📄 যুদ্ধের আগে মুসলমানদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ
বদরের দিন যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বৃষ্টি ও তন্দ্রা ছিল মুমিন বান্দাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ। আল্লাহ বলেন,
إِذْ يُغَشِّيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُمْ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً لِيُطَهِّرَكُمْ بِهِ وَيُذْهِبَ عَنْكُمْ رِجْزَ الشَّيْطَانِ وَلِيَرْبِطَ عَلَى قُلُوبِكُمْ وَيُثَبِّتَ بِهِ الْأَقْدَامَ
স্মরণ করো, তিনি তার পক্ষ থেকে স্বস্তির জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেন এবং আকাশ থেকে তোমাদের ওপর বারি বর্ষণ করেন তা দ্বারা তোমাদেরকে পবিত্র করার জন্য, তোমাদের মধ্য থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা অপসারণের জন্য, তোমাদের হৃদয় দৃঢ় করার জন্য এবং তোমাদের পা স্থীর করার জন্য। ১৬৬
কুরতুবী বলেন, এই তন্দ্রা ছিল সেই রাতে যে রাতের পরবর্তী দিনে যুদ্ধ হয়েছিল। যাদের সামনে এতো বড় একটি ব্যাপার এসে দাঁড়িয়েছে, তাদের চোখে ঘুম আসা খুবই বিস্ময়কর। আল্লাহ যেন তাদের অন্তরকে দৃঢ় করে দিয়েছিলেন।
আলী রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে বদরে ঘোড়সওয়ার ছিল শুধু মিকদাদ। সে ছিল একটি সাদা-কালো ঘোড়ার ওপর। আমি দেখলাম আমাদের মধ্যে সবাই ঘুমিয়ে আছে। শুধু রসূল সা. সকাল পর্যন্ত একটি গাছের নিচে নামায পড়ে এবং দোআ করে কাটান।
এই রাতের ঘুমকে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসেবে বর্ণনার দু'টি কারণ: প্রথমত: এই ঘুম বিশ্রামের মাধ্যমে তাদেরকে আগামী দিনের যুদ্ধের জন্য শক্তিশালী করেছে।
দ্বিতীয়ত আল্লাহ তাদের অন্তর থেকে কাফেরদের ভয় দূর করে তাদেরকে আশংকামুক্ত ও শান্ত করেন। নিরাপত্তা ও আশংকামুক্তি মানুষের চোখে ঘুম এনে দেয় আর ভীতি মানুষকে জাগিয়ে রাখে।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তিনি অনাবৃষ্টির মৌসুমে বৃষ্টি নামিয়েছেন; এটা তার দয়া ও অনুগ্রহ। বৃষ্টি নামানোর সম্পৃক্ততা সরাসরি আল্লাহর দিকে করে বোঝানো হয়েছে যে, এটি তার বিশেষ অনুগ্রহ।
ইমাম রাযী বলেন, মুসলমানরা জুনুবী হলে নিজেদের অপবিত্র মনে করে। গোসল করার আগ পর্যন্ত তারা স্বস্থি পায় না। কোনো কারণে গোসল করা সম্ভব না হলে তাদের অন্তর এ কারণে অস্থির থাকে। তাই আল্লাহ তাদের পবিত্র হওয়ার সুযোগ দেয়াকে বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে গণ্য করেছেন। ১৬৮
আল্লাহ বলেছেন, وَيُذْهِبَ عَنْكُمْ رِجْزَ الشَّيْطَانِ তোমাদের মধ্য থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা অপসারণের জন্য
ইবনে জারীর ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী সা. যখন বদরে অবতরণ করলেন এবং মুসলমান বাহিনীর অবস্থান ও জলাশয়ের মাঝে বিরাট বালুকাময় ভূখণ্ড থাকার কারণে মুসলমানরা পানি পাচ্ছিলেন না, তখন শয়তান তাদের অন্তরে ক্ষোভ তৈরি করার চেষ্টা করলো। তাদের অন্তরে ওয়াসওয়াসা তৈরি করলো যে, তোমরা দাবি করো তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী, তোমাদের মধ্যে তার রসূল রয়েছেন, অথচ কাফেররা পানির ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে আর তোমরা অপবিত্র অবস্থায় নামায পড়তে বাধ্য হচ্ছো! তখন আল্লাহ তোমাদের ওপর মুশলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করলেন। মুসলমানরা পান করলো এবং পবিত্রতা অর্জন করলো। আল্লাহ তাদের অন্তরকে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে মুক্ত করলেন। বৃষ্টির কারণে বালি জমে গেলো। ফলে মানুষ ও জন্তু জানোয়ার বালির ওপর সহজে হাঁটতে পারলো। ১৬৯
আল্লাহ বলেছেন, তিনি মুমিন বান্দাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করার কারণে তারা বাহ্যিক ও আত্মিকভাবে পাবিত্র হলো। আল্লাহ তাদের অন্তরকে শান্ত করলেন এবং তাদের পা স্থীর করলেন। বদর ময়দানের শুকনো বালির ওপর হাটতে কষ্ট হয়। অনেক ধুলো ওড়ে। বৃষ্টি হওয়ার ফলে বালি জমে গেলো এবং এর ওপর চলাচল করা সহজ হয়ে গেলো। ধুলো ওড়াও বন্ধ হলো। এগুলো সবই বান্দাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ। ১৭০
টিকাঃ
১৬৬ সূরা আনফাল (আয়াত: ৯)
১৬৮ তাফসীরু ফাখরির রাযী (১৫/১৩৩)
১৬৯ তাফসীরুল কুরতুবী (৯/১৯৫)
১৭০ হাদীসুল কুরআন আন গাযাওয়াতির রসূল (১/৯১)
📄 যুদ্ধের ময়দানে রসূল সা.-এর কৌশল
রসূল সা. মুশরিকদের সাথে বদরের যুদ্ধে একটি নতুন রীতির প্রচলন করেন। তিনি শত্রুর মোকাবিলায় সৈন্যদের কাতারবন্দী করেন। এ দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে কুরআনের এই আয়াতে,
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا كَأَنَّهُمْ بُنْيَانُ مَرْصُوصُ
আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন যারা আল্লাহর পথে লড়াই করে সারিবদ্ধভাবে সৃদৃঢ় প্রাচীরের মতো।
বদরে সাহাবীরা নামাযের মতো কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান। প্রথম কাতারে বর্শাধারীরা দাঁড়ান অশ্বারোহীদের আক্রমণ ঠেকানোর জন্য। এর পেছনের কাতারে দাঁড়ান তীরন্দাজরা। এই রীতির কয়েকটি ফায়েদা
১. শত্রুকে স্বল্প সংখ্যক সৈন্যকেও বিপুল সংখ্যক মনে করে। মুসলমান বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হয়।
২. সেনাপতি রসূল সা.-এর হাতে সতর্কতামূলক শক্তি দেয়া হয়। তিনি আক্রমণ প্রতিরোধে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। গোপন আক্রমণ প্রতিরোধ করা সহজ হয়। সেনা বাহিনীকে অশ্বারোহী ও পদাতিকদের থেকে রক্ষা করা সহজ হয়। এই যুদ্ধকৌশল বদরের যুদ্ধের একটি উদ্ভাবন হিসেবে গণ্য হয়। ১৭১
রসূল সা.-এর সিরাত নিয়ে গবেষকদের চোখে ধরা পড়বে যে নবী সা. বিভিন্ন যুদ্ধে শত্রুর কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত নতুন নতুন যুদ্ধ কৌশল ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে চমকে দিয়েছেন। আরব কোনো দিন দেখেনি এমন কিছু যুদ্ধ কৌশল নবী সা. বদরে উহুদে ও অন্যান্য যুদ্ধে প্রয়োগ করেছেন।
সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই যুদ্ধকৌশলগুলো নবী সা.-এর দূরদর্শিতা সম্পর্কে মুগ্ধতা তৈরি করে। তার সমর কৌশলগুলো পুরোপুরি আধুনিক সমরকৌশলের অনুরূপ। ১৭২
রসূল সা. বদরে প্রতিরক্ষার কৌশল প্রয়োগ করেছিলেন। আগে বেড়ে কুরায়েশ বাহিনীকে আক্রমণ করেননি। তার সমর কৌশলের সাথে প্রতিপক্ষ পেরে ওঠেনি। আগে বেড়ে আক্রমণ করার ফলে তাদের কেন্দ্রস্থল নড়বড়ে হয়ে যায়। ফলে তাদের মনোবল ভেঙে পড়ে। এভাবেই শত্রুর সংখ্যা মুসলমান বাহিনীর চেয়ে তিন গুণ বেশি হওয়ার পরও আল্লাহর তওফিকে শত্রুর ওপর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। ১৭৩
যুদ্ধের সময় রসূল সা. পুরো বাহিনীর বিভিন্ন অংশকে দিক নির্দেশনা দিচ্ছিলেন; যখন যেখানে প্রয়োজন হচ্ছিলো। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি তাদেরকে নির্দেশের জায়গায় পরামর্শ দিচ্ছিলেন। কারণ রসূল সা. তার সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা ও প্রতাপ দিয়ে বরং তাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে পরিচালনা করতেন। তিনি তার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতেন না। পরামর্শ দিতেন এবং বাস্তবায়নের ভার তাদের বিবেক বুদ্ধির ওপর ছেড়ে দিতেন। বদরের ময়দানে তার দিক নির্দেশনার কয়েকটি দৃষ্টান্ত:
১. রসূল সা. সাহাবীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন শত্রু কাছে এলে তীর নিক্ষেপ করতে। কারণ কাছাকাছি লক্ষবস্তুতে তীর ছোড়া বেশি সহজ এবং লক্ষ্যভেদী। রসূল সা. বলেছিলেন, যখন কাফেররা তোমাদের কাছাকাছি আসবে তখন তাদেরকে তীর দিয়ে আঘাত করো। ১৭৪
২. রসূল সা. দুই বাহিনী একে অপরের মধ্যে ঢুকে যাওয়ার আগে তরবারি কোষমুক্ত করতে নিষেধ করেছিলেন। ১৭৫ রসূল সা. বলেছিলেন, তারা তোমাদের ওপরে এসে পড়ার আগ পর্যন্ত তোমরা তরবারি কোষমুক্ত করো না।১৭৬
৩. রসূল সা. সাহাবীদের তীর নিক্ষেপের ক্ষেত্রে মিতব্যায়ী হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ১৭৭ রসূল সা. বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের তীর শেষ করে ফেলো না। ১৭৮
এই শিক্ষাগুলো আধুনিক সমরবিদ্যায় আমরা দেখতে পাই। অথচ রসূল সা. কোনো সামরিক বিদ্যালয়ে ক্লাস করা ছাড়াই এই দিক নির্দেশনাগুলো দিয়েছিলেন। নবী সা. বহু আগে যা শিখিয়ে গেছেন, তা আমরা এখন আবিস্কার করছি।
টিকাঃ
১৭১ আর-রাসূলুল কায়েদ (পৃঃ ১১১, ১১৬, ১১৭)
১৭২ আল মাদখাল ইলাল আকীদা ওয়াল এসত্রেতাজিয়্যাতুল আসকারিয়্যাহ, মুহাম্মাদ মাহফুয (পৃঃ ১২১)
১৭৩ মুকাওয়ামাতুন নাসর, ড. আহমদ আবুশ শাবাব (২/১৫৪)
১৭৪ সহীহুস সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ
১৭৫ গাযওয়াতুল বাদারিল কুবরা লিআবি ফারেস (পৃ: ৬৩, ৬৪)
১৭৬ সহীহুস সীরাতিন নাবাবিয়্যাহ (পৃঃ ২৩৯)
১৭৭ গাযওয়াতু বাদারিল কুবরা (পৃ: ৬৩, ৬৪)
১৭৮ বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু মান শাহিদা বাদরা (হাদিস: ৩৯৮৪, ৩৯৮৫)
📄 শত্রুদের প্রাকৃতিক পরিবেশে কাজে লাগানো
রসূলুল্লাহ সা. শত্রুর মোকাবিলায় প্রাকৃতিক পরিবেশকেও কাজে লাগাতেন। যার কিছু দৃষ্টান্ত আমরা দেখতে পাই বদরযুদ্ধে। মাকরিযী রহ. বলেন, কুরায়েশ বাহিনী আসার আগেই রসূলুল্লাহ সা. চলে আসেন রণাঙ্গনে। তিনি যখন সাহাবায়ে কেরামকে যুদ্ধের জন্য সারিবদ্ধ করেন, তখন ছিল সূর্যোদয়ের সময়। তাদের তিনি পশ্চিমমুখী করে দাঁড় করান-এতে সূর্য পড়ে যায় তাদের পেছনে। পক্ষান্তরে সূর্যের কিরণ শত্রুপক্ষের চেহারায় পড়ছিল। ১৭৯
এভাবে নবীজি প্রাকৃতিক পরিবেশকে নিজেদের পক্ষে রেখেছিলেন। সূর্যের কিরণ সরাসরি চোখে পড়ায় শত্রুরা সামনে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলো না। তাদের চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল। ১৮০ নবীজির এমন কৌশল থেকে বোঝা যায়, যুদ্ধক্ষেত্রে সূর্যের অবস্থান, বায়ুবেগ ও অপেক্ষাকৃত ভালো ভূমি নির্বাচন যুদ্ধজয়ে বেশ তাৎপর্যবহ ভূমিকা পালন করে। আল্লাহ তাআলা এসব আমাদের দান করেছেন নিজেদের উপকারে কাজে লাগানোর জন্যই। ১৮১
টিকাঃ
১৭৯ আল কিয়াদাতুর আসকারীয়া: ৪৫৩।
১৮০ তুহফাতুল আহওয়াযী বিশারহি মাজামিয়িত তিরমিযী: ৭/১৭৫।
১৮১ আল কিয়াদাতুর আসকারীয়া ফি আহদির রসূল: ৪৫৩।
📄 সমরসারিতে সাওয়াদ ইবনে গাযিয়্যাহ
রসূলুল্লাহ সা. গাযওয়ায়ে বদরে মুসলিম বাহিনীকে সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় সারিবদ্ধ করে শত্রুপক্ষের মুখোমুখী দাঁড় করান। তার হাতে ছিল একটি তীর। এটা দিয়ে তিনি সারি সাজাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, এক লোক সারি থেকে কিছুটা সামনে বেড়ে দাঁড়ানো। নাম তার সাওয়াদ ইবনে গাযিয়্যাহ। রসূলুল্লাহ সা. তীর দিয়ে তার পেটে খোঁচা দিয়ে বললেন, 'সাওয়াদ! সোজা হয়ে দাঁড়াও।' সাওয়াদ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে কষ্ট দিয়েছেন! অথচ আল্লাহ তাআলা আপনাকে সত্য ও ন্যায়ের সঙ্গে পাঠিয়েছেন। আমি এর প্রতিশোধ নিতে চাই! নবীজি বললেন, 'তুমি প্রতিশোধ নাও।' সাওয়াদ ইবনে গাযিয়্যাহ রা. রসূলুল্লাহ সা.-এর কাছে এসে তার পেটে চুমুর পরশ বুলিয়ে দিলেন। রসূলুল্লাহ সা. বললেন, সাওয়াদ, তুমি কেন এমনটি করলে? জবাবে সাওয়াদ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কারণ আপনার ভালোই জানা। আমি কেবল আপনার শরীরের সংস্পর্শে আসার একটি উপায় খুঁজছিলাম। নবীজি এটা শুনে তার জন্য দোআ করলেন। ১৮২
সাওয়াদ রা.-এর এ ঘটনায় যে শিক্ষা আমাদের সামনে আসে, তা হলো:
১. ইসলামে শৃঙ্খলার গুরুত্ব অপরিসীম।
২. সর্বক্ষত্রে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা জরুরি: রসূলুল্লাহ সা. নিজে তাকে প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন।
৩. সৈনিকদের সাথে অধিনায়কের হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ করা উচিত।
৪. সৈন্যদের মনে শাহাদাতের মর্যাদা লাভের প্রত্যাশা থাকা উচিত।
৫. রসূলুল্লাহ সা.-এর পবিত্র দেহ অত্যন্ত পুতঃপবিত্র। তার স্পর্শ বরকতময়। তাই সাওয়াদ রসূলুল্লাহ সা.-এর শরীরের স্পর্শ পেতে চেয়েছিলেন।
৬. পুরুষের পেট পর্দার অন্তর্ভুক্ত নয়। রসূলুল্লাহ সা. সাওয়াদকে প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ করে দিতে নিজের পেট থেকে কাপড় সরিয়ে নিয়েছিলেন। পেট পর্দার অংশ হলে তিনি এমনটি করতেন না। ১৮৩
টিকাঃ
১৮২ সহীহ আসসীরাতুন নববিয়্যাহ: ২৩৬।
১৮৩ আবু ফারিস প্রণীত গাযওয়াতু বদর: ৫২।