📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 দয়া ও অনুগ্রহ

📄 দয়া ও অনুগ্রহ


মক্কার কুরাইশ কাফিরগোষ্ঠী প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্নমুখী ষড়যন্ত্র। চলছে ইসলাম ও কুফরের এক অঘোষিত যুদ্ধ। সুযোগ পেলেই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিংবা তাঁর অনুসারীদের প্রাণে মেরে ফেলতেও যাদের সামান্যতম কুণ্ঠা নেই বরং সে চেষ্টাতেই যারা অহর্নিশ ব্যাপৃত, এমনি অবস্থার কথা।

মক্কায় ভয়ানক দুর্ভিক্ষ চলছে। ক্ষুধার তাড়নায় লোকেরা হাড্ডি, মুর্দারসহ ইত্যাকার নিন্দনীয় ও হারাম বস্তুসমূহ খেতে শুরু করেছে। এ খবর শুনেই নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হৃদয়মন দারুণভাবে মর্মাহত হয়ে উঠলো। সাথে সাথে দু'হাত উঁচিয়ে তিনি মহান আল্লাহর শাহী দরবারে ফরিয়াদ করতে লাগলেন অথচ তিনি যাদের জন্য দু'আ করছেন তারাই তাঁর প্রাণের দুশমন।

উহুদ প্রান্তরে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জীবনে শেষ করে দেয়ার জন্য কাফির গোষ্ঠী আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ক্ষত-বিক্ষত রক্তাক্ত করা হয়েছে, দন্দান মুবারক শহীদ করা হয়েছে। এত অত্যাচারের পরেও সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.) যখন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি এ পাষণ্ড দুরাচারদের বিরুদ্ধে আল্লাহপাকের দরবারে বদ দু'আ করুন। করুণার আধার প্রিয় নবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জবাবে বললেন, কস্মিন কালেও নয়। কারণ আমি কারো প্রতি বদ দু'আ বা অভিসম্পাত করার জন্য প্রেরিত হইনি, বরং আমি করুণা বা রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর বদ দু'আর পরিবর্তে এই বলে তিনি দু'আ করলেন, ইয়া আল্লাহ! আমার সম্প্রদায়ের লোকদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন, তাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দিন, তারা আমাকে চিনতে পারেনি যে, আমি সত্যিই আপনার নবী।

দয়া, করুণা ও অনুগ্রহ প্রদর্শনের এর চাইতে বড় দৃষ্টান্ত আর কি হতে পারে? আজো আমাদের সমাজে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ শিক্ষার যথার্থ বাস্তবায়ন সম্ভব হলে, হিংসা ও জিঘাংসাপূর্ণ এ দুনিয়ায় পুনরায় শান্তি ও সুখের পুণ্য প্রিয়ুষ ধারা প্রবাহিত হতে পারে।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 ক্ষমা প্রদর্শন

📄 ক্ষমা প্রদর্শন


ইসলামের একজন বড় দুশমন। কাফির কুরাইশ নেতা। যার বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে শত শত মুসলমানের প্রাণ বিপন্ন হয়েছে। তারই হাতে নির্যাতিত নিপীড়িত হয়েছে অগণিত মুসলমান।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু সুফিয়ান (রাযি.)-এর কথাই বলছিলাম। তিনি তখনো ছিলেন অমুসলিম। ইসলাম গ্রহণের পরে যিনি মুসলিম শক্তি বর্ধনে উল্লেখযোগ্য ভাবে সহযোগিতা করেন। যিনি অংশগ্রহণ করেন ইতিহাস খ্যাত হুনাইন, তাইফ, ইয়ারমুকসহ অসংখ্য রক্তক্ষয়ী মুসলিম অভিযানে।

ঐতিহাসিক মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে তিনি পরাজিত শত্রুর ন্যায় এসে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে হাযির হলেন। দয়া ও ক্ষমার মূর্তপ্রতীক প্রিয় নবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অন্তরে তখন যেন করুণার সাগরে বান ডাকলো। দয়া অনুগ্রহের ঢেউ উথলে উঠলো নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হৃদয়মনে। সে দয়ার বারি ধারায় হযরত আবু সুফিয়ান (রাযি.) এমন ভাবে শিক্ত হলেন যেন তিনিই ইসলামের সবচাইতে বড় খাদেম। ক্ষমার নিদর্শন স্বরূপ নবীকণ্ঠে উচ্চারিত হলো "আজ হতে আবু সুফিয়ানের (রাযি.) বাড়ীর চতুষ্পার্শের সীমানা মধ্যস্থ এলাকা হবে “নিরাপদ এলাকা"। আবু সুফিয়ান নিজেই শুধু নয় বরং তার বাড়ীতে সে যতজনকে আশ্রয় দিবে তারা সকলেই আজ নিরাপদ থাকবে।"

মক্কা বিজিত হলো। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিজয়ী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মক্কা নগরীতে প্রবেশ করলেন। পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফের কাছে গেলেন। নেতা-অনুসারী নির্বিশেষে মক্কার ছোট বড় সকলেই আজ ভীত সন্ত্রস্ত। পুরোনো দিনে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি কৃত দুর্ব্যবহার, হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর অমানবিক নির্যাতন-নিপীড়ন সবই তাদের স্মরণে ছিলো। তারাই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পবিত্র বদনে পাথর নিক্ষেপ করেছিলো, উটের পচা নাড়ী-ভূড়ী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গায়ে চাপিয়ে দিয়েছিলো, গলায় কাপড় পেঁচিয়ে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম করেছিলো। এ জাতীয় হাজারো নির্যাতন যারা করেছিলো তারাইতো আজ এখানে উপস্থিত। অত্যাচার আর নির্যাতনে জর্জরিত করে এ মক্কা ও বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে একদিন যাকে বের করে দেয়া হয়েছিলো, আজ তিনিই এ মক্কার রাষ্ট্র প্রধান, তাঁর হাতেই আজ মক্কা নগরীর সমুদয় ক্ষমতা।

ইতিমধ্যেই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে মূর্তি নিধন কার্য সমাধা করে ধীরে ধীরে বেরিয়ে এলেন কা'বা চত্বরে। সমবেত অত্যাচারী কুরাইশ সম্প্রদায় ভয়ে থর থর করে কাঁপতে লাগলো, তাদের নিশ্চিত ধারণা "শাস্তি তো আমাদেরকে আজ পেতেই হবে কিন্তু কি হবে সে শাস্তি! না জানি কত কঠোরই হবে আমাদের মাত্রারিরিক্ত অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত আজ আমাদের ভোগ করতে হবে। তবে তারা শুধু ভাবছিলো, সে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হয় কিনা। আজ শুধু মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে বেঁচে যেতে পারলেই তাদের যেন সোনায় সোহাগা। আর কিছুই যেন তারা চায় না।

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তুলনাহীন করুণার আধার। মহান আল্লাহ তাকে ঘোষণা করেছেন "রাহমাতুল্লিল আলামীন" বা গোটা বিশ্ব জগতের জন্য রহমত বা মূর্ত করুণা হিসেবে। উদারতা ও ক্ষমার শ্রেষ্ঠতম আদর্শ মহানবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর পবিত্র যবান থেকে এহেন মুহূর্তে যে বাণী বেরিয়ে এলো, তাই এখানে লক্ষ্যণীয়। তিনি বললেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে, তোমাদের ব্যাপারে আজ আমার কোন অভিযোগ নেই, তোমাদের সকলের প্রতি আমি আজ সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করছি।

বিশ্ব ইতিহাসের পাতা তন্য তন্য করে খুঁজলেও ক্ষমা ও অনুগ্রহের এহেন নযীর দ্বিতীয় আরেকটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। বর্তমান হত্যা-সন্ত্রাস, হিংসা জিঘাংসা, প্রতিশোধ স্পৃহায় উন্মত্ত, আদর্শ ও নৈতিক দিক থেকে বিধ্বস্ত এ সমাজ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ক্ষমার এহেন আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সার্বিক অধঃপতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে, প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও সৌহার্দ্যের এক মোহনীয় পরিবেশ।

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 বীরত্ব

📄 বীরত্ব


সঙ্কাপূর্ণ এক ভয়াল রজনী। মদীনাবাসী ভীত শঙ্কিত। একটি ভয়ঙ্কর ভীতিপ্রদ শব্দ শ্রুত হলো। শত্রু আক্রমণের তীব্র আশঙ্কা। সকলেই অস্থির, হতভম্ব, হত বিহ্বল। কারো চোখে ঘুম নেই। কখনো বা কেউ একটু বিছানায় গা এলিয়ে দিচ্ছে আবার সাথে সাথে উঠে দাঁড়াচ্ছে। ডানে বামে তাকাচ্ছে, এই বুঝি আক্রমণ হলো। কারো মনে শান্তি নেই, নেই স্বস্তি। বিকট শব্দটি কিসের তা অনুসন্ধান করে জানা প্রয়োজন। কিন্তু কারোই সাহস হচ্ছে না সেদিকে অগ্রসর হতে।

অবশেষে তারা সকলে একত্রিত হয়ে ভয়ে ভয়ে সামনে অগ্রসর হওয়ার ইচ্ছা করলো। ইতিমধ্যেই দেখা গেল, যেদিক থেকে সে বিকট শব্দটি শ্রুত হয়েছিলো, সেদিক থেকে একজন ঘোড় সাওয়ার এগিয়ে আসছেন। কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়ালেন সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.)। দেখা গেল তিনি আর কেউ নন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাতে তার উন্মুক্ত তরবারী। তিনি ঐ বিকট ভয়ানক শব্দটি শোনার সাথে সাথে একাই তরবারী কাঁধে ঝুলিয়ে, ঘোড়ার পৃষ্ঠে আরোহণ করে সমগ্র শহরতলী এলাকা পরিদর্শন করে এসেছেন। সকলকে অভয় দিয়ে তিনি বললেন, তোমাদের আর অনুসন্ধান করতে যেতে হবে না, আমি একাই সম্পূর্ণ এলাকা ঘুরে তল্লাসী করে এসেছি, ভয়ের কোন কারণ নেই, তোমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ীতে চলে যাও, গিয়ে আরাম করো, কোন সমস্যা হলে আমিই তা দেখবো ইনশাআল্লাহ।

এভাবেই প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেশের জনসাধারণ তথা উম্মতের নিরাপত্তা ও দেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিপদশঙ্কুল পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপ্রধান হয়েও ত্যাগ তিতিক্ষা এবং আত্মনিবেদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন নির্ভীকচিত্তে। যে বীরত্ব ও সাহসিকতায় সকল অপশক্তির হৃদে কম্পন সৃষ্টি হয়েছে। ইসলাম বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে এক মহান ও বিজয়ী আদর্শ হিসেবে।

বর্তমান বিশ্বে এহেন ত্যাগ ও আত্ম নিবেদনের দৃষ্টান্ত শুধু দুষ্প্রাপ্যই নয় বরং তা অসম্ভবও বটে। চরম বিলাসিতা আর আরামপ্রিয়তায় আচ্ছাদিত বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান আর প্রশাসকদের এসবকিছু ভাববার সময় কোথায়? প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ উন্নত ও আদর্শ শাসননীতি থেকে দীক্ষা গ্রহণের তৌফীক তাদের হবে কি?

📘 নবী (ﷺ) জীবনের টুকরো কথা 📄 দৃঢ়তা

📄 দৃঢ়তা


ইতিহাসখ্যাত হুনাইন যুদ্ধ। বার কিংবা চৌদ্দ হাজার মুসলিম সৈন্যের বিশাল বাহিনী। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন সে বাহিনীর প্রধান সেনাপতি। মুসলিম সৈন্য সংখ্যার আধিক্যে কাফের সৈন্যরা ভয় পেয়ে গেলো। তাই তারা এক গোপন ফন্দি আঁটলো। তারা একটি গুপ্তস্থানে লুকিয়ে থেকে তথা হতে হঠাৎ মুসলিম বাহিনীর প্রতি বৃষ্টির ন্যায় তীর নিক্ষেপ করতে লাগলো। মুসলিম সেনাবাহিনী কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদেরকে ছত্র-ভঙ্গ করে দেয়া হলো।

কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে মুসলিম বাহিনী বিভিন্ন দিকে ছুটে পালাতে লাগলো। এ চরম বিভীষিকাপূর্ণ মুহূর্তেও দৃঢ়তার বেনযীর আদর্শ, নির্ভীক সিপাহসালার প্রিয়নবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়ার পিঠ থেকে এক লাফে নেমে একাই মুকাবিলার জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসলিম সৈন্যরা যখন এদিক ওদিক ছুটে পালাচ্ছিলো তখন প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শত্রুদের উদ্দেশ্যে সাহসী ও নির্ভীক কণ্ঠে বুলন্দ আওয়াযে বলতে লাগলেন, "আমি কোন মিথ্যা নবী নই, আমি আবদুল মুত্তালিবের বংশোদ্ভূত নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।

হযরত আব্বাস (রাযি.) এ দৃশ্য অবলোকন করে (প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ইশারায়) চিৎকার মেরে মুসলিম সৈন্যদের ডাকতে লাগলেন। অল্প সময়ের মধ্যেই মুসলিম সেনা বাহিনীর চৈতন্য ফিরে এলো। তারা পুনরায় ক্ষুধার্ত ব্যাঘ্রের ন্যায় এসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চার পাশে জড়ো হলো। ক্ষণিকের মধ্যেই যুদ্ধের মোড় পাল্টে গেলো। ময়দানে মুসলিম সৈন্যদের বিজয়ের পাল্লা ভারী হয়ে উঠলো। মুসলিম সৈন্যদের হাতে অমুসলিম বাহিনী সাংঘাতিকভাবে মার খেলো। তারা পালহীন মেষের ন্যায় এদিক ওদিক ছুটাছুটি করে পালিয়ে জীবন বাঁচালো।

এ কথা বাস্তব সত্য যে, এ যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলো। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দৃঢ়চিত্ততা ও নির্ভীক মনোবলই আল্লাহপাকের সাহায্যে এ যুদ্ধে মুসলিম সৈন্যদের বিজয় লাভের পথ সুগম করেছে। মুসলমানদের নিশ্চিত পরাজয়ের হাত থেকে উদ্ধার করে তাদের বিজয় মাল্যে ভূষিত করেছে। বিশ্ব ইতিহাসে অসংখ্য দৃঢ়তার আলোচনা এসেছে। এ দুনিয়া অনেক সাহসিকতার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে। কিন্তু নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে যে দৃঢ়তা ও সাহসিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা নিঃসন্দেহে এক ব্যতিক্রমী ও বেনযীর দৃষ্টান্ত।

ফন্ট সাইজ
15px
17px