📄 মক্কা বিজয়ের ফলাফল
মক্কা বিজয়ের ফলে মুসলমানরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়। যেমন:
ক. মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে পবিত্র মক্কা। মক্কায় কাফেরদের ক্ষমতা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। হুনাইন ও তায়েফে কুফরের দুর্গ ধ্বংস করতে এবং সেখান থেকে সমগ্র বিশ্বে ইসলামের বাণী সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে এই বিজয় ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
খ. মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় আরবজুড়ে। নবীজির স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয় কুরায়েশদের ইসলাম গ্রহণের ফলে। আরব ভূখণ্ডে ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো কোনো শক্তি আর বাকি থাকেনি। গোটা আরব চলে আসে ইসলামের ছায়াতলে। এর ফলে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে অন্যায়-অবিচার রুখে দেয়ার এবং সেগুলোকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসার পথ সুগম হয়।
গ. ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিরাট প্রভাব ফেলে মক্কা বিজয়। যারা এই ইতিহাস ভালোভাবে গবেষণা করেন, তারা বিষয়টি অনুধাবন করতে পারেন। সামাজিক প্রভাবের কথা বললে বলতে হয়, ইসলামের আবির্ভাবের পর থেকেই যারা ইসলামের বিরোধিতায় সবচেয়ে অগ্রগামী ছিল, তারাই চলে আসে ইসলামের ছায়াতলে। নামায পড়ানো এবং ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য রসূল সা. মক্কায় মুআয ইবনে জাবাল রা.-কে রেখে গিয়েছিলেন।
রাজনৈতিক প্রভাবের কথা বললে বলতে হয়, মানুষের মাঝে ইসলামী বিধানমতে বিচারকার্য পরিচালনার লক্ষ্যে রসূল সা. আত্তাব ইবনে উসাইদকে মক্কার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেন।
ধর্মীয় প্রভাবের কথা বললে বলতে হয়, মক্কা বিজয়ের কারণে গোটা আরবে ইসলাম স্বীকৃতি পায়। সবাই একথা মেনে নিতে বাধ্য হয়, ইসলাম আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম-যা তিনি তার বান্দাদের জন্য নির্বাচিত করেছেন। তাই তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেয়।
ঘ. মুসলমানদের সাহায্য করার যে প্রতিশ্রুতি আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন সময় দিয়েছেন, তা যেন মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে কার্যকর হয়। যার জন্য মুসলমানদের অনেক কুরবানি দিতে হয়েছিল। আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্যপ্রাপ্তির শর্তসমূহ পূর্ণ করার মাধ্যমে তারা এই সম্মান ও বিজয় লাভ করেন।
ওই দৃশ্যটির কথা ভাবুন! বেলাল বায়তুল্লাহর ছাদে উঠলেন। যোহরের নামাযের আযান দিলেন। নিস্তব্ধ মক্কাবাসী নতুন ইবাদতের আহ্বান যেন মোহাবিষ্ট হয়ে শুনছিল। গোটা মক্কায় গুঞ্জরিত হচ্ছিলো এ আযানের ধ্বনি। শয়তান সেদিন ছিল ভীষণ ক্ষিপ্ত। অনুচরদের সাথে নিয়ে পলায়ন করা ছাড়া তার আর কোনো উপায় ছিল না। 'আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার।' যে বেলাল চাবুকের আঘাত খেতে খেতে কেবল 'আহাদ আহাদ' বলে চিৎকার করতেন, আজ দীপ্তিময় কণ্ঠে সেই তিনি বায়তুল্লাহর ছাদে উঠে ঘোষণা করছিলেন, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ'। আর মক্কার সব মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো সেই আযানের মধুর ধ্বনি শুনে যাচ্ছিলো।
মক্কা বিজয়ের ফলে মুসলমানরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়। যেমন:
ক. মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে পবিত্র মক্কা। মক্কায় কাফেরদের ক্ষমতা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। হুনাইন ও তায়েফে কুফরের দুর্গ ধ্বংস করতে এবং সেখান থেকে সমগ্র বিশ্বে ইসলামের বাণী সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে এই বিজয় ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
খ. মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় আরবজুড়ে। নবীজির স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয় কুরায়েশদের ইসলাম গ্রহণের ফলে। আরব ভূখণ্ডে ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো কোনো শক্তি আর বাকি থাকেনি। গোটা আরব চলে আসে ইসলামের ছায়াতলে। এর ফলে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে অন্যায়-অবিচার রুখে দেয়ার এবং সেগুলোকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসার পথ সুগম হয়।
গ. ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিরাট প্রভাব ফেলে মক্কা বিজয়। যারা এই ইতিহাস ভালোভাবে গবেষণা করেন, তারা বিষয়টি অনুধাবন করতে পারেন। সামাজিক প্রভাবের কথা বললে বলতে হয়, ইসলামের আবির্ভাবের পর থেকেই যারা ইসলামের বিরোধিতায় সবচেয়ে অগ্রগামী ছিল, তারাই চলে আসে ইসলামের ছায়াতলে। নামায পড়ানো এবং ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য রসূল সা. মক্কায় মুআয ইবনে জাবাল রা.-কে রেখে গিয়েছিলেন।
রাজনৈতিক প্রভাবের কথা বললে বলতে হয়, মানুষের মাঝে ইসলামী বিধানমতে বিচারকার্য পরিচালনার লক্ষ্যে রসূল সা. আত্তাব ইবনে উসাইদকে মক্কার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেন।
ধর্মীয় প্রভাবের কথা বললে বলতে হয়, মক্কা বিজয়ের কারণে গোটা আরবে ইসলাম স্বীকৃতি পায়। সবাই একথা মেনে নিতে বাধ্য হয়, ইসলাম আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম-যা তিনি তার বান্দাদের জন্য নির্বাচিত করেছেন। তাই তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেয়।
ঘ. মুসলমানদের সাহায্য করার যে প্রতিশ্রুতি আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন সময় দিয়েছেন, তা যেন মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে কার্যকর হয়। যার জন্য মুসলমানদের অনেক কুরবানি দিতে হয়েছিল। আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্যপ্রাপ্তির শর্তসমূহ পূর্ণ করার মাধ্যমে তারা এই সম্মান ও বিজয় লাভ করেন।
ওই দৃশ্যটির কথা ভাবুন! বেলাল বায়তুল্লাহর ছাদে উঠলেন। যোহরের নামাযের আযান দিলেন। নিস্তব্ধ মক্কাবাসী নতুন ইবাদতের আহ্বান যেন মোহাবিষ্ট হয়ে শুনছিল। গোটা মক্কায় গুঞ্জরিত হচ্ছিলো এ আযানের ধ্বনি। শয়তান সেদিন ছিল ভীষণ ক্ষিপ্ত। অনুচরদের সাথে নিয়ে পলায়ন করা ছাড়া তার আর কোনো উপায় ছিল না। 'আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার।' যে বেলাল চাবুকের আঘাত খেতে খেতে কেবল 'আহাদ আহাদ' বলে চিৎকার করতেন, আজ দীপ্তিময় কণ্ঠে সেই তিনি বায়তুল্লাহর ছাদে উঠে ঘোষণা করছিলেন, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ'। আর মক্কার সব মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো সেই আযানের মধুর ধ্বনি শুনে যাচ্ছিলো।