📄 বিভিন্ন মনীষীদের বাণীতে নিষেধ
১. আলী ইবনে আবি তালেব [রাঃ] বলেন: “আমি দু'টি জিনিসকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই: বড় আশা ও প্রবৃত্তির গোলামী; কারণ বড় আশা আখেরাতকে ভুলিয়ে দেয়। আর প্রবৃত্তির গোলামী সত্যকে গ্রহণ করা থেকে বিরত রাখে। জেনে রাখ! দুনিয়া পেছনে যাচ্ছে আর আখেরাত সামনে আসতেছে। আর প্রতিটির সন্তান রয়েছে। অতএব, অখেরাতের সন্তান হওয়ার চেষ্টা কর এবং দুনিয়ার সন্তান হওয়ার চেষ্টা করা না। এ জগতে আমল আছে হিসাব নেই এবং পরকালে হিসাব আছে আমল নেই।”
২. ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বেহ বলেন: “দ্বীনের জন্য সবচেয়ে সাহায্যকারী চরিত্র হলো: আল্লাহমুখী হওয়া এবং ধ্বংসের জন্য হলো প্রবৃত্তির গোলামী। প্রবৃত্তির গোলামীর মধ্য হতে হচ্ছে দুনিয়ামুখী হওয়া। দুনিয়ামুখী হওয়ার মধ্য হতে সম্পদ ও পদের ভালবাসা। সম্পদ ও পদের ভালবাসা হারামকে হালাল করে এবং এর দ্বারা আল্লাহর অসন্তুষ্টি আসে। আর আল্লাহর অসন্তুষ্টি এমন একটি রোগ যার ঔষধ তাঁর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য আর কিছুই নেই। আল্লাহর সন্তুষ্টি এমন ঔষধ যার পরে আর কোন রোগ ক্ষতি করতে পারে না। অতএব, যে তার প্রতিপালককে রাজি করাতে চায় তাকে তার প্রবৃত্তিকে নারাজ করাতে হবে; কারণ যে তার প্রবৃত্তিকে নারাজ করতে পারবে না সে তার প্রতিপালককে খুশী করাতে পারবে না। আর মানুষ তার প্রতি দ্বীনের কোন কাজ যখনই ভারী মনে করে ছাড়তে থাকবে একদিন এমন হবে যে, তার সাথে দ্বীনের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।"
৩. ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন: দাবিতে প্রবৃত্তির অনুসারীদের চাইতে বড় মিথ্যুক আর কাউকে দেখিনি। অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানে শিয়া- রাফেযীদের চাইতে বড় মিথ্যাসাক্ষী প্রদানকারী কাউকে দেখিনি।
৩. ফুযাইল ইবনে ইয়ায বলেন: “যার প্রতি তার প্রবৃত্তি ও কামনা-বাসনার অনুসরণ বিজয়ী হবে, তার থেকে সকল প্রকার তওফিকের উৎস বন্ধ হয়ে যাবে।"
৪. আতা বলেন: “যার প্রবৃত্তি তার বিবেকের উপর এবং অধৈর্য ধৈর্যের উপর জয়ী হবে, সে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে।"
৫. আলী ইবনে সাহল বলেন: “বিবেক ও প্রবৃত্তি দু'টির মাঝে ঝগড়া লাগে। এরপর তওফিক হয় বিবেকের বন্ধু এবং অপদস্ত হয় প্রবৃত্তির বন্ধু। আর নফস দুইজনের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকে যার জয়ী হয় তার সঙ্গে থাকে।"
৬. ইমাম গাজ্জালী বলেন: “মূলত দ্বীনের সকল বৈশিষ্ট্য ও সুন্দর চরিত্র ভালবাসার ফলাফল। আর যে ভালবাসা ফলপ্রসূ নয়, তা হচ্ছে প্রবৃত্তির গোলামী যা নিকৃষ্ট চরিত্র। এ ছাড়া যখন প্রবৃত্তির গোলামী জয়ী হয় তখন তোমাকে সে বধির ও অন্ধ বানিয়ে ফেলে। আর তখন ভয় থাকে না হেদায়েতে জটিলতা বরং ভয় হয় প্রবৃত্তির গোলামীর।”
৭. ইমাম ইবনুল কায়্যেম বলেন: “প্রতিটি বান্দার শুরু ও শেষ রয়েছে, যার শুরুটা প্রবৃত্তির গোলামী দ্বারা তার শেষ অপদস্ত, লাঞ্ছিত, বঞ্চিত ও বালা-মসিবত। যতটুকু প্রবৃত্তির গোলামী হবে ততটুকু হবে তার বিপদ। বরং তার শেষ হবে এমন আজাব দ্বারা যা সর্বদা সে অন্তরে ব্যথা অনুভব করতে থাকবে।---- আর যার শুরুটা হবে প্রবৃত্তির বিপরীত করা এবং বিবেকের অনুসরণ দ্বারা তার পরিণাম হবে ইজ্জত-সম্মান, অভাবমুক্ত এবং আল্লাহ ও মানুষের নিকট সম্মানিত।
৮. আবু আলী আদ্দাক্কাক বলেন: “যে যৌবনে তার নফসের কামনা-বাসনার মালিক হতে পারবে আল্লাহ তা'য়ালা তাকে তার পরিণতবয়সে সম্মানিত করবেন।"
৯. মুহাল্লাব ইবনে আবী সুফরাকে বলা হলো: কী দ্বারা এসব অর্জন করতে পেরেছেন? তিনি বললেন: দৃঢ়তার অনুসরণ এবং প্রবৃত্তির নাফরমানি দ্বারা। ইহাই হচ্ছে দুনিয়ার শুরু ও শেষ। আর আখেরাতে আল্লাহ তা'য়ালা জান্নাতকে শেষ স্থান করে দিয়েছেন, যে তার প্রবৃত্তিকে নিষেধ করে। আর যে প্রবৃত্তির গোলামী করে তার জন্য করেছেন জাহান্নামকে।”
১০. জুবাইর বলেন: “মানুষ তার নফসকে যখন যা চাবে তাই দেবে ও বারণ করবে না তখন সে প্রতিটি বাতিলের কামনা করবে এবং বয়ে আনবে তার জন্যে পাপ ও লাঞ্ছনা।”
১১. আবু ইসহাক শীরাজী বলেন:" যদি তোমাকে তোমার নফস একদিন কামনা-বাসনার কথা বলে আর তার বিপরীত করার কোন রাস্তা থাকে তবে সম্ভবপর বিপরীত কর; কারণ নফসের চাওয়া হলো শত্রু এবং তার বিপরীত হলো মিত্র।
১২. মালেক ইবনে দীনার বলেন: "তওরাতে পড়েছি যে, যার জ্ঞান তার প্রবৃত্তির উপরে বিজয়ী সেই হলো জয়ী বিজ্ঞ আলেম।"
১৩. ইবরাহীম তায়মী তাঁর দোয়াতে বলতেন: “হে আল্লাহ! সত্যের ব্যাপারে মতভেদ করা হতে আমাকে তোমার কিতাব ও নবীর সুন্নত দ্বারা হেফাজত কর। আরো হেফাজত কর তোমার হেদায়েত দ্বারা প্রবৃত্তির গোলামী করা থেকে, পথভ্রষ্ট থেকে, সংশয়, বক্রতা ও ঝগড়া-বিবাদ থেকে।
১৪. কেউ বলেছেন: আসমানের নিচে আল্লাহ ছাড়া সবচেয়ে যার বেশি এবাদত করা হয় তা হলো: প্রবৃত্তির এবাদত তথা মন পূজা।
১৫. কোন একজন সালাফে সালেহীন বলেছেন: যে তার প্রবৃত্তির উপরে বিজয়ী সে একটি শহর বিজয়কারীর চাইতেও বেশি শক্তিশালী।
১৬. কেউ বলেছেন: প্রবৃত্তির গোলামী সবচেয়ে বড় বিপদ এবং দ্বীন-দুনিয়ার মারত্মক ক্ষতিকারক।
১৭. কেউ বলেছেন: জমিনের উপর সবচেয়ে ঘৃণ্য উপাস্য হলো প্রবৃত্তি।
১৮. কেউ বলেছেন: যদি তোমান নিকট দু'টি জিনিসের মাঝে শংসয় ঘটে তাহলে তোমার নফসের উপর যেটি ভারী মনে হয় সেটির অনুসরণ কর; কারণ নফসের উপর সত্যটি ছাড়া ভারী হয় না।
১৯. কেউ বলেছেন: প্রবৃত্তির বিপরীত করাতেই রয়েছে দ্বীনের ও আখেরাতের সম্মান এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ইজ্জত। আর প্রবৃত্তির গোলামীতে রয়েছে দুনিয়া ও আখেরাতে অপমান এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অপদস্ত।
২০. কেউ বলেছেন: আল্লাহ তা'য়ালা তাঁর নবীর মাধ্যমে যে সকল এবাদত, আনুগত্য, আদেশ-নিষেধ ইত্যাদি পাঠিয়েছেন তার সবকিছুর বিপরীত হয় শুধুমাত্র প্রবৃত্তির অনুসরণের দ্বারাই।
২১. কেউ বলেছেন: যখন বিবেক শরিয়তের অনুসারী না হয় তখন তার জন্যে প্রবৃত্তি ও শাহওয়াত ছাড়া আর কোন উপাস্য থাকে না। প্রবৃত্তির গোলামীতে ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নেই।
২২. কেউ বলেছেন: তোমার সাথী তুমি যা পছন্দ কর তাতে একমত এবং তুমি যা ঘৃণা কর তাতে দ্বিমত হলে বুঝতে হবে তুমি প্রবৃত্তির গোলামী করছ। আর যে তার প্রবৃত্তির গোলামী করে সে দুনিয়ার আরাম-আয়েশ তালাশকারী।
টিকাঃ
১. আল-ইবানাতুল কুবরা-ইবনু বাত্তাহ:২/২০৬
১. আলী ইবনে আবি তালেব [রাঃ] বলেন: “আমি দু'টি জিনিসকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই: বড় আশা ও প্রবৃত্তির গোলামী; কারণ বড় আশা আখেরাতকে ভুলিয়ে দেয়। আর প্রবৃত্তির গোলামী সত্যকে গ্রহণ করা থেকে বিরত রাখে। জেনে রাখ! দুনিয়া পেছনে যাচ্ছে আর আখেরাত সামনে আসতেছে। আর প্রতিটির সন্তান রয়েছে। অতএব, অখেরাতের সন্তান হওয়ার চেষ্টা কর এবং দুনিয়ার সন্তান হওয়ার চেষ্টা করা না। এ জগতে আমল আছে হিসাব নেই এবং পরকালে হিসাব আছে আমল নেই।”
২. ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বেহ বলেন: “দ্বীনের জন্য সবচেয়ে সাহায্যকারী চরিত্র হলো: আল্লাহমুখী হওয়া এবং ধ্বংসের জন্য হলো প্রবৃত্তির গোলামী। প্রবৃত্তির গোলামীর মধ্য হতে হচ্ছে দুনিয়ামুখী হওয়া। দুনিয়ামুখী হওয়ার মধ্য হতে সম্পদ ও পদের ভালবাসা। সম্পদ ও পদের ভালবাসা হারামকে হালাল করে এবং এর দ্বারা আল্লাহর অসন্তুষ্টি আসে। আর আল্লাহর অসন্তুষ্টি এমন একটি রোগ যার ঔষধ তাঁর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য আর কিছুই নেই। আল্লাহর সন্তুষ্টি এমন ঔষধ যার পরে আর কোন রোগ ক্ষতি করতে পারে না। অতএব, যে তার প্রতিপালককে রাজি করাতে চায় তাকে তার প্রবৃত্তিকে নারাজ করাতে হবে; কারণ যে তার প্রবৃত্তিকে নারাজ করতে পারবে না সে তার প্রতিপালককে খুশী করাতে পারবে না। আর মানুষ তার প্রতি দ্বীনের কোন কাজ যখনই ভারী মনে করে ছাড়তে থাকবে একদিন এমন হবে যে, তার সাথে দ্বীনের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।"
৩. ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন: দাবিতে প্রবৃত্তির অনুসারীদের চাইতে বড় মিথ্যুক আর কাউকে দেখিনি। অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানে শিয়া- রাফেযীদের চাইতে বড় মিথ্যাসাক্ষী প্রদানকারী কাউকে দেখিনি।
৩. ফুযাইল ইবনে ইয়ায বলেন: “যার প্রতি তার প্রবৃত্তি ও কামনা-বাসনার অনুসরণ বিজয়ী হবে, তার থেকে সকল প্রকার তওফিকের উৎস বন্ধ হয়ে যাবে।"
৪. আতা বলেন: “যার প্রবৃত্তি তার বিবেকের উপর এবং অধৈর্য ধৈর্যের উপর জয়ী হবে, সে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে।"
৫. আলী ইবনে সাহল বলেন: “বিবেক ও প্রবৃত্তি দু'টির মাঝে ঝগড়া লাগে। এরপর তওফিক হয় বিবেকের বন্ধু এবং অপদস্ত হয় প্রবৃত্তির বন্ধু। আর নফস দুইজনের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকে যার জয়ী হয় তার সঙ্গে থাকে।"
৬. ইমাম গাজ্জালী বলেন: “মূলত দ্বীনের সকল বৈশিষ্ট্য ও সুন্দর চরিত্র ভালবাসার ফলাফল। আর যে ভালবাসা ফলপ্রসূ নয়, তা হচ্ছে প্রবৃত্তির গোলামী যা নিকৃষ্ট চরিত্র। এ ছাড়া যখন প্রবৃত্তির গোলামী জয়ী হয় তখন তোমাকে সে বধির ও অন্ধ বানিয়ে ফেলে। আর তখন ভয় থাকে না হেদায়েতে জটিলতা বরং ভয় হয় প্রবৃত্তির গোলামীর।”
৭. ইমাম ইবনুল কায়্যেম বলেন: “প্রতিটি বান্দার শুরু ও শেষ রয়েছে, যার শুরুটা প্রবৃত্তির গোলামী দ্বারা তার শেষ অপদস্ত, লাঞ্ছিত, বঞ্চিত ও বালা-মসিবত। যতটুকু প্রবৃত্তির গোলামী হবে ততটুকু হবে তার বিপদ। বরং তার শেষ হবে এমন আজাব দ্বারা যা সর্বদা সে অন্তরে ব্যথা অনুভব করতে থাকবে।---- আর যার শুরুটা হবে প্রবৃত্তির বিপরীত করা এবং বিবেকের অনুসরণ দ্বারা তার পরিণাম হবে ইজ্জত-সম্মান, অভাবমুক্ত এবং আল্লাহ ও মানুষের নিকট সম্মানিত।
৮. আবু আলী আদ্দাক্কাক বলেন: “যে যৌবনে তার নফসের কামনা-বাসনার মালিক হতে পারবে আল্লাহ তা'য়ালা তাকে তার পরিণতবয়সে সম্মানিত করবেন।"
৯. মুহাল্লাব ইবনে আবী সুফরাকে বলা হলো: কী দ্বারা এসব অর্জন করতে পেরেছেন? তিনি বললেন: দৃঢ়তার অনুসরণ এবং প্রবৃত্তির নাফরমানি দ্বারা। ইহাই হচ্ছে দুনিয়ার শুরু ও শেষ। আর আখেরাতে আল্লাহ তা'য়ালা জান্নাতকে শেষ স্থান করে দিয়েছেন, যে তার প্রবৃত্তিকে নিষেধ করে। আর যে প্রবৃত্তির গোলামী করে তার জন্য করেছেন জাহান্নামকে।”
১০. জুবাইর বলেন: “মানুষ তার নফসকে যখন যা চাবে তাই দেবে ও বারণ করবে না তখন সে প্রতিটি বাতিলের কামনা করবে এবং বয়ে আনবে তার জন্যে পাপ ও লাঞ্ছনা।”
১১. আবু ইসহাক শীরাজী বলেন:" যদি তোমাকে তোমার নফস একদিন কামনা-বাসনার কথা বলে আর তার বিপরীত করার কোন রাস্তা থাকে তবে সম্ভবপর বিপরীত কর; কারণ নফসের চাওয়া হলো শত্রু এবং তার বিপরীত হলো মিত্র।
১২. মালেক ইবনে দীনার বলেন: "তওরাতে পড়েছি যে, যার জ্ঞান তার প্রবৃত্তির উপরে বিজয়ী সেই হলো জয়ী বিজ্ঞ আলেম।"
১৩. ইবরাহীম তায়মী তাঁর দোয়াতে বলতেন: “হে আল্লাহ! সত্যের ব্যাপারে মতভেদ করা হতে আমাকে তোমার কিতাব ও নবীর সুন্নত দ্বারা হেফাজত কর। আরো হেফাজত কর তোমার হেদায়েত দ্বারা প্রবৃত্তির গোলামী করা থেকে, পথভ্রষ্ট থেকে, সংশয়, বক্রতা ও ঝগড়া-বিবাদ থেকে।
১৪. কেউ বলেছেন: আসমানের নিচে আল্লাহ ছাড়া সবচেয়ে যার বেশি এবাদত করা হয় তা হলো: প্রবৃত্তির এবাদত তথা মন পূজা।
১৫. কোন একজন সালাফে সালেহীন বলেছেন: যে তার প্রবৃত্তির উপরে বিজয়ী সে একটি শহর বিজয়কারীর চাইতেও বেশি শক্তিশালী।
১৬. কেউ বলেছেন: প্রবৃত্তির গোলামী সবচেয়ে বড় বিপদ এবং দ্বীন-দুনিয়ার মারত্মক ক্ষতিকারক।
১৭. কেউ বলেছেন: জমিনের উপর সবচেয়ে ঘৃণ্য উপাস্য হলো প্রবৃত্তি।
১৮. কেউ বলেছেন: যদি তোমান নিকট দু'টি জিনিসের মাঝে শংসয় ঘটে তাহলে তোমার নফসের উপর যেটি ভারী মনে হয় সেটির অনুসরণ কর; কারণ নফসের উপর সত্যটি ছাড়া ভারী হয় না।
১৯. কেউ বলেছেন: প্রবৃত্তির বিপরীত করাতেই রয়েছে দ্বীনের ও আখেরাতের সম্মান এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ইজ্জত। আর প্রবৃত্তির গোলামীতে রয়েছে দুনিয়া ও আখেরাতে অপমান এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অপদস্ত।
২০. কেউ বলেছেন: আল্লাহ তা'য়ালা তাঁর নবীর মাধ্যমে যে সকল এবাদত, আনুগত্য, আদেশ-নিষেধ ইত্যাদি পাঠিয়েছেন তার সবকিছুর বিপরীত হয় শুধুমাত্র প্রবৃত্তির অনুসরণের দ্বারাই।
২১. কেউ বলেছেন: যখন বিবেক শরিয়তের অনুসারী না হয় তখন তার জন্যে প্রবৃত্তি ও শাহওয়াত ছাড়া আর কোন উপাস্য থাকে না। প্রবৃত্তির গোলামীতে ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নেই।
২২. কেউ বলেছেন: তোমার সাথী তুমি যা পছন্দ কর তাতে একমত এবং তুমি যা ঘৃণা কর তাতে দ্বিমত হলে বুঝতে হবে তুমি প্রবৃত্তির গোলামী করছ। আর যে তার প্রবৃত্তির গোলামী করে সে দুনিয়ার আরাম-আয়েশ তালাশকারী।
টিকাঃ
১. আল-ইবানাতুল কুবরা-ইবনু বাত্তাহ:২/২০৬