📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 পর্দা প্রথা জাতিকে পিছিয়ে দেয়, পর্দা উন্নতির অন্তরায়

📄 পর্দা প্রথা জাতিকে পিছিয়ে দেয়, পর্দা উন্নতির অন্তরায়


উত্তর: এটা ভুল ব্যাখ্যা। পর্দা না করার সাথে জাগতিক উন্নতির কোনো সম্পর্ক নেই। জাগতিক উন্নতি তথা অর্থনৈতিক উন্নতির সম্পর্ক হচ্ছে সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা, নিরলস শ্রম ইত্যাদির সাথে। পক্ষান্তরে অসততা তথা কর্মে ফাঁকি, দায়িত্বে অবহেলা, অলসতা ইত্যাদি হচ্ছে উন্নতির অন্তরায়। নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা দ্বারা আসলে কোনো উন্নতি হয় কি? এর দ্বারা কি অর্থনীতির উন্নতি হবে? এর দ্বারা কি অফিস-আদালতের অনিয়ম দূর হবে? এর দ্বারা কি দুর্নীতি দূর হবে? এর দ্বারা কি কর্মদক্ষতা বাড়বে? এর দ্বারা কি কাজের নিষ্ঠা বাড়বে? এর দ্বারা কি দায়িত্ববোধ বাড়বে? একজন নারীকে অফিস-আদালতে উলঙ্গ করে রাখলে তাতে কি পুরুষদের কর্মের চিন্তা বৃদ্ধি পাবে না কুকর্মের চিন্তা বৃদ্ধি পাবে? একটু বিবেক দিয়ে মুক্তমনে চিন্তা করে দেখলে খুব সহজেই বুঝা যায় আসলে উন্নতি হয় নিষ্ঠা, সততা, দায়িত্ববোধ এইসব গুণের কারণে। এইসব গুণের দ্বারাই উন্নতি আসে। এগুলো তো ইসলামের শিক্ষা দেয়া নীতি। পশ্চিমারা এই ইসলামী শিক্ষা ও নীতি গ্রহণ করেছে, ফলে তারা উন্নতি করেছে। অথচ আমরা ভাবছি তারা উন্নত হয়েছে পর্দা বর্জন করার কারণে, উলঙ্গপনার কারণে। বস্তুত যেগুলো ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক উন্নতির মূলনীতি, সেগুলো অবলম্বন করার ফলেই তারা উন্নতি করেছে। আমরা মুসলমান জাতি সেসব অবলম্বন করছি না বিধায় উন্নতি করতে পারছি না।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে যে দম আঁটকে মরে যেতে হবে!

📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে যে দম আঁটকে মরে যেতে হবে!


উত্তর: যারা পর্দা মেনে চলছে তারা কি দম আঁটকে মরে যাচ্ছে? আলেম উলামা, পীর বুযুর্গ, দ্বীনদার পরহেযগার মানুষ যাদের স্ত্রীরা পর্দা করে তাদের কেউ পর্দা করার কারণে দম আঁটকে মরে গেছে বলে কোন খবর কোনোদিন পাওয়া গেছে কি?

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 পর্দা করা আসলে খুব কঠিন, পর্দা মেনে চলা সম্ভব নয়

📄 পর্দা করা আসলে খুব কঠিন, পর্দা মেনে চলা সম্ভব নয়


উত্তর: যারা পর্দা মেনে চলছে তাদের পক্ষে কীকরে সম্ভব হচ্ছে? বরং যারা মেনে চলছে তাদের পক্ষে পর্দা লংঘন করাই অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। পর্দা মেনে চলতেই তাদের ভাল লাগে, পর্দা লংঘন করতে তাদের কাছে খারাপ লাগে। বুঝা গেল অভ্যাস করলে পর্দা বিধান মেনে চলা কষ্টকর থাকে না। যেমন শরীয়তের অন্যান্য আমল শুরু করার পর কষ্টবোধ লাঘব হয়ে যায়। আসলে নিজেকে যেভাবে অভ্যস্ত করানো যায়, তা-ই সহজ হয়ে যায় এবং ভাল লাগে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে জীবনের আনন্দ-ফুর্তি সব শেষ হয়ে যাবে

📄 পর্দা মেনে চলতে গেলে জীবনের আনন্দ-ফুর্তি সব শেষ হয়ে যাবে


উত্তর: যারা পর্দা মেনে চলছে তাদের জীবন কি আনন্দহীন? বরং পর্দা মেনে চললে তাদের পারিবারিক জীবনের আনন্দ অটুট থাকে। নারীরা পর্দা না মেনে পর পুরুষদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও মেলামেশা করলে অনেক সময় স্বামীদের মনে সন্দেহ দেখা দেয় এবং তার থেকে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক জীবনে অশান্তি আসে। পর্দা পারিবারিক জীবনে সন্দেহ সৃষ্টির পথকে রুদ্ধ করে দেয়। দাম্পত্য জীবনের আনন্দকে অটুট রাখে। পক্ষান্তরে পর্দা লংঘন দাম্পত্য জীবনের আনন্দে চিড় ধরায়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية