📄 হযরত যায়নাব (রা.)-এর বিবাহে নবীজীর হাসি
যখন হযরত যায়েদ তাঁর স্ত্রী যায়নাবকে তালাক দিয়ে দেন এবং তাঁর ইদ্দত পুরো হয়ে যায় তখন একদিন হযরত আয়েশা (রা.) ও নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরস্পর কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎ নবীজীকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে দিল। (অধিকাংশ সময় ওহী আসলে এমন হতো)। তারপর তিনি মুচকি হেসে হেসে বলেন- কোন এক ব্যক্তি যায়নাবের কাছে যাওয়া উচিত এবং সে তাকে সুসংবাদ দেবে যে, আল্লাহ তাআলা হযরত যায়নাবের বিবাহ আসমানে সম্পন্ন করে দিয়েছেন। তারপর এ আয়াত তিলাওয়াত করেন-
وَإِذْ تَقُولُ لِلَّذِي أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَأَنْعَمْتَ عَلَيْهِ أَمْسِكُ عَلَيْكَ وَزَوْجَكَ .... [তাবাকাতে ইবনে সা'দ : ৮ : ৭২]
📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর খেলার সাথীদের দেখে নবীজীর হাসি
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজীর সাথে আমার যখন বিবাহ হয় তখন আমার বয়স ৬ বছর। যখন আমি নবীজীর ঘরে যাই তখন আমার বয়স ৯ বছর। আমি মদীনার মেয়েদের সাথে খেলা করতাম। একদিন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসেন। আমি খেলছিলাম।
যখন খেলা শেষে তারা চলে গেল, তখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার খেলার সাথীদের ব্যাপারে খুশি প্রকাশ করেন। অর্থাৎ তাদের সাথে খেলা তাঁর পছন্দ হয়েছে। [তাবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮: ৪০]
📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর মেধা দেখে নবীজীর হাসি
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন- একদিন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে আসেন। আমি আমার সাথীদের সাথে খেলছিলাম। আমাদের কাছে একটা পাখা বিশিষ্ট ঘোড়া ছিল। নবীজী জিজ্ঞেস করেন- আয়েশা! এটা কী? আমি বললাম, এটা সুলাইমান (আ.)-এর ঘোড়া। এটা শুনে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসতে থাকেন। এক বর্ণনায় এসেছে- নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জিজ্ঞেস করেন যে, এটা কী? আয়েশা (রা.) বলেন- এটা ঘোড়া। নবীজী বলেন- ঘোড়ার কি পাখা হয়? আয়েশা বলেন- এটা সুলায়মান (আ.)-এর ঘোড়া। তাঁর ঘোড়ার তো পাখা ছিল। [তাবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮: ৪২]
📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর কথায় নবীজীর হাসি
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, একদিন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আগমন করেন। বললাম, আজ সারাদিন কোথায় ছিলেন? নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- উম্মে সালামার কাছে। আমি বললাম, আপনি উম্মে সালামা (রা.)-এর দ্বারা তৃপ্ত হন না? এটা শুনে নবীজী হেসে ওঠেন।