📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 পর্দার বিষয়টাকে আমাদের হুজুররাই বেশি কড়া করে ফেলেছে

📄 পর্দার বিষয়টাকে আমাদের হুজুররাই বেশি কড়া করে ফেলেছে


উত্তর: পর্দার কড়া নির্দেশ কুরআন-হাদীছেই এসেছে। হুজুররা তথা আলেমরা এ ব্যাপারে মোটেই বাড়িয়ে কিছু বলেন না। আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমে সূরা আহযাবে ইরশাদ করেছেন,
وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرُّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى وَأَقِمْنَ الصَّلَاةَ وَاتِينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ .
অর্থাৎ, (হে নারীগণ!) তোমরা গৃহের মধ্যে অবস্থান করবে, অজ্ঞ যুগের নারীদের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। আর নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। (সূরা আহযাব: ৩৩)
উক্ত সূরার অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে,
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ .
অর্থাৎ, হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রীদেরকে, কন্যাদেরকে এবং মুমিনদের নারীদেরকে বলে দাও, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। (সূরা আহযাব: ৫৯)
রিওয়ায়াতে বর্ণিত আছে এই চাদর উড়নার উপর পরিধান করা হত এবং চেহারার উপর তা ঝুলিয়ে দিয়ে মুখমণ্ডল ঢেকে দেয়া হত। হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে— এই চাদর মাথা থেকে পা পর্যন্ত লম্বা হত এবং মাথার উপর দিয়ে ছেড়ে দিয়ে চেহারা ঢেকে দেয়া হত। এ দুই আয়াতসহ আরও কয়েকটি আয়াত ও একাধিক হাদীছের ভিত্তিতে পর্দা ফরয সাব্যস্ত হয়েছে। উলামায়ে কেরাম তা-ই বলেন, তারা এ ব্যাপারে মোটেই অতিরিক্ত কোন কড়াকড়ি বাড়াবাড়ি করেন না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px