📘 নবীজির যুদ্ধ জীবন পাঠ ও পর্যালোচনা > 📄 যাদের শরীয়তসম্মত ওজর ছিল

📄 যাদের শরীয়তসম্মত ওজর ছিল


তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন: لَيْسَ عَلَى الضُّعَفَاءِ وَلَا عَلَى الْمَرْضَى وَلَا عَلَى الَّذِينَ لَا يَجِدُونَ مَا يُنْفِقُونَ حَرَجٌ إِذَا نَصَحُوا لِلَّهِ وَرَسُولِهِ مَا عَلَى الْمُحْسِنِينَ مِنْ سَبِيلٍ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ وَلَا عَلَى الَّذِينَ إِذَا مَا أَتَوْكَ لِتَحْمِلَهُمْ قُلْتَ لَا أَجِدُ مَا أَحْمِلُكُمْ عَلَيْهِ تَوَلَّوْا وَأَعْيُنُهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ حَزَنًا أَلَّا يَجِدُوا مَا يُنْفِقُونَ
কোনো অভিযোগ নেই দুর্বলদের ওপর, অসুস্থদের ওপর ও যারা দান করার মত কিছু পায় না তাদের ওপর, যদি তারা আল্লাহ ও তার রসূলের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়। সৎকর্মশীলদের উপর (অভিযোগের) কোনো পথ নেই, আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। তাদের বিরুদ্ধেও কোনো অভিযোগ নেই যারা তোমার কাছে যখন বাহন চাওয়ার জন্য এসেছিল তখন তুমি বলেছিলে, 'আমি তো তোমাদের জন্য কোনো বাহন পাচ্ছি না'। তখন তারা ফিরে গেলো, আর সে সময় তাদের চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পড়ছিল-এ দুঃখে যে, ব্যয় বহন করার মতো কোনো কিছু তাদের ছিল না。

এখানে এমন ব্যক্তিদের আলোচনা করা হয়েছে, যারা বাস্তবেই শরীয়তসম্মত কোনো সমস্যার কারণে গাযওয়ায়ে তাবুকে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাদের কোনো পাপ হয়নি। শরীয়ত কর্তৃক ছাড়প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে দুর্বল সামর্থ্যহীন লোকেরা যারা অঙ্গহানি, অন্ধত্ব, পাগল বা অপ্রকৃতস্থ হওয়ার কারণে যুদ্ধে অংশগ্রহণে অপারগ ছিল। তদ্রূপ অসুস্থতা দ্বারা এমন অসুস্থতা উদ্দেশ্য, যে অসুস্থতার কারণে কোনো ব্যক্তি যুদ্ধে অংশগ্রহণে অক্ষম হয়。

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: 'যারা দান করার মত কিছু পায় না তাদের কোনো দোষ নেই; যদি তারা আল্লাহ ও তার রসূলের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়।' এর দ্বারা বোঝা যায়, সামর্থ্যহীন ব্যক্তিদের কোনো অপরাধ হবে না যখন তারা মনের দিক থেকে আল্লাহ ও রসূলকে ভালোবাসবে। যারা আল্লাহ ও রসূলের শত্রুদের সাথে শত্রুতা ও বন্ধুদের সাথে বন্ধুত্ব রাখবে。

মহান আল্লাহর বাণী: 'সৎকর্মশীলদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই' এর ব্যাখ্যায় ইমাম তাবারী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রসূলের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও তাদের কল্যাণকামী ছিল এবং বাস্তবেই কোনো সমস্যাগ্রস্ত হওয়ার কারণে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তাকে শাস্তির আওতায় নেওয়া যাবে না। যেহেতু আল্লাহ 'ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।' তিনি বিভিন্ন অপরাধ তার দয়ায় গোপন রাখেন। এসব ক্ষেত্রে তিনি তাদের শাস্তি দেবেন না。

কুরতুবী রহ. বলেন, অক্ষম ব্যক্তিদের ওপর থেকে অক্ষমতার কারণে জিহাদের বিধান রহিত করা হয়েছে। অক্ষমতা বলতে শারীরিক বা আর্থিক উভয়টিকেই বুঝায়。

পরের আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন: 'তাদের বিরুদ্ধেও কোনো অভিযোগ নেই যারা তোমার কাছে যখন বাহন চাওয়ার জন্য এসেছিল, তখন তুমি বলেছিলে, আমি তো তোমাদের জন্য কোনো বাহন পাচ্ছি না।' এটি মূলত পূর্বোক্ত আয়াতের সাথে সম্পর্কিত। যেখানে বিশেষভাবে এমন এক সম্প্রদায়ের কথা বলা হয়েছে, যাদের আলোচনা পূর্বে অতিবাহিত হলেও বিশেষ কারণে তাদের কথা দ্বিতীয়বার আলোচনা করা হয়েছে।
অর্থাৎ অসুস্থ, দুর্বল এবং এমন ব্যক্তি যারা আল্লাহর পথে ব্যয় করার সামর্থ্য রাখে না, তারা যদি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে, তাহলে তাদের কোনো অন্যায় হবে না। তদ্রূপ এমন দরিদ্র মুমিন যারা আপনার কাছে যুদ্ধের বাহন ইত্যাদি সংগ্রহের জন্য এসেছিল এবং আপনি বলেছিলেন, 'আমি তো তোমাদের জন্য কোন বাহন পাচ্ছি না।' আপনার কাছ থেকে আশাহত হয়ে তারা ফিরে যাচ্ছিলো কিন্তু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল। কেননা, যুদ্ধের কাজে ব্যয় করার মতো সম্পদ তাদের কাছে ছিল না। এছাড়া তাবুক পর্যন্ত পৌছার মতো কোনো বাহনও তাদের কাছে ছিল না。

টিকাঃ
১৫১৫. সুরা তাওবা: ৯১-৯২।
১৫১৬. যাদুল মাসীর: ৪/৪৮৫।
১৫১৭. তাফসীরে কুরতুবী: ৮/২৬২।
১৫১৮. তাফসীরে তাবারী: ১০/২১১।
১৫১৯. তাফসীরে কুরতুবী: ৮/২৬২।
১৫২০. হাদীসুল কুরআনিল কারীম: ২/৬৭২।
১৫২১. হাদীসুল কুরআনিল কারীম: ২/৬৭২।

📘 নবীজির যুদ্ধ জীবন পাঠ ও পর্যালোচনা > 📄 সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধে যাননি, কিন্তু আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন

📄 সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধে যাননি, কিন্তু আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন


এ রকম ব্যক্তিদের ব্যাপারে কুরআনে কারীমে তিনটি আয়াত এসেছে।

ক. وَآخَرُونَ اعْتَرَفُوا بِذُنُوبِهِمْ خَلَطُوا عَمَلًا صَالِحًا وَآخَرَ سَيِّئًا عَسَى اللَّهُ أَنْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
আর অন্য কিছু লোক তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে, সৎকর্মের সঙ্গে তারা অসৎকর্মের মিশ্রণ ঘটিয়েছে। আশা করা যায়, আল্লাহ তাদের তাওবা কবুল করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু。

যারা কোনো কারণ না থাকা সত্ত্বেও গাযওয়ায়ে তাবুকে অংশ নেয়নি এবং তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর দরবারে অনুতপ্ত হয়েছে। রসূলুল্লাহ সা.- এর দরবারে এসে তারা মুনাফেকদের মতো বানোয়াট কোনো অজুহাত দাঁড় করায়নি, বরং তারা নিজেদের অন্যায় স্বীকার করে আল্লাহর দরবারে আশাবাদী হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছিল যে, আল্লাহ তাআলা তাদের ক্ষমা করে দেবেন। আয়াতে বর্ণিত 'সৎকর্ম' দ্বারা ইসলামী বিধিবিধান পালনসহ অন্যান্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা উদ্দেশ্য আর 'অসৎকর্ম' দ্বারা তাবুক যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে থাকা উদ্দেশ্য। আর অন্যায়ের স্বীকারোক্তি ও আল্লাহর দরবারে ক্ষমাপ্রার্থনার মাধ্যমে একটি সৎকর্ম করেছে।

শুধু অন্যায়ের স্বীকারোক্তিই তাওবা নয় বরং অন্যায়ের স্বীকারোক্তির সাথে কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অন্যায়কাজ থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করাই পূর্ণাঙ্গ তাওবা। আর এই সাহাবায়ে কেরাম এমন পূর্ণাঙ্গ তাওবাই করেছিলেন।

আল্লাহর বাণী: 'আশা করা যায়, আল্লাহ তাদের তাওবা কবুল করবেন।' এই বাক্যাংশ দ্বারা বোঝানো হয়েছে, নিশ্চয়ই তারা যেহেতু নিজেদের অপরাধের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং তাওবা করছেন, তাই আল্লাহ তাআলা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। কেননা, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আশাবাদ প্রকাশও নিশ্চয়তা বোঝায়。

খ. وَآخَرُونَ مُرْجَوْنَ لِأَمْرِ اللَّهِ إِمَّا يُعَذِّبُهُمْ وَإِمَّا يَتُوبَ عَلَيْهِمْ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
আর কতক আল্লাহর ফয়সালার অপেক্ষায় থাকলো, তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন অথবা তাদের তাওবাহ কবুল করবেন; আল্লাহ সর্বজ্ঞ, বড়ই প্রজ্ঞাময়。

সহীহাইনে এসেছে: এ আয়াতের বর্ণনামতে যাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া স্থগিত রাখা হয়েছিল, তারা ছিলেন হিলাল ইবনে উমাইয়া, কাআব ইবনে মালেক ও মুরারা ইবনে রবী। যদিও তারা রসূল Sa.-এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করতেন; তবুও অবহেলা বসত তারা অংশগ্রহণ করতে পারেননি। নিঃসন্দেহে তারা পূর্ণ মুমিন ছিলেন। মুনাফেক ছিলেন না।
নবীজি Sa. মদীনায় ফিরে এলে তারা নবীজির কাছে স্বীকার করেন যে, আমাদের কোনো সমস্যা ছিল না। তবুও আমরা অন্যায়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করিনি। রসূল Sa. তওবা গ্রহণ করেননি। রসূল Sa. অন্যান্য সাহাবীদের আদেশ দিলেন তাদের বয়কট করতে এবং কঠোরভাবে তাদের সাথে মেলামেশা করতে বারণ করলেন। এ অবস্থা পঞ্চাশ দিন বহাল থাকে。

গ. وَعَلَى الثَّلَاثَةِ الَّذِينَ خُلِّفُوا حَتَّى إِذَا ضَاقَتْ عَلَيْهِمُ الْأَرْضُ بِمَا رَحُبَتْ وَضَاقَتْ عَلَيْهِمْ أَنْفُسُهُمْ وَظَنُّوا أَنْ لَا مَلْجَأَ مِنَ اللَّهِ إِلَّا إِلَيْهِ ثُمَّ تَابَ عَلَيْهِمْ لِيَتُوبُوا إِنَّ اللَّهَ هُوَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
আর ওই তিনজনের (তাওবা কবুল করলেন), যাদের বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়েছিল। এমনকি পৃথিবী প্রশস্ত হওয়া সত্ত্বেও তাদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল এবং তাদের নিকট তাদের জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছিল। আর তারা নিশ্চিত বুঝেছিল যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো আশ্রয়স্থল নেই। তারপর তিনি তাদের তাওবা কবুল করলেন, যাতে তারা তাওবায় স্থির থাকে। নিশ্চয় আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু。

এখানে বর্ণিত তিনজন দ্বারা পূর্বে উল্লিখিত তিনজন ব্যক্তিই উদ্দেশ্য। ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে সামনে আলোচনা করা হবে।

টিকাঃ
১৫২২. সুরা তাওবা: ১০২।
১৫২৩. তাফসীরে শাওকাণী: ২/৩৩৯।
১৫২৪. সুরা তাওবাহ: আয়াত ১০৬।
১৫২৫. তাফসীরে আলুসি: ১১/১৭১।
১৫২৬. সুরা তাওবা ১১৮
১৫২৭. হাদীসুল কুরআনিল কারীম: ২/৬৭৭।

📘 নবীজির যুদ্ধ জীবন পাঠ ও পর্যালোচনা > 📄 মদীনার আশেপাশে বসবাসরত মুনাফেক

📄 মদীনার আশেপাশে বসবাসরত মুনাফেক


মদীনার কাছাকাছি অবস্থানরত গ্রাম্য মুনাফেকদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَجَاءَ الْمُعَذِّرُونَ مِنَ الْأَعْرَابِ لِيُؤْذَنَ لَهُمْ وَقَعَدَ الَّذِينَ كَذَبُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ سَيُصِيبُ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
আর গ্রামবাসীদের থেকে ওযর পেশকারীরা এলো, যেন তাদের অনুমতি দেয়া হয় এবং (জিহাদ না করে) বসে থাকলো তারা, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে মিথ্যা বলেছিল। তাদের মধ্য থেকে যারা কুফরী করেছে, তাদেরকে অচিরেই যন্ত্রণাদায়ক আযাব আক্রান্ত করবে।

টিকাঃ
১৫২৮. সুরা তাওবা ৯০।

📘 নবীজির যুদ্ধ জীবন পাঠ ও পর্যালোচনা > 📄 মদীনায় অবস্থানরত মুনাফেক

📄 মদীনায় অবস্থানরত মুনাফেক


তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন:
فَرِحَ الْمُخَلَّفُونَ بِمَقْعَدِهِمْ خِلَافَ رَسُولِ اللَّهِ وَكَرِهُوا أَنْ يُجَاهِدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَقَالُوا لَا تَنْفِرُوا فِي الْحَرِّ قُلْ نَارُ جَهَنَّمَ أَشَدُّ حَرًّا لَوْ كَانُوا يَفْقَهُونَ فَلْيَضْحَكُوا قَلِيلًا وَلْيَبْكُوا كَثِيرًا جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ فَإِنْ رَجَعَكَ اللَّهُ إِلَى طَائِفَةٍ مِنْهُمْ فَاسْتَأْذَنُوكَ لِلْخُرُوجِ فَقُلْ لَنْ تَخْرُجُوا مَعِيَ أَبَدًا وَلَنْ تُقَاتِلُوا مَعِيَ عَدُوًّا إِنَّكُمْ رَضِيتُمْ بِالْقُعُودِ أَوَّلَ مَرَّةٍ فَاقْعُدُوا مَعَ الْخَالِفِينَ
পেছনে থাকা লোকগুলো আল্লাহর রসূলের বিপক্ষে বসে থাকতে পেরে খুশি হলো, আর তারা অপছন্দ করলো তাদের মাল ও জান নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে এবং তারা বললো, 'তোমরা গরমের মধ্যে বের হয়ো না'। বলো, 'জাহান্নামের আগুন অধিকতর গরম, যদি তারা বুঝতো'। অতএব তারা অল্প হাসুক, আর বেশি কাঁদুক, তারা যা অর্জন করেছে তার বিনিময়ে। অতএব যদি আল্লাহ তোমাকে তাদের কোনো দলের কাছে ফিরিয়ে আনেন এবং তারা তোমার কাছে বের হওয়ার অনুমতি চায়, তবে তুমি বলো, 'তোমরা আমার সাথে কখনো বের হবে না এবং আমার সাথে কোনো দুশমনের বিরুদ্ধে কখনও লড়াই করবে না। নিশ্চয় তোমরা প্রথমবার বসে থাকাই পছন্দ করেছো, সুতরাং তোমরা বসে থাকো পেছনে (বসে) থাকা লোকদের সাথে।
ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেন, আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের অপরাধের জন্য এমনই করে থাকেন। সুতরাং যেসব মুমিন বান্দাদের তিনি ভালোবাসেন, সামান্য ভুলের জন্যও ধরে ফেলেন, যাতে তারা সবসময় সাবধান থাকে。

টিকাঃ
১৫২৯. সুরা তাওবা ৮১-৮৩।
১৫৩০. যাদুল মাআদ: ৩/৫৭৮।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00