📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 অবৈধ প্রেম করার ওয়াসওয়াসা

📄 অবৈধ প্রেম করার ওয়াসওয়াসা


যৌবনে কোন নারীর সাথে প্রেম করার ওয়াছওয়াছায় আক্রান্ত হওয়া যুবকের সংখ্যা একেবারে কম নয়। অনেক যুবক সুন্দর বালকের সঙ্গে প্রেম করার ওয়াছওয়াছায়ও আক্রান্ত হয়ে থাকে। অনেক সময় শয়তান বোঝায় যে, প্রেম করা খারাপ হবে কেন, প্রেম তো একটা পবিত্র জিনিস! কিন্তু এই পবিত্র প্রেমের পরিণাম যে অপবিত্র কর্মকাণ্ডের দিকে গড়ায় তা কি অস্বীকার করা যাবে? কোন নারী বা সুন্দর বালকের অবৈধ প্রেমে পড়লে তা থেকে পরিত্রাণের জন্য যা যা করতে হবে তা হল—
১. প্রথমত বুঝতে হবে যে, সাহস, কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করা ব্যতীত কোনো সহজ কাজও হয় না। শরীরের সামান্য রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে গেলেও তিতা ওষুধ সেবন করতে হয়। অভ্যন্তরীণ রোগের ক্ষেত্রে আরও বেশি ত্যাগ ও কষ্ট স্বীকারের জন্য মনকে প্রস্তুত করতে হবে।
২. যার প্রেমে পড়া গেছে তার সাথে কথা-বার্তা, দেখা-শোনা, আসা-যাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। অন্য কেউ তার আলোচনা করলে তাকে বাধা দিতে হবে এবং পরিকল্পিতভাবে তার সমালোচনা করতে থাকবে।
৩. একটা নির্জন সময়ে গোসল করে পরিষ্কার কাপড় পরিধান করে আতর ও সুগন্ধি মেখে দুই রাকআত তওবার নামায পড়বে এবং কেবলামুখী অবস্থায় বসে খুব তওবা-এস্তেগফার করে এই বিপদ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহ্র নিকট দুআ করবে এবং পাঁচশত থেকে এক হাজার বার লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ এর যিকির করবে। লা-ইলাহা বলার সময় ঘাড় ডান দিকে ঘুরাবে এবং এই ধ্যান করবে যে, আল্লাহ ব্যতীত সবকিছুকে অন্তর থেকে বের করে দিলাম। অতঃপর ইল্লাল্লাহ বলার সময় বাম স্তনের সামান্য নিচের দিকে খেয়াল করে মাথা সেদিকে সজোরে ঝুঁকাবে আর ধ্যান করবে যে, আল্লাহ্র মহব্বত অন্তরে গেঁথে দিলাম।
৪. দোযখের বর্ণনা এবং আল্লাহ্ নাফরমানীর কারণে আল্লাহ কিরূপ অসন্তুষ্ট হন— এ জাতীয় বর্ণনা আছে এমন কোন কিতাব বা হাদীছের গ্রন্থ পাঠ করবে।
৫. একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্জনে বসে এ চিন্তা করবে যে, আমি কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ্র সামনে দণ্ডায়মান রয়েছি আর আল্লাহ আমাকে ধমক দিয়ে বলছেন, "হে বেহায়া, বেশরম! তোমার লজ্জা হয় না, আমাকে ছেড়ে একটা মুরদার দিকে ঝুঁকে পড়লে? এর জন্য তোমাকে আমি পয়দা করেছিলাম? বেহায়া, আমার দেয়া চোখ আমার দেয়া অন্তরকে তুমি আমার নাফরমানীর কাজে ব্যবহার করলে? তোমার শরম হয় না? ইত্যাদি।

যৌবনে কোন নারীর সাথে প্রেম করার ওয়াছওয়াছায় আক্রান্ত হওয়া যুবকের সংখ্যা একেবারে কম নয়। অনেক যুবক সুন্দর বালকের সঙ্গে প্রেম করার ওয়াছওয়াছায়ও আক্রান্ত হয়ে থাকে। অনেক সময় শয়তান বোঝায় যে, প্রেম করা খারাপ হবে কেন, প্রেম তো একটা পবিত্র জিনিস! কিন্তু এই পবিত্র প্রেমের পরিণাম যে অপবিত্র কর্মকাণ্ডের দিকে গড়ায় তা কি অস্বীকার করা যাবে? কোন নারী বা সুন্দর বালকের অবৈধ প্রেমে পড়লে তা থেকে পরিত্রাণের জন্য যা যা করতে হবে তা হল—
১. প্রথমত বুঝতে হবে যে, সাহস, কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করা ব্যতীত কোনো সহজ কাজও হয় না। শরীরের সামান্য রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে গেলেও তিতা ওষুধ সেবন করতে হয়। অভ্যন্তরীণ রোগের ক্ষেত্রে আরও বেশি ত্যাগ ও কষ্ট স্বীকারের জন্য মনকে প্রস্তুত করতে হবে।
২. যার প্রেমে পড়া গেছে তার সাথে কথা-বার্তা, দেখা-শোনা, আসা-যাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। অন্য কেউ তার আলোচনা করলে তাকে বাধা দিতে হবে এবং পরিকল্পিতভাবে তার সমালোচনা করতে থাকবে।
৩. একটা নির্জন সময়ে গোসল করে পরিষ্কার কাপড় পরিধান করে আতর ও সুগন্ধি মেখে দুই রাকআত তওবার নামায পড়বে এবং কেবলামুখী অবস্থায় বসে খুব তওবা-এস্তেগফার করে এই বিপদ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহ্র নিকট দুআ করবে এবং পাঁচশত থেকে এক হাজার বার লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ এর যিকির করবে। লা-ইলাহা বলার সময় ঘাড় ডান দিকে ঘুরাবে এবং এই ধ্যান করবে যে, আল্লাহ ব্যতীত সবকিছুকে অন্তর থেকে বের করে দিলাম। অতঃপর ইল্লাল্লাহ বলার সময় বাম স্তনের সামান্য নিচের দিকে খেয়াল করে মাথা সেদিকে সজোরে ঝুঁকাবে আর ধ্যান করবে যে, আল্লাহ্র মহব্বত অন্তরে গেঁথে দিলাম।
৪. দোযখের বর্ণনা এবং আল্লাহ্ নাফরমানীর কারণে আল্লাহ কিরূপ অসন্তুষ্ট হন— এ জাতীয় বর্ণনা আছে এমন কোন কিতাব বা হাদীছের গ্রন্থ পাঠ করবে।
৫. একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্জনে বসে এ চিন্তা করবে যে, আমি কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ্র সামনে দণ্ডায়মান রয়েছি আর আল্লাহ আমাকে ধমক দিয়ে বলছেন, "হে বেহায়া, বেশরম! তোমার লজ্জা হয় না, আমাকে ছেড়ে একটা মুরদার দিকে ঝুঁকে পড়লে? এর জন্য তোমাকে আমি পয়দা করেছিলাম? বেহায়া, আমার দেয়া চোখ আমার দেয়া অন্তরকে তুমি আমার নাফরমানীর কাজে ব্যবহার করলে? তোমার শরম হয় না? ইত্যাদি।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 হস্তমৈথুন করার ওয়াসওয়াসা

📄 হস্তমৈথুন করার ওয়াসওয়াসা


যেসব ছেলেরা আল্লাহর ভয়ের কারণে বা পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক ও পরিবেশগত বাধা কিংবা গুরুজনদের কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে যেনা করতে পারে না, শয়তান তাদেরকে হস্তমৈথুনের প্রতি উৎসাহিত করে। অনেক সময় উত্তেজক খাদ্য-খাবার গ্রহণের কারণেও যৌন-চাহিদা বৃদ্ধি পায়। আর স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা না থাকায় হস্তমৈথুনকেই বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেয়া হয়। তাই শারীরিক বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে উত্তেজক খাদ্য-খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া চাই। হস্তমৈথুনের ওয়াছওয়াছা হলে মনকে এই বলে বোঝানো যে, এভাবে আমার যৌন-শক্তি অপচয় করলে ভবিষ্যতে বৈবাহিক জীবনে স্ত্রীর কাছে অপারগ হয়ে পড়তে পারি, তাহলে আর লজ্জার সীমা থাকবে না। মনকে আরও বোঝাতে হবে হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, আকারে ছোট হয়ে যেতে পারে, নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে। এভাবে মনকে বোঝালে হস্তমৈথুনের চেতনা হ্রাস পাবে। তারপরও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে মাঝে মধ্যে নফল রোযা রাখবে। যেসমস্ত জিনিস দেখলে বা যা শুনলে বা যা পাঠ করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে তা থেকে বিরত থাকবে।

যেসব ছেলেরা আল্লাহর ভয়ের কারণে বা পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক ও পরিবেশগত বাধা কিংবা গুরুজনদের কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে যেনা করতে পারে না, শয়তান তাদেরকে হস্তমৈথুনের প্রতি উৎসাহিত করে। অনেক সময় উত্তেজক খাদ্য-খাবার গ্রহণের কারণেও যৌন-চাহিদা বৃদ্ধি পায়। আর স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা না থাকায় হস্তমৈথুনকেই বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেয়া হয়। তাই শারীরিক বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে উত্তেজক খাদ্য-খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া চাই। হস্তমৈথুনের ওয়াছওয়াছা হলে মনকে এই বলে বোঝানো যে, এভাবে আমার যৌন-শক্তি অপচয় করলে ভবিষ্যতে বৈবাহিক জীবনে স্ত্রীর কাছে অপারগ হয়ে পড়তে পারি, তাহলে আর লজ্জার সীমা থাকবে না। মনকে আরও বোঝাতে হবে হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, আকারে ছোট হয়ে যেতে পারে, নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে। এভাবে মনকে বোঝালে হস্তমৈথুনের চেতনা হ্রাস পাবে। তারপরও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে মাঝে মধ্যে নফল রোযা রাখবে। যেসমস্ত জিনিস দেখলে বা যা শুনলে বা যা পাঠ করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে তা থেকে বিরত থাকবে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 নেশার ওয়াসওয়াসা

📄 নেশার ওয়াসওয়াসা


শয়তান নেশায় অভ্যস্ত করানোর জন্য ওয়াছওয়াছা দিয়ে থাকে এরূপ— একদিন সিগারেটে একটা টান দিয়ে দেখি না কেমন লাগে? একবার না হয় মদের এক চুমুক খেয়ে দেখি? এভাবে নফছ ও শয়তান মনের মধ্যে একবার পরীক্ষা করার কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। মনের মধ্যে এরূপ কৌতূহল জাগলে মনকে বলতে হবে, যেটা সকলেই খারাপ বলছে সেটা পরীক্ষা করার এমন কী প্রয়োজনটা দেখা দিল? আমি কি দুনিয়ার সবকিছু পরীক্ষা করার জন্য আমার মুখ ও পেটকে ল্যাবরেটরি বানিয়েছি? তাহলে তো একবার গু-ও খেয়ে দেখতে হয় তার স্বাদটা কেমন!

কারও কারও ক্ষেত্রে এমন হয় যে, সে কোন মানসিক বিপর্যয়ে পড়েছে বা দুঃখ পেয়েছে আর শয়তান তাকে বোঝাল যে, নেশা করলে সব দুঃখ ভুলে যাবে। ব্যস সে দুঃখ ভুলে থাকার জন্য নেশা করতে আরম্ভ করল। কিন্তু ভেবে দেখল না নেশার ঘোর কাটার পর তো আবার দুঃখের কথা স্মরণ হবে। নেশা করলে চেতনা লোপ পায় তাই তখন দুঃখ সুখ কোন চেতনাই থাকে না। অতএব দুঃখ কিছুক্ষণের জন্য ভুলতে না পারলে নেশা না করে ঘুমানোর পন্থা গ্রহণ করুন। এর চেয়ে ভাল পন্থা হল যিকির শুরু করুন, কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকুন। এটাই হচ্ছে মানসিক দুঃখ-কষ্ট থেকে স্বস্তি লাভের ও মানসিক অশান্তি লাঘবের সবচেয়ে ভাল পন্থা।

শয়তান নেশায় অভ্যস্ত করানোর জন্য ওয়াছওয়াছা দিয়ে থাকে এরূপ— একদিন সিগারেটে একটা টান দিয়ে দেখি না কেমন লাগে? একবার না হয় মদের এক চুমুক খেয়ে দেখি? এভাবে নফছ ও শয়তান মনের মধ্যে একবার পরীক্ষা করার কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। মনের মধ্যে এরূপ কৌতূহল জাগলে মনকে বলতে হবে, যেটা সকলেই খারাপ বলছে সেটা পরীক্ষা করার এমন কী প্রয়োজনটা দেখা দিল? আমি কি দুনিয়ার সবকিছু পরীক্ষা করার জন্য আমার মুখ ও পেটকে ল্যাবরেটরি বানিয়েছি? তাহলে তো একবার গু-ও খেয়ে দেখতে হয় তার স্বাদটা কেমন!

কারও কারও ক্ষেত্রে এমন হয় যে, সে কোন মানসিক বিপর্যয়ে পড়েছে বা দুঃখ পেয়েছে আর শয়তান তাকে বোঝাল যে, নেশা করলে সব দুঃখ ভুলে যাবে। ব্যস সে দুঃখ ভুলে থাকার জন্য নেশা করতে আরম্ভ করল। কিন্তু ভেবে দেখল না নেশার ঘোর কাটার পর তো আবার দুঃখের কথা স্মরণ হবে। নেশা করলে চেতনা লোপ পায় তাই তখন দুঃখ সুখ কোন চেতনাই থাকে না। অতএব দুঃখ কিছুক্ষণের জন্য ভুলতে না পারলে নেশা না করে ঘুমানোর পন্থা গ্রহণ করুন। এর চেয়ে ভাল পন্থা হল যিকির শুরু করুন, কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকুন। এটাই হচ্ছে মানসিক দুঃখ-কষ্ট থেকে স্বস্তি লাভের ও মানসিক অশান্তি লাঘবের সবচেয়ে ভাল পন্থা।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 নেশার ওয়াসওয়াসা থেকে পরিত্রাণের পন্থা

📄 নেশার ওয়াসওয়াসা থেকে পরিত্রাণের পন্থা


কেউ মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, হিরোইন প্রভৃতি যেকোনো নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা থেকে উদ্ধার লাভ করা বেশ কঠিন। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে উদ্ধার লাভ হবে ইনশা আল্লাহ।
১. প্রথমত যেসব নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়া গেছে সেগুলোর মন্দ ও ক্ষতিকর দিকগুলো মনে বদ্ধমূল করতে হবে এবং মনে সেগুলোর প্রতি ভয়, আতংক ও ঘৃণা জাগিয়ে তুলতে হবে।
২. যেকোনো নেশাজনিত অভ্যাস হঠাৎ ত্যাগ করা মানুষের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে মন্থর গতিতে অল্প অল্প করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
৩. নিজের কাছ থেকে নেশার উপকরণ, গান-বাদ্যের উপকরণ, অশ্লীল বইপত্র ইত্যাদি দূরে সরিয়ে দিতে হবে।
৪. সবচেয়ে বড় কথা মানুষ ইচ্ছা ও সাহস করলে অনেক কঠিন কিছুও করে ফেলতে পারে— মনে এরূপ ইচ্ছা ও সাহস জাগিয়ে তুলতে হবে।

কেউ মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, হিরোইন প্রভৃতি যেকোনো নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা থেকে উদ্ধার লাভ করা বেশ কঠিন। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে উদ্ধার লাভ হবে ইনশা আল্লাহ।
১. প্রথমত যেসব নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়া গেছে সেগুলোর মন্দ ও ক্ষতিকর দিকগুলো মনে বদ্ধমূল করতে হবে এবং মনে সেগুলোর প্রতি ভয়, আতংক ও ঘৃণা জাগিয়ে তুলতে হবে।
২. যেকোনো নেশাজনিত অভ্যাস হঠাৎ ত্যাগ করা মানুষের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে মন্থর গতিতে অল্প অল্প করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
৩. নিজের কাছ থেকে নেশার উপকরণ, গান-বাদ্যের উপকরণ, অশ্লীল বইপত্র ইত্যাদি দূরে সরিয়ে দিতে হবে।
৪. সবচেয়ে বড় কথা মানুষ ইচ্ছা ও সাহস করলে অনেক কঠিন কিছুও করে ফেলতে পারে— মনে এরূপ ইচ্ছা ও সাহস জাগিয়ে তুলতে হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px