📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 রিয়া দূর করার পদ্ধতি

📄 রিয়া দূর করার পদ্ধতি


বুযুর্গানে দ্বীন কুরআন সুন্নাহ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে রিয়া (লোক দেখানোর চিন্তা) ও হুব্বে জাহ (প্রশংসা/সম্মান-প্রীতি) দূর করার জন্য যে পদ্ধতি বলেছেন নিম্নে তা উল্লেখ করা হল। ১. কেউ দেখল বা দেখল না তা একেবারেই চিন্তায় না আনা। ওদিকে একদম লক্ষ্য না দেয়া। ২. তারপরও মনের মধ্যে চিন্তা এসে গেলে একথা মনে জাগ্রত করা যে, কারও ভাল বলার দ্বারা পরকালে আমার কোন কাজে আসবে না— আল্লাহকে খুশি করার নিয়তে করলে আমার কাজে আসবে, তাই আল্লাহকে খুশি করার নিয়তেই আমি করছি। এভাবে সহীহ নিয়ত অন্তরে উপস্থিত করে কাজ করে যেতে থাকবে, এভাবে ধীরে ধীরে সেটা আদত বা অভ্যাসে পরিণত হবে এবং আদত থেকে ইবাদত ও এখলাসে পরিণত হবে। ৩. যে ইবাদত প্রকাশ্যে করার বিধান, তা তো প্রকাশ্যেই করতে হবে, এ ছাড়া অন্যান্য ইবাদত প্রকাশ করারও নিয়ত রাখবে না, গোপন করারও উদ্যোগ নিবে না। ৪. হুব্বে জাহ বা সম্মান-প্রীতি অন্তর থেকে বের করতে হবে। তাহলে অন্তর থেকে রিয়ার চেতনা দূর হবে। নিম্নে হুব্বে জাহ বা সম্মান-প্রীতি দূর করার পদ্ধতি বর্ণনা করা হল।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 হুব্বে জাহ (প্রশংসা ও যশ-প্রীতি) দূর করার পদ্ধতি

📄 হুব্বে জাহ (প্রশংসা ও যশ-প্রীতি) দূর করার পদ্ধতি


১. এই চিন্তা করা যে, আমি যাদের নিকট ভাল হতে চাই তারাও থাকবে না আমিও থাকব না। অতএব, এমন অসার জিনিসের প্রতি মন লাগানো নির্বুদ্ধিতা বৈ কি? ২. এমন কোন কাজ করা, যা শরীআতের খেলাফ নয় কিন্তু লোক-চোখে সেটা লজ্জাকর, যেমন: বাড়ির কোন নগন্য জিনিস বিক্রি করা। প্রভাবশালী ও নামী-দামী ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও নিজে বাজারঘাট করা, নিজে বাজারের থলে বয়ে নিয়ে আসা ইত্যাদি। উল্লেখ্য: হুব্বে জাহ্ তথা প্রশংসা, সুনাম ও সম্মানের লোভ মনে এলে অন্যের প্রশংসা, সুখ্যাতি ও সম্মান দেখে মনে আগুন জ্বলে ওঠে এবং হিংসা লাগে আর অন্যের অপমান বা পরাজয়ের কথা শুনে মনে আনন্দ জন্মে। এমনিভাবে অনেক খারাবী এ রোগের কারণে দেখা দেয়। তাই এ রোগ দূর করার ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেয়া চাই।

ফন্ট সাইজ
15px
17px