📘 নফসের গোলামী ও মুক্তির উপায় > 📄 নফসের গোলামীর কারণসমূহ

📄 নফসের গোলামীর কারণসমূহ


১. অজ্ঞতা-মূর্খতা।
২. ইবলীস শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা।
৩. বাপ-দাদার অন্ধ অনুসরণ-অনুকরণ।
৪. গড ফাদার ও হুজুর-বুজুর্গদের তকলীদ তথা অন্ধ ব্যক্তি পূজা।
৫. সম্পদ, গদি ও নারীর ভালবাসার ফাঁদ।
৬. বিভিন্ন ধরণের সংশয় ও সন্দেহ।
৭. গাফলতি ও অবহেলা।
৮. অন্তরের বক্রতা।
৯. আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমানের দুর্বলতা।
১০. নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে কুরআন-সুন্নার উপরে প্রাধান্য দেয়া।

১. অজ্ঞতা-মূর্খতা।
২. ইবলীস শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা।
৩. বাপ-দাদার অন্ধ অনুসরণ-অনুকরণ।
৪. গড ফাদার ও হুজুর-বুজুর্গদের তকলীদ তথা অন্ধ ব্যক্তি পূজা।
৫. সম্পদ, গদি ও নারীর ভালবাসার ফাঁদ।
৬. বিভিন্ন ধরণের সংশয় ও সন্দেহ।
৭. গাফলতি ও অবহেলা।
৮. অন্তরের বক্রতা।
৯. আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমানের দুর্বলতা।
১০. নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে কুরআন-সুন্নার উপরে প্রাধান্য দেয়া।

📘 নফসের গোলামী ও মুক্তির উপায় > 📄 নফসের গোলামীর কিছু চিত্র

📄 নফসের গোলামীর কিছু চিত্র


১. বিদাত আবিস্কারে।
২. দলিলহীন মাজহাবের মতামতে।
৩. দলাদলি ও ফের্কাবন্দীতে।
৪. ফতোয়া ও বিধানে।
৫. সত্যকে প্রত্যাহার ও তার অনুসারীদের সাথে ঝগড়ায়।
৬. বাতিল ও তার অনুসারীদের সাহায্য- সহযোগিতায়।
৭. মূর্তি ও প্রতিমা পূজায়।
৮. নেক-বুজুর্গ ব্যক্তিদের অতিরঞ্জন ভক্তিতে।
৯. অশ্লীলতা ও অপরাধের প্রচার-প্রসারে।
১০. নফল কাজে জলদি এবং ফরজ-ওয়াজিব আদায়ে অলসতা প্রদর্শন।
১১. ধর্মের নামে পুঁজি, লাইসেন্স, টেক্স, লোকসান ও চাঁদা ছাড়া মজার ব্যবসায়।

১. বিদাত আবিস্কারে।
২. দলিলহীন মাজহাবের মতামতে।
৩. দলাদলি ও ফের্কাবন্দীতে।
৪. ফতোয়া ও বিধানে।
৫. সত্যকে প্রত্যাহার ও তার অনুসারীদের সাথে ঝগড়ায়।
৬. বাতিল ও তার অনুসারীদের সাহায্য- সহযোগিতায়।
৭. মূর্তি ও প্রতিমা পূজায়।
৮. নেক-বুজুর্গ ব্যক্তিদের অতিরঞ্জন ভক্তিতে।
৯. অশ্লীলতা ও অপরাধের প্রচার-প্রসারে।
১০. নফল কাজে জলদি এবং ফরজ-ওয়াজিব আদায়ে অলসতা প্রদর্শন।
১১. ধর্মের নামে পুঁজি, লাইসেন্স, টেক্স, লোকসান ও চাঁদা ছাড়া মজার ব্যবসায়।

📘 নফসের গোলামী ও মুক্তির উপায় > 📄 নফসের গোলামীর ক্ষতি

📄 নফসের গোলামীর ক্ষতি


وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ وَقَفَّيْنَا مِنْ بَعْدِهِ بِالرُّسُلِ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ أَفَكُلَّمَا جَاءَكُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَى أَنْفُسُكُمُ اسْتَكْبَرْتُمْ فَفَرِيقًا كَذَّبْتُمْ وَفَرِيقًا تَقْتُلُونَ Z البقرة
"অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি। আর তার পরে পর্যায়ক্রমে রসূল পাঠিয়েছি। আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট মো'জেযা দান করেছি এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে শক্তি দান করেছি। অত:পর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদল মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।” [সূরা বাকারা: ৮৭]
لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَأَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ رُسُلًا كُلَّمَا جَاءَهُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَى أَنْفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ Z المائدة
"আমি বনি ঈসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গিকার নিয়েছিলাম এবং তাদের কাছে অনেক পয়গাম্বর পাঠিয়েছিলাম। যখনই তাদের কাছে কোন পয়গাম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবং অনেককে হত্যা করে ফেলত।” [মায়েদা: ৭০]
قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَا تَغْلُوا فِي دِينِكُمْ غَيْرَ الْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعُوا أَهْوَاءَ قَوْمٍ قَدْ ضَلُّوا مِنْ قَبْلُ وَأَضَلُّوا كَثِيرًا وَضَلُّوا عَنْ سَوَاءِ السَّبِيلِ المائدة
“বলুন: হে আহলে কিতাবগণ! তোমরা স্বীয় ধর্মে অন্যায় বাড়াবাড়ি করো না এবং এতে ঐ সম্প্রদায়ের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যারা পূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। তারা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে।" [সূরা মায়েদা: ৭৭]
১. আল্লাহর গজব ও অসন্তুষ্টি ও জাহান্নম।
২. পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি।
৩. জুলুম, অবিচার ও দমননীতি।
৪. খুন-খারাবী।
৫. অন্যায়ভাবে সম্পদ ভক্ষণ ও ইজ্জতহানী।
৬. বিভিন্নভাবে সত্যকে প্রত্যাখ্যান।
৭. হিংসা-বিদ্বেষ।
৮. সিরাতে মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুতি।
৯. দলাদলি ও ফের্কাবন্দী।
১০. ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের বিদায়।
১১. বিদাতের প্রকাশ ও প্রচার-প্রসার এবং সাহাবা, তাবে'য়ী ও সালাফে সালেহীনদের পথকে ত্যাগকরণ।
১২. ভ্রষ্টতা ও পথভ্রষ্টকরণ।
১৩. আল্লাহর আয়াতসমূকে মিথ্যারোপ।
১৪. ফেতনায় পতিত হওয়া।
১৫. কর্ণ, চক্ষু ও অন্তরে মোহর।
১৬. আল্লাহর বন্ধুত্ব, সাহায্য ও নিরাপদ থেকে মাহরুম-বঞ্চিত।
১৭. অপদস্ততা, লাঞ্ছনা ও লোকসান।
১৮. মানুষের পক্ষ থেকে ঘৃণা; এমনকি আপনজন ও প্রিয়জনের পক্ষ থেকে।

وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ وَقَفَّيْنَا مِنْ بَعْدِهِ بِالرُّسُلِ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ أَفَكُلَّمَا جَاءَكُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَى أَنْفُسُكُمُ اسْتَكْبَرْتُمْ فَفَرِيقًا كَذَّبْتُمْ وَفَرِيقًا تَقْتُلُونَ Z البقرة
"অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি। আর তার পরে পর্যায়ক্রমে রসূল পাঠিয়েছি। আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট মো'জেযা দান করেছি এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে শক্তি দান করেছি। অত:পর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদল মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।” [সূরা বাকারা: ৮৭]
لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَأَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ رُسُلًا كُلَّمَا جَاءَهُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَى أَنْفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ Z المائدة
"আমি বনি ঈসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গিকার নিয়েছিলাম এবং তাদের কাছে অনেক পয়গাম্বর পাঠিয়েছিলাম। যখনই তাদের কাছে কোন পয়গাম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবং অনেককে হত্যা করে ফেলত।” [মায়েদা: ৭০]
قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَا تَغْلُوا فِي دِينِكُمْ غَيْرَ الْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعُوا أَهْوَاءَ قَوْمٍ قَدْ ضَلُّوا مِنْ قَبْلُ وَأَضَلُّوا كَثِيرًا وَضَلُّوا عَنْ سَوَاءِ السَّبِيلِ المائدة
“বলুন: হে আহলে কিতাবগণ! তোমরা স্বীয় ধর্মে অন্যায় বাড়াবাড়ি করো না এবং এতে ঐ সম্প্রদায়ের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যারা পূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। তারা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে।" [সূরা মায়েদা: ৭৭]
১. আল্লাহর গজব ও অসন্তুষ্টি ও জাহান্নম।
২. পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি।
৩. জুলুম, অবিচার ও দমননীতি।
৪. খুন-খারাবী।
৫. অন্যায়ভাবে সম্পদ ভক্ষণ ও ইজ্জতহানী।
৬. বিভিন্নভাবে সত্যকে প্রত্যাখ্যান।
৭. হিংসা-বিদ্বেষ।
৮. সিরাতে মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুতি।
৯. দলাদলি ও ফের্কাবন্দী।
১০. ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের বিদায়।
১১. বিদাতের প্রকাশ ও প্রচার-প্রসার এবং সাহাবা, তাবে'য়ী ও সালাফে সালেহীনদের পথকে ত্যাগকরণ।
১২. ভ্রষ্টতা ও পথভ্রষ্টকরণ।
১৩. আল্লাহর আয়াতসমূকে মিথ্যারোপ।
১৪. ফেতনায় পতিত হওয়া।
১৫. কর্ণ, চক্ষু ও অন্তরে মোহর।
১৬. আল্লাহর বন্ধুত্ব, সাহায্য ও নিরাপদ থেকে মাহরুম-বঞ্চিত।
১৭. অপদস্ততা, লাঞ্ছনা ও লোকসান।
১৮. মানুষের পক্ষ থেকে ঘৃণা; এমনকি আপনজন ও প্রিয়জনের পক্ষ থেকে।

📘 নফসের গোলামী ও মুক্তির উপায় > 📄 নফসের গোলামী ত্যাগে উপকারিতা

📄 নফসের গোলামী ত্যাগে উপকারিতা


১. জান্নাত লাভ: فَأَمَّا مَنْ طَغَى (۳۷) وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا (۳۸) فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى (۳۹) وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى (٤٠) فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى (٤١) 7 النازعات
"অনন্তর যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে; এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং প্রবৃত্তির খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত।” [সূরা নাজিয়াত: ৩৭-৪১]
২. কল্যাণ লাভ: وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا (۷) فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا (۸) قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا (۹) وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا (۱۰) Z الشمس
"শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন তাঁর। অত:পর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। যে নিজের নফসকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। আর যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়” [সূরা শামস: ৭ থেকে ১০]
৩. জাহান্নাম থেকে নিস্কৃতি লাভ।
৪. মনের শান্তি।
৫. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ।
৬. শয়তান থেকে রেহাই।
৭. দুনিয়া-আখেরাতে ইজ্জত-সম্মান লাভ।
৮. দুনিয়া-আখেরাতে অপমান ও লাঞ্ছনা থেকে হেফাজত।

১. জান্নাত লাভ: فَأَمَّا مَنْ طَغَى (۳۷) وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا (۳۸) فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى (۳۹) وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى (٤٠) فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى (٤١) 7 النازعات
"অনন্তর যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে; এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং প্রবৃত্তির খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত।” [সূরা নাজিয়াত: ৩৭-৪১]
২. কল্যাণ লাভ: وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا (۷) فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا (۸) قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا (۹) وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا (۱۰) Z الشمس
"শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন তাঁর। অত:পর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। যে নিজের নফসকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। আর যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়” [সূরা শামস: ৭ থেকে ১০]
৩. জাহান্নাম থেকে নিস্কৃতি লাভ।
৪. মনের শান্তি।
৫. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ।
৬. শয়তান থেকে রেহাই।
৭. দুনিয়া-আখেরাতে ইজ্জত-সম্মান লাভ।
৮. দুনিয়া-আখেরাতে অপমান ও লাঞ্ছনা থেকে হেফাজত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00