📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 ওয়াদা পালন

📄 ওয়াদা পালন


প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মের পূর্বেই তাঁর পিতা ইহ জগৎ ত্যাগ করেন আর জন্মের পর শৈশবে তিনি তার স্নেহময়ী মাতাকে হারান। অতঃপর প্রথমে হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দাদা আবদুল মুত্তালিব তাঁকে লালন পালন করেন। এরপর আবদুল মুত্তালিবেরও ইন্তিকাল হয়ে যায়। তখন হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চাচা আবু তালিব নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লালন পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আবু তালিব ছিলেন একজন নামজাদা ব্যবসায়ী। শিশু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছুটা বড় হলে আবু তালিব তাঁকেও সিরিয়ার কাফেলাসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী কাফেলার দায়িত্ব দিয়ে আশে পাশে পাঠাতে থাকেন এবং তাতে অত্যন্ত সন্তোষজনক লাভ হয়। লোকেরাও তার সততার অকুণ্ঠ স্বীকৃতি দিতে থাকে এবং তাকে সাদিক (সত্যবাদী) আমীন (বিশ্বস্ত) উপাধিতে ভূষিত করে।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবিল খামসা (রাযি.) বর্ণনা করেন, আমি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নবুওওত প্রাপ্তির পূর্বে যখন তার বয়স পয়ত্রিশ বৎসর তখন তার সাথে কিছু ক্রয়-বিক্রয় করি। কিন্তু কথা পুরোপুরি চূড়ান্ত হওয়ার পূর্বেই আমি একটি বিশেষ প্রয়োজনে কোথাও ক্ষণিকের জন্য চলে যাই। যাওয়ার সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলে গেলাম, আপনি এখানেই অপেক্ষা করুন—আমি অল্প সময়ের মধ্যেই ফিরে আসছি। তখন আমরা আমাদের বাকী কথা চূড়ান্ত করে নিব। হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ঠিক আছে। এরপর আমি চলে গেলাম।

এখান থেকে যাওয়ার পর ঘটনাক্রমে আমি এ বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুলে গেলাম। ফলে আমার আর সেখানে ফিরে আসা হলো না। এভাবে একটানা দু'দিন কেটে গেলো। তৃতীয় দিন আমি ঐ পথে কোথাও যাওয়ার সময় দেখলাম প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানেই দাঁড়িয়ে আছেন। এ অবস্থা দেখে আমি একদম হতভম্ব হয়ে গেলাম, আমার বাকশক্তি যেন রুদ্ধ হয়ে গেল। হঠাৎ আমি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমিও ভেবেছিলাম, তিনি আমাকে এজন্য আচ্ছা মত ধোলাই করবেন। কারণ আমার সাথে ওয়াদার কারণে একটানা তিন দিন তিনি এখানে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি আসবো বলে কথা দিয়েও আসিনি।

কিন্তু দয়ার সাগর, ক্ষমার আদর্শ, উত্তম চরিত্র মাধুরীর মূর্ত প্রতীক নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবদুল্লাহ (রাযি.) কে দেখে তেমন কিছুই বললেন না, কোন রাগ বা গোস্বাও প্রকাশ করলেন না। শুধু শান্ত কণ্ঠে তাকে বললেন, "তুমি আমাকে বেশ কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছো। তুমি যাওয়ার পর থেকে শুরু করে এ সময় পর্যন্ত আমি তোমার অপেক্ষায় এখানেই দাঁড়িয়ে আছি।"

এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লোকটিকে তার আসার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন, সে কথা রক্ষা করার জন্য একটানা তিনদিন তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকলেন। ওয়াদা পালনের এহেন নযীর ইতিহাসের পাতায় দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে কি? নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ শিক্ষার আলোকে আমরা কি আমাদের জীবন গড়ে তুলতে পারি না? আমরা কি পারি না মিথ্যা, ধোঁকা, প্রতারণা পরিহার করে আমাদের ওয়াদার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করতে? হ্যাঁ পারি, নিশ্চয়ই পারি, মহান আল্লাহ আমাদের তাওফীক দান করুন।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 মূর্খ্যের শিক্ষা

📄 মূর্খ্যের শিক্ষা


একজন গ্রাম্য মূর্খ লোক এলো প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে। সে কিছু চাইলো নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে। তিনি লোকটির চাহিদা অনুযায়ী তাকে দিয়ে দিলেন। এরপর লোকটির কাছে জানতে চাইলেন আমি তোমার সাথে উত্তম আচরণ করতে পেরেছি কি না? গ্রাম্য লোকটি ছিলো নিতান্তই অকৃতজ্ঞ। সে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এহেন উদার বদান্যতাকে কোনরূপ মূল্যায়ন না করে জবাব দিলো, উত্তম আচরণ তো অনেক দূরের কথা আপনি মধ্যম দরজার আচরণও করেননি।

বৃদ্ধ লোকটির এহেন বেয়াদব সুলভ কথা শুনে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছুই না বলে চুপ করে রইলেন। কিন্তু সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.) লোকটির এ অভদ্র কথায় ক্ষেপে গেলেন। তাঁরা তাকে এ বেয়াদবীর শাস্তি দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলেন। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ অবস্থা লক্ষ্য করে হাতের ইশারায় তাদেরকে থামতে বললেন। অতঃপর তিনি পুনরায় ঘরে প্রবেশ করলেন এবং ঐ গ্রাম্য লোকটিকে ডেকে আরো কিছু দান করলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, কি ভাই! এখন কি আমি তোমার সাথে উত্তম আচরণ করেছি? মূর্খ লোকটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ধৈর্য্যের ধরণ এবং বিস্ময়কর ব্যবহার দেখে হতভম্ব হলো। হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আশ্চর্য আখলাক এবং অসাধারণ বদান্যতা দেখে লোকটির অন্তর চক্ষু খুলে গেলো। এতক্ষণে সে নবী আদর্শের বিমুহিত চিত্র দর্শন করতে সক্ষম হলো। আঁচ করতে পারলো সে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অলৌকিক চরিত্র মাধুরীর যথার্থতা।

নবীজী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রশ্নের জবাবে লোকটি এবার বললো, নিঃসন্দেহে আপনি আমার সাথে উত্তম আচরণ করেছেন। মহান আল্লাহ আপনাকে আমার প্রতি এবং আমার পুত্র-পরিজনের প্রতি এ অনুগ্রহও সহযোগিতা প্রদর্শনের জন্য উত্তম প্রতিদানে ভূষিত করুন।

এবার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত শান্তকণ্ঠে মায়াবী ভাষায় বললেন, ইতিপূর্বে তুমি যে কথা বলেছো তাতো তুমিও জান এবং তুমি একথাও জানো যে, তোমার কথায় আমার সাহাবাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তারা তোমার সে কথায় ব্যথিত হয়েছে। তুমি যদি কিছু মনে না কর এবং বিষয়টিকে অপসন্দ না কর তবে এখন তুমি যে কথা আমাকে একা একা বললে এ কথাটি সকলের সামনে পুনরায় একবার বলে দাও। যাতে তোমার পূর্বের কথার কারণে তাদের মনে যে ব্যথা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে তা দূরীভূত হয়ে যেতে পারে। লোকটি সন্তুষ্টচিত্তে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ কথায় সম্মত হলো।

পরের দিন বিকালে যখন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘরের বাইরে এলেন, তখন তিনি সাহাবায়ে কেরাম (রাযি.) কে লক্ষ্য করে বললেন, এ গ্রাম্য লোকটির গতকালের কথা সম্পর্কে আপনারা অবগত আছেন। এরপর আমি তাকে আরো কিছু সামগ্রী দান করেছি ফলে সে আমার উপর সন্তুষ্ট হয়ে গেছে। অতঃপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ লোকটির দিকে ইশারা করে শান্ত কণ্ঠে বললেন, আমি যা বলেছি সে কথা ঠিক কি না? লোকটি জবাব দিলো, নিঃসন্দেহে আপনার কথা ঠিক। আপনি আমার প্রতি উত্তম আচরণ করেছেন। আমার প্রতি এবং আমার পুত্র-পরিজনের প্রতি এহেন অনুগ্রহের জন্য মহান আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

অতঃপর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত সাহাবায়ে কিরামকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমার এবং ঐ গ্রাম্য লোকটির দৃষ্টান্ত এমন, যেমন কোন ব্যক্তির একটি উট রশি ছিঁড়ে দৌড়ে ছুটলো, লোকেরা সকলে মিলে তার পিছু ধাওয়া করলে উটটি ভয়ে আরো দ্রুত ধেয়ে পালাতে চেষ্টা করলো। অতঃপর উটের মালিক লোকটি চিৎকার মেরে সকলকে বললো, আপনারা আমার উটটিকে ধাওয়া করবেন না, বরং আমার উটের ব্যাপারটি আমার উপরই ছেড়ে দিন। উটটি কিভাবে ধরতে হবে সে ব্যাপারে আমিই আপনাদের চাইতে ভাল জানি। কারণ এটি দীর্ঘদিন লালন পালন করে এর মেজায সম্পর্কে আমিই অবগতি লাভ করেছি। একথা শুনে সকলেই উটটি ধাওয়া করা থেকে বিরত থাকলো।

এবার উটের মালিক কিছু ঘাস হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে উটটির দিকে অগ্রসর হতে লাগলো, উটটি ঘাসের দিকে এগিয়ে এলো। তখন মালিক উটটি ধরে নিলো এবং সেটি আবার স্বাভাবিক হয়ে গেলো। মালিক উটের পিঠে হাওদা বসিয়ে নিলো এবং সে তাতে চড়ে বসলো। অতঃপর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, শেষ পর্যন্ত ঐ গ্রাম্য লোকটি প্রকৃত কথাটি স্বীকার করে নিয়েছে, যা তোমরাও শুনতে পেয়েছো। যদি আমি তোমাদেরকে বারণ না করতাম, বরং তোমাদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিতাম তবে তোমরা তাকে ধ্বংস করে দিতে, লোকটিও জাহান্নামে যেতো।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 ক্ষেত্র বুঝে কাজ

📄 ক্ষেত্র বুঝে কাজ


প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সহসা রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতেন না। খুব বেশী রাগের ভাব সৃষ্টি হলে তিনি বার বার দাড়ি মুবারকে হাত বুলাতেন। এটাই ছিলো হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর রাগ বুঝার উপায়। কঠিন গোস্বার মুহূর্তেও তিনি কাউকে এমন কোন কথা বলতেন না, যা তার জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে। এ ধরণের ক্ষেত্রে বরং প্রিয় নবী চুপ করে থাকতেন।

এক বারের কথা—একজন লোক এলো প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে। গায়ে তার জাফরানে রাঙানো একটি কাপড়। এ অবস্থা দেখে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মনে খুব গোস্বার সৃষ্টি হলো। তা সত্ত্বেও তিনি তাকে কিছুই বললেন না। কারণ এত লোকের মাঝে তাকে কিছু বললে সে হয়তো লজ্জিত হতে পারে। এছাড়া গোস্বার মুহূর্তে লোকটিকে কিছু বলতে গেলে হয়তো কোন কড়া কথাও এসে যেতে পারে। লোকটি চলে যাওয়ার পর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যদের বলে দিলেন, তোমরা তাকে কৌশলে বলে দিও! সে যেনো আর কখনো এমন কাপড় ব্যবহার না করে।

যেখানে মানুষের স্বাভাবিক অভ্যাস হলো কাউকে কিছু বলার সুযোগ পেলে কেউ সে সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। কিন্তু উত্তম আদর্শের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নমূনা প্রিয়নবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ক্ষেত্রে কত সুন্দর পদ্ধতি অবলম্বন করলেন যাতে লোকটিকে লজ্জিতও হতে না হয় আবার তার ত্রুটির সংশোধন হয়ে যায়। আর এ কারণেই তো বলা যায় "সকল গুনের আধার তিনি"।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 অনুকম্পা প্রদর্শন

📄 অনুকম্পা প্রদর্শন


প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে নববীতে বসে আছেন। সাথে রয়েছেন সাহাবায়ে কিরামের (রাযি.) এক জামা'আত। একটি লোক মসজিদে প্রবেশ করলো। লোকটি গ্রাম্য মূর্খ, মসজিদের পবিত্রতা সম্পর্কে তার কিছুই জানা নেই। তার পেশাবের প্রয়োজন দেখা দিলে মসজিদের মধ্যে দাঁড়িয়েই সে পেশাব করতে শুরু করলো।

এ অবস্থা দেখে সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.) আশপাশ থেকে তেড়ে গিয়ে তাকে ধরতে চাইলেন। কিন্তু প্রিয় নবী, করুণার ছবি হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের বারণ করে বললেন, একে পেশাব করতে দাও!

পেশাব শেষে সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.) তাকে প্রহার করে এ অন্যায়ের শাস্তি দিতে চাইলে নবীজী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবারও বারণ করলেন। তিনি লোকটিকে ডেকে সুন্দরভাবে, শান্ত কণ্ঠে মসজিদের পবিত্রতা সম্পর্কে বুঝিয়ে দিয়ে বললেন, এটি পেশাব করার জায়গা নয় বরং এটি হলো মহান আল্লাহ পাকের ইবাদত বন্দেগী করার জায়গা। এটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান মসজিদ। এখানে পেশাব করা যায় না।

অতঃপর নবীজী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.) কে হুকুম করলেন, তোমরা এক বালতি পানি এনে এ স্থানটি ধুয়ে পরিষ্কার করে দাও। মহান আল্লাহ আমাদেরকে মানুষের প্রতি কঠোরতা প্রদর্শনের জন্য প্রেরণ করেননি বরং নম্র ও সহজ আচরণের জন্যই প্রেরণ করেছেন।

একদম নিজস্ব পরিবেশে, অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার সম্পূর্ণ ক্ষমতা ও শক্তি থাকার পরও এ ধরণের অপরাধীকে এভাবে ক্ষমা প্রদর্শন করে তার প্রতি এহেন অনুকম্পা প্রদর্শনের দুর্লভ নযীর স্থাপন শুধু উত্তম আদর্শের মূর্তপ্রতীক প্রিয়নবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দ্বারাই সম্ভব। ওহে মানবমণ্ডলী! শিক্ষাগ্রহণ কর।

ফন্ট সাইজ
15px
17px