📄 কুরআনে মুশরিকদের বের হওয়ার বিবরণ
আল্লাহ বলেন,
وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ خَرَجُوا مِنْ دِيَارِهِمْ بَطَرًا وَرِئَاءَ النَّاسِ وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ وَاللَّهُ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌ .
তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা দম্ভভরে ও লোক দেখানোর জন্য নিজেদের ঘর থেকে বের হয়েছিল এবং মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে নিবৃত করে। তারা যা করে আল্লাহ তা ঘিরে আছেন।"১৪৬
এ আয়াতে আল্লাহ মু'মিনদের নিষেধ করেছেন কাফেরদের সাদৃশ্য অবলম্বন করতে; যারা তাদের বাড়ি ঘর থেকে দম্ভ প্রকাশ ও লোক দেখানোর জন্য বের হয়েছে। আল্লাহ এই আয়াতে কাফেরদের তিনটি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। এক. দম্ভ দুই. লৌকিকতা তিন. আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে নিবৃত করা। আমরা দেখতে পাই আল্লাহ তাআলা তাদের দম্ভের কথা বলার সময় ইসম বা বিশেষ্যপদ ব্যবহার করেছেন যা স্থিতি ও স্থায়িত্ব বোঝায়। আর তাদের আল্লাহর পথ থেকে বাঁধা দেয়ার কথা বলার সময় ফে'ল বা ক্রিয়াপদ ব্যবহার করেছেন যা নতুনত্ব ও সংঘটিত হওয়া বোঝায়।১৪৭
এই আয়াতের ব্যখ্যায় কুরতুবী তার তাফসীরে বলেছেন, আবু জেহেল এবং তার সাথে যারা তাদের ব্যবসায়িক কাফেলাকে সাহায্য করার জন্য বের হয়েছিল, তারা গায়িকা, বাদক এবং দাসী নিয়ে বের হয়েছিল। যখন তারা জুহফায় অবতরণ করলো, তখন আবু জেহেলের বন্ধু খুফাফ আল কিনানী কিছু উপহার উপঢৌকনসহ নিজের চাচাতো ভাইকে তার কাছে পাঠালো। সাথে এই বার্তাও পাঠালো যে, যদি তুমি চাও তাহলে আমি তোমাকে সৈন্য দিয়ে সাহায্য করতে পারি অথবা তুমি চাইলে আমার গোত্রের কয়েকজন লোক নিয়ে আমি নিজেই তোমার সাহায্যের জন্য রওয়ানা হবো। আবু জেহেল উত্তরে বললো, যদি আমরা আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে থাকি যেমন মুহাম্মাদ দাবি করে, তাহলে আল্লাহর কসম! আল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি আমাদের নেই। আর যদি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে থাকি, তাহলে মানুষের সাথে লড়াই করার শক্তি আমাদের আছে। আল্লাহর কসম! বদরে অবতরণ না করে আমরা ফিরবো না। আমরা সেখানে মদ পান করবো। দাসদাসীরা বাদ্য বাজাবে, গান গাইবে। বদর আরবের অন্যতম মেলা ও বাজার। আরবরা আমাদের সৈন্য মহড়ার সংবাদ জানতে পারবে। আমাদের প্রতাপ এবং ভয় তাদের মনে চিরদিনের মতো গেঁথে যাবে।
এরপর তারা বদরে শিবিরস্থাপন করে এবং যা ঘটার ছিল তাই ঘটে। তারা ধ্বংস হয়ে যায়। ১৪৮
টিকাঃ
১৪৬ সূরা আনফাল (আয়াত: ৪৭)
১৪৭ হাদীসুল কুরআন আন গাযাওয়াতির রসূল (১/৬৫, ৬৬)
১৪৮ তাফসীরে কুরতুবী (৮/২৫)
📄 বদরে আসার পর মুশরিকদের অবস্থা
আল্লাহ তাআলা বলেন,
إِنْ تَسْتَفْتِحُوا فَقَدْ جَاءَكُمُ الْفَتْحُ وَإِنْ تَنْتَهُوا فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَإِنْ تَعُودُوا نَعُدْ وَلَنْ تُغْنِيَ عَنْكُمْ فِئَتُكُمْ شَيْئًا وَلَوْ كَثُرَتْ وَأَنَّ اللَّهَ مَعَ الْمُؤْمِنِينَ
তোমরা মিমাংসা চেয়েছিলে, তা তো তোমাদের কাছে এসেছে; যদি তোমরা বিরত হও তবে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা আবার করো তাহলে আমি তোমাদের আবার শাস্তি দেবো এবং তোমাদের দল সংখ্যায় অধিক হলেও তোমাদের কোনো কাজে আসবে না, এবং নিশ্চই আল্লাহ মু'মিনদের সাথে আছেন। ১৪৯
ইমাম আহমদ আব্দুল্লাহ ইবনে সা'লাবা থেকে বর্ণনা করেন, আবু জেহেল যখন বদরে মুসলমানদের মুখোমুখী হলো, সে বলেছিল, হে আল্লাহ আমাদের মধ্যে যে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করেছে এবং আমাদের কাছে নতুন জিনিস উপস্থিত করেছে, আজ তাকে ধ্বংস করো। আবু জেহেলই ওপরের আয়াতে উল্লেখিত 'মিমাংসা'র জন্য দোআ করেছিল। ১৫০
যখন মক্কার সেনাদল বদরে পৌঁছলো, তখন তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলো। তাদের ঐক্য নড়বড়ে হয়ে গেলো। ইবনে আব্বাস বলেন, যখন মুসলমানরা শিবির স্থাপন করলেন এবং মুশরিকরাও এগিয়ে এলো, তখন রসূল সা. লাল উটে বসা উতবা ইবনে রাবীআর দিকে তাকিয়ে বললেন, যদি কুরায়েশের কারো মধ্যে কল্যাণ থাকে তাহলে এই লাল উটে বসা ব্যক্তির মধ্যে আছে। যদি কুরায়েশ তার অনুসরণ করে তাহলে সঠিক পথ পাবে। উতবা কাফেরদের বলছিলেন, লোকসকল! এই লোকদের ব্যাপারে আমার সিদ্ধান্ত মেনে নাও। যদি তোমরা তাই করো যা করতে উদ্যত হয়েছো, তাহলে এর প্রভাব তোমাদের অন্তরে থেকে যাবে। তোমরা এই যুদ্ধের পর পরস্পরের দিকে তাকিয়ে নিজেদের ভাই ও বাবার হত্যাকারীকে দেখতে পাবে। তাই তোমরা সব দায় আমার ওপর চাপিয়ে ফিরে চলো। আবু জেহেল তাকে বললো, আল্লাহর কসম! তুমি কাপুরুষ! মুহাম্মাদ ও তার সঙ্গীদের দেখে ভয়ে কাবু হয়ে গেছো। যদি আমরা মুখোমুখী হই, তাহলে মুহাম্মাদ ও তার সঙ্গীদের হত্যা করা পশুহত্যার চেয়ে কঠিন হবে না। উতবা বললো, তুমি অচিরেই জানতে পারবে কে কাপুরুষ এবং কে তার কওমের জন্য বেশি ক্ষতিকর। আমি এমন একটি দলকে দেখতে পাচ্ছি যারা তোমাদের ওপর তীব্র আঘাত হানবে। তোমরা কি দেখতে পাচ্ছো না তাদের মাথাগুলো বিষধর সাপের মতো আর চেহারাগুলো তরবারির মতো... ১৫১
হাকিম ইবনে হিযাম তখনও ইসলাম গ্রহণ করেননি। বদরে তিনি মুশরিকদের বাহিনীতে ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা মক্কা থেকে বের হলাম এবং ওই ময়দানে শিবির স্থাপন করলাম, যে ময়দানের কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন। আমি উতবা ইবনে রাবীআর কাছে গিয়ে বললাম, হে আবু ওলীদ তুমি কি আজকের মতো মর্যাদা নিয়ে মক্কায় ফিরতে চাও?
সে বললো, আমি কী করবো? আমি বললাম তোমরা মুহাম্মাদের কাছে ইবনে হাযরামির রক্তের বদলাই তো চাও। ১৫২ সে তোমাদের মিত্র ছিল। তুমি তার রক্তপণ আদায় করার দায়িত্ব নাও এবং বাহিনী নিয়ে ফিরে চলো। উতবা বললো, তুমি সবাইকে রাজি করাও, আমি তার রক্তপণের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। তুমি ইবনুল হানযালিয়্যা অর্থাৎ আবু জেহেলের কাছে যাও।১৫৩ তাকে বলো, তুমি কি তোমার চাচাতো ভাইয়ের সাথে যুদ্ধ বাদ দিয়ে সঙ্গীদের নিয়ে মক্কায় ফিরতে চাও?
আমি তার কাছে গেলাম। তিনি বড় একটি দলের মাঝে বসে ছিলেন। ইবনুল হাযরামী'১৪ তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল এবং সে বলছিল, আমি আবদে শামসের সাথে আমার চুক্তি ভঙ্গ করলাম এবং বনী মখযুমের সাথে চুক্তিবদ্ধ হলাম। আমি তাকে বললাম, তোমাকে উতবা ইবনে রাবীআ বলেছে, তুমি কি তোমার চাচাতো ভাইয়ের সাথে যুদ্ধ বাদ দিয়ে সঙ্গীদের নিয়ে মক্কায় ফিরতে চাও? সে বললো, উতবা কি দূত হিসেবে পাঠানোর জন্য তোমাকে ছাড়া আর কাউকে পেলো না? আমি বললাম, না, আর আমিও অন্য কারো দূত হতে প্রস্তুত নই।
হাকীম বলেন, এরপর আমি দ্রুত উতবার কাছে গেলাম। যেন কোনো সংবাদ আমি হারিয়ে না ফেলি। ১৫৫
উতবা ইবনে রাবীআ মনে করতেন মুহাম্মাদের সাথে যুদ্ধের কোনো যুক্তি নেই। মুহাম্মাদকে তার অবস্থায় ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, যদি তার দাওয়াত সত্য হয় তাহলে তার সম্মান হবে কুরায়েশেরই সম্মান, তার সম্রাজ্য হবে কুরায়েশেরই সম্রাজ্য। কুরায়েশই হবে তার কারণে সবচেয়ে বেশি সৌভাগ্যবান। আর যদি সে মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে আরবের গোত্রগুলোর সাথে অচিরেই তার যুদ্ধ বাধবে এবং সে নিঃশেষ হয়ে যাবে।
কিন্তু জাহেলিয়াতের অহমিকা কখনোই হককে স্পন্দনশীল রাখতে চায় না। কারণ সে জানে, হকের বিজয় মানে জাহেলিয়াতের বিলুপ্তি এবং জাহেলিয়াতের জায়গায় হকের অস্তিত্বলাভ। ১৫৬
উমায়ের ইবনে ওহাব জামহীকে কুরায়েশ পাঠিয়েছিল মুহাম্মাদের সঙ্গীদের সংখ্যা অনুমান করতে। সে সেনাবাহিনীর চারপাশে ঘুরে তাদের কাছে ফিরে এসে বললো, তিনশ'র কিছু বেশি বা কম সৈন্য আছে ওই বাহিনীতে। কিন্তু আমাকে আরও কিছু সময় দাও আমি দেখি তাদের পেছনে কোনো সহযোগী দল বা গোপন বাহিনী আছে কি না। সে উপত্যকার দিকে বহুদূর পর্যন্ত গিয়েও কিছু দেখতে পেলো না। ফিরে এসে সে বললো, আমি কোনো সাহায্যকারী বাহিনী বা গোপন বাহিনীর আলামত দেখিনি। তবে আমি দেখেছি হে কুরায়েশ! এই বাহিনী বিপদ ও মৃত্যু বহন করছে। ইয়াসরিবের পানিবাহী উটগুলো মৃত্যু বহন করে এনেছে। তারা এমন একটি দল যাদের কাছে তাদের তরবারি ছাড়া আশ্রয় নেয়ার কোনো জায়গা নেই। আল্লাহর কসম! তাদের একেকজন তোমাদের একজনকে হত্যা না করে নিহত হবে না। যদি তারা তোমাদের অনেককে মেরে ফেলে, এর পর বেঁচে থাকার আর কী আনন্দ বাকি থাকবে! তাই কী করতে যাচ্ছো ভেবে সিদ্ধান্ত নাও। ১৫৭
কুরায়েশের আরেক নেতা উমাইয়া ইবনে খালাফ প্রথমে মৃত্যুভয়ে মক্কা থেকে বের হতেই রাজি ছিল না। আবু জেহেল তার কাছে গিয়ে বললো, হে আবু সাফওয়ান! যখন মানুষ দেখবে তুমি পিছিয়ে পড়েছো অথচ তুমি কওমের নেতা তখন তারাও তোমার সাথে পেছনে রয়ে যাবে। আবু জেহেল তাকে পীড়াপীড়ি করতেই থাকলো। অবশেষে সে বলে উঠলো, তুমি যখন আমাকে বাধ্য করেছো, তাহলে আল্লাহর কসম! আমি মক্কার সবচেয়ে উন্নত উট ক্রয় করবো। তারপর উমাইয়া ঘরে গিয়ে বললো, হে উম্মে সাফওয়ান! আমার যাত্রার জিনিসপত্র তৈরি করো। উম্মে সাফওয়ান বললো, তুমি ভুলে গেছো তোমার ইয়াসরাবী বন্ধু কী বলেছিল? তিনি মনে করিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন যে সা'দ বলেছিলেন, আমি রসূল সা.-কে বলতে শুনেছি তারা তোমাকে হত্যা করবে। ১৫৮ সে বললো, আমি তাদের সাথে অল্প কিছু দূর যাবো। যাত্রাপথে উমাইয়া প্রতিটি মনযিলেই উট বেঁধে রাখতো। কিন্তু তার আর ফেরা হয়নি। সে বদরে পৌঁছে যায় এবং নিহত হয়। ১৫৯
আরেকটি বর্ণনায় আছে আবু জেহেল উকবা ইবনে মুআইতকে উমাইয়ার পেছনে লাগিয়ে দিয়েছিল। উকবা তার সামনে একটি ধূপদানি এনে রাখলো এবং বললো, তুমি তো নারী। তখন উমাইয়া বললো, আল্লাহ তোমাকে কুৎসিত বানাক! ১৬০
সুতরাং মক্কার সেনাবাহিনীর মনোবল ছিল ভেতর থেকে নড়বড়ে। যদিও প্রকাশ্যে তাদেরকে খুব শক্তিশালী এবং দৃঢ় মনে হচ্ছিলো। কিন্তু তাদের ভেতরে বাসা বেঁধেছিল ভীতি ও সংশয়। ১৬১
আতেকা বিনতে আব্দুল মুত্তালিবের স্বপ্নও মক্কাবাসীর মনোবল দুর্বল করে দিয়েছিল। তিনি স্বপ্নে দেখেছিলেন, এক ব্যক্তি কুরায়েশকে আহ্বান জানালো এবং আবু কুবাইস পর্বতশীর্ষ থেকে একটি পাথর নিক্ষেপ করলো। সেই পাথরটি টুকরো টুকরো হয়ে কুরায়েশের প্রত্যেকটি ঘরে ঢুকে গেলো। এই স্বপ্নটি আব্বাস ও আবু জেহেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব উস্কে দিয়েছিল। এর মধ্যেই যামযাম এলো এবং তাদেরকে কাফেলার সংবাদ দিলো। তখন মক্কার মানুষ এটাকেই স্বপ্নের তাবীর ধরে নিলো। ১৬২
যখন কুরায়েশ জাহফায় অবতরণ করলো, তখন জুহাইম ইবনে সালত ইবনে আবদে মানাফও একটি স্বপ্ন দেখেছিল। সে দেখলো, এক ঘোড়সওয়ার এগিয়ে এসে থেমে গেলো। তার সাথে একটি উট। সে বললো, উতবা ইবনে রাবীআ, শাইবা ইবনে রাবীআ, আবুল হাকাম ইবনে হিশাম, উমাইয়া ইবনে খালাফ নিহত হবে এবং কুরায়েশের আরও অনেক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে সে বললো, তারা সবাই নিহত হবে। তারপর সে উটের গলায় আঘাত করলো। তারপর উটটিকে বাহিনীর ভেতরে পাঠিয়ে দিলো। বাহিনীর সব তাবুতেই তার রক্তের ছিটা লাগলো। এই স্বপ্নের সংবাদ আবু জেহেলের কাছে পৌঁছলে সে বললো, এ তো বনী মুত্তালিব গোত্রের আরেকজন নবী। যদি আমাদের মোকাবেলা হয়, আগামীকালই সে জানতে পারবে কে নিহত হবে। ১৬৩
এই স্বপ্নও কুরায়েশের মনোবল দুর্বল করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল।
টিকাঃ
১৪৯ সূরা আনফাল (আয়াত: ১৯)
১৫০ আল মুসনাদ (৫/৪৩১)
১৫১ মাজমাউয যাওয়ায়েদ (৬/৭৬) তিনি বলেছেন, বাযযার এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর রাবীগণ সিকা
১৪২ আব্দুল্লাহ ইবনে জাহাশের সারিয়্যার ঘটনায় তার বর্ণনা গেছে।
১৫৩ আবু জেহেলের অপর নাম। হানযালিয়্যা বনু তামীমের আসমা ইবনে মাখরাবা।
১৫৪ এখানে উদ্দেশ্য আমের; পূর্ববর্ণিত আমরের ভাই।
১৫৫ সীরাতে ইবনে হিশাম (২/২৩৪, ২৩৫)
১৫৬ মারওয়িয়াতি গাযওয়াতি বদর (পৃ: ১৫৫)
১৫৭ ফাতহুল বারী (৭/২৩৮)
১৫৮ ফাতহুল বারী (৭/২৩৮)
১৫৯ মারওয়িয়াতু গাযওয়াতি বাদার (পৃ: ১৩৬)
১৬০ মারওয়িয়াতু গাযওয়াতি বাদার (পৃ: ১৩৭)
১৬১ মারওয়িয়াতু গাযওয়াতি বাদার (পৃ: ১৩৮)
১৬২ আল মুজতামাউল মাদানী ফি আসরি নাবাবীয়্যাহ লিলউমরী (পৃ: ৪১)
১৬৩ সীরাতে ইবনে হিশাম (২/২৩০)