📄 নেশার ওয়াসওয়াসা থেকে পরিত্রাণের পন্থা
কেউ মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, হিরোইন প্রভৃতি যেকোনো নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা থেকে উদ্ধার লাভ করা বেশ কঠিন। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে উদ্ধার লাভ হবে ইনশা আল্লাহ।
১. প্রথমত যেসব নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়া গেছে সেগুলোর মন্দ ও ক্ষতিকর দিকগুলো মনে বদ্ধমূল করতে হবে এবং মনে সেগুলোর প্রতি ভয়, আতংক ও ঘৃণা জাগিয়ে তুলতে হবে।
২. যেকোনো নেশাজনিত অভ্যাস হঠাৎ ত্যাগ করা মানুষের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে মন্থর গতিতে অল্প অল্প করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
৩. নিজের কাছ থেকে নেশার উপকরণ, গান-বাদ্যের উপকরণ, অশ্লীল বইপত্র ইত্যাদি দূরে সরিয়ে দিতে হবে।
৪. সবচেয়ে বড় কথা মানুষ ইচ্ছা ও সাহস করলে অনেক কঠিন কিছুও করে ফেলতে পারে— মনে এরূপ ইচ্ছা ও সাহস জাগিয়ে তুলতে হবে।
কেউ মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, হিরোইন প্রভৃতি যেকোনো নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা থেকে উদ্ধার লাভ করা বেশ কঠিন। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে উদ্ধার লাভ হবে ইনশা আল্লাহ।
১. প্রথমত যেসব নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়া গেছে সেগুলোর মন্দ ও ক্ষতিকর দিকগুলো মনে বদ্ধমূল করতে হবে এবং মনে সেগুলোর প্রতি ভয়, আতংক ও ঘৃণা জাগিয়ে তুলতে হবে।
২. যেকোনো নেশাজনিত অভ্যাস হঠাৎ ত্যাগ করা মানুষের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে মন্থর গতিতে অল্প অল্প করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
৩. নিজের কাছ থেকে নেশার উপকরণ, গান-বাদ্যের উপকরণ, অশ্লীল বইপত্র ইত্যাদি দূরে সরিয়ে দিতে হবে।
৪. সবচেয়ে বড় কথা মানুষ ইচ্ছা ও সাহস করলে অনেক কঠিন কিছুও করে ফেলতে পারে— মনে এরূপ ইচ্ছা ও সাহস জাগিয়ে তুলতে হবে।
📄 প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপারে ওয়াসওয়াসা
শয়তান মানুষকে প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপারে ওয়াছওয়াছা দিয়ে তার দ্বারা অনেক বাড়াবাড়ি ঘটিয়ে দিয়ে থাকে। প্রতিশোধ স্পৃহা উস্কে দেয়ার জন্য মনের মধ্যে শয়তান সাধারণত যে চেতনাগুলো জাগ্রত করে দেয় তার মধ্যে রয়েছে:
• ওকে দেখিয়ে ছাড়ব, ও লোক চেনেনি!
• পথের কাঁটা সাফ করে ফেলতে হবে। ও আমার পথের কাঁটা, এই কাঁটা সাফ করেই ফেলব।
• অনেক সময় মানুষ দুঃখে ক্ষোভে বলে থাকে, "ও আমার কোনো কথা মানেনি, কোনো নিষেধ শোনেনি, ও গোল্লায় যাক, আমার তাতে কিছু আসে যায় না।” এটাও এক ধরনের বদ-দুআ এবং প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকে উৎসারিত।
• অনেক সময় প্রতিশোধ গ্রহণের শক্তি না থাকলে মানুষ বলে থাকে, "ও আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, ওর জন্য আমি মুখে বদ-দুআ না করলেও আমার হাড়ে হাড়ে ওর জন্য বদ-দুআ করে।" এরূপ কথাও প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকেই উৎসারিত।
প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনাকে অন্য শব্দে বলা হয় রাগ বা গোস্বা। রাগ চরিতার্থ করা না করা মানুষের ইচ্ছার অধীন, তাই এর জন্য সে দায়ী।
শয়তান মানুষকে প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপারে ওয়াছওয়াছা দিয়ে তার দ্বারা অনেক বাড়াবাড়ি ঘটিয়ে দিয়ে থাকে। প্রতিশোধ স্পৃহা উস্কে দেয়ার জন্য মনের মধ্যে শয়তান সাধারণত যে চেতনাগুলো জাগ্রত করে দেয় তার মধ্যে রয়েছে:
• ওকে দেখিয়ে ছাড়ব, ও লোক চেনেনি!
• পথের কাঁটা সাফ করে ফেলতে হবে। ও আমার পথের কাঁটা, এই কাঁটা সাফ করেই ফেলব।
• অনেক সময় মানুষ দুঃখে ক্ষোভে বলে থাকে, "ও আমার কোনো কথা মানেনি, কোনো নিষেধ শোনেনি, ও গোল্লায় যাক, আমার তাতে কিছু আসে যায় না।” এটাও এক ধরনের বদ-দুআ এবং প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকে উৎসারিত।
• অনেক সময় প্রতিশোধ গ্রহণের শক্তি না থাকলে মানুষ বলে থাকে, "ও আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, ওর জন্য আমি মুখে বদ-দুআ না করলেও আমার হাড়ে হাড়ে ওর জন্য বদ-দুআ করে।" এরূপ কথাও প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকেই উৎসারিত।
প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনাকে অন্য শব্দে বলা হয় রাগ বা গোস্বা। রাগ চরিতার্থ করা না করা মানুষের ইচ্ছার অধীন, তাই এর জন্য সে দায়ী।
📄 রাগ দমনের পন্থাসমূহ
১. রাগ হলেই "আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম" পড়ে নেয়া।
২. "লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” পড়া।
৩. যার উপর রাগ হয় তাকে সম্মুখ থেকে সরিয়ে দেয়া বা নিজে অন্যত্র সরে যাওয়া।
৪. তারপর এ চিন্তা করা যে, সে আমার নিকট যতটুকু অপরাধী, আমি আল্লাহ্র নিকট তার চেয়ে বেশি অপরাধী। আমি যেমন চাই আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন আমারও তেমনি উচিত তাকে ক্ষমা করা।
৫. এতেও রাগ না গেলে দাঁড়ানো থাকলে বসে পড়বে, বসে থাকলে শুয়ে পড়বে।
৬. তাতেও রাগ না গেলে ঠাণ্ডা পানি পান করবে বা উযূ কিংবা গোসল করে নিবে।
৭. এই চিন্তা করবে যে, আল্লাহ্র ইচ্ছা ব্যতীত কিছুই হয় না। অতএব আমি আল্লাহ্র ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংঘর্ষ করার কে?
৮. স্বভাবগতভাবে যিনি বেশি রাগী, তার রাগ দমনের পন্থা হল— যার উপর রাগ হয় রাগ ঠান্ডা হওয়ার পর জনসমক্ষে তার হাত পা ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তার জুতো সোজা করে দিবে। দু'একবার এরূপ করলেই রাগের হুশ ফিরে আসবে।
১. রাগ হলেই "আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম" পড়ে নেয়া।
২. "লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” পড়া।
৩. যার উপর রাগ হয় তাকে সম্মুখ থেকে সরিয়ে দেয়া বা নিজে অন্যত্র সরে যাওয়া।
৪. তারপর এ চিন্তা করা যে, সে আমার নিকট যতটুকু অপরাধী, আমি আল্লাহ্র নিকট তার চেয়ে বেশি অপরাধী। আমি যেমন চাই আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন আমারও তেমনি উচিত তাকে ক্ষমা করা।
৫. এতেও রাগ না গেলে দাঁড়ানো থাকলে বসে পড়বে, বসে থাকলে শুয়ে পড়বে।
৬. তাতেও রাগ না গেলে ঠাণ্ডা পানি পান করবে বা উযূ কিংবা গোসল করে নিবে।
৭. এই চিন্তা করবে যে, আল্লাহ্র ইচ্ছা ব্যতীত কিছুই হয় না। অতএব আমি আল্লাহ্র ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংঘর্ষ করার কে?
৮. স্বভাবগতভাবে যিনি বেশি রাগী, তার রাগ দমনের পন্থা হল— যার উপর রাগ হয় রাগ ঠান্ডা হওয়ার পর জনসমক্ষে তার হাত পা ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তার জুতো সোজা করে দিবে। দু'একবার এরূপ করলেই রাগের হুশ ফিরে আসবে।
📄 মানুষের সাহায্য বা উপকারে এগিয়ে না যাওয়ার ওয়াসওয়াসা
মানুষ যেন অন্যের সাহায্যে বা উপকারে এগিয়ে না যায় সেজন্য শয়তান মনের মধ্যে কিছু চেতনা উদ্রেক করে দিয়ে থাকে। এ জাতীয় চেতনার মধ্যে রয়েছে:
• এই চেতনা যে, আমি কেন ওকে সাহায্য করব, ও আমাকে সাহায্য করেছিল? আমি কেন ওর উপকার করব, ও আমার উপকার করেছিল? একটু ভেবে দেখুন তো আপনি ওকে সাহায্য করলেন না এই যুক্তিতে যে, সে আপনাকে সাহায্য করেনি। তাহলে সে যে আপনাকে সাহায্য করেনি তারও তো যুক্তি এই থাকতে পারে যে, আপনি তাকে সাহায্য করেননি। বস্তুত প্রত্যেকেই যদি আগে সাহায্য পেয়ে তারপর সাহায্য করতে চায়, তাহলে কেউই কাউকে সাহায্য করতে পারবে না। মহানুভবতা হচ্ছে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাহায্য করা। এমনকি কেউ অপকার করার পরও তার সাহায্য ও উপকার করা হচ্ছে অতি মহানুভবতা। এক হাদীছে এসেছে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, «صِلْ مَنْ قَطَعَكَ، وَأَعْطِ مَنْ حَرَمَكَ، وَأَعْرِضْ عَمَّنْ ظَلَمَكَ.» অর্থাৎ, যে তোমার সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তুমি তার সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক জুড়ে রাখ। যে তোমাকে বঞ্চিত করে, তুমি তাকে দাও। যে তোমার প্রতি জুলুম করে তুমি তার সঙ্গে জুলুম করা থেকে এড়িয়ে চল। (মুসনাদে আহমদ)
• এই চেতনা যে, নিজে বাঁচলে বাপের নাম। নিজেরটা আগে দেখতে হবে, পরের কী হল তা দেখার সময় নেই। এটা শয়তানের উস্কে দেয়া চেতনা। প্রত্যেকেই যদি নিজেরটাই দেখে তাহলে দুনিয়া একটা অসামাজিক ও নিষ্ঠুর গারদখানায় পরিণত হবে। সমাজের লোকদের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হবে।
মানুষ যেন অন্যের সাহায্যে বা উপকারে এগিয়ে না যায় সেজন্য শয়তান মনের মধ্যে কিছু চেতনা উদ্রেক করে দিয়ে থাকে। এ জাতীয় চেতনার মধ্যে রয়েছে:
• এই চেতনা যে, আমি কেন ওকে সাহায্য করব, ও আমাকে সাহায্য করেছিল? আমি কেন ওর উপকার করব, ও আমার উপকার করেছিল? একটু ভেবে দেখুন তো আপনি ওকে সাহায্য করলেন না এই যুক্তিতে যে, সে আপনাকে সাহায্য করেনি। তাহলে সে যে আপনাকে সাহায্য করেনি তারও তো যুক্তি এই থাকতে পারে যে, আপনি তাকে সাহায্য করেননি। বস্তুত প্রত্যেকেই যদি আগে সাহায্য পেয়ে তারপর সাহায্য করতে চায়, তাহলে কেউই কাউকে সাহায্য করতে পারবে না। মহানুভবতা হচ্ছে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাহায্য করা। এমনকি কেউ অপকার করার পরও তার সাহায্য ও উপকার করা হচ্ছে অতি মহানুভবতা। এক হাদীছে এসেছে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, «صِلْ مَنْ قَطَعَكَ، وَأَعْطِ مَنْ حَرَمَكَ، وَأَعْرِضْ عَمَّنْ ظَلَمَكَ.» অর্থাৎ, যে তোমার সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তুমি তার সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক জুড়ে রাখ। যে তোমাকে বঞ্চিত করে, তুমি তাকে দাও। যে তোমার প্রতি জুলুম করে তুমি তার সঙ্গে জুলুম করা থেকে এড়িয়ে চল। (মুসনাদে আহমদ)
• এই চেতনা যে, নিজে বাঁচলে বাপের নাম। নিজেরটা আগে দেখতে হবে, পরের কী হল তা দেখার সময় নেই। এটা শয়তানের উস্কে দেয়া চেতনা। প্রত্যেকেই যদি নিজেরটাই দেখে তাহলে দুনিয়া একটা অসামাজিক ও নিষ্ঠুর গারদখানায় পরিণত হবে। সমাজের লোকদের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হবে।