📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 উন্নত ব্যবহার

📄 উন্নত ব্যবহার


মক্কা বিজিত হলো। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন। এমনকি বড় বড় দাগী আসামীরাও প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সে অফুরন্ত ক্ষমার প্রস্রবণে শিক্ত হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদর্শের অভূতপূর্ব পরশে সকলেই অভিভূত হলো। তারা ইসলামের মাহাত্ম্য বুঝতে পেরে দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে লাগলো। গোত্রে গোত্রে তারা ইসলামী কাফেলায় শরীক হতে থাকলো।

একটি গোত্র এখনো ইসলাম গ্রহণ করেনি। সে গোত্রটির নাম "বনু হানীফা"। এটিই সে পাষণ্ড দুরাচারের গোত্র যে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জীবদ্দশায় ভণ্ড নবুওওতের দাবীদার হওয়ার দুঃসাহস দেখিয়েছিলো। সে পাষণ্ড ছিলো ভণ্ড মুসাইলামাতুল কায্যাব। সে বনু হানীফা গোত্রের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিলো সুমামা ইবনে আসাল। ঘটনাক্রমে সে বন্দী হলো। তাকে ধরে এনে মদীনায় প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে হাযির করা হলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে মসজিদে নববীর খুঁটির সাথে বেঁধে রাখার নির্দেশ দিলেন।

অতঃপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে নববীতে উপস্থিত হয়ে তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে সে জবাব দিলো, আপনি যদি আমাকে হত্যা করেন তবে একজন খুনীকেই যে হত্যা করলেন, তাতে সন্দেহ নেই। আর যদি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেন তবে আপনি একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির প্রতিই অনুগ্রহ করলেন। এছাড়া আমাকে মুক্ত করে দেয়ার পরিবর্তে আপনি যদি বিনিময় দাবী করেন তবে নিঃসন্দেহে আমি তা পূরণ করবো।

নবীজী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব শুনে কিছু না বলেই সেদিন চলে গেলেন। দ্বিতীয় দিন সুমামার অবস্থা সম্পর্কে পুনরায় জানতে চাইলে সে আজো একই জবাব দিলো। তৃতীয় দিন আবার নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেন। আজো সে পূর্বের মতই জবাব দিলো। এবার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুমামার বাঁধন খুলে তাকে মুক্ত করে দেয়ার আদেশ দিলেন। হুকুম মত তাকে মুক্ত করে দেয়া হলো।

সুমামা তার প্রতি এ অপ্রত্যাশিত অনুকম্পা প্রদর্শনে দারুণভাবে প্রভাবিত হলো। তৎক্ষণাৎ সে একটি গাছের আড়ালে গিয়ে গোসল করে পবিত্র হলো এবং মসজিদে নববীতে গিয়ে সকলের সামনে কালেমা পাঠ করে পবিত্র ইসলাম গ্রহণ করে নিলো। এরপর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! দুনিয়াতে আপনিই আমার কাছে সবচাইতে নিন্দার পাত্র ছিলেন। কিন্তু এখন দুনিয়াতে আপনার চাইতে অধিক প্রিয় আমার কাছে আর কেউ নেই। আপনার ধর্মই আমার কাছে ছিলো সব চাইতে নিন্দনীয় আর এখন আমার কাছে সে আনীত ধর্মই সবচাইতে অধিক প্রিয়। আপনার শহরটি আমার কাছে সবচাইতে অপ্রিয় ছিলো কিন্তু সেটিও এখন আমার কাছে সারা দুনিয়ার মাঝে শ্রেষ্ঠ জনপদ।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 অসাধারণ ধৈর্য্য

📄 অসাধারণ ধৈর্য্য


সম্পূর্ণ নির্লোভ, নিরহংকার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অসংখ্য সোনা-রূপার অলংকারাদি এনে হাযির করা হলো নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সামনে। এসব দিয়ে তিনি কি করবেন? তিনি তো ধন-সম্পদ জমা করার জন্য দুনিয়ায় আসেননি। তৎক্ষণাৎ তিনি সেসব স্বর্ণ-চান্দীর অলংকারসমূহ অত্যন্ত ন্যায় ও ইনসাফের সাথে বণ্টন করে দিলেন।

এ অবস্থা দেখে একজন গ্রাম্য মূর্খ লোক সেখানে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত অভদ্র ভাষায়, বেয়াদবসুলভ ভঙ্গিতে বললো, ওহে মুহাম্মদ! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার তো ধারণা যে, আল্লাহ তা'আলা আপনাকে অবশ্যই ইনসাফ করার নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু আমি তো আপনাকে সে ধরণের ইনসাফপূর্ণ আচরণ করতে দেখলাম না।

এ ক্ষেত্রে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম না হয়ে অন্য কেউ হলে এ গ্রাম্য মূর্খের তৎক্ষণাৎ বারটা বাজিয়ে ছাড়তো। তার বর্ণনাভঙ্গী এমন ছিলো যে, অন্য যে কেউ হলে তা সহ্য করতে পারতো না বরং নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতো। আর ঐ বেয়াদবকে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তি প্রদান করতো। কিন্তু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন ক্ষমা ও উত্তম আদর্শের মূর্ত প্রতীক। সদাচরণ ছিলো তাঁর মজ্জাগত। শত কষ্টের মোকাবেলায়ও সামান্য প্রতিশোধ পরায়নতা যিনি দেখাতে যাননি কোনদিন। বরং দুশমনকেও যিনি শান্তি ও নিরাপত্তা দিয়েছেন সর্বদা।

এ দুরাচার বেয়াদবের কথার জবাবে রহমতে আলম হযরত সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত দয়াদ্র কণ্ঠে বললেন, আল্লাহ পাক তোমার মঙ্গল করুন, আমিই যদি ইনসাফের সাথে কাজ না করি তবে আমার পরে আর কেইবা তোমার সাথে ইনসাফের আচরণ করবে? এরপর লোকটি যখন সেখান থেকে ফিরে যেতে লাগলো, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন অন্য একজনকে বললেন, ঐ লোকটিকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে এসো। কথামত তাকে ডেকে আনা হলো। যখন লোকটি নবীজী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে এলো তখন তিনি অত্যন্ত নম্র কণ্ঠে তাকে বণ্টনের বিষয়টি বুঝালেন এবং বিভিন্ন সান্ত্বনা বাণী তাকে শুনালেন। এভাবে অত্যন্ত নম্র ও সদাচরণের মাধ্যমে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লোকটির মধ্যকার সকল সংশয় ও সন্দেহ দূরীভূত করে দিলেন। এমনিভাবেই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত গোস্বা ও রাগের ক্ষেত্রগুলোতেও অসাধারণ ধৈর্য্য ও আশ্চর্য সদাচরণ প্রদর্শন করে মানুষের মন জয় করতেন। কারো অন্যায়ে তার উপর ক্ষেপে যেতেন না। কারো দুর্ব্যবহারে তার প্রতিশোধ নিতেন না।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 বেনযীর মমতা

📄 বেনযীর মমতা


ইয়াহুদীদের অসহ্য উৎপাৎ, সহ্যসীমা অতিক্রম করে গেছে যা অনেক আগেই। ওয়াদা ভঙ্গের অপরাধে যে গাদ্দারদের মদীনা হতে বহিষ্কার করে দেয়া হয়েছিল। মদীনা থেকে অপসারিত হয়ে তারা খাইবরে তাদের আস্তানা স্থাপন করলো। সেখানেও ওরা চুপ থাকতে পারলো না। বরং স্বভাব সুলভ ভাবে বিভিন্ন কৌশলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যেতে লাগলো। গোপনে প্রকাশ্যে করে চললো বিভিন্ন জ্বালাতন। শেষ পর্যায়ে মুসলমানগণ অতিষ্ঠ হয়ে খাইবর আক্রমণ করলেন। মহান আল্লাহ পাকের সীমাহীন নুসরতে সেখানে মুসলমানগণ বিজয়লাভ করলেন। খাইবর বিজিত হলো, তথায় উড্ডীন হলো ইসলামের হেলালী নিশান। ইয়াহুদীদের বড় বড় অনেক লিডার সেখানে মারা গেলো। অনেকে মুসলমানদের হাতে বন্দী হলো, ইয়াহুদীদের বড় সরদার হুয়াই ইবনে আখতাবও সেখানে মুসলিম সৈন্যদের হাতে মারা পড়লো।

বন্দীদের মধ্যে ইয়াহুদী নেতা হুয়াই ইবনে আখতাব-এর কন্যা সুফিয়াও ছিল। যে ছিল মুসলমানদের সবচাইতে বড় দুশমনের কন্যা। তরবারীর এক আঘাতে তাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেয়াই ছিল তৎকালীন সময়ের চাহিদা। কিন্তু এখানে বিষয়টি ঘটলো তার সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে এসে লোকেরা আরয করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সুফিয়া ইয়াহুদ সরদারের কন্যা, যদি আপনি তাকে নিজের পত্নী হিসেবে বরণ করে নেন, তবে ইয়াহুদীদের মাঝে এর একটা ভাল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সুফিয়ার প্রতিও খুব স্নেহ মমতা ও সদাচরণ প্রদর্শন করা হবে।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন ক্ষমার আদর্শ। প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসা নয় বরং ন্যায় পরায়ণতা, ক্ষমা ও সদাচরণই হলো নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সহজাত অভ্যাস। তাই তিনি বিষয়টি নিয়ে ভাবলেন, তিনি চিন্তা করলেন যদি এর দ্বারা ইয়াহুদী সম্প্রদায়ের মাঝে ইসলামের প্রতি কিছুটা আকর্ষণ সৃষ্টি হয় তবে তো আমার এ সামান্য কাজে ইসলাম উপকৃত হবে। অবশেষে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুয়াই ইবনে আখতাবের শত দুশমনী সত্ত্বেও তা ভুলে গিয়ে তারই কন্যা সুফিয়ার প্রতি চূড়ান্ত স্নেহ-মমতা ও অনুকম্পা প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। সুফিয়ার মনতুষ্টি ও তার সম্মান বৃদ্ধির মানসে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে নিজ পত্নী রূপে বরণ করে নিলেন। এভাবেই নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বেনযীর আদর্শ ও অনুকম্পার পরশে মুসলিম বিদ্বেষী হুয়াইুদী সরদারের কন্যা সুফিয়া পরিণত হলো মুসলিম রাহবর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পত্নীতে। সুফিয়া এখন পরিণত হলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত সুফিয়া রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা রূপে।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 শিক্ষানুরাগ

📄 শিক্ষানুরাগ


মাত্র তিন শত তের জন মুসলিম সৈন্য। কাফির সৈন্য সংখ্যা এর তিন গুনেরও বেশী। ঐতিহাসিক বদর প্রান্তর। যুদ্ধ শুরু হলো। সে ছিলো এক তীব্র লড়াই, বাহ্যিক দৃষ্টিতে সৈন্য সামন্তের বিবেচনায় এ ছিলো এক অসাধারণ ও অসম যুদ্ধ। নেমে এলো খোদায়ী নুসরত। অসাধারণ বিজয় অর্জিত হলো মুসলমানদের। কাফিরদের সত্তরজন মরলো, আরো সত্তরজন হলো বন্দী।

এ বন্দীদের নিয়েই কথা। হযরত উমর (রাযি.)-এর প্রস্তাব ছিলো ইসলামের এ দুশমনদের হত্যা করে ফেলা হোক। হযরত সিদ্দীকে আকবর (রাযি.)-এর প্রস্তাব ছিলো কিছু মুক্তিপণ গ্রহণ করে এদের মুক্ত করে দেয়া। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত সিদ্দীকে আকবর (রাযি.)-এর প্রস্তাব পসন্দ করলেন। সেমতে তিনি সামান্য মুক্তিপণের বিনিময়ে তাদেরকে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন দারুণ শিক্ষানুরাগী, শিক্ষাকে সম্প্রসারিত করে নিরক্ষরতা দূরীকরণে তিনি ছিলেন একজন সফল কর্মবীর। বন্দীদের মাঝে কিছু লোক ছিলো শিক্ষিত। শিক্ষানুরাগী মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের শিক্ষার মূল্যায়ন করলেন। তিনি তাদের মুক্তির জন্য কোন আর্থিক মুক্তিপণ ধার্য করলেন না বরং তাদের জন্য তিনি যে মুক্তিপণ ধার্য করলেন তাই ছিলো প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শিক্ষার প্রতি অনুরাগ প্রকাশের এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। ইতিহাসে এহেন শিক্ষানুরাগের নযীর দ্বিতীয়টি আর নেই।

প্রিয় নবী হযরত সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন, তোমরা প্রত্যেকে দশজন করে আনসার ছেলে-মেয়েদের অক্ষর জ্ঞান শিক্ষা দিবে। এ শিক্ষাদান যখন শেষ হবে তখন তোমরা মুক্ত হয়ে চলে যাবে। নবীজী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ প্রস্তাবে তারা খুব খুশি হলো। এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, শিক্ষার মূল্যায়ন করতে গিয়ে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়া সাল্লাম চরম শত্রুকেও শিক্ষকের মর্যাদা দানে কুণ্ঠাবোধ করলেন না। বরং শিক্ষা সম্প্রসারণের প্রথম সুযোগেই তিনি মদীনার কল্যাণ রাষ্ট্রে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে দিলেন। এভাবেই ধীরে ধীরে শিক্ষা সম্প্রসারিত হয়। বিভিন্ন পদক্ষেপে মহানবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতিকে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিয়ে তাদেরকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে উদ্ধার করতে থাকেন। সুতরাং নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপন সামগ্রিক গুণাবলীর সাথে সাথে নিরক্ষরতা দূরীকরণেও ব্যাপক অবদান রেখে একজন মহৎ শিক্ষানুরাগী হিসেবে বিশ্ব ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px