📄 তৃষ্ণায় শীতল পানীয়ের চাইতেও রাসূল ﷺ অধিক প্রিয়
আলী রাযি.-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, রাসূল -কে আপনারা কেমন ভালোবাসতেন? জবাবে তিনি বলেন
كَانَ وَاللَّهِ أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْ أَمْوَالِنَا وَأَوْلادَنَا، وآبائنا وأُمَّهَاتِنَا، وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ عَلَى الظَّمَإِ আল্লাহর কসম! তিনি আমাদের নিকট আমাদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি, পিতৃ ও মাতৃকুল এবং প্রচন্ড তৃষ্ণার সময় ঠান্ডা পানি যেমন প্রিয়, তার চাইতেও অধিক প্রিয় ছিলেন।
টিকাঃ
৫. আশ-শিফা বি তা'রীফি হুকূক্বিল মুস্তফা: ২/৫২
📄 সেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ থাকবেন
জনৈক আল্লাহওয়ালাকে প্রশ্ন করা হল, জান্নাতের এমন একটি নেয়ামতের ব্যাপারে বলুন, যা আমাদেরকে জান্নাতের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে! তিনি জবাবে বললেন, সেখানে রাসূলুল্লাহ থাকবেন!
📄 নবীজি ﷺ এর প্রতি ভালোবাসা দীনের প্রাণ
আল্লাহর এক আরেফ চমৎকার বলেছেন
محمد کی محبت دین حق کی شرط اول ہے اس میں ہوا گر خامی تو سب کچھ نا مکمل ہے
'মুহাম্মদ এর প্রতি মহব্বত সত্য ধর্মের প্রধান শর্ত; যদি এতে ত্রুটি থাকে তবে সবই অপরিপূর্ণ।' আল্লাহর আরেক আরেফ বলেন
مغز قرآں ، روح ایماں، جانِ دیں هست حب رحمت للعالمین
'কুরআনের মগজ, ঈমানের রূহ এবং দীনের প্রাণ হল, রাহমাতাল লিল আলামীনের প্রতি ভালোবাসা।'
📄 মহব্বত কাকে বলে?
এক্ষেত্রে দু'টি পরিভাষা আছে। এক. মহব্বত। দুই. ইশক।
মহব্বতের আতিশয্যকে বলা হয় ইশক। আমরা নবীজি-কে ইশক- মহব্বত করবো। প্রশ্ন হল মহব্বত কাকে বলে? জুনাইদ বাগদাদী রহ.-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল মহব্বত কাকে বলে? উত্তরে তিনি বলেন
دخول صفات المحبوب على البدل من صفات المحب
অর্থাৎ মহব্বতের মধ্যে দুই পক্ষ থাকে। যিনি মহব্বত করেন, তার নাম মুহিব্ব বা আশেক। যাকে মহব্বত করা হয়, তার নাম মাহবুব বা মাশুক। মহব্বত বলা হয়, মুহিব্ব বা আশেক নিজের মধ্যে বিদ্যমান স্বভাবগুলোকে বিসর্জন দিবে। সেই স্থানে গ্রহণ করবে মাহবুব বা মাশুকের স্বভাব ও বৈশিষ্ট্যকে। মুহিব্ব বা আশেক মনে করবে, আমার ইচ্ছা ইচ্ছা নয়, মাহবুবের ইচ্ছাই ইচ্ছা। আমার রুচি রুচি নয়, মাহবুবের রুচিই রুচি। আমার চাওয়া চাওয়া নয়, মাহবুবের চাওয়াই চাওয়া。
টিকাঃ
৬. সালওয়াতুল আরেফীন: ১৯৮