📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 তায়েফ সফরে নবীজীর হাসি

📄 তায়েফ সফরে নবীজীর হাসি


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন- নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তায়েফে ছিলেন একদিন তিনি বললেন, আমরা আগামীকাল ফিরে যাব। সাহাবায়ে কেরামদের অনেকে বলেন, আমরা ফিরে যাব না, যতক্ষণ না আমাদের বিজয় নিশ্চিত হয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- তোমরা সকলেই লড়াই শুরু করবে। সুতরাং সকাল হতেই সাহাবায়ে কেরাম যুদ্ধ শুরু করে দেন। তুমুল যুদ্ধ হলো। অনেক মুসলমান আহত হন। নবীজী আবার বলেন- আমরা ইনশাআল্লাহ আগামীকাল ফিরে যাব। সাহাবায়ে কেরাম চুপচাপ। (কেননা, নবীজীর কথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।) তাদের চুপ থাকা দেখে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসেন। [বুখারী: ২: ৮৯৯]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 সাহাবায়ে কেরামের প্রেরণা দেখে নবীজীর হাসি

📄 সাহাবায়ে কেরামের প্রেরণা দেখে নবীজীর হাসি


এক যুদ্ধের প্রস্তুতি পর্বে সাহাবায়ে কেরامকে যুদ্ধের উৎসাহ দেন। সাহাবায়ে কেরام বলেন- হে আল্লাহর রাসূল! আমরা মুসা (আ.)-এর উম্মতের মত এ কথা বলবো না যে, আপনি এবং আপনার রব গিয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করুন, আমরা ঐখানে বসে আছি। এমনকি আমরা আপনার ডানেও লড়াই করবো, বামেও লড়াই করবো, আপনার সামনেও লড়বো পেছনেও লড়বো। বর্ণনাকারী বলেন, এটা শুনে নবীজীর চেহারা মোবারক চমকাতে থাকে, যা তার আনন্দের খবরই প্রকাশ করছিল। [বুখারী : ২: ৫৬৪]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর পবিত্রতা ঘোষণাকারী আয়াত নাযিল হলে নবীজীর হাসি

📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর পবিত্রতা ঘোষণাকারী আয়াত নাযিল হলে নবীজীর হাসি


হযরত আয়েশা (রা.) বলেন- লোকেরা যখন আমার প্রতি অপবাদ আরোপ করলো। অনেকদিন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানতে পারিনি। উম্মে মিসতাহ (রা.)-এর কাছে প্রথম শুনতে পাই। ওদিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সাথে পরামর্শ করছিলেন। লোকেরা বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছিল। একদিন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে আমার কাছে আগমন করেন। বলেন, তুমি যদি পবিত্র হও তবে আল্লাহ তাআলা তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করে দেবেন। আর যদি তোমার ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আল্লাহ তাআলা তোমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
আয়েশা (রা.) বলেন- এর আগে কয়েক দিন কয়েক রাত এমনভাবে অতিবাহিত হয়েছে যে, আমার ঘুম নেই। শুধু কান্না আর কান্না। নবীজীর এ কথায় আমার পিতাও কোন জবাব দেননি, মাতাও না।
আয়েশা (রা.)-এর মাতা বলেন- নবীজী মজলিসে বসা ছিলেন। উঠার আগেই ওহী নাযিল শুরু হয়। শেষ হওয়ার পর নবীজী হাসতে থাকেন। সর্বপ্রথম যে কথাটি বলেন তা হলো- হে আয়েশা! আল্লাহ তাআলা তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করেছেন। [বুখারী: ২: ৫৯৫]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 সূরা ফাতহ নাযিল হওয়ার পর নবীজীর আনন্দ

📄 সূরা ফাতহ নাযিল হওয়ার পর নবীজীর আনন্দ


হযরত যায়েদ ইবনে আসলাম (রা.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, এক রাতে নবীজী সফরে ছিলেন। হযরত উমর (রা.) তাঁর সাথে ছিলেন। উমর (রা.) একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলে নবীজী কোন উত্তর দিলেন না। উমর (রা.) তিনবার প্রশ্ন করেন। তারপর নবীজী চুপ থাকেন। কোন উত্তর দেননি। উমর (রা.) বলেন- আমি আমাকে পক্ষ করে বললাম, হে উমর! তোমার জন্য এটা খারাপ। কারণ, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার কথার জবাব দেননি। আমি আমার উট খুব দ্রুত চালালাম। সব মুসলমানের আগে চলে গেলাম এই ভয়ে যে, হায়! যদি আমার ব্যাপারে কোন আয়াত নাযিল হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর এক ঘোষণাকারী আমাকে ডাকলো। মনে করলাম, বোধ হয় আমার ব্যাপারে কোন আয়াত নাযিল হয়ে গিয়েছে। আমি নবীজীর দরবারে হাজির হলাম। সালাম করলাম। তিনি বলেন- আজ আমার প্রতি একটি সূরা নাযিল হয়েছে। আর এটা পুরো দুনিয়ার চেয়ে আমার কাছে প্রিয়, যে দুনিয়ায় সূর্য উদিত হয়। তারপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেলাওয়াত করেন- إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُّبِينًا

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00