📄 নফসের গোলামী ত্যাগে উপকারিতা
১. জান্নাত লাভ: فَأَمَّا مَنْ طَغَى (۳۷) وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا (۳۸) فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى (۳۹) وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى (٤٠) فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى (٤١) 7 النازعات
"অনন্তর যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে; এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং প্রবৃত্তির খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত।” [সূরা নাজিয়াত: ৩৭-৪১]
২. কল্যাণ লাভ: وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا (۷) فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا (۸) قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا (۹) وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا (۱۰) Z الشمس
"শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন তাঁর। অত:পর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। যে নিজের নফসকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। আর যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়” [সূরা শামস: ৭ থেকে ১০]
৩. জাহান্নাম থেকে নিস্কৃতি লাভ।
৪. মনের শান্তি।
৫. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ।
৬. শয়তান থেকে রেহাই।
৭. দুনিয়া-আখেরাতে ইজ্জত-সম্মান লাভ।
৮. দুনিয়া-আখেরাতে অপমান ও লাঞ্ছনা থেকে হেফাজত।
১. জান্নাত লাভ: فَأَمَّا مَنْ طَغَى (۳۷) وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا (۳۸) فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى (۳۹) وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى (٤٠) فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى (٤١) 7 النازعات
"অনন্তর যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে; এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং প্রবৃত্তির খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত।” [সূরা নাজিয়াত: ৩৭-৪১]
২. কল্যাণ লাভ: وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا (۷) فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا (۸) قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا (۹) وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا (۱۰) Z الشمس
"শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন তাঁর। অত:পর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। যে নিজের নফসকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। আর যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়” [সূরা শামস: ৭ থেকে ১০]
৩. জাহান্নাম থেকে নিস্কৃতি লাভ।
৪. মনের শান্তি।
৫. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ।
৬. শয়তান থেকে রেহাই।
৭. দুনিয়া-আখেরাতে ইজ্জত-সম্মান লাভ।
৮. দুনিয়া-আখেরাতে অপমান ও লাঞ্ছনা থেকে হেফাজত।
📄 নফসের গোলামীর কিছু কেস্সা
১. কাবীল তার ছোট ভাই হাবীলকে হত্যার ঘটনা। [সূরা মায়েদা: ২৭-৩১]
২. ভাতিজা তার চাচার সম্পদ ও মেয়েকে বিবাহের জন্য হত্যার ঘটনা। [সূরা বাকারা: ৬৭-৭৩]
৩. মুসা []-এর যুগে বনি ইসলাঈলদের সামিরীর বানানো বাছুর পূজার ঘটনা। [সূরা ত্বহা: ৮৫-৯৮]
৪. তওরাতের হাফেজ বাল'আম ইবনে বা'উরের অর্থের বিনিময়ে মূসা []-এর প্রতি বদ্দোয়া করার ঘটনা। [সূরা আ'রাফ: ১৭৫-১৭৬]
৫. সন্তান হিসাবে পালিত ইউসুফ [] কে জুলায়খার ভালবাসার ঘটনা। [সূরা ইউসুফ]
৬. আসিয়া ও জাদুকরদের আল্লাহ ও মূসার প্রতি ঈমান আনার জন্য তাদেরকে নির্মমভাবে ফেরাউনের হত্যার ঘটনা। [সূরা শু'আরা: ৪৬-৫১]
৭. কারুনের মূসা []-এর বিরধিতার ঘটনা। [সূরা কাসাস: ৭৬-৮২]
৮. নূহ [] ও লূত []-এর স্ত্রীদ্বয়ের ঈমান না আনার ঘটনা। [সূরা তাহরীম: ১০]
৯. রূমের রাজা কায়সারের রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা।
১০. আবু লাহাব, আবু জাহল ও আবু তালিবের ঈমান না আনার ঘটনা।
১. কাবীল তার ছোট ভাই হাবীলকে হত্যার ঘটনা। [সূরা মায়েদা: ২৭-৩১]
২. ভাতিজা তার চাচার সম্পদ ও মেয়েকে বিবাহের জন্য হত্যার ঘটনা। [সূরা বাকারা: ৬৭-৭৩]
৩. মুসা []-এর যুগে বনি ইসলাঈলদের সামিরীর বানানো বাছুর পূজার ঘটনা। [সূরা ত্বহা: ৮৫-৯৮]
৪. তওরাতের হাফেজ বাল'আম ইবনে বা'উরের অর্থের বিনিময়ে মূসা []-এর প্রতি বদ্দোয়া করার ঘটনা। [সূরা আ'রাফ: ১৭৫-১৭৬]
৫. সন্তান হিসাবে পালিত ইউসুফ [] কে জুলায়খার ভালবাসার ঘটনা। [সূরা ইউসুফ]
৬. আসিয়া ও জাদুকরদের আল্লাহ ও মূসার প্রতি ঈমান আনার জন্য তাদেরকে নির্মমভাবে ফেরাউনের হত্যার ঘটনা। [সূরা শু'আরা: ৪৬-৫১]
৭. কারুনের মূসা []-এর বিরধিতার ঘটনা। [সূরা কাসাস: ৭৬-৮২]
৮. নূহ [] ও লূত []-এর স্ত্রীদ্বয়ের ঈমান না আনার ঘটনা। [সূরা তাহরীম: ১০]
৯. রূমের রাজা কায়সারের রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা।
১০. আবু লাহাব, আবু জাহল ও আবু তালিবের ঈমান না আনার ঘটনা।
📄 নফসের গোলামী ত্যাগকারীদের কিছু
১. মুসআব ইবনে উমাইর (রাঃ)-এর দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ।
২. আবু তালহা (রাঃ)-এর মদিনার সবচেয়ে উত্তম বাগান ও দাসী আজদ করা। [সূরা আল-ইমরান: ৯২]
৩. সোহাইব রুমি (রাঃ)-এর হিজরতের সময় তাঁর সমস্ত অর্জিত সম্পদ মক্কায় ছেড়ে আসা। [সূরা বাকরা: ২০৭]
৪. ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিন্তে মুজাহেম (রাঃ)-এর রাণীর মুকুট ত্যাগ। [সূরা তাহরীম: ১১]
১. মুসআব ইবনে উমাইর (রাঃ)-এর দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ।
২. আবু তালহা (রাঃ)-এর মদিনার সবচেয়ে উত্তম বাগান ও দাসী আজদ করা। [সূরা আল-ইমরান: ৯২]
৩. সোহাইব রুমি (রাঃ)-এর হিজরতের সময় তাঁর সমস্ত অর্জিত সম্পদ মক্কায় ছেড়ে আসা। [সূরা বাকরা: ২০৭]
৪. ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিন্তে মুজাহেম (রাঃ)-এর রাণীর মুকুট ত্যাগ। [সূরা তাহরীম: ১১]
📄 প্রবৃত্তির সৃষ্টি পরীক্ষার জন্য
ইমাম ইবনুল কায়্যেম (রহঃ) বলেন: প্রতিটি শরীয়তের আজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য প্রবৃত্তিতে রয়েছে পরীক্ষা। প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জীবনে ঘটতেছে বিভিন্ন ধরণের ঘটনা। তাই তার মাঝে দু'টি বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছে। একটি বিবেকের বিচারক আর দ্বিতীয়টি দ্বীনের বিচারক। আর সর্বদা প্রবৃত্তির আবর্তন-বিবর্তনে যাকিছু ঘটবে তা এই দু'টি বিচারকের নিকট পেশ এবং তাদের নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে।
উচিত হলো: প্রবৃত্তিকে নিরাপদ পরিণতি বিষয়াদির উপর অনুশীলন করা, যাতে করে ক্ষতিকর পরিণতি বিষয়গুলো ত্যাগের অনুশীলন করতে পারে। আর বিজ্ঞজন স্মরণ রাখে যে, প্রবৃত্তির আসক্ত ব্যক্তিরা এমন অবস্থায় পৌঁছে যে, ভোগের বস্তু দ্বারা উপভোগ করতে পারে না অথচ ত্যাগও করতে পারে না। কারণ তাদের নিকটে ভোগবস্তু জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়ে পড়ে, যা ছাড়া তাদের চলেই না।
তাই দেখবে! মদ ও সহবাসে অসক্তরা এক দশমাংশও মজা পাইনা যা মজা পাই মাঝে মধ্যে যারা করে থাকে। কিন্তু তার বদভ্যাস তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আর এ দ্বারা সে বুঝতে পারে যে সুখের মোকাবেলায় তার দুঃখ কতটুকু। সে ধোঁকায় পড়া পাখীর মত শিকারীর পাতানো ফাঁদের দানা খেতে গিয়ে না দানা খেতে পারে আর না ফাঁদ হতে অব্যাহতি পায়।
টিকাঃ
১. রাওযাতুল মুহিব্বীন-ইবনুল কায়্যেম: পৃ:৪৭০
ইমাম ইবনুল কায়্যেম (রহঃ) বলেন: প্রতিটি শরীয়তের আজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য প্রবৃত্তিতে রয়েছে পরীক্ষা। প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জীবনে ঘটতেছে বিভিন্ন ধরণের ঘটনা। তাই তার মাঝে দু'টি বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছে। একটি বিবেকের বিচারক আর দ্বিতীয়টি দ্বীনের বিচারক। আর সর্বদা প্রবৃত্তির আবর্তন-বিবর্তনে যাকিছু ঘটবে তা এই দু'টি বিচারকের নিকট পেশ এবং তাদের নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে।
উচিত হলো: প্রবৃত্তিকে নিরাপদ পরিণতি বিষয়াদির উপর অনুশীলন করা, যাতে করে ক্ষতিকর পরিণতি বিষয়গুলো ত্যাগের অনুশীলন করতে পারে। আর বিজ্ঞজন স্মরণ রাখে যে, প্রবৃত্তির আসক্ত ব্যক্তিরা এমন অবস্থায় পৌঁছে যে, ভোগের বস্তু দ্বারা উপভোগ করতে পারে না অথচ ত্যাগও করতে পারে না। কারণ তাদের নিকটে ভোগবস্তু জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়ে পড়ে, যা ছাড়া তাদের চলেই না।
তাই দেখবে! মদ ও সহবাসে অসক্তরা এক দশমাংশও মজা পাইনা যা মজা পাই মাঝে মধ্যে যারা করে থাকে। কিন্তু তার বদভ্যাস তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আর এ দ্বারা সে বুঝতে পারে যে সুখের মোকাবেলায় তার দুঃখ কতটুকু। সে ধোঁকায় পড়া পাখীর মত শিকারীর পাতানো ফাঁদের দানা খেতে গিয়ে না দানা খেতে পারে আর না ফাঁদ হতে অব্যাহতি পায়।
টিকাঃ
১. রাওযাতুল মুহিব্বীন-ইবনুল কায়্যেম: পৃ:৪৭০