📄 হস্তমৈথুন করার ওয়াসওয়াসা
যেসব ছেলেরা আল্লাহর ভয়ের কারণে বা পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক ও পরিবেশগত বাধা কিংবা গুরুজনদের কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে যেনা করতে পারে না, শয়তান তাদেরকে হস্তমৈথুনের প্রতি উৎসাহিত করে। অনেক সময় উত্তেজক খাদ্য-খাবার গ্রহণের কারণেও যৌন-চাহিদা বৃদ্ধি পায়। আর স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা না থাকায় হস্তমৈথুনকেই বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেয়া হয়। তাই শারীরিক বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে উত্তেজক খাদ্য-খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া চাই। হস্তমৈথুনের ওয়াছওয়াছা হলে মনকে এই বলে বোঝানো যে, এভাবে আমার যৌন-শক্তি অপচয় করলে ভবিষ্যতে বৈবাহিক জীবনে স্ত্রীর কাছে অপারগ হয়ে পড়তে পারি, তাহলে আর লজ্জার সীমা থাকবে না। মনকে আরও বোঝাতে হবে হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, আকারে ছোট হয়ে যেতে পারে, নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে। এভাবে মনকে বোঝালে হস্তমৈথুনের চেতনা হ্রাস পাবে। তারপরও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে মাঝে মধ্যে নফল রোযা রাখবে। যেসমস্ত জিনিস দেখলে বা যা শুনলে বা যা পাঠ করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে তা থেকে বিরত থাকবে।
যেসব ছেলেরা আল্লাহর ভয়ের কারণে বা পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক ও পরিবেশগত বাধা কিংবা গুরুজনদের কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে যেনা করতে পারে না, শয়তান তাদেরকে হস্তমৈথুনের প্রতি উৎসাহিত করে। অনেক সময় উত্তেজক খাদ্য-খাবার গ্রহণের কারণেও যৌন-চাহিদা বৃদ্ধি পায়। আর স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা না থাকায় হস্তমৈথুনকেই বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেয়া হয়। তাই শারীরিক বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে উত্তেজক খাদ্য-খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া চাই। হস্তমৈথুনের ওয়াছওয়াছা হলে মনকে এই বলে বোঝানো যে, এভাবে আমার যৌন-শক্তি অপচয় করলে ভবিষ্যতে বৈবাহিক জীবনে স্ত্রীর কাছে অপারগ হয়ে পড়তে পারি, তাহলে আর লজ্জার সীমা থাকবে না। মনকে আরও বোঝাতে হবে হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, আকারে ছোট হয়ে যেতে পারে, নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে। এভাবে মনকে বোঝালে হস্তমৈথুনের চেতনা হ্রাস পাবে। তারপরও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে মাঝে মধ্যে নফল রোযা রাখবে। যেসমস্ত জিনিস দেখলে বা যা শুনলে বা যা পাঠ করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে তা থেকে বিরত থাকবে।
📄 নেশার ওয়াসওয়াসা
শয়তান নেশায় অভ্যস্ত করানোর জন্য ওয়াছওয়াছা দিয়ে থাকে এরূপ— একদিন সিগারেটে একটা টান দিয়ে দেখি না কেমন লাগে? একবার না হয় মদের এক চুমুক খেয়ে দেখি? এভাবে নফছ ও শয়তান মনের মধ্যে একবার পরীক্ষা করার কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। মনের মধ্যে এরূপ কৌতূহল জাগলে মনকে বলতে হবে, যেটা সকলেই খারাপ বলছে সেটা পরীক্ষা করার এমন কী প্রয়োজনটা দেখা দিল? আমি কি দুনিয়ার সবকিছু পরীক্ষা করার জন্য আমার মুখ ও পেটকে ল্যাবরেটরি বানিয়েছি? তাহলে তো একবার গু-ও খেয়ে দেখতে হয় তার স্বাদটা কেমন!
কারও কারও ক্ষেত্রে এমন হয় যে, সে কোন মানসিক বিপর্যয়ে পড়েছে বা দুঃখ পেয়েছে আর শয়তান তাকে বোঝাল যে, নেশা করলে সব দুঃখ ভুলে যাবে। ব্যস সে দুঃখ ভুলে থাকার জন্য নেশা করতে আরম্ভ করল। কিন্তু ভেবে দেখল না নেশার ঘোর কাটার পর তো আবার দুঃখের কথা স্মরণ হবে। নেশা করলে চেতনা লোপ পায় তাই তখন দুঃখ সুখ কোন চেতনাই থাকে না। অতএব দুঃখ কিছুক্ষণের জন্য ভুলতে না পারলে নেশা না করে ঘুমানোর পন্থা গ্রহণ করুন। এর চেয়ে ভাল পন্থা হল যিকির শুরু করুন, কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকুন। এটাই হচ্ছে মানসিক দুঃখ-কষ্ট থেকে স্বস্তি লাভের ও মানসিক অশান্তি লাঘবের সবচেয়ে ভাল পন্থা।
শয়তান নেশায় অভ্যস্ত করানোর জন্য ওয়াছওয়াছা দিয়ে থাকে এরূপ— একদিন সিগারেটে একটা টান দিয়ে দেখি না কেমন লাগে? একবার না হয় মদের এক চুমুক খেয়ে দেখি? এভাবে নফছ ও শয়তান মনের মধ্যে একবার পরীক্ষা করার কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। মনের মধ্যে এরূপ কৌতূহল জাগলে মনকে বলতে হবে, যেটা সকলেই খারাপ বলছে সেটা পরীক্ষা করার এমন কী প্রয়োজনটা দেখা দিল? আমি কি দুনিয়ার সবকিছু পরীক্ষা করার জন্য আমার মুখ ও পেটকে ল্যাবরেটরি বানিয়েছি? তাহলে তো একবার গু-ও খেয়ে দেখতে হয় তার স্বাদটা কেমন!
কারও কারও ক্ষেত্রে এমন হয় যে, সে কোন মানসিক বিপর্যয়ে পড়েছে বা দুঃখ পেয়েছে আর শয়তান তাকে বোঝাল যে, নেশা করলে সব দুঃখ ভুলে যাবে। ব্যস সে দুঃখ ভুলে থাকার জন্য নেশা করতে আরম্ভ করল। কিন্তু ভেবে দেখল না নেশার ঘোর কাটার পর তো আবার দুঃখের কথা স্মরণ হবে। নেশা করলে চেতনা লোপ পায় তাই তখন দুঃখ সুখ কোন চেতনাই থাকে না। অতএব দুঃখ কিছুক্ষণের জন্য ভুলতে না পারলে নেশা না করে ঘুমানোর পন্থা গ্রহণ করুন। এর চেয়ে ভাল পন্থা হল যিকির শুরু করুন, কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকুন। এটাই হচ্ছে মানসিক দুঃখ-কষ্ট থেকে স্বস্তি লাভের ও মানসিক অশান্তি লাঘবের সবচেয়ে ভাল পন্থা।
📄 নেশার ওয়াসওয়াসা থেকে পরিত্রাণের পন্থা
কেউ মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, হিরোইন প্রভৃতি যেকোনো নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা থেকে উদ্ধার লাভ করা বেশ কঠিন। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে উদ্ধার লাভ হবে ইনশা আল্লাহ।
১. প্রথমত যেসব নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়া গেছে সেগুলোর মন্দ ও ক্ষতিকর দিকগুলো মনে বদ্ধমূল করতে হবে এবং মনে সেগুলোর প্রতি ভয়, আতংক ও ঘৃণা জাগিয়ে তুলতে হবে।
২. যেকোনো নেশাজনিত অভ্যাস হঠাৎ ত্যাগ করা মানুষের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে মন্থর গতিতে অল্প অল্প করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
৩. নিজের কাছ থেকে নেশার উপকরণ, গান-বাদ্যের উপকরণ, অশ্লীল বইপত্র ইত্যাদি দূরে সরিয়ে দিতে হবে।
৪. সবচেয়ে বড় কথা মানুষ ইচ্ছা ও সাহস করলে অনেক কঠিন কিছুও করে ফেলতে পারে— মনে এরূপ ইচ্ছা ও সাহস জাগিয়ে তুলতে হবে।
কেউ মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, হিরোইন প্রভৃতি যেকোনো নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা থেকে উদ্ধার লাভ করা বেশ কঠিন। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে উদ্ধার লাভ হবে ইনশা আল্লাহ।
১. প্রথমত যেসব নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়া গেছে সেগুলোর মন্দ ও ক্ষতিকর দিকগুলো মনে বদ্ধমূল করতে হবে এবং মনে সেগুলোর প্রতি ভয়, আতংক ও ঘৃণা জাগিয়ে তুলতে হবে।
২. যেকোনো নেশাজনিত অভ্যাস হঠাৎ ত্যাগ করা মানুষের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে মন্থর গতিতে অল্প অল্প করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
৩. নিজের কাছ থেকে নেশার উপকরণ, গান-বাদ্যের উপকরণ, অশ্লীল বইপত্র ইত্যাদি দূরে সরিয়ে দিতে হবে।
৪. সবচেয়ে বড় কথা মানুষ ইচ্ছা ও সাহস করলে অনেক কঠিন কিছুও করে ফেলতে পারে— মনে এরূপ ইচ্ছা ও সাহস জাগিয়ে তুলতে হবে।
📄 প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপারে ওয়াসওয়াসা
শয়তান মানুষকে প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপারে ওয়াছওয়াছা দিয়ে তার দ্বারা অনেক বাড়াবাড়ি ঘটিয়ে দিয়ে থাকে। প্রতিশোধ স্পৃহা উস্কে দেয়ার জন্য মনের মধ্যে শয়তান সাধারণত যে চেতনাগুলো জাগ্রত করে দেয় তার মধ্যে রয়েছে:
• ওকে দেখিয়ে ছাড়ব, ও লোক চেনেনি!
• পথের কাঁটা সাফ করে ফেলতে হবে। ও আমার পথের কাঁটা, এই কাঁটা সাফ করেই ফেলব।
• অনেক সময় মানুষ দুঃখে ক্ষোভে বলে থাকে, "ও আমার কোনো কথা মানেনি, কোনো নিষেধ শোনেনি, ও গোল্লায় যাক, আমার তাতে কিছু আসে যায় না।” এটাও এক ধরনের বদ-দুআ এবং প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকে উৎসারিত।
• অনেক সময় প্রতিশোধ গ্রহণের শক্তি না থাকলে মানুষ বলে থাকে, "ও আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, ওর জন্য আমি মুখে বদ-দুআ না করলেও আমার হাড়ে হাড়ে ওর জন্য বদ-দুআ করে।" এরূপ কথাও প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকেই উৎসারিত।
প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনাকে অন্য শব্দে বলা হয় রাগ বা গোস্বা। রাগ চরিতার্থ করা না করা মানুষের ইচ্ছার অধীন, তাই এর জন্য সে দায়ী।
শয়তান মানুষকে প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপারে ওয়াছওয়াছা দিয়ে তার দ্বারা অনেক বাড়াবাড়ি ঘটিয়ে দিয়ে থাকে। প্রতিশোধ স্পৃহা উস্কে দেয়ার জন্য মনের মধ্যে শয়তান সাধারণত যে চেতনাগুলো জাগ্রত করে দেয় তার মধ্যে রয়েছে:
• ওকে দেখিয়ে ছাড়ব, ও লোক চেনেনি!
• পথের কাঁটা সাফ করে ফেলতে হবে। ও আমার পথের কাঁটা, এই কাঁটা সাফ করেই ফেলব।
• অনেক সময় মানুষ দুঃখে ক্ষোভে বলে থাকে, "ও আমার কোনো কথা মানেনি, কোনো নিষেধ শোনেনি, ও গোল্লায় যাক, আমার তাতে কিছু আসে যায় না।” এটাও এক ধরনের বদ-দুআ এবং প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকে উৎসারিত।
• অনেক সময় প্রতিশোধ গ্রহণের শক্তি না থাকলে মানুষ বলে থাকে, "ও আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, ওর জন্য আমি মুখে বদ-দুআ না করলেও আমার হাড়ে হাড়ে ওর জন্য বদ-দুআ করে।" এরূপ কথাও প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনা থেকেই উৎসারিত।
প্রতিশোধ গ্রহণের চেতনাকে অন্য শব্দে বলা হয় রাগ বা গোস্বা। রাগ চরিতার্থ করা না করা মানুষের ইচ্ছার অধীন, তাই এর জন্য সে দায়ী।