📄 অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নবীজির গুরুত্বারোপ
শত্রুবাহিনীর যাবতীয় কর্মতৎপরতা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে ইসলামী রাষ্ট্র মদীনার কর্ণধাররা বিস্তারিত খোজ খবর রাখছিলেন। কাফেরদের সম্মিলিত জোটবাহিনীর বিভিন্ন সংবাদ ও আসা যাওয়ার পথসমূহের ওপর তাদের কড়া নজর ছিল। খায়বারের ইহুদি প্রতিনিধিদলের মক্কাগমনের ব্যাপারটিও তাদের অজানা ছিল না। ইহুদিদের সাথে কুরায়েש ও গাতফান গোত্রের চুক্তির ব্যাপারেও তারা জেনে যান। রসূলুল্লাহ সা. শত্রুদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে তার সেনাপতিদের সাথে আলোচনা করেন। ৮৫১
শত্রুদের জোট বাহিনীকে রুখে দিতে মদীনার চারপাশে পরিখা খননের পরামর্শ দেন বিশিষ্ট সাহাবী সালমান ফারসী রা.। রসূলুল্লাহ সা. তার এ পরামর্শ গ্রহণ করেন। ওয়াকেদীর বর্ণনায় এসেছে: সালমান ফারসী রসূলুল্লাহ সা.-কে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা পারস্য অঞ্চলে শত্রুদের ভয়াবহ হামলার আশঙ্কা করলে আমাদের অঞ্চলের চারদিকে পরিখা খনন করে নিতাম। তাই আপনিও পরিখা খননের পরিকল্পনা নিতে পারেন। সালমান ফারসীর এ প্রস্তাব মুসলমানরা গ্রহণ করেন। ৮৫২
পরিখা খননের সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর রসূলুল্লাহ সা. কয়েকজন সাহাবীকে সাথে নিয়ে পরিখা খননের স্থান নির্ধারণ করতে বেরিয়ে পড়েন। ওয়াকেদী রহ. বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সা. ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়েছিলেন। তার সাথে ছিলেন মুহাজির ও আনসারদের একটি দল। রসূলুল্লাহ সা. একটি জায়গা পছন্দ করে নেমে যান। তিনি সালা' পাহাড় পেছনে রেখে মুযাদ হতে যুবাব৮৫৩
ও রাতিজ৮৫৪
দুর্গ পর্যন্ত পরিখা খননের সিদ্ধান্ত নেন। রসূলুল্লাহ সা. মুসলিম বাহিনীর পেছনদিকটা পরিপূর্ণভাবে নিরাপদ রাখতে সালা'৮৫৫
পাহাড় পেছন দিকে রাখার নির্দেশ দেন।
ওই জায়গাটাই পরিখা খননের জন্য যথার্থ ছিল। কেননা, মদীনার উত্তর দিকই শত্রুদের জন্য উন্মুক্ত রাস্তা ছিল। এ পথ দিয়ে তারা মদীনায় প্রবেশ করতে পারতো। অন্যান্য দিকসমূহ ছিল দুর্ভেদ্য। সেসব জায়গা দিয়ে শত্রুদের প্রবেশের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরির যথেষ্ট উপাদান ছিল। দক্ষিণাঞ্চলে ধারাবাহিক বসতি ও ঘরবাড়ি সীমানাপ্রাচীরের মতো দুর্ভেদ্য দেয়াল তৈরি করে রেখেছিল। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বনু কুরায়যার দুর্গগুলো مسلمانوں পেছন দিক পরিপূর্ণ নিরাপদ রাখতে সক্ষম ছিল। রসূলুল্লাহ সা.-এর সাথে বনু কুরায়যার সন্ধিচুক্তি অনুযায়ী তারা مسلمانوں শত্রুপক্ষের সহযোগিতা না করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। ৮৫৬
সেনাবাহিনীর জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচনে রসূলুল্লাহ সা.-এর বিস্তর চিন্তা ভাবনা থেকে আমরা বুঝতে পারি যুদ্ধে সেনাছাউনি কোথায় হবে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সেনাছাউনি করার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর পরিপূর্ণ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নেন। ৮৫৭
পরিখা খননের ব্যাপারটি ছিল আরবে অভিনব। তারা এটা আগে কখনো দেখেনি, শোনেওনি। এটা বেশ দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় কাফের জোট বাহিনীর সামনে। তাদের রণকৌশল ভেস্তে যায়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মুসলমানরা অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করে। কাফেরদের জোট বাহিনীকে মানসিকভাবে পরাজিত করতে ও তাদের মনোবল ভেঙে দিতে অভিনব এই কৌশল বেশ প্রভাবক ভূমিকা রাখে।
ক. যখন কাফেরদের রণযাত্রার খবর এলো, তখন রসূলুল্লাহ সা. ময়দানে রওনা হবার আগে মুসলমানদের স্ত্রী ও সন্তানদের বনু হারেসা দুর্গের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দেন। কারণ, সৈন্যদের ইতিবাচক মানসিকতা ও উদ্যম তৈরির ক্ষেত্রে তাদের পরিবার-পরিজন ও সন্তানদের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিবার শত্রুদের আক্রমণ থেকে নিরাপদে থাকলে সেনারা পূর্ণোদ্যমে লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে। তাই রসূলুল্লাহ সা. শুরুতেই এমন সিদ্ধান্ত নেন। ৮৫৮
খ. ভেতরের রণপ্রস্তুতির সময় রসূলুল্লাহ সা. নিজেই তার বাহিনীর সাথে যেকোনো ধরনের কষ্টের কাজে অংশ নিতেন। পরিখা খননের মতো কষ্টসাধ্য কাজেও সাহাবায়ে কেরামের সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন নবীজি সা.। আবু ইসহাকের বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, আমি বারা ইবনে আযেব রা. থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধের সময় রসূলুল্লাহ সা. পরিখা খনন করেছেন। আমি তাকে খন্দকের মাটি বহন করতে দেখেছি। এমনকি ধূলাবালি পড়ার কারণে তার পেটের চামড়া ঢেকে গিয়েছিল। ৮৫৯
গ. রসূলুল্লাহ সা. সাহাবায়ে কেরামের মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের সাথে পরিশ্রমের কাজে অংশগ্রহণ করতেন। এতে তিনি বিরক্তবোধ করতেন না। সাহাবায়ে কেরামের সামনে নবীজিকে এমন পরিশ্রম করতে দেখে সাহাবারা পরিখা খননে আরও বেশি উদ্যমী হয়ে পরিশ্রম করেন।
রসূলুল্লাহ সা. সাহাবায়ে কেরামের সুখে-দুখে যথাসাধ্য অংশ নিতেন। বড় কোনো সমস্যা দেখা দিলে তিনি এগিয়ে যেতেন সবার আগে। আহযাবের যুদ্ধে আমরা রসূলুল্লাহ সা.-কে অন্য সাহাবীদের মতো এমনকি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অন্যদের চাইতেও বেশি কষ্ট-ক্লেশ ও ক্ষুৎপিপাসার কষ্ট ভোগ করতে দেখছি। ভয়াবহ ক্ষুধার তাড়নায় রসূলুল্লাহ সা. নিজের পেটে পাথর বাঁধতে পর্যন্ত বাধ্য হয়েছিলেন। ৮৬০
কোনো খাবার এলে সাহাবায়ে কেরامকে রেখে তিনি একা আহার করেননি। পরিখা খননকালে ধারাবাহিকভাবে তিন দিন ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগার পর জীবন বাঁচানোর পরিমাণ খাদ্যের ব্যবস্থা হলে তখন তিনি সাহাবীদেরকে নিয়েই তা খেয়েছেন। সামনে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।
ঘ. মুজাহিদদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা নেওয়া: মুসলিম মুজাহিদরা পরিখা খননকালে বিভিন্ন দুর্দশার সম্মুখিন হন। আবহাওয়া ছিল বেশ ঠন্ডা। বায়ুবেগ ছিল তীব্র। অভাব-অনটন ছাড়াও ছিল বিশাল শত্রুজোটের তাড়া খাওয়ার ভয়। পরিখা খননকালে তারা বেশ ক্লান্তিও অনুভব করছিলেন। হাত দিয়ে মাটি খনন করে তা পিঠে বহন করতে হতো। মোটকথা, সার্বিক পরিস্থিতি ছিল খুবই কষ্টদায়ক। এমন করুণ ক্ষণে দয়ার নবী তার সাহাবীদের কষ্ট খুব ভালো করেই অনুভব করেছিলেন। তিনি তাদের জন্য আনন্দদায়ক কিছু খুঁজছিলেন- যা তাদের কষ্ট লাঘবে সহায়ক হতে পারে। এ প্রেক্ষিতে রসূলুল্লাহ সা. পরিখা খনন ও মাটি বহনকালে আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা রা.-এর রচিত এই পঙ্ক্তি আবৃত্তি করেন :
اللهم لولا أنت ما اهتدينا ولا تصدقنا ولا صلينا فأنزلنن سكينة علينا وثبت الأقدام إن لاقينا إن الألى قد بغوا علينا إذا أرادوا فتنة أبينا
হে আল্লাহ! আপনি যদি হেদায়াত না করতেন তাহলে আমরা হেদায়াত পেতাম না, আমরা সদকাহ করতাম না এবং আমরা সালাতও আদায় করতাম না।
সুতরাং আমাদের ওপর আপনার শান্তি অবতীর্ণ করুন, এবং দুשমনের সম্মুখীন হওয়ার সময় আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন।
অবশ্য মক্কাবাসীরাই আমাদের সাথে বাড়াবাড়ি করেছে, তারা ফেতনা বিস্তার করতে চাইলে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করেছি।
নবীজি সা. সুর করে এই কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। ৮৬১
আনাস রা. বলেন, খন্দকযুদ্ধের দিন সাহাবীরা আবৃত্তি করছিলেন :
نحن الذين بايعوا محمدا على الاسلام ما بقينا أبدا
আমরা মুহাম্মাদ সা.-এর হাতে আমৃত্যু ইসলামের ওপর অবিচল থাকার ব্যাপারে বায়আত করেছি।
তাদের এই পঙ্ক্তির জবাবে রসূলুল্লাহ সা. আবৃত্তি করেছিলেন:
اللهم إن الخير خير الاخره فاغفر للأنصار والمهاجره
হে আল্লাহ! আখেরাতের কল্যাণই প্রকৃত কল্যাণ। আপনি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করুন। ৮৬২
সাহাবারা যে দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন, তা দূরীকরণে রসূলুল্লাহ সা.-এর এ ধরনের অমায়িক আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে তাদের মনোবল ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পায়। ৮৬৩
ঙ. রসূলুল্লাহ সা.-এর প্রতি পূর্ণ আদব রক্ষা করে চলতেন সাহাবারা। তাদের কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হলে রসূলুল্লাহ সা.-এর কাছে অনুমতি নিয়ে যেতেন। প্রয়োজন ফুরাবার পর আবার নিজের কাজে ফিরে আসতেন। এটা তারা করতেন নবীজির সন্তুষ্টি অর্জন ও সাওয়াবের আশায়। তাদের এমন মানসিকতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে কুরআনের ভাষ্যে:
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللهِ وَ رَسُوْلِهِ وَ إِذَا كَانُوْا مَعَهُ عَلَى أَمْرٍ جَامِعٍ لَّمْ يَذْهَبُوا حَتَّى يَسْتَأْذِنُوْهُ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَأْذِنُوْنَكَ أُولَبِكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَ رَسُوْلِهِ فَإِذَا اسْتَأْذَنُوكَ لِبَعْضِ شَأْنِهِمْ فَأَذَنْ لَمَنْ شِئْتَ مِنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمُ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
মুমিন শুধু তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ওপর ঈমান আনে এবং তাঁর সাথে কোনো সমষ্টিগত কাজে থাকলে অনুমতি না নিয়ে চলে যায় না। নিশ্চয় তোমার কাছে যারা অনুমতি চায় তারাই কেবল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উপর ঈমান আনে; সুতরাং কোনো প্রয়োজনে তারা তোমার কাছে বাইরে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তাদের মধ্যে তোমার যাকে ইচ্ছা তুমি অনুমতি দেবে এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। ৮৬৪
পবিত্র এই আয়াতের মর্মার্থ হচ্ছে, হে মুহাম্মাদ! এমন লোক যারা আপনার অনুমতি ছাড়া কিছু করে না, তারা যখন আপনার কাছে অনুমতি চায়, আপনি তাদের যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিন। তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করুন। ৮৬৫
এ থেকে বোঝা যায়, রসূলুল্লাহ সা.-কে অনুমতি প্রার্থনাকারীদের যাঁকে ইচ্ছা তাকে অনুমতি দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছিল। এরই আলোকে তিনি যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিতেন। আবার পরিস্থিতি সাপেক্ষে যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিতেন না। ৮৬৬
চ. রসূলুল্লাহ সা. সার্বিক নিরাপত্তারক্ষা ও শত্রুদের পরিখা পার হয়ে মদীনায় আক্রমণ রুখতে সাহাবীদের বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দেন। মুসলমানরা পরিখা পাহারা দেওয়ার পাশাপাশি প্রিয়নবীর নিরাপত্তা রক্ষায়ও কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। তারা বেশ সুচারুরূপে শত্রুবাহিনীর আক্রমণ রুখে দিচ্ছিলেন। প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন বীর বিক্রমে। অবস্থা এতো গুরুতর ছিল যে, একদিন চার ওয়াক্ত নামায কাযা হয়ে যায়। আলী রা. ও তার বাহিনী ধুলিস্যাৎ করে দেন ইকরামা ইবনে আবু জেহেল-এর পরিখা পার হয়ে আসার যাবতীয় পরিকল্পনা। مسلمانوں ওপর আক্রমণে উদ্যত শত্রুজোটের সাহসী বীরদের রুখে দেন তারা। একপর্যায়ে তারা শত্রুপক্ষের বিখ্যাত বীর আমর ইবনে আবদূদকে মৃত্যুর ঘাট পার করিয়ে দেন। ৮৬৭
প্রত্যহ রসূলুল্লাহ সা.-এর পাহারায় নিয়োজিত ছিলেন আব্বাদ ইবনে বিশর রা.-এর নেতৃত্বে আনসারীদের একটি দল। রসূলুল্লাহ সা. রণাঙ্গনে সেনাপতির ভূমিকা পালন করছিলেন। তিনি নিজেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতেন এবং সরাসরি তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতেন। খন্দকের যুদ্ধে গৃহীত কিছু পরিকল্পনা ছিল এমন:
১. মশওয়ারা সাপেক্ষে রসূলুল্লাহ সা. পরিখা খননের নির্দেশ দেন। নিজেই নির্বাচন করেন পরিখা খননের উপযুক্ত স্থান।
২. সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে পরিখা খননের কাজ বণ্টন করে দেন। প্রতি দশজনকে চাল্লিশ হাত জায়গা খননের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৩. নবীজি সা. নিজেই পরিখা খননের কাজ পর্যবেক্ষণ করেন। তার অনুমতি ছাড়া কেউ খনন কাজ থেকে দূরে থাকতে পারত না।
৪. পরিখার কাছে অবস্থান করে পাহারার দায়িত্বও তিনি বণ্টন করে দেন। পরিখার প্রতিটি স্থানে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়।
রসূলুল্লাহ সা.-এর রণকৌশলের কাছে শত্রুরা হেরে যায়। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে मुसलमानों ভয়াবহ বিপদ থেকে বের করে আনতে সক্ষম হন।৮৬৮
টিকাঃ
৮৫১ মুহাম্মাদ আহমাদ বাশমীল প্রণীত গাযওয়ায়ে আহযাব: ১৪৪-১৪৫।
৮৫২ ওয়াকেদী প্রণীত মাগাযী: ২/৪৪৪।
৮৫৩ মদীনার নিকটবর্তী একটি শষ্যশ্যামল উপত্যকার নাম।
৮৫৪ মদীনায় অবস্থিত তৎকালীন ইহুদিদের একটি দুর্গ।
৮৫৫ মদীনার প্রসিদ্ধ একটি পাহাড়। দেখুন: মুজামুল বুলদান: ৩/২৩৬।
৮৫৬ আল আবকারিয়াতিল আসকারীয়া ফি গাযাওয়াতির রসূল: ৪৪২।
৮৫৭ আল কিয়াদাতুল আসকারীয়া ফি আহদির রসূল: ৪৬২।
৮৫৮ আবু ফারিস প্রণীত গাযওয়ায়ে আহযাব: ৯৭।
৮৫৯ সহীহ বুখারী: ৪১০৬।
৮৬০ আবু ফারিস প্রণীত গাযওয়ায়ে আহযাব: ১১৬-১১৭।
৮৬১ সহীহ বুখারী: ৪১০৬।
৮৬২ সহীহ মুসলিম: ১৪৩২।
৮৬৩ আল কিয়াদাতুল আসকারীয়া ফি আহদির রসূল: ৪৮২।
৮৬৪ সূরা নূর: ৬২।
৮৬৫ সাফওয়াতুত তাফসির: ২/৩৫১।
৮৬৬ আহকামুল কুরআন লিইবনিল আরাবী: ৩/১৪১০।
৮৬৭ ফিকহুস সীরাহ লিমুনির আল গাদবান: ৫০৪।
৮৬৮ আল কিয়াদাতুল আসকারীয়া ফি আহদির রসূল: ১১।