📄 আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের প্রার্থিত সম্পদ
রসূলের আরও একটি মু'জিযা হলো, রসূলুল্লাহ সা. আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের কাছে মুক্তিপণ চাইলে তিনি বলেছিলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার কাছে কোনো অর্থ নেই। রসূলুল্লাহ সা. তাকে বলেন, তুমি এবং তোমার স্ত্রী উম্মুল ফযল মিলে যে সম্পদ মাটিতে পুঁতে রেখেছো, ওই সম্পদ কোথায়? তুমি যুদ্ধযাত্রার পূর্বে তাকে বলেছিলে, যদি আমি এই যুদ্ধে মারা যাই তাহলে এ সম্পদ আমার পুত্র ফযল, আবদুল্লাহ ও কুসামের জন্য ব্যয় করবে।
রসূলুল্লাহ সা.-এর এই কথা শুনে আব্বাস বললেন, আল্লাহর কসম হে আল্লাহর রসূল! আমি একথা বিশ্বাস করছি যে আপনি আল্লাহর রসূল। আমার সম্পদের কথা আমি ও উম্মুল ফজল ছাড়া অন্য কেউ জানে না।
বদরযুদ্ধের পর উমায়ের ইবনে ওয়াহাব জুমাহী তার ছেলের মুক্তিপণের ব্যাপারে আলোচনার ভান করে রসূল সা.-কে হত্যার উদ্দেশ্যে এলে তিনি তাকে তার ও সাফওয়ান ইবনে উমাইয়ার মধ্যকার আলাপ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দেন। অত্যন্ত গোপনীয় এসব তথ্য শুনে তিনি চমকে গিয়েছিলেন। ফলে তিনি ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেন। ৩৬৮
ইবনুল কায়্যিম রহ. যাদুল মাআদ গ্রন্থে লিখেন, বদরযুদ্ধের দিন উক্কাশা ইবনে মুহসিনের তরবারি ভেঙে যায়। রসূলুল্লাহ সা. তাকে কাঠের একটি ছুরি দিয়ে বলেন, তুমি ভালো করে এটা ধরো।
উক্কাশা কাঠের তরবারিটি ধরে দেখেন সেটা খুবই ধারালো তরবারির মতো দেখাচ্ছে। এ তরবারি তার কাছে সারাজীবন ছিল এবং তিনি এটা নিয়েই যুদ্ধে অংশ নিতেন। আর এই তরবারি নিয়েই আবু বকর সিদ্দীক রা.-এর যুগে মুরতাদদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে তিনি শাহাদাত লাভ করেন। ৩৬৯
রিফাআ ইবনে রাফে রা. বলেন, বদরযুদ্ধের দিন আমি চোখে তীরবিদ্ধ হই। রসূলুল্লাহ সা. তার পবিত্র থুথু আমার চোখে লাগিয়ে দেন এবং আমার জন্য দোআ করেন। এরপর তীরের আঘাতের বিন্দুমাত্র কষ্টও আর ছিল না। ৩৭০
ড. আবু শাহবা বলেন, এটা মনে করার সুযোগ নেই যে, পবিত্র কুরআনের পর রসূলুল্লাহ সা.-এর নবুওয়াতের প্রমাণ হিসেবে অন্য কোনো অলৌকিক ঘটনার প্রয়োজন নেই। কেননা, রসূলুল্লাহ সা.-এর এসব মুজিযা ছিল অত্যন্ত প্রভাব বিস্তারকারী। অনেকেই এমন মুজিযা দেখে ঈমান আনতেন। অনেকের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পেতো। এসব মুজিযা দেখে তারা নিশ্চিত হতেন যে, রসূলুল্লাহ সা. নিঃসন্দেহে আল্লাহর প্রেরিত রসূল। তার কাছে ওহী আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। কেননা, এমন অদৃশ্যের বিষয় ওহী ছাড়া পাওয়া যেতে পারে না। কোনো ব্যক্তির হাতে ধরা কাঠের টুকরো যদি ধারালো তরবারিতে রূপান্তরিত হয়, নিশ্চয় তার ঈমানের ভিত সুদৃঢ় হবে! সব যুগের মানবজাতির জন্য তিনি অনন্য কীর্তি রেখে যেতে প্রয়াস পাবেন। ৩৭১
টিকাঃ
৩৬৮ আবু শাহবা প্রণীত আসসীরাতুন নববিয়্যাহ ২/১৭৮।
৩৬৯ যাদুল মাআদ: ৩/১৮৬।
৩৭০ যাদুল মাআদ: ৩/১৮৬।
৩৭১ আবু শাহবা প্রণীত আসসীরাতুন নববিয়্যাহ ২/১৭৮।
📄 মুশরিকদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার বিধান
বদরযুদ্ধের শুরুর দিকে একজন পৌত্তলিক মুসলিম বাহিনীতে যোগদানের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সা.-এর অনুমতি চায়। সে নবীজির সকাশে আরজি জানায়, আমি আপনাদের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে চাই। রসূলুল্লাহ সা. বলেন, তুমি ফিরে যাও। আমি মুশরিকদের কাছ থেকে সাহায্য নেবো না। ৩৭২
হাদীসটি দ্বারা প্রমাণিত হয়, শরীয়তের মূলনীতি অনুযায়ী সাধারণ পরিস্থিতিতে মুশরিকদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়া অবৈধ। কিন্তু কিছু শর্তসাপেক্ষে অমুসলিমদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়া বৈধ। যেমন, অমুসলিমদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার বিশেষ কোনো উপকারী দিক থাকলে। এ ক্ষেত্রে দেখতে হবে, অমুসলিমের কাছ থেকে সাহায্য গ্রহণের ফলে যেন ইসলামী দাওয়াত বা ইসলামী মূল্যবোধের ওপর কোনো কুপ্রভাব না পড়ে। সে যেন সহযোগিতা নেওয়ার উপযুক্ত হয়। এছাড়া এই সহযোগিতা হতে হবে ইসলামী নেতৃত্বের অধীনে। কোনো পরিস্থিতিতেই কোনো মুশরিককে নেতৃত্বের আসনে বসানো যাবে না। অমুসলিমদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার ফলে যেন মুসলমানদের মধ্যে সন্দেহের উদ্রেক না হয়। অধিক প্রয়োজন দেখা দিলেই কেবল তাদের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে। না-হলে তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়া অবৈধ।
এই মূলনীতির আলোকেই রসূলুল্লাহ সা. কুরায়েশ ব্যবসায়ী কাফেলার উদ্দেশে যাত্রা করা মুসলিম বাহিনীতে কোনো কাফেরকে অন্তর্ভুক্ত করেননি। কেননা, সেখানে তাদের অন্তর্ভুক্ত করার বিশেষ কোনো প্রয়োজন ছিল না। অন্যদিকে উপরোক্ত শর্তসমূহের আলোকে মদীনা অভিমুখে হিজরতের সময় অর্থের বিনিময়ে রসূলুল্লাহ সা. ও আবু বকর সিদ্দীক রা. পথপ্রদর্শক হিসেবে কাফের আবদুল্লাহ ইবনে আরিকাতকে নিযুক্ত করেছিলেন।
নবীজির চাচা আবু তালিবের সাহায্য-সহযোগিতা গ্রহণের ক্ষেত্রেও উপরোক্ত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। অনুরূপভাবে রসূলুল্লাহ সা. তায়েফ থেকে ফেরার সময় মুতয়িম ইবনে আদির নিরাপত্তা-প্রস্তাব গ্রহণ করেন। সাহাবায়ে কেরামও বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাফেরদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে অন্য কোনো কাফিরের নিরাপত্তা গ্রহণ করেছিলেন। ৩৭৩
সামগ্রিকভাবে উক্ত নীতিমালা অনুসরণ করতে হলে অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ঈমানী চেতনা অপরিহার্য।
টিকাঃ
৩৭২ উমরী প্রণীত আসসীরাতুন নববিয়্যাহ আস সহীহাহ: ১/৩৫৫।
৩৭৩ 'আল মুসতাফাদ মিন কাসাসিল কুরআন: ২/১৪৪-১৪৫।
📄 হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান ও উসাইদ ইবনে হুযাইর
ক. হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান ও তার পিতা
হুযায়ফা রা. বলেন, আমি ও আমার পিতা বদরযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। কেননা, আমরা রসূলুল্লাহর সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলাম। চলার পথে মক্কার মুশরিকরা আমাদের গ্রেপ্তার করে এবং বলতে থাকে, তোমরা মুহাম্মাদের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছো। আমরা তাদের আশ্বস্ত করলাম, আমরা তার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে নয়; বরং মদীনার উদ্দেশে যাত্রা করছি। তারা আমাদের কাছ থেকে মদীনায় পৌঁছে রসূলুল্লাহ সা.-এর পক্ষ হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার অঙ্গীকার নেয়।
আমরা মুশরিকদের আসার আগে রসূলুল্লাহ সা.-এর দরবারে উপস্থিত হই এবং আমাদের ও তাদের মধ্যকার সংলাপের বিষয়টি জানাই। অঙ্গীকারের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সা.-এর কাছে পরামর্শ চাইলে তিনি বলেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবো এবং তাদের সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি পূরণ করবো। অতঃপর আমরা মদীনায় ফিরে যাই। তাই আমাদের বদরযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা হয়নি। ৩৭৪
এটি ছিল কারও সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি পূরণের এক অনন্য উদাহরণ। প্রতিশ্রুতি পূরণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন রসূলুল্লাহ সা.। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হলেও প্রতিশ্রুতি পূরণে জোর দিতেন। যেমনটি আমরা উপরোক্ত ঘটনায় দেখতে পাই।
খ. উসাইদ ইবনে হুযাইর
যুদ্ধ শেষে রসূলুল্লাহ সা. মদীনার দিকে রওনা হয়ে 'রাওহা' নামক প্রান্তরে এসে পৌঁছেন। নবীজি সা.-কে অভ্যর্থনা জানাতে আসে আরবের বিভিন্ন গোত্রের প্রতিনিধিরা। উসাইদ ইবনে হুযাইর সেখানে রসূলুল্লাহ সা.-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! সকল প্রশংসা এমন সত্তার যিনি আপনাকে বিজয়ী করেছেন এবং আপনার চক্ষু শীতল করেছেন। আল্লাহর শপথ হে আল্লাহর রসূল! আমি বদরযুদ্ধে এ জন্য অংশগ্রহণ করতে পারিনি যে, আমি ভেবেছিলাম আপনি হয়তো মুশরিকদের ব্যবসায়ী কাফেলার উদ্দেশে যাত্রা করছেন। আমি মোটেও কল্পনা করতে পারিনি যে, আপনি মুশরিক-বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন। যদি এমনটি জানতাম তাহলে আমি অবশ্যই যুদ্ধে অংশ নিতাম। নবীজি সা. বললেন, তুমি সত্য বলছো। ৩৭৫
টিকাঃ
৩৭৪ মুসতাদরাকে হাকিম: ৩/২০১-২০২।
৩৭৫ আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ৩/৩০৫।
📄 বদরের কাব্যযুদ্ধ
হাসসান ইবনে সাবিত রা. আবৃত্তি করেছেন :
مَا نَخْشَى بِحَمْدِ اللهِ قَوْمًا وَإِنْ كَثُرُوا وَأَجْمَعَتِ الزُّحُوفُ إِذَا مَا أَلَبُوا جَمْعًا عَلَيْنَا كَفَانَا حَدُهُمْ رَبُّ رَؤُوفُ سَمَوْنَا يَوْمَ بَدْرٍ بِالْعَوَالِي سِرَاعًا مَا تَضَعْضَعْنَا الْحُتُوفُ
মহান আল্লাহর বিশেষ কৃপায় কোনো গোত্রকে আমরা ভয় করি না, যদিও তারা আমাদের চেয়ে অধিক সংখ্যক হয়। কোনো গোত্র আমাদের বিরুদ্ধে কাউকে ক্ষেপিয়ে তুললে তাদের শত্রুতা ও বিদ্বেষের পরিবর্তে আল্লাহর অনুগ্রহই আমাদের জন্য যথেষ্ট। বদরের দিন আমরা তীর-বর্শা নিয়ে রণাঙ্গনে বীরদর্পে লড়েছিলাম। মৃত্যুর ভয় আমাদের দুর্বল করতে সক্ষম হয়নি। ৩৭৬
কাআব ইবনে মালেক রা. আবৃত্তি করেছেন :
لَمَّا حَامَتْ فَوَارِسُكُمْ بِبَدْرٍ وَلاَ صَبَرُوا بِهِ عِنْدَ اللِقَاءِ وَرَدْنَاهُ بِنُورِ اللهِ يَجْلُو دُجَى الظَّلْمَاءِ عَنَّا وَالْغِطَاء رَسُولُ اللهِ يَقْدُمُنَا بِأَمْرٍ مِنْ أَمْرِ اللهِ أَحْكَمَ بِالقَضَاءِ فَمَا ظَفِرَتْ فَوَارِسُكُمْ بِبَدْرٍ وَمَا رَجَعُوا إِلَيْكُمْ بِالسَّوَاءِ فَلاَ تَعْجَلْ أَبَا سُفْيَانَ وَارْقُبْ جِيَادَ الخَيْلِ تَطْلُعُ مِنْ كَدَاءِ بِنَصْرِ اللهِ رُوحُ القُدْسِ فِيْهَا وَمِيْكَالُ فَيَا طِيْبَ الْمَلَاءِ
বদর যুদ্ধে তোমাদের ঘোড়সাওয়াররা তোমাদেরকে মোটেই রক্ষা করতে পারেনি। আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় তারা দৃঢ়ভাবে টিকে থাকতে পারেনি।
আমরা আল্লাহর নূর নিয়ে সেখানে উপস্থিত হই—যা অন্ধকার ও আবরণ দূর করে আমাদের আলোকিত করে দেয়।
তিনি আল্লাহর রসূল সা.—যিনি আল্লাহর একটি বিশেষ নির্দেশের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছিলেন। আল্লাহর চূড়ান্ত ফয়সালায় তা দৃঢ়তা লাভ করে।
এ কারণে বদরে তোমাদের অশ্বারোহী বাহিনী জয়ীও হতে পারেনি এবং তোমাদের কাছে সহি-সালামতে ফিরেও আসতে পারেনি। সুতরাং হে আবু সুফিয়ান! তাড়াহুড়া করো না। বরং কুদা উপত্যকা হতে উত্তম ঘোড়া বেরিয়ে আসার অপেক্ষা করো।
যে দলের সাথে থাকবে আল্লাহর সাহায্য। থাকবে রূহুল কুদস জিবরীল ও মীকাইল ফেরেশতা। কতই না উত্তম হবে সেই দল! ৩৭৭
রসূলুল্লাহ সা. মুসলমানদের উদ্দীপ্ত করতে ও কাফেরদের প্রভাবিত করার লক্ষ্যে মুসলিম কবিদের এ ধরনের কবিতা আবৃত্তি করতে উৎসাহ দিতেন। কবিতা আবৃত্তি ও কাব্যচর্চাকে আরবসমাজে যুদ্ধের অন্যতম অনুসঙ্গ মনে করতো। কোনো জাতির উত্থান-পতনের লক্ষণ দেখা যেতো তাদের কবিতায়। যুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়ে দিতে বা সন্ধির পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে কবিতা দারুণ ভূমিকা পালন করতো। ৩৭৮
মক্কার মুশরিকদের বিরুদ্ধে এই কাব্য যুদ্ধ আরম্ভ হয় হিজরতের পরপরই। কিন্তু গাযওয়ায়ে বদরের পূর্বে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীর সাথে যুদ্ধের সময় তা হালকা ঢেউয়ের মতো মনে হলেও বদরযুদ্ধের পর তা তুফানের রূপ লাভ করে। মুসলিম-মুশরিক উভয় বাহিনীর কাব্যযুদ্ধ চলতো মক্কা-মদীনার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল হয়ে যাতায়াতকারী ব্যবসায়ী কাফেলাগুলোর মাধ্যমে। তারা এ ধরনের কাব্য উভয় দলের কাছে পৌঁছে দিতো এবং বিপরীত পক্ষ সাথে সাথে এসবের জবাব রচনা করতো। যুদ্ধে বিজয়ের পর বিজয়ী দলের আনন্দ উদ্যাপনের স্তৃতিকাব্যের পাশাপাশি পরাজিত বাহিনীর শোককাব্য ছড়িয়ে পড়তো দিকে দিকে। মুসলিম কবিদের মধ্যে শীর্ষে ছিলেন কাআব ইবনে মালেক ও আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা রা.। আর কবিতার মাধ্যমে কাফেরদের আঘাত করার ক্ষেত্রে অগ্রগামী ছিলেন হাসসান ইবনে সাবিত রা.। ৩৭৯
টিকাঃ
৩৭৬ সীরাতে ইবনে হিশাম: ৩/২৬।
৩৭৭ সীরাতে ইবনে হিশাম: ৩/৩০।
৩৭৮ আত তারীখুল ইসলামী: ৪/১৯৯।
৩৭৯ আল মানহাজিল হারাকি লিস সীরাতিন নববিয়্যাহ: ৩৫৪-৩৫৫।