📄 সমাজের কিছু ভ্রষ্টতা ও সমাধান
আমাদের সমাজের কথিত আহলে হাদীসের ভাইয়েরা পথভ্রষ্ট কেন? এ কারণে যে, তারা ওলামায়ে কেরাম থেকে বেশি বুঝে ফেলেছে! অনুরুপভাবে কথিত কিছু শায়েখ বা কথিত কিছু 'হাফিযাহুল্লাহ'র কারণে যুবকরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। আসল আর নকল সব একাকার হয়ে যাচ্ছে। এর সুযোগ নিচ্ছে ইসলামের শত্রুদের হাতে পরিচালিত মিডিয়াগুলো। তারা দাড়ি-টুপির ব্যাপারে বিভিন্ন কুধারণা মানুষের মগজে বসিয়ে দিচ্ছে। এর একমাত্র সমাধান হল, ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে থাকা। তাঁরা যেটাকে দীন বলেন, সেটাকেই দীন মনে করা। যেটাকে জিহাদ বলেন, সেটাকেই জিহাদ মনে করা। যেটাকে জঙ্গিবাদ বলেন, সেটাকে জঙ্গিবাদই মনে করা। যেটাকে তাবলীগ বলেন, সেটাকেই তাবলীগ মনে করা। যাকে হক বলবেন, তাকে হক হিসেবে বিশ্বাস করা। মোট কথা, অন্তত দীনের যে কোনো বিষয়ে তাঁদের কথার বাইরে না যাওয়া এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা। এটা ওলামায়ে কেরামের হক বা অধিকার। যদি ওলামায়ে কেরামের এই ন্যূনতম হক আদায় করতে না পারেন, তাহলে নবীজী বলেছেন وَيَعْرِفْ لِعَالِمِنَا حَقَّه যে আমাদের আলেমের হক জানে না সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।
📄 ওলামায়ে কেরামের চেয়ে দরদী কেউ নেই
এ জন্য আবারও বলছি, কথাটা মরণ পর্যন্ত অন্তরে ধরে রাখবেন, আপনাদের জন্য দরদী, হিতাকাঙ্ক্ষী ওলামায়ে কেরামের চেয়ে বেশি আর কেউ নয়।
ইয়াহইয়া ইবনু মুয়ায রহ. বলেন, ওলামায়ে কেরাম উম্মতের প্রতি আমাদের মা-বাবার চেয়েও বেশি দয়ালু। এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, কীভাবে? তিনি উত্তর দিলেন
لأن آباءهم وأمهاتهم يحفظونهم من نار الدنيا، والعلماء يحفظونهم من نار الآخرة কেননা তাদের বাবা-মা তাদেরকে দুনিয়ার আগুন থেকে বাঁচিয়ে রাখে আর ওলামায়ে কেরাম তাদেরকে আখেরাতের আগুন থেকে হেফাজত করে।
টিকাঃ
১৯. ইহয়ায়ু উলুমিদ্দীন: ১/১১