📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে যে দম আঁটকে মরে যেতে হবে!
উত্তর: যারা পর্দা মেনে চলছে তারা কি দম আঁটকে মরে যাচ্ছে? আলেম উলামা, পীর বুযুর্গ, দ্বীনদার পরহেযগার মানুষ যাদের স্ত্রীরা পর্দা করে তাদের কেউ পর্দা করার কারণে দম আঁটকে মরে গেছে বলে কোন খবর কোনোদিন পাওয়া গেছে কি?
📄 পর্দা করা আসলে খুব কঠিন, পর্দা মেনে চলা সম্ভব নয়
উত্তর: যারা পর্দা মেনে চলছে তাদের পক্ষে কীকরে সম্ভব হচ্ছে? বরং যারা মেনে চলছে তাদের পক্ষে পর্দা লংঘন করাই অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। পর্দা মেনে চলতেই তাদের ভাল লাগে, পর্দা লংঘন করতে তাদের কাছে খারাপ লাগে। বুঝা গেল অভ্যাস করলে পর্দা বিধান মেনে চলা কষ্টকর থাকে না। যেমন শরীয়তের অন্যান্য আমল শুরু করার পর কষ্টবোধ লাঘব হয়ে যায়। আসলে নিজেকে যেভাবে অভ্যস্ত করানো যায়, তা-ই সহজ হয়ে যায় এবং ভাল লাগে।
📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে জীবনের আনন্দ-ফুর্তি সব শেষ হয়ে যাবে
উত্তর: যারা পর্দা মেনে চলছে তাদের জীবন কি আনন্দহীন? বরং পর্দা মেনে চললে তাদের পারিবারিক জীবনের আনন্দ অটুট থাকে। নারীরা পর্দা না মেনে পর পুরুষদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও মেলামেশা করলে অনেক সময় স্বামীদের মনে সন্দেহ দেখা দেয় এবং তার থেকে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক জীবনে অশান্তি আসে। পর্দা পারিবারিক জীবনে সন্দেহ সৃষ্টির পথকে রুদ্ধ করে দেয়। দাম্পত্য জীবনের আনন্দকে অটুট রাখে। পক্ষান্তরে পর্দা লংঘন দাম্পত্য জীবনের আনন্দে চিড় ধরায়।
📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে আত্মীয়-স্বজনরা অসন্তুষ্ট হয়ে যায়
উত্তর: কোনো আত্মীয়-স্বজনকে খুশি করা বড় কথা নয়, বড় কথা আল্লাহকে খুশি করা। আল্লাহ্ হুকুম মানার কারণে যদি কোনো আত্মীয় অখুশি হয়, তাহলে সেই অখুশির কোনো পরোয়া করা চাই না। তাছাড়া কোন পরিবারে যখন পর্দার নিয়ম স্থায়ী হয়ে যায় তখন আত্মীয়-স্বজনও সেটাকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়। প্রথম পর্যায়ে পর্দা অপছন্দকারী আত্মীয়-স্বজন একটু মেনে নিতে ইতস্তত করলেও পরবর্তীতে তারাও তা মেনে নেয়।