📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 বিজ্ঞানের যুগে ধর্ম অচল

📄 বিজ্ঞানের যুগে ধর্ম অচল


উত্তর: এখানে মূলত ৩টা অভিযোগ রয়েছে।
১. বিজ্ঞানের যুগে ধর্ম অচল নয় বরং আরও বেশি সচল হওয়ার কথা। কারণ, বিজ্ঞান তো ধর্মীয় বিষয়গুলোর সত্যতাই প্রমাণ করে চলেছে। বিজ্ঞানই আজ মহাবিশ্বের একজন স্রষ্টা থাকার অপরিহার্যতা প্রমাণ করছে। বিজ্ঞান দেখিয়েছে আলো মাপা যায়, বাতাস মাপা যায়, অতএব মীযানে আমল মাপার সম্ভাব্যতাও প্রমাণিত হয়েছে।
২. বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে কোনো সংঘাত নেই, বরং সমন্বয় রয়েছে। ধর্ম তো সত্য বিষয়, আর বিজ্ঞানও যদি সত্য হয় তাহলে দুটোর মধ্যে সমন্বয়ই থাকবে। বিজ্ঞানের সাথে সাথে ধর্মেরও অনুসরণ করলে ইহকালীন ও পরকালীন উভয় সফলতা অর্জিত হয়।
৩. ধর্ম অনুসরণের অর্থ পেছন দিকে যাওয়া—একথা অবুঝের কথা। বিজ্ঞান কি অতীতকে বাদ দিয়ে সামনের দিকে চলে? বিজ্ঞান কি অতীতের গ্রহ-নক্ষত্র, মাটি, পানি, ধাতু সবকিছু বাদ দিয়ে চলে? নিশ্চয় না। বরং অতীতের সবকিছুকে নিয়েই গবেষণা করে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। তদ্রূপ আমাদেরও অতীতে প্রবর্তিত ধর্মকে নিয়েই সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 বিধর্মীদের সঙ্গে যুদ্ধে আল্লাহ মুসলমানদের সাহায্য করেন কৈ?

📄 বিধর্মীদের সঙ্গে যুদ্ধে আল্লাহ মুসলমানদের সাহায্য করেন কৈ?


উত্তর: মার খাওয়ার কাজ করলে তো মার খাবেই। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও রাষ্ট্রীয় কর্ণধাররা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অমুসলিমদের সঙ্গে ইসলাম বিরোধী যেসব গোপন আঁতাত চালিয়ে যায় তাতে আল্লাহ না করুন আমাদের আরও মার খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আল্লাহ মেহেরবান বলেই আমাদের অনেক মার থেকে বাঁচান। যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য যে শর্তাবলী পূরণ করতে হয় তা কি এখনকার মুসলমানদের দ্বারা পূরণ হচ্ছে? না হলে আল্লাহ সাহায্য করবেন না সেটাই তো স্বাভাবিক। তারপরও কুফরী শক্তি মুসলমানদের নির্মূল করার জন্য একযোগে কাজ করেও মুসলমানদের নির্মূল করতে পারছে না। আর যদি কিছু নিরাপদ মুসলমান মার খায় তবে তার জন্য তাদের পাপ মোচন হবে এবং আখেরাতে তারা বড় লাভবান হবে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 যুদ্ধে সাহায্যের জন্য এখন ফেরেশতারা আসে না কেন?

📄 যুদ্ধে সাহায্যের জন্য এখন ফেরেশতারা আসে না কেন?


উত্তর: প্রথমত এখন যে ফেরেশতারা আসেন না তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ নবী যখন নেই তখন তা জানার উপায়ও নেই। দ্বিতীয়ত সাহায্যের জন্য ফেরেশতা আসতেই হবে এমন কোন কথা নেই। সাহায্যকারী তো স্বয়ং আল্লাহ নিজে, তাঁর তো ফেরেশতা পাঠানোর প্রয়োজন পড়ে না। তবে ইসলামের শুরুর দিকে মানুষের মনোবল বৃদ্ধি ও ঈমান সুদৃঢ় করার জন্য ফেরেশতা পাঠানো হয়েছিল। এখনকার প্রেক্ষাপটে এ প্রয়োজন নেই।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 ধর্মের নামে আলেমরা গরীবদেরকে শোষণ করে

📄 ধর্মের নামে আলেমরা গরীবদেরকে শোষণ করে


উত্তর: এটা একটা ভুয়া অভিযোগ। আলেমরা গরীবদেরকে কীভাবে শোষণ করে? উলামায়ে কেরাম মসজিদ মাদ্রাসার জন্য দান-সদকার প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেন আর জনগণ স্বেচ্ছায় পরকালে প্রতিদান পাওয়ার আশায় দান করেন। উলামায়ে কেরাম সেই অর্থ নিজেদের স্বার্থে নয় দ্বীনী কাজে ব্যয় করেন। স্কুল কলেজের জন্যও চাঁদা আদায় করা হয়, সরকারও ট্যাক্স নেয়, সেটাকে কেউ শোষণ বলে না। শোষণ বলা হয় তখন, যখন কেউ বলপূর্বক নিজের স্বার্থে অর্থ গ্রহণ করে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px