📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর আশ্চর্য হওয়া দেখে নবীজীর হাসি
প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- আয়েশা! তুমি চারটি আমল না করে শুতে যেয়ো না।
১. কুরআন শরীফ খতম করে শোবে। ২. সব নবীকে নিজের জন্য সুপারিশকারী বানিয়ে শোবে। ৩. সব মুসলমানকে সন্তুষ্ট করে শোবে। ৪. একটি হজ এবং ওমরা করে শোবে।
তারপর নবীজী নামাযে দাঁড়িয়ে যান এবং হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বিছানায় শুয়ে থাকলাম। নবীজী নামায শেষ করার পর আমি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলাম- হে আল্লাহর রাসূল! অল্প সময়ে এত বড় চারটি কাজ কীভাবে সম্পাদন করব?
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসলেন। বললেন- সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করলে কুরআন মজীদ এক খতম হয়ে যায়। তুমি যখন আমার প্রতি এবং সব নবীগণের প্রতি দরূদ পাঠ করবে তখন সব নবী (আ.) কিয়ামতের দিন তোমার সুপারিশকারী হয়ে যাবেন। তুমি যদি মুমিনদের ক্ষমা প্রার্থনা কর, তাহলে সবাই তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন। আর যদি سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ পাঠ কর, তাহলে তোমার একটি হজ ও ওমরা হয়ে যাবে। [দুররুন্নাসিহীন সূত্রে তাফসীরে হানাফী: ১: ২০৭]
📄 হযরত ইকরামা (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণে নবীজীর আনন্দ
হযরত ইকরামা ইবনে আবু জেহেল ইসলামের মারাত্মক একজন শত্রু ছিলেন। বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে কাজ করেছেন। এ যুদ্ধেই তাঁর পিতা আবু জেহেল মুয়াজ ও মুয়াওয়াজ (রা.) নামক দুই কিশোর সাহাবীর হাতে নিহত হয়। উহুদের যুদ্ধে ইকরামা এবং খালিদ শত্রুপক্ষের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৫ম হিজরীতে আরবের সব মুশরিক যখন তাদের সব গোত্রের লোকদের একসাথে করে মদীনায় আক্রমণ চালায় তখন বনী কেনানাকে নিয়ে ইকরামা مسلمانوں পতন ঘটানোর জন্য গিয়েছিলেন। মক্কা বিজয়ের সময় মুষ্টিমেয় মৌলবাদী কাফের ছাড়া সবাই আত্মসমর্পণ করেছিল। মৌলবাদী কাফেরদের মধ্যে ইকরামাও ছিলেন।
মক্কা বিজয়ের পর যখন ইসলামের শত্রুদের শক্তি ভেঙে পড়ে। মক্কা এবং আশপাশের এলাকার লোকেরা দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করছিল। তখন ঐ মৌলবাদী গোটা কতক কাফের দেশ ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। ইকরামাও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি ইয়ামানের উদ্দেশে পলায়ন করেন। তার স্ত্রী ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি নবীজীর কাছে গিয়ে নিজের স্বামীর নিরাপত্তা কামনা করেন। নবীজী প্রস্তাব কবুল করেন। তখন স্ত্রী তার স্বামী ইকরামার খোঁজে বের হন। ইকরামা যখন ইয়ামানের উদ্দেশে জাহাজে আরোহণ করেন তখন বিপদমুক্তির জন্য 'লাত্' আর 'উজ্জা'-এর ধ্বনি তোলেন। সাথীরা বললো- এখানে লাত্ আর উজ্জা কোন কাজে আসবে না। এখানে শুধু এক আল্লাহকে ডাকতে হবে। সমুদ্রের উত্তাল উর্মিমালার বিপদ থেকে বাঁচতে হলে এক আল্লাহকেই ডাকতে হবে। এ কথাটি ইকরামার অন্তরে আঘাত হানল। কুফরির জগদ্দল পাথর ভেঙে চুরমার করে দিল। নিজেকে নিজে বলল- সমুদ্রে যদি এক আল্লাহ থাকেন তবে স্থলে কেন অন্য কেউ? সেখানেও তো তিনিই হবেন। তাই যদি হয়, তাহলে মুহাম্মদের কাছে কেন আমি ফিরে যাব না?
তার স্ত্রী তাকে খুঁজতে খুঁজতে তার কাছে গিয়ে পৌঁছলেন। তাকে বললেন- আমি এমন এক মানুষের কাছ থেকে এসেছি যিনি সবার চেয়ে ভালো। সবার চেয়ে উত্তম। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমার নিরাপত্তা নিয়ে এসেছি। স্ত্রীর কথা শুনে ইকরামা মক্কার উদ্দেশে ফিরে চলেন। নবীজী তখন মক্কায় অবস্থান করছিলেন। ইকরামাকে দেখে নবীজী আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান এবং 'মারহাবা' বলে তাকে সম্ভাষণ জানান।
ইকরামা জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আমাকে নিরাপত্তা দিয়েছেন?
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- তোমাকে নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে।
এমন দয়া আর ক্ষমা দেখে ইকরামা লজ্জা আর অনুশোচনায় মাথা নত করে নিলেন। আর ঘোষণা করলেন-
أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ الله
[বুখারী, ইবনে সা'দ, সীরাতে ইবনে হিশাম ২: ২৬৫, সিয়ারুস্ সাহাবা: ৫: ১৬৮]
📄 এক ইহুদীর রাগ দেখে নবীজীর হাসি
হযরত যায়েদ ইবনে সা'য়না (রা.) ইহুদীদের বড় আলিমদের একজন ছিলেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ছিলেন। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে অনেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাবুক যুদ্ধের সফরে তিনি পরলোক গমন করেন।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত, হযরত যায়েদ ইবনে সা'য়না বলেন- আমি যখন নবীজীকে একবার দেখলাম। সাথে সাথে তাঁর নবুওয়তের সমূহ নিদর্শন এবং আলামত আমার সামনে স্পষ্ট হয়ে যায়। শুধু দুটো আলামত বুঝতে পারিনি। একটি হলো 'তাঁর ধৈর্য সব সময় রাগের উপর বিজয়ী থাকবে।' দ্বিতীয়টি হলো, 'কোন মূর্খ লোকের কঠোরতা সত্ত্বেও তাঁর ধৈর্য অটুট থাকবে।'
তিনি বলেন, ইচ্ছা জাগলো, কোনভাবে তাঁর সাথে এমন কোন কাজ-কারবার করবো যেন এ দুটো আলামতও আমার সামনে স্পষ্ট হয়ে যায়।
একদিন নবীজী ঘর থেকে আলী (রা.)-এর সাথে বের হন। গ্রাম থেকে এক লোক বাহনে চড়ে তাঁর কাছে আসলো। এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! অমুক মহল্লার লোক মুসলমান। তারা ক্ষুধার্ত। ভালো মনে করলে তাদের কাছে কিছু পাঠিয়ে দিন। নবীজী বলেন- আমি অবশ্যই পাঠাতাম; কিন্তু এখন তো আমার কাছে কিছুই নেই। হযরত যায়েদ ইবনে সা'য়না বলেন, এটা শুনে আমি নবীজীর কাছে গেলাম। বললাম, হে মুহাম্মদ! আপনি চাইলে আমার থেকে এখনই কিছু টাকা পয়সা নিয়ে নিন এবং দু'মাস পর পর বিনিময়ে খেজুর দিয়ে দেবেন। নবীজী বললেন- ঠিক আছে।
আমি তাঁকে আশি দিনার দিলাম।
হযরত যায়েদ বলেন- দুই মাস পূর্ণ হওয়ার দুই দিন বাকী। আমি নবীজীর কাছে গেলাম। তিনি একটা জানাযা পড়ানোর জন্য বের হয়েছেন মাত্র। তাঁর সাথে হযরত আবু বকর, হযরত উমর, হযরত উসমান (রা.) ছাড়াও অনেক সাহাবা ছিলেন। আমি তাঁর জামা ও চাদর টেনে ধরলাম এবং রাগান্বিত চেহারায় তাঁর দিকে তাকিয়ে বললাম, হে মুহাম্মদ! আমার পাওনা আদায় করে দাও। আল্লাহর কসম! তোমরা কুরাইশের লোকেরা ওয়াদা ভঙ্গকারী আর পাওনা পরিশোধে গড়িমসি কর। এ রকম আরো দু'চারটে কথা বললাম।
আমার দৃষ্টি যখন হযরত উমরের দিকে পড়লো, দেখলাম রাগে তিনি কটমট করছেন। উমর (রা.) বলেন- হে আল্লাহর দুশমন! তুমি কি নবীজীর সাথে এমনভাবে কথা বলছো, যা আমি শুনতে পাচ্ছি? আল্লাহর কসম! আমি তোমার গর্দান উড়িয়ে দেব।
নবীজী খুব ধীরস্থিরভাবে উমর (রা.)-এর দিকে তাকালেন এবং মুচকি হাসলেন। বললেন- উমর! এভাবে নয়; বরং তাকে ভদ্রভাবে আদায় করার নির্দেশ দাও এবং আমাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দাও। আরো বলেন- হে উমর! তুমি তার সাথে যাও এবং তার প্রাপ্য পরিশোধ করে দাও এবং সাথে বাড়তি আরো বিশ সের দিয়ে দিবে। কেননা তুমি তাকে ভয় দেখিয়েছ।
হযরত যায়েদ বলেন- আমি উমর (রা.)-এর সাথে গেলাম। তিনি আমার প্রাপ্য পরিশোধ করলেন এবং সাথে বিশ সের বাড়তি দিলেন।
আমি বললাম- হে উমর! আপনি কি জানেন আমি এমন কেন করেছি? এর আগে নবীজীর সব আলামত আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শুধু এ আলামত সম্পর্কে জানা বাকী ছিল। তাও এখন দেখে নিলাম। আপনি সাক্ষী থাকুন, আমি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ঈমান আনলাম। তারপর যায়েদ ইবনে সা'য়না (রা.) প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করেন। [উসদুল গাবাহ: ২: ২৩২]
📄 উম্মে আম্মারা (রা.)-এর আক্রমণে নবীজীর হাসি
উম্মে আম্মারা আনসারিয়া (রা.) ঐ নারীদের একজন যাঁরা প্রথম যুগে মুসলমান হয়েছেন। আকাবার সপথে بيعة عقبة অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি অধিকাংশ জেহাদে শরীক ছিলেন। উহুদের যুদ্ধের কাহিনী বর্ণনা করেছেন- আমি পানির পাত্র ভরে নিয়ে ঘুরতাম, দেখতাম মুসলমানদের কী অবস্থা? কেউ পিপাসু বা আহত পেলে পানি পান করাতাম। তাঁর বয়স তখন তেতাল্লিশ বছর ছিল। তার স্বামী এবং দুই পুত্রও জেহাদে অংশ গ্রহণ করেছিল।
মুসলমানদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে যখন কাফেররা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন আমি নবীজীর আশপাশে গিয়ে অবস্থান নিলাম। কোন কাফের নবীজীর দিকে আসতে চাইলে উম্মে আম্মারা (রা.) তাকে হটিয়ে দিতেন। প্রথমে তাঁর কাছে ঢালও ছিল না। পরে একটা ঢাল পেয়েছিলেন। যিনি আহত হতেন কোমরে রাখা কাপড়ের তেনা পুড়িয়ে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিতেন। তিনি নিজেও আহত হয়েছিলেন। প্রায় ১২/১৩ স্থানে আঘাত পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে একটি ক্ষত খুবই মারাত্মক ছিল।
উম্মে সাঈদ বলেন, আমি তার কাঁধে গভীর একটা ক্ষত দেখেছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কীভাবে হলো?
তিনি বলেন, উহুদ প্রান্তরে মানুষ যখন হতভম্ব হয়ে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছিল তখন ইবনে কুমাইয়া এই বলে চিৎকার দিতে দিতে আসছিল যে, মুহাম্মদ কোথায়? আমাকে কেউ বলে দাও, সে কোন দিকে আছে? আজ যদি সে বেঁচে যায় তাহলে আমার উপায় নাই। মুসআব ইবনে উমায়ের (রা.) এবং আরও কয়েক জন তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। আমিও তাদের মধ্যে ছিলাম। সে আমার কাঁধে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করল। আমিও কয়েকটি আঘাত হানলাম। কিন্তু তার পায়ে দুই পল্লা লৌহবর্ম ছিল। তাই কোন আঘাতই তার গায়ে লাগছিল না। উম্মে আম্মারা বলেন, ঘাড়ের এ ক্ষত এত ভীষণ ছিল যে, পুরো বছর চিকিৎসা করেও ভাল হচ্ছিল না। এরই মাঝে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামরাতুল আসাদ যুদ্ধের ঘোষনা দেন। আমিও তৈরি হয়ে গেলাম। যুদ্ধে যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। কিন্তু কাঁধের ক্ষতটা একদম কাঁচা ছিল। ফলে আর এ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারিনি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হামরাতুল আসাদ থেকে ফিরে আসলেন তখন সর্বপ্রথম উম্মে আম্মারা (রা.)-এর অসুস্থতার খবর নেন। যখন শুনলেন যে এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ, তখন খুব খুশি হলেন।
উম্মে আম্মারা বলেন- এ ক্ষত ছাড়াও আরও কয়েক জায়গায় ক্ষত হয়েছিল। আসলে কাফেররা ঘোড়ায় আরোহণ করে যুদ্ধ করছিল আর আমরা ছিলাম বাহন ছাড়া। তারাও যদি বাহন ছাড়া থাকতো তাহলে কাজ হতো। তাহলে তারা বুঝতে পারতো আক্রমণ কাকে বলে? ঘোড়ায় চড়ে যখন কেউ এসে আমায় আক্রমণ করতো তখন আমি ঢাল ব্যবহার করে আক্রমণ প্রতিহত করতাম। পরে যখন ফিরে যেতো, তখন আমি তার ঘোড়ার পায়ে আঘাত হানতাম। পা কেটে ঘোড়া এবং বাহকও লুটিয়ে পড়তো। তখন নীবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ছেলেকে আমার কাছে আমার সাহায্যের জন্য পাঠিয়ে দিতেন। আর আমরা দু'জন মিলে তার কাম সারা করে দিতাম।
তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রা.) বলেন, আমার বাম বাহুতে আঘাত লেগেছে। রক্ত পড়া বন্ধ হচ্ছিল না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- ব্যান্ডেজ করে নাও। আমার মা এসে কোমর থেকে কাপড় বের করে ব্যান্ডেজ বেঁধে বললেন, যা কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই কর। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- হে উম্মে আম্মারা! এত সৎসাহস কে দেখাতে পারবে? যা তোমার কাছে দেখলাম।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে সময় তাঁর জন্য এবং তাঁর পরিবারের জন্য কয়েকবার দুআ করেন, আর খুব প্রশংসা করেন। উম্মে আম্মারা বলেন- ঐ সময় এক কাফের সামনে আসলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেন, ঐ লোকই তোমার ছেলেকে আঘাত করেছে। আমি সামনে অগ্রসর হয়ে তার পায়ের গোড়ালীতে আঘাত করলাম। সে আহত হয়ে একদম বসে পড়লো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। আর বললেন, ছেলের প্রতিশোধ নিয়ে নিয়েছো। এরপর আমরা সামনে চললাম এবং তাকে হত্যা করলাম। [তাবাকাতে ইবনে সা'দ]