📄 সাহাবীদের ভালো পরিণতি ও জান্নাতের সুসংবাদ দিতেন
আনাস ইবনে মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত, “(একবার) নবীজি আবু বাকর, উমার ও উসমানকে রাযি. নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চড়লেন। পাহাড়টি নড়ে উঠল। আল্লাহর রাসূল বললেন, “উহুদ, থামো! তোমার উপর একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দু'জন শহীদ রয়েছেন।”” ৩৪৬
তিনি বলেছেন, “আবু বাকর জান্নাতী, উমার জান্নাতী, উসমান জান্নাতী, আলী জান্নাতী, তালহা জান্নাতী, যুবায়র ইবনুল আওয়াম জান্নাতী, সাদ ইবনে মালিক জান্নাতী, আব্দুর রাহমান ইবনে আওফ জান্নাতী, সাঈদ ইবনে যায়েদ জান্নাতী রাযি.।” ৩৪৭
নবীজি এ-ছাড়াও বলেছেন, “হাসান ও হুসাইন জান্নাতে যুবকদের নেতা হবে।” ৩৪৮
তিনি বলেন, "আমি স্বপ্নে আমাকে দেখলাম যে, আমি জান্নাতে প্রবেশ করেছি। হঠাৎ আবু তালহার রাযি. স্ত্রী রুমায়সাকে দেখতে পেলাম। আমার সামনে একজনের পদচারণার শব্দ শুনতে পেলাম। এটা ছিল বিলাল রাযি.।” ৩৪৯ জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে এ-রকম আরও অনেক সাহাবী রয়েছে।
টিকাঃ
৩৪৬. বুখারী (৩৬৭৫)।
৩৪৭. আবু দাউদ (৪৬৪৯), তিরমিযী (৩৭৪৮) ও ইবনে মাজাহ (১৩৪)
৩৪৮. তিরমিযী (৩৭৬৮)।
৩৪৯. বুখারী (৩৬৭৯) ও মুসলিম (২৪৫৭)।
আনাস ইবনে মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত, “(একবার) নবীজি আবু বাকর, উমার ও উসমানকে রাযি. নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চড়লেন। পাহাড়টি নড়ে উঠল। আল্লাহর রাসূল বললেন, “উহুদ, থামো! তোমার উপর একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দু'জন শহীদ রয়েছেন।”” ৩৪৬
তিনি বলেছেন, “আবু বাকর জান্নাতী, উমার জান্নাতী, উসমান জান্নাতী, আলী জান্নাতী, তালহা জান্নাতী, যুবায়র ইবনুল আওয়াম জান্নাতী, সাদ ইবনে মালিক জান্নাতী, আব্দুর রাহমান ইবনে আওফ জান্নাতী, সাঈদ ইবনে যায়েদ জান্নাতী রাযি.।” ৩৪৭
নবীজি এ-ছাড়াও বলেছেন, “হাসান ও হুসাইন জান্নাতে যুবকদের নেতা হবে।” ৩৪৮
তিনি বলেন, "আমি স্বপ্নে আমাকে দেখলাম যে, আমি জান্নাতে প্রবেশ করেছি। হঠাৎ আবু তালহার রাযি. স্ত্রী রুমায়সাকে দেখতে পেলাম। আমার সামনে একজনের পদচারণার শব্দ শুনতে পেলাম। এটা ছিল বিলাল রাযি.।” ৩৪৯ জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে এ-রকম আরও অনেক সাহাবী রয়েছে।
টিকাঃ
৩৪৬. বুখারী (৩৬৭৫)।
৩৪৭. আবু দাউদ (৪৬৪৯), তিরমিযী (৩৭৪৮) ও ইবনে মাজাহ (১৩৪)
৩৪৮. তিরমিযী (৩৭৬৮)।
৩৪৯. বুখারী (৩৬৭৯) ও মুসলিম (২৪৫৭)।
📄 উপসংহার
নবীজি মুহাম্মদ তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় থেকে শুরু করে আরব-উপমহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনুসারীদের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন তাঁর বিনয় ও উদারতার দ্বারা। এভাবেই তিনি সাফল্যের সাথে আল্লাহর বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এখন মুসলিমদের দায়িত্ব হলো, তাঁর সুন্নাত নিজেদের জীবনে ধারণ করে ইসলামের বাণীকে সমুন্নত রাখা ও ছড়িয়ে দেওয়া। নবীজিকে ভালোবাসার দাবি জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাঁর সুন্নাতের অনুসরণের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।
আমরা যদি আন্তরিকতার সাথে নবীজিকে ﷺ তাঁর সাহাবীদের মতো ভালোবাসি, তা হলে আল্লাহও আমাদের ভালোবাসবেন এবং আখিরাতে আমরা তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের মাঝে থাকতে পারব।
নবীজি মুহাম্মদ তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় থেকে শুরু করে আরব-উপমহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনুসারীদের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন তাঁর বিনয় ও উদারতার দ্বারা। এভাবেই তিনি সাফল্যের সাথে আল্লাহর বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এখন মুসলিমদের দায়িত্ব হলো, তাঁর সুন্নাত নিজেদের জীবনে ধারণ করে ইসলামের বাণীকে সমুন্নত রাখা ও ছড়িয়ে দেওয়া। নবীজিকে ভালোবাসার দাবি জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাঁর সুন্নাতের অনুসরণের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।
আমরা যদি আন্তরিকতার সাথে নবীজিকে ﷺ তাঁর সাহাবীদের মতো ভালোবাসি, তা হলে আল্লাহও আমাদের ভালোবাসবেন এবং আখিরাতে আমরা তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের মাঝে থাকতে পারব।