোধ গ্রহণের মনোভাব জাগ্রত না হয় বরং শুধু একটা সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয় এবং যার উপর রাগ হয় তার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে মন না চায়, তাহলে সেটাকে বলে ইন্কিবাযে তবয়ী বা 'স্বভাব সংকোচন'। সেটা নিন্দনীয় নয়।
রাগ দমনের দ্বারা মনের মধ্যে ক্ষোভ ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হয় এবং অন্যভাবে তার প্রতিশোধ নেয়ার চিন্তা-ভাবনা জাগে। এই মনোভাবকে বলা হয় বুগ্ব বা কীনা। শয়তান মনের মধ্যে প্রতিশোধ নেয়ার চিন্তা জাগিয়ে তোলে এবং তাকে ক্ষমা না করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে।
বুগ্ব বা কীনা রোগের প্রতিকার হল:
১. যার প্রতি বিদ্বেষ হয় তাকে ক্ষমা করে দেয়া।
২. মনে না চাইলেও তার সাথে মেলামেশা অব্যাহত রাখা।
তবে উল্লেখ্য যে, যদি প্রতিশোধ গ্রহণের মনোভাব জাগ্রত না হয় বরং শুধু একটা সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয় এবং যার উপর রাগ হয় তার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে মন না চায়, তাহলে সেটাকে বলে ইন্কিবাযে তবয়ী বা 'স্বভাব সংকোচন'। সেটা নিন্দনীয় নয়।
📄 হাসাদ (হিংসা বা পরশ্রীকাতরতা)-এর ওয়াসওয়াসা
কারও জ্ঞান, বুদ্ধি, সম্পদ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ইত্যাদি ভাল কিছু দেখে মনে কষ্ট লাগা এবং আকাঙ্ক্ষা হওয়া যে, সেটা না থাকুক বা ধ্বংস হয়ে যাক— এই মনোবৃত্তিকে বলা হয় হাসাদ (হিংসা)। শয়তানই এরূপ মনোবৃত্তি জাগিয়ে তোলে। হাসাদের চেতনা দূর করার পদ্ধতি হল:
১. হাসাদের কারণে নেক আমল নষ্ট হয়ে যায়— একথা ভাবা।
২. হিংসুক ব্যক্তি চিরকাল মনের কষ্টে কাল যাপন করে, জীবনে শান্তি পায় না।
৩. যার প্রতি হিংসা হয়, মনে না চাইলেও লোক সমাজে তার প্রশংসা করা।
৪. যার নেয়ামতের কারণে হাসাদ হয়, সেটা তার জন্য আরও বৃদ্ধি পাক আল্লাহর কাছে এই দুআ করতে থাকা।
৫. মনে না চাইলেও দেখা হলে তাকে সালাম করা এবং নম্র ব্যবহার করা।
৬. মাঝে মধ্যে তাকে হাদিয়া প্রদান করা।
কারও ভাল কিছু দেখে সেটা ধ্বংসের কামনা না করে শুধু নিজের জন্য অনুরূপ হওয়ার কামনা করা গর্হিত নয়, একে 'গেবতা' বলা হয়।
কারও জ্ঞান, বুদ্ধি, সম্পদ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ইত্যাদি ভাল কিছু দেখে মনে কষ্ট লাগা এবং আকাঙ্ক্ষা হওয়া যে, সেটা না থাকুক বা ধ্বংস হয়ে যাক— এই মনোবৃত্তিকে বলা হয় হাসাদ (হিংসা)। শয়তানই এরূপ মনোবৃত্তি জাগিয়ে তোলে। হাসাদের চেতনা দূর করার পদ্ধতি হল:
১. হাসাদের কারণে নেক আমল নষ্ট হয়ে যায়— একথা ভাবা।
২. হিংসুক ব্যক্তি চিরকাল মনের কষ্টে কাল যাপন করে, জীবনে শান্তি পায় না।
৩. যার প্রতি হিংসা হয়, মনে না চাইলেও লোক সমাজে তার প্রশংসা করা।
৪. যার নেয়ামতের কারণে হাসাদ হয়, সেটা তার জন্য আরও বৃদ্ধি পাক আল্লাহর কাছে এই দুআ করতে থাকা।
৫. মনে না চাইলেও দেখা হলে তাকে সালাম করা এবং নম্র ব্যবহার করা।
৬. মাঝে মধ্যে তাকে হাদিয়া প্রদান করা।
কারও ভাল কিছু দেখে সেটা ধ্বংসের কামনা না করে শুধু নিজের জন্য অনুরূপ হওয়ার কামনা করা গর্হিত নয়, একে 'গেবতা' বলা হয়।
📄 বদগোমানী বা কু-ধারণার ওয়াসওয়াসা
নেককার মুসলমানদের সম্পর্কে কোনো দলীল-প্রমাণ ব্যতীত কুধারণা পোষণ করা হারাম। শয়তানই অন্যের প্রতি অহেতুক বদ-গোমানী সৃষ্টি করে থাকে। বদগোমানী রোগের প্রতিকার হল:
১. নির্জনে বসে চিন্তা করা যে, দলীল-প্রমাণ ছাড়া কারও প্রতি কু-ধারণা পোষণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ. অর্থাৎ, হে মুমিনরা! তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক, নিশ্চয় কতক ধারণা পাপ। (সূরা হুজুরাত: ১২)
২. তওবা করা।
৩. আল্লাহর নিকট অন্তর সাফ হয়ে যাওয়ার জন্য দুআ করা।
৪. যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তার সুখ-শান্তির জন্য দুআ করা।
৫. মন থেকে কু-ধারণা না গেলে যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তাকে বলবে, অহেতুক আপনার প্রতি আমার বদগোমানী হয়েছে, আমাকে ক্ষমা করুন।
নেককার মুসলমানদের সম্পর্কে কোনো দলীল-প্রমাণ ব্যতীত কুধারণা পোষণ করা হারাম। শয়তানই অন্যের প্রতি অহেতুক বদ-গোমানী সৃষ্টি করে থাকে। বদগোমানী রোগের প্রতিকার হল:
১. নির্জনে বসে চিন্তা করা যে, দলীল-প্রমাণ ছাড়া কারও প্রতি কু-ধারণা পোষণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ. অর্থাৎ, হে মুমিনরা! তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক, নিশ্চয় কতক ধারণা পাপ। (সূরা হুজুরাত: ১২)
২. তওবা করা।
৩. আল্লাহর নিকট অন্তর সাফ হয়ে যাওয়ার জন্য দুআ করা।
৪. যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তার সুখ-শান্তির জন্য দুআ করা।
৫. মন থেকে কু-ধারণা না গেলে যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তাকে বলবে, অহেতুক আপনার প্রতি আমার বদগোমানী হয়েছে, আমাকে ক্ষমা করুন।
📄 অপব্যয়ের ওয়াসওয়াসা
শরীআতের আলোকে যে ক্ষেত্রে ব্যয় করা নিষেধ সে ক্ষেত্রে ব্যয় করাকে বলা হয় তাবযীর বা অপব্যয়। অপব্যয়ের ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের জন্য নিম্নোক্ত চিন্তাগুলো জাগ্রত করতে হবে:
১. কুরআনে কারীম অপব্যয়কারীকে 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছে।
২. অপব্যয় করা গোনাহে কবীরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা অর্থ গোনাহে ব্যয় করে নিজের অশান্তি ডেকে আনা বোকামী।
শরীআতের আলোকে যে ক্ষেত্রে ব্যয় করা নিষেধ সে ক্ষেত্রে ব্যয় করাকে বলা হয় তাবযীর বা অপব্যয়। অপব্যয়ের ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের জন্য নিম্নোক্ত চিন্তাগুলো জাগ্রত করতে হবে:
১. কুরআনে কারীম অপব্যয়কারীকে 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছে।
২. অপব্যয় করা গোনাহে কবীরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা অর্থ গোনাহে ব্যয় করে নিজের অশান্তি ডেকে আনা বোকামী।