📘 নফসের গোলামী ও মুক্তির উপায় 📄 নফসের গোলামী ত্যাগকারীদের কিছু

📄 নফসের গোলামী ত্যাগকারীদের কিছু


১. মুসআব ইবনে উমাইর (রাঃ)-এর দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ।
২. আবু তালহা (রাঃ)-এর মদিনার সবচেয়ে উত্তম বাগান ও দাসী আজদ করা। [সূরা আল-ইমরান: ৯২]
৩. সোহাইব রুমি (রাঃ)-এর হিজরতের সময় তাঁর সমস্ত অর্জিত সম্পদ মক্কায় ছেড়ে আসা। [সূরা বাকরা: ২০৭]
৪. ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিন্তে মুজাহেম (রাঃ)-এর রাণীর মুকুট ত্যাগ। [সূরা তাহরীম: ১১]

১. মুসআব ইবনে উমাইর (রাঃ)-এর দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ।
২. আবু তালহা (রাঃ)-এর মদিনার সবচেয়ে উত্তম বাগান ও দাসী আজদ করা। [সূরা আল-ইমরান: ৯২]
৩. সোহাইব রুমি (রাঃ)-এর হিজরতের সময় তাঁর সমস্ত অর্জিত সম্পদ মক্কায় ছেড়ে আসা। [সূরা বাকরা: ২০৭]
৪. ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিন্তে মুজাহেম (রাঃ)-এর রাণীর মুকুট ত্যাগ। [সূরা তাহরীম: ১১]

📘 নফসের গোলামী ও মুক্তির উপায় 📄 প্রবৃত্তির সৃষ্টি পরীক্ষার জন্য

📄 প্রবৃত্তির সৃষ্টি পরীক্ষার জন্য


ইমাম ইবনুল কায়্যেম (রহঃ) বলেন: প্রতিটি শরীয়তের আজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য প্রবৃত্তিতে রয়েছে পরীক্ষা। প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জীবনে ঘটতেছে বিভিন্ন ধরণের ঘটনা। তাই তার মাঝে দু'টি বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছে। একটি বিবেকের বিচারক আর দ্বিতীয়টি দ্বীনের বিচারক। আর সর্বদা প্রবৃত্তির আবর্তন-বিবর্তনে যাকিছু ঘটবে তা এই দু'টি বিচারকের নিকট পেশ এবং তাদের নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে।
উচিত হলো: প্রবৃত্তিকে নিরাপদ পরিণতি বিষয়াদির উপর অনুশীলন করা, যাতে করে ক্ষতিকর পরিণতি বিষয়গুলো ত্যাগের অনুশীলন করতে পারে। আর বিজ্ঞজন স্মরণ রাখে যে, প্রবৃত্তির আসক্ত ব্যক্তিরা এমন অবস্থায় পৌঁছে যে, ভোগের বস্তু দ্বারা উপভোগ করতে পারে না অথচ ত্যাগও করতে পারে না। কারণ তাদের নিকটে ভোগবস্তু জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়ে পড়ে, যা ছাড়া তাদের চলেই না।
তাই দেখবে! মদ ও সহবাসে অসক্তরা এক দশমাংশও মজা পাইনা যা মজা পাই মাঝে মধ্যে যারা করে থাকে। কিন্তু তার বদভ্যাস তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আর এ দ্বারা সে বুঝতে পারে যে সুখের মোকাবেলায় তার দুঃখ কতটুকু। সে ধোঁকায় পড়া পাখীর মত শিকারীর পাতানো ফাঁদের দানা খেতে গিয়ে না দানা খেতে পারে আর না ফাঁদ হতে অব্যাহতি পায়।

টিকাঃ
১. রাওযাতুল মুহিব্বীন-ইবনুল কায়্যেম: পৃ:৪৭০

ইমাম ইবনুল কায়্যেম (রহঃ) বলেন: প্রতিটি শরীয়তের আজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য প্রবৃত্তিতে রয়েছে পরীক্ষা। প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জীবনে ঘটতেছে বিভিন্ন ধরণের ঘটনা। তাই তার মাঝে দু'টি বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছে। একটি বিবেকের বিচারক আর দ্বিতীয়টি দ্বীনের বিচারক। আর সর্বদা প্রবৃত্তির আবর্তন-বিবর্তনে যাকিছু ঘটবে তা এই দু'টি বিচারকের নিকট পেশ এবং তাদের নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে।
উচিত হলো: প্রবৃত্তিকে নিরাপদ পরিণতি বিষয়াদির উপর অনুশীলন করা, যাতে করে ক্ষতিকর পরিণতি বিষয়গুলো ত্যাগের অনুশীলন করতে পারে। আর বিজ্ঞজন স্মরণ রাখে যে, প্রবৃত্তির আসক্ত ব্যক্তিরা এমন অবস্থায় পৌঁছে যে, ভোগের বস্তু দ্বারা উপভোগ করতে পারে না অথচ ত্যাগও করতে পারে না। কারণ তাদের নিকটে ভোগবস্তু জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়ে পড়ে, যা ছাড়া তাদের চলেই না।
তাই দেখবে! মদ ও সহবাসে অসক্তরা এক দশমাংশও মজা পাইনা যা মজা পাই মাঝে মধ্যে যারা করে থাকে। কিন্তু তার বদভ্যাস তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আর এ দ্বারা সে বুঝতে পারে যে সুখের মোকাবেলায় তার দুঃখ কতটুকু। সে ধোঁকায় পড়া পাখীর মত শিকারীর পাতানো ফাঁদের দানা খেতে গিয়ে না দানা খেতে পারে আর না ফাঁদ হতে অব্যাহতি পায়।

টিকাঃ
১. রাওযাতুল মুহিব্বীন-ইবনুল কায়্যেম: পৃ:৪৭০

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية