📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 দাড়ি রাখা বিবিরা পছন্দ করে না, বিবিদের ভালবাসা পাওয়া যায় না

📄 দাড়ি রাখা বিবিরা পছন্দ করে না, বিবিদের ভালবাসা পাওয়া যায় না


উত্তর: তাহলে তো বলতে হয়, আলেম উলামা ও দ্বীনদার শ্রেণীর লোকদের— যারা দাড়ি রাখে তাদের— স্ত্রীরা স্বামীদেরকে ভালবাসে না। অথচ ব্যাপারটা ভিন্ন। আলেম উলামা ও দ্বীনদার শ্রেণীর লোকদের স্ত্রীদের কাছে জিজ্ঞাসা করে জানা যায় তাদের স্ত্রীরা তাদের স্বামীদেরকে অধিক ভালবাসে। কারণ তারা দাড়ি রাখে বিধায় অন্য মেয়েরা তাদের কাছে ঘেষে না। ফলে তাদের মনের প্রীতি, ভালবাসা, অনুরাগ কোনো কিছু অন্য কোথাও নিবেদিত না হয়ে সবটুকু তাদের স্ত্রীদের প্রতিই নিবেদিত হয়। তখন স্ত্রীরা তাদেরকে বেশিই ভালবাসে। পক্ষান্তরে যারা দাড়িহীন তারা সহজে অন্য মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশা ও ইয়ে সিয়ে করতে পারে, তাদের রস-কষ অন্য স্থানে নিবেদিত হয়ে পড়ে। ফলে স্ত্রীরা তাদের থেকে প্রাপ্য যথাযথ পায় না। তখন তাদের প্রতি স্ত্রীদের ভালবাসায় চিড় ধরে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 দাড়ি রাখলে, টুপি পরলে, ইসলামী লেবাস-পোশাক পরিধান করলে অনেকে হুজুর বলে টিটকারি দিবে

📄 দাড়ি রাখলে, টুপি পরলে, ইসলামী লেবাস-পোশাক পরিধান করলে অনেকে হুজুর বলে টিটকারি দিবে


উত্তর: হুজুর বলে টিটকারী দিলে কী এসে যায়? না-বুঝ লোকেরা তো কত কিছুই বলতে পারে এবং বলে থাকে। যারা ধর্মীয় জীবন-পদ্ধতির সমালোচনা করে তারা না-বুঝ, অজ্ঞ কিংবা সজ্ঞান পাপী। যারা ধর্মীয় বেশভূষা নিয়ে টিটকারি দেয় তারা না-বুঝ, অজ্ঞ কিংবা সজ্ঞান পাপী। এমন না-বুঝ, অজ্ঞ ও সজ্ঞান পাপীদের কথায় কি আমরা আমাদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে দিব? না-বুঝ ও অজ্ঞ লোকদের কথায় উঠাবসা করা কি বোকামী নয়? যেসব পিতা-মাতা বা গুরুজন যুবকদেরকে যৌবনকালে দাড়ি, টুপি, ইসলামী লেবাস-পোশাক গ্রহণের বিরুদ্ধে বলে, তারাও না-বুঝ কিংবা অজ্ঞ। তারা গোনাহের কথা বলে। আর কুরআন-সুন্নাহর আলোকে গোনাহের বিষয়ে কোন মানুষের আনুগত্য করা চলে না, তা সেই গোনাহের নির্দেশদাতা পিতা-মাতা কিংবা অন্য যতবড় গুরুজনই হোন না কেন। এক হাদীছে ইরশাদ হয়েছে,
«لَا طَاعَةَ لِمَخْلُوقِ فِي مَعْصِيَةِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ.» (রওয়াহু আহমদ...)
অর্থাৎ, আল্লাহ জাল্লা শানুহুর নাফরমানী হয় এমন কোনো কাজে কোনো মাখলুকের আনুগত্য করা চলবে না। (মুসনাদে আহমদ ও ইবনে আবী শাইবা)

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 দাড়ি রাখা তো আর ফরয ওয়াজেব নয়, এটা সুন্নাত, এটাকে এত গুরুত্ব দেয়ার কী দরকার?

📄 দাড়ি রাখা তো আর ফরয ওয়াজেব নয়, এটা সুন্নাত, এটাকে এত গুরুত্ব দেয়ার কী দরকার?


উত্তর: কে বলেছে, দাড়ি রাখা ওয়াজেব নয়? চার ইমামের সব ইমামের নিকটই দাড়ি রাখা ওয়াজেব। এটা সর্বসম্মতভাবে ওয়াজেব। কোন হুজুর এ ব্যাপারে কোন বাড়াবাড়ি করেন না। এটাকে সুন্নাত বলা হয় এ হিসেবে যে, এটা নবীজীর আদর্শ। নবীজীর সব আদর্শকেই সুন্নাত বলা হয়। এ হিসেবে দাড়ি রাখাকেও সুন্নাত বলা হয়। কিন্তু এই সুন্নাত অর্থ সেই সুন্নাত নয় যা ফরয ওয়াজেবের নিচের স্তর। বরং দাড়িকে সুন্নাত এই অর্থে বলা হয় যে, এটা নবীজীর আদর্শ। হুকুমগত দিক থেকে এটা ওয়াজিব।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 এখনও এসব ধর্মকর্ম করার বয়স হয়নি, বয়স হলে এগুলো করবে

📄 এখনও এসব ধর্মকর্ম করার বয়স হয়নি, বয়স হলে এগুলো করবে


উত্তর: বয়স হওয়া মানে কি বুড়ো হওয়া? বয়স তো হয়েছেই। বালেগ হওয়া মানেই তো প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া। অতএব আমি যখন বালেগ হয়েছি তখন বয়স তো হয়েছেই।

ফন্ট সাইজ
15px
17px