📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 বিসমিল্লাহর কারণে শয়তানের বমি এবং নবীজীর হাসি

📄 বিসমিল্লাহর কারণে শয়তানের বমি এবং নবীজীর হাসি


হযরত উমাইয়া ইবনে মুখশী (রা.) নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর একজন সাহাবী ছিলেন। এক ব্যক্তি তাঁর কাছে বসে খাচ্ছিল। সে বিসমিল্লাহ পড়েনি। সে যখন শেষ লোকমা তার মুখে দিচ্ছিল তখন বলল- بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَةَ (বিস্‌মিল্লাহি আউয়ালাহু ওয়া আখিরাহু) শুরু থেকে তার সাথে খাচ্ছিল। শেষে যখন সে বিসমিল্লাহ বলল, তখন শয়তান তার পেটে যাওয়া সব খাবার বমি করে ফেলে দিল। (কেননা শয়তান যে খাবারের শুরুতে আল্লাহর নাম নেয়া হয় সে খাবার খায় না। আর ঐ ঘরে প্রবেশ করে না যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয়।) [আহমদ, উসদুল গাবাহ: ১: ১২১]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 হযরত জিবরাঈল (আ.)-এর হাসি দেখে নবীজীর হাসি

📄 হযরত জিবরাঈল (আ.)-এর হাসি দেখে নবীজীর হাসি


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে রাইয়াব (রা.)। আনসারগণের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি নবীজীর সাথে বদর, উহুদ, খন্দক এমনকি সবক'টি যুদ্ধে অংশ নেন।
আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, ছয় ব্যক্তি প্রথমদিকে ইসলাম গ্রহণ করেন। তারা হলেন বনি নাজ্জারের আস'আদ ইবনে যুরারা (রা.), আউফ ইবনে মালিক (রা.), রাফে ইবনে মালিক ইবনে আজালান (রা.), কুতবা ইবনে আমির (রা.), উকবা ইবনে আমির (রা.) এবং জাবির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাইয়াব (রা.)। এই আবদুল্লাহ ইবনে রাইয়াব (রা.) বলেন, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- আমি নামায পড়ছিলাম। জিবরাঈল (আ.) আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে হাসেন এবং আমিও তাঁর দিকে তাকিয়ে হেসে দিই। [উসুদুল গাবাহ]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 জারুদ ইবনে মুআলা (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণে নবীজীর আনন্দ

📄 জারুদ ইবনে মুআলা (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণে নবীজীর আনন্দ


জারুদ ইবনে মুআল্লা (রা.) কে অনেকে বলেন, তিনি ইবনে আ'লা। অনেকে বলেন, তিনি জারুদ ইবনে আমর। তিনি আবদুল কায়েস গোত্রের লোক ছিলেন।
তাঁর ডাক নাম ছিল আবুল মুনযির। অনেকে বলেন- আবু গিয়াস। অনেকে বলেন- আবু ইতাব। মোটকথা তাঁর নাম ও ডাকনামের ব্যাপারে যথেষ্ট মতবিরোধ রয়েছে। তাঁকে জারুদ এজন্য বলা হতো যে, তিনি জাহেলী যুগে বকর ইবনে ওয়াইলের সম্পদ লুটপাট করেছিলেন।
তিনি দশ হিজরী সালে নবীজীর দরবারে উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে খৃষ্টান ছিলেন। তিনি ইসলাম গ্রহণ করাতে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনন্দিত হন। তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করেন। তাঁকে নৈকট্য দান করেন। ইরান বা নাহাওন্দ এলাকায় তিনি শাহাদত বরণ করেন। [উসুদুল গাবাহ: ১: ২৬১]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর আশ্চর্য হওয়া দেখে নবীজীর হাসি

📄 হযরত আয়েশা (রা.)-এর আশ্চর্য হওয়া দেখে নবীজীর হাসি


প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- আয়েশা! তুমি চারটি আমল না করে শুতে যেয়ো না।
১. কুরআন শরীফ খতম করে শোবে। ২. সব নবীকে নিজের জন্য সুপারিশকারী বানিয়ে শোবে। ৩. সব মুসলমানকে সন্তুষ্ট করে শোবে। ৪. একটি হজ এবং ওমরা করে শোবে।
তারপর নবীজী নামাযে দাঁড়িয়ে যান এবং হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বিছানায় শুয়ে থাকলাম। নবীজী নামায শেষ করার পর আমি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলাম- হে আল্লাহর রাসূল! অল্প সময়ে এত বড় চারটি কাজ কীভাবে সম্পাদন করব?
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসলেন। বললেন- সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করলে কুরআন মজীদ এক খতম হয়ে যায়। তুমি যখন আমার প্রতি এবং সব নবীগণের প্রতি দরূদ পাঠ করবে তখন সব নবী (আ.) কিয়ামতের দিন তোমার সুপারিশকারী হয়ে যাবেন। তুমি যদি মুমিনদের ক্ষমা প্রার্থনা কর, তাহলে সবাই তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন। আর যদি سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ পাঠ কর, তাহলে তোমার একটি হজ ও ওমরা হয়ে যাবে। [দুররুন্নাসিহীন সূত্রে তাফসীরে হানাফী: ১: ২০৭]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00