📄 ইবাদাতে সময় দেওয়ার পাশাপাশি স্ত্রীদেরকেও সময় দিতেন
আয়িশা রাযি. থেকে বর্ণিত, “নবীজি (ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত) সালাত পড়তেন। এরপর আমি জেগে থাকলে আমার সাথে কথা বলতেন। নাহলে জামাআতের সময় হওয়া পর্যন্ত শুয়ে থাকতেন।” ৪
টিকাঃ
৪. বুখারী (১১৬১)।
📄 ভ্রমণের সময় স্ত্রীর সাথে গল্প করতেন
আয়িশা রাযি. থেকে বর্ণিত, “নবীজি ﷺ কোনো যাত্রায় বের হওয়ার আগে স্ত্রীর মাঝে লটারি করতেন। একবার লটারিতে আমার ও হাফসার নাম এল। আমরা দুজনে তাঁর সাথে বের হলাম। নবীজি (উটের পিঠে) সারা দিন ভ্রমণে থাকতেন আর রাত হলে আমার সাথে হাঁটতেন আর গল্প করতেন।” ৫
টিকাঃ
৫. বুখারী (৫২১১) ও মুসলিম (২৪৪৫)।
📄 স্ত্রীদের অধিকার রক্ষায় তিনি ﷺ ছিলেন তৎপর
আল্লাহর রাসূল ﷺ খাদিজার রাযি. জীবদ্দশায় ও তার মৃত্যুর পর অনেক প্রশংসা করতেন; এমনকি সব স্ত্রীর মধ্যে তারই সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করতেন। তিনি অনেক আগ্রহ নিয়ে তার গুণগুলোর কথা বলতেন, হৃদয়ে তার স্থানের কথা জানাতেন। মৃত্যুর পরও তাঁর হৃদয়ের সিংহাসন জুড়ে ছিলেন খাদিজা রাযি.।
📄 খাদিজার রাযি. নাম বলার সময় তার প্রশংসা করতেন
আয়িশা রাযি. থেকে বর্ণিত, “যখনই আল্লাহর রাসূল খাদিজার রাযি. নাম উল্লেখ করতেন, তার প্রশংসা করতেন। তার প্রশংসা করা এবং আল্লাহর কাছে দুআ করার ব্যাপারে কখনোই তিনি যেন ক্লান্ত হতেন না।” ৮
বর্তমান যুগে মানুষের বৈবাহিক অবস্থাগুলো আসলেই অবাক করার মতো। আজকাল যখন কোনো ব্যক্তি তার প্রথম স্ত্রী মৃত্যুর পর নতুন স্ত্রীকে বিয়ে করে— বিয়ের আসরেই দেখা যায়, সে দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রশংসা করছে আর প্রথম স্ত্রীর ভুলগুলো আলোচনা করছে। আরেকদিকে দেখা যায়, তালাকের পর স্ত্রীর দোষগুলো স্বামী বলে বেড়াচ্ছে আর এর সাথে সেগুলোর ব্যাপারে সে কতটা ধৈর্যশীল ছিল, বর্ণনা করতে থাকে। কিছু কিছু মানুষ তো এমন থাকে, যত ভালোই হোক না কেন, স্ত্রীর কোনো ভালো গুণের কথা কারও কাছেই বলে না।
টিকাঃ
৬. বুখারী (৩৮১৮) ও মুসলিম (২৪৩৫)।
৭. ফাতহুল বারী (১৩৭/৭)।
৮. তাবারানী (৩১৯/১)।