📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 এক লোকের সাথে নবীজীর কৌতুক

📄 এক লোকের সাথে নবীজীর কৌতুক


হযরত আনাস (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি নবীজীর দরবারে উপস্থিত হলো। বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাহনের প্রয়োজন। আমাকে উটে চড়িয়ে দিন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কৌতুকচ্ছলে) বললেন- তোমাকে উটের বাচ্চার উপর চড়িয়ে দেব। লোকটি অসহায়চিত্তে বললো, হে আল্লাহর নবী! আমি উটের বাচ্চা দিয়ে কী করবো? নবীজী বলেন- বড় যত উট আছে সবই তো উটনির বাচ্চা। [শামায়েলে তিরমিযী: ১৭]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 এক মহিলার সাথে নবীজীর কৌতুক

📄 এক মহিলার সাথে নবীজীর কৌতুক


হযরত হাসান (রা.) বলেন, নবীজীর দরবারে এক বৃদ্ধা মহিলা আসলেন। যাঁর নাম হযরত সফিয়্যা বিনতে আবদুল মুত্তালিব (রা.)। তিনি সম্পর্কে নবীজীর ফুফু। তিনি বলেন- হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন আল্লাহ তাআলা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- হে অমুকের মা! কোন বুড়ো মানুষ জান্নাতে যাবে না।
এটা শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে চলে যান। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে বলেন- যাও, তাকে বলো, তুমি বৃদ্ধা অবস্থায় জান্নাতে যাবে না; (বরং আল্লাহ তাআলা জান্নাতীদেরকে জোয়ান অবস্থায় জান্নাতে নিয়ে যাবেন।) কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন- আমরা তাদেরকে নবযৌবনা বানিয়েছি। [শামায়েলে তিরমিযী: ১৭]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 হযরত উমর (রা.)-এর কথা শুনে নবীজীর আনন্দ

📄 হযরত উমর (রা.)-এর কথা শুনে নবীজীর আনন্দ


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সাবিত (রা.) বলেন, একদিন উমর (রা.) নবীজীর দরবারে হাজির হন। এসে বলেন, আমি বনু কুরায়যার পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি। তাদের মাঝে আমার দোস্ত আছে। সে আমাকে তাওরাতের একটি সংস্করণ দিয়েছে। সেটা কি আপনার কাছে পেশ করবো? (অর্থাৎ পড়ে শোনাব)।
এ কথা শোনে নবীজীর চেহারা রাগে লাল হয়ে গেল। এটা দেখে আবদুল্লাহ ইবনে সাবিত (রা.) বলেন, হে উমর! আপনি কি নবীজীর চেহারা দেখছেন না? (উমর রা. যখন নবীজীর চেহারা পরিবর্তিত দেখতে পেলেন) সাথে সাথে বললেন- আমরা আল্লাহর প্রতি রব হিসেবে সন্তুষ্ট। ইসলামকে ধর্ম হিসেবে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট।
এটা শুনে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুশি হয়ে গেলেন। তাঁর রাগ দূর হয়ে গেল। তারপর নবীজী বলেন, ঐ সত্তার কসম যাঁর কজায় আমার জীবন! যদি তোমাদের মাঝে মূসা (আ.) জীবিত থাকতেন এবং তোমরা তাঁর অনুসরণ করতে, তবুও তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যেতে।
এক বর্ণনায় এসেছে, যদি মূসা (আ.) জীবিত থাকতেন তাহলে তিনিও আমার অনুসরণ করা ছাড়া মুক্তি পেতেন না। [তাফসীরে ইবনে কাসীর: ২: ৫৬৯]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 হযরত আব্বাস (রা.)-এর লোভ দেখে নবীজীর হাসি

📄 হযরত আব্বাস (রা.)-এর লোভ দেখে নবীজীর হাসি


হযরত হুমাইদ ইবনে হিলাল (রা.) বলেন, আলা ইবনে হাদরামী (রা.) বাহরাইনবাসীর জিযিয়া উসুল করে নবীজীর দরবারে পাঠিয়ে দেন। এত বেশি পরিমাণে সম্পদ না এর আগে এসেছে, না নবীজীর ইন্তেকাল পর্যন্ত সময়ে এসেছে। তা আশি হাজার ছিল। সব লাইন ধরে রাখা হলো। ঘোষণা করা হলো, যার সম্পদ দরকার নিয়ে যাও। গোনে গোনে দেয়ার প্রচলন ছিল না। হযরত আব্বাস (রা.) আসলেন। নিজের চাদর বিছিয়ে অনেক মালপত্র জমা করলেন। যখন ওঠাতে গেলেন তখন ওঠাতে পারছিলেন না। নবীজী কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। নবীজীর দিকে তাকিয়ে বললেন, এটা আমার মাথায় উঠিয়ে দিন।
এটা দেখে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। এখান থেকে কমাও। যা একা নিতে পার ততটুকু নাও। [তাফসীরে ইবনে কাসীর: ২: ৩৯৯]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00