📄 গাওয়ায় তাবুকের গুরুত্বপূর্ণ সুফল
গবেষকরা গাযওয়ায়ে তাবুকের আরো কিছু ফলাফল বের করেছেন। যেমন:
ক. আরবদের ওপর বাইজান্টাইনদের যে প্রভাব ছিল তা অনেক কমে যায়। এটা مسلمانوں ক্ষেত্রে যেমন, কাফেরদের ক্ষেত্রেও তেমনই প্রযোজ্য। আরবরা মনে করতো, বাইজান্টাইনরা অপরাজেয় শক্তি। বিশেষত মুতাযুদ্ধে مسلمانوں পিছু হটার কারণে বাইজান্টাইনদের সম্পর্কে এমন ধারণা আরেকটু শক্তিশালী হয়। এমতাবস্থায় সাধারণ আরবদের মন থেকে এমন ধারণা দূর করার লক্ষ্যে গাযওয়ায়ে তাবুকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। এখানে জাতিগত বা বংশগত স্বার্থ বা নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতা ছিল না; বরং এর লক্ষ্য ছিল মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর দাসত্বের দিকে নিয়ে আসা।
গাযওয়ায়ে তাবুকের মাধ্যমে উপরোক্ত উদ্দেশ্য পরিপূর্ণভাবে অর্জিত হয়। একদিকে ইসলামী রাষ্ট্র মুক্ত হয় তাদের প্রভাব থেকে। পাশাপাশি বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধীনস্থ সীমান্তের খ্রিষ্টান এলাকাগুলো مسلمانوں নিয়ন্ত্রনে আসে। অপর দিকে, যেসব গোত্র গাযওয়ায়ে তাবুকের পরেও ইসলামী রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রনে আসেনি, তারাও যথেষ্ট প্রভাবিত হয়। তারা এলাকা ছেড়ে যেতে থাকে। সার্বিক বিবেচনায় গাযওয়ায়ে তাবুককে সিরিয়ান অঞ্চলে ইসলামী বিজয়ের প্রথম ধাপ বলা চলে।
মোটকথা, রসূলুল্লাহ সা.-এর নেতৃত্বে मुसलमानों মক্কা বিজয়, খায়বার বিজয় ও তাবুক যুদ্ধের মাধ্যমে আরব গোত্রগুলো রসূল Sa. ও ইসলামের দ্বারা প্রভাবিত হয়। বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা ও নাজরানের বিভিন্ন গোষ্ঠী রসূলের সাথে সন্ধি করতে বাধ্য হয়। জিযিয়া প্রদান করে। ইসলাম গ্রহণ করে। এতদ্ভিন্ন তাদের কোনো বিকল্প ছিল না। মদীনা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে বহু প্রতিনিধিদল গাযওয়ায়ে তাবুকের পর নবীজির দরবারে আসে। এ ছিল ইসলামের সত্যিকার বিজয়। প্রতিনিধিদলের অধিক আগমনের ফলে নবম হিজরিটি 'আমুল উযুদ' বা প্রতিনিধিদলের বছর নামে পরিচিতি পায়। নবীজীবনের যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনার ইতি ঘটে গাযওয়ায়ে তাবুকের মাধ্যমে। এই গাযওয়ায় আমরা অসংখ্য শিক্ষণীয় ও তাৎপর্যবহ বিষয় জানতে পারি।
॥ আলহামদুলিল্লাহ ॥
টিকাঃ
১৫৭৬. আবদুর রহমান আহমাদ প্রণীত আল মুসলিমুনা ওয়ার রুম ফি আহদিন নবুওয়াতি: ১০২।
১৫৭৭. নাযরাতুন নায়ীম: ১/৩৯৫-৩৯৬।
গবেষকরা গাযওয়ায়ে তাবুকের আরো কিছু ফলাফল বের করেছেন। যেমন:
ক. আরবদের ওপর বাইজান্টাইনদের যে প্রভাব ছিল তা অনেক কমে যায়। এটা مسلمانوں ক্ষেত্রে যেমন, কাফেরদের ক্ষেত্রেও তেমনই প্রযোজ্য। আরবরা মনে করতো, বাইজান্টাইনরা অপরাজেয় শক্তি। বিশেষত মুতাযুদ্ধে مسلمانوں পিছু হটার কারণে বাইজান্টাইনদের সম্পর্কে এমন ধারণা আরেকটু শক্তিশালী হয়। এমতাবস্থায় সাধারণ আরবদের মন থেকে এমন ধারণা দূর করার লক্ষ্যে গাযওয়ায়ে তাবুকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। এখানে জাতিগত বা বংশগত স্বার্থ বা নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতা ছিল না; বরং এর লক্ষ্য ছিল মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর দাসত্বের দিকে নিয়ে আসা।
গাযওয়ায়ে তাবুকের মাধ্যমে উপরোক্ত উদ্দেশ্য পরিপূর্ণভাবে অর্জিত হয়। একদিকে ইসলামী রাষ্ট্র মুক্ত হয় তাদের প্রভাব থেকে। পাশাপাশি বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধীনস্থ সীমান্তের খ্রিষ্টান এলাকাগুলো مسلمانوں নিয়ন্ত্রনে আসে। অপর দিকে, যেসব গোত্র গাযওয়ায়ে তাবুকের পরেও ইসলামী রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রনে আসেনি, তারাও যথেষ্ট প্রভাবিত হয়। তারা এলাকা ছেড়ে যেতে থাকে। সার্বিক বিবেচনায় গাযওয়ায়ে তাবুককে সিরিয়ান অঞ্চলে ইসলামী বিজয়ের প্রথম ধাপ বলা চলে।
মোটকথা, রসূলুল্লাহ সা.-এর নেতৃত্বে मुसलमानों মক্কা বিজয়, খায়বার বিজয় ও তাবুক যুদ্ধের মাধ্যমে আরব গোত্রগুলো রসূল Sa. ও ইসলামের দ্বারা প্রভাবিত হয়। বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা ও নাজরানের বিভিন্ন গোষ্ঠী রসূলের সাথে সন্ধি করতে বাধ্য হয়। জিযিয়া প্রদান করে। ইসলাম গ্রহণ করে। এতদ্ভিন্ন তাদের কোনো বিকল্প ছিল না। মদীনা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে বহু প্রতিনিধিদল গাযওয়ায়ে তাবুকের পর নবীজির দরবারে আসে। এ ছিল ইসলামের সত্যিকার বিজয়। প্রতিনিধিদলের অধিক আগমনের ফলে নবম হিজরিটি 'আমুল উযুদ' বা প্রতিনিধিদলের বছর নামে পরিচিতি পায়। নবীজীবনের যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনার ইতি ঘটে গাযওয়ায়ে তাবুকের মাধ্যমে। এই গাযওয়ায় আমরা অসংখ্য শিক্ষণীয় ও তাৎপর্যবহ বিষয় জানতে পারি।
॥ আলহামদুলিল্লাহ ॥
টিকাঃ
১৫৭৬. আবদুর রহমান আহমাদ প্রণীত আল মুসলিমুনা ওয়ার রুম ফি আহদিন নবুওয়াতি: ১০২।
১৫৭৭. নাযরাতুন নায়ীম: ১/৩৯৫-৩৯৬।