📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 হযরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর দিকে তাকিয়ে নবীজীর মুচকি হাসি

📄 হযরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর দিকে তাকিয়ে নবীজীর মুচকি হাসি


হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, খোদার কসম! আমি ভীষন ক্ষুধার্ত। জ্বালা সইতে না পেরে পেটের ভার মাটিতে রেখে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতাম বা পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম।
একদিনের ঘটনা। আমি মানুষ চলাচলের রাস্তায় বসে আছি। আমার পাশ দিয়ে আবু বকর (রা.) অতিক্রম করছিলেন। আমি তাঁকে কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার বাহানায় তাঁর সাথে কথা বললাম। উদ্দেশ্য ছিল তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করা। যেন তিনি আমাকে তাঁর সাথে করে নিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেন। কিন্তু তিনি কোন জবাব দিলেন না। কিছুক্ষণ পর দেখলাম, হযরত উমর (রা.) এ পথ ধরে আসছেন। তাঁর সাথেও আমি কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার বাহানায় কথা বললাম। উদ্দেশ্য একটাই ছিল। কিন্তু তিনিও কিছু বললেন না। কিছুক্ষণ পর প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পথ দিয়ে আসলেন। আমার চেহারার দিকে তাকিয়ে তিনি অবস্থা বুঝতে পারলেন এবং বললেন- আবু হুরায়রা। আমি বললাম, লাব্বাইক ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারপর বলেন, আমার সাথে চলো। তিনি গিয়ে তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আমি ভেতরে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তিনি অনুমতি দিয়ে দেন। ভেতরে ঢুকে এক পেয়ালা দুধ রাখা দেখলাম। তিনি ঘরে জিজ্ঞাসা করলেন, এ দুধ কোথা থেকে এলো? তাঁরা বললেন, অমুক বাড়ি থেকে হাদিয়া পাঠানো হয়েছে।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- আবু হুরায়রা! আমি বললাম- লাব্বাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারপর তিনি বলেন- আহলে সুফ্ফার সবাইকে ডেকে নিয়ে আসো। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন- আহলে সুফ্ফা দীনি মেহমান। না তাদের কোন পরিবার-পরিজন ছিল, না কোন ধন-সম্পদ। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যখনই কোন হাদিয়া আসতো, নিজে কিছু রেখে বাকীটুকু তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। আর যাকাতের কোন মাল আসলে তা থেকে নিজে কিছুই রাখতেন না, সব আহলে সুফফার কাছে পাঠিয়ে দিতেন। (কেননা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য যাকাত গ্রহণ করা নিষিদ্ধ ছিল।)
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন- নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহলে সুফ্ফাকে ডাকার কথায় আমি চিন্তিত হয়ে পড়লাম। কেননা আমি আশা করে ছিলাম যে, এ দুধ থেকে কয়েক ঢোক পান করে বাকী দিন একটু সুস্থভাবে কাটাতে পারবো। কিন্তু নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখন আহলে সুফ্ফাকে ডাকছেন। সবাই খেয়ে আমার ভাগে আর কতটুকুই বা জুটবে! তারপরও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ অমান্য করার কোন উপায় নেই। সুতরাং আমি গিয়ে তাদেরকে ডেকে আনলাম। তাঁরা এসে অনুমতি নিয়ে ভেতরে গিয়ে বসে পড়েন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালাটি আমার হাতে দিয়ে বললেন- তাদেরকে পান করাও। আমি একেক জন করে পান করাতে লাগলাম। সবাই পেটপুরে খুব তৃপ্ত হয়ে পান করতে থাকেন। যখন সবাইকে পান করিয়ে শেষ করলাম, তখনও পেয়ালায় অনেক দুধ অবশিষ্ট রয়েছে। আমি পেয়ালাটি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে দিলাম। নবীজী মাথা উঁচু করে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিলেন। আর বললেন, আবু হুরায়রা!
আমি বললাম, লাব্বাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ!
নবীজী বললেন, বস এবং পান কর।
আবু হরায়রা (রা.) বলেন, আমি বসে পড়লাম এবং পান করলাম।
তিনি আবার বললেন, পান কর।
আমি আবার পান করলাম।
তিনি বারবার বলেন, পান কর, আমি দুধ পান করতে থাকলাম। শেষ পর্যন্ত আমি বলতে বাধ্য হলাম যে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আর পান করতে পারছি না। ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন! আমি পূর্ণ তৃপ্ত হয়ে পিয়েছি।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- তাহলে পেয়ালাটা আমাকে দাও।
আমি পেয়ালাটা তাঁকে দিয়ে দিলাম এবং তিনি অবশিষ্ট দুধটুকু পান করে শেষ করেন। [আহমদ, বুখারী, তিরমিযী, বিদায়াহ ও হায়াতুস্ সাহাবা: ১: ৩৩২]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 এক বাহকের কথা শুনে নবীজীর মুচকি হাসি

📄 এক বাহকের কথা শুনে নবীজীর মুচকি হাসি


হযরত হানযিয়া (রা.) বলেন- আমরা হযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হুনাইন যুদ্ধের জন্য চললাম। লম্বা সফর ছিল। একদিন সন্ধ্যায় নামাযের সময় হলে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হলাম। তখনই একজন লোক বাহনে চড়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনাদের আগে আগে এসেছি। অমুক অমুক পাহাড় পাড়ি দিয়ে এসেছি। হাওয়াযিন গোত্রকে দেখেছি, তারা পৈত্রিক মাল-সামান এবং পর্দাশীলা মহিলা এবং গৃহপালিত পশু সাথে করে হুনাইনের দিকে চলে গিয়েছে। এ কথা শুনে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন এবং ইরশাদ করলেন- কালকে ইনশাআল্লাহ এসব মুসলমানের জন্য গনিমতের মালে পরিণত হবে। তারপর বলেন- আজ রাতে আমাদের পাহারাদারী কে করবে?
হযরত আনাস ইবনে মারসাদ (রা.) বলেন- হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি পাহারাদারী করবো।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বাহনে চড়ো।
তারপর তিনি তাঁর ঘোড়ায় চড়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হলেন।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সামনের ঘাঁটির দিকে চলে যাও। উঁচু জায়গায় থাকবে এবং সারা রাত সেখানে থাকবে।
যখন আমরা সকালে উপনীত হলাম তখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের জায়গায় আসলেন। দু'রাকাত নামায পড়লেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, পাহারাদার আরোহীর কি কোন খবর তোমাদের কাছে আছে?
সবাই বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! এখনও কোন খবর পাইনি। এর ভেতরই নামাযের তাকবীর বলা হলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘাঁটির দিকে তাকালেন। তিনি নামায শেষে বলেন, সুসংবাদ শোন! তোমাদের আরোহী এসে গিয়েছে। আমরা ঘাঁটির আশপাশের গাছ-গাছালির দিকে তাকাচ্ছিলাম, তখন দেখি, তিনি নবীজীর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। এসে তিনি সালাম করলেন এবং বললেন, এখান থেকে গিয়ে আমি উঁচু জায়গায় অবস্থান নিয়েছিলাম। যার নির্দেশ আপনি দিয়েছিলেন। সকাল হওয়ার পর ঘাঁটির সব দিকে চুপিসারে গভীর দৃষ্টিতে দেখলাম, কিন্তু কাউকে পাওয়া যায়নি। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি রাতে তোমার বাহন থেকে নেমেছিলে? তিনি বললেন, জি না। শুধু নামায এবং ইস্তিঞ্জার জন্য নেমেছি। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি জান্নাত অত্যাবশ্যকীয় করে নিয়েছ। এখন তোমার আর কোন ত্রুটি নেই। যদিও তুমি আজকের পর আর কোন আমল না কর। [আবু দাউদ, বাইহাকী ও হায়াতুস সাহাবা: ১: ৫৪০]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 নেতৃত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোতে নবীজীর হাসি

📄 নেতৃত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোতে নবীজীর হাসি


হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত মিকদাদ ইবনে আসওয়াদ (রা.) কে খরমুদাত পাহাড়ে গভর্নর নিয়োগ করেন। তিনি নবীজীর কাছে আসলে তাঁকে জিজ্ঞেস করেন গভর্নরীর কী অবস্থা?
হযরত মিকদাদ (রা.) বলেন- আমি দেখলাম লোকেরা আমাকে উচ্চৈ স্থান দেয়, প্রত্যেক কাজে আমাকে আগে বাড়িয়ে দেয়। এমনকি আমার ধারণা জন্মে যায় যে, আমি তো আর সেই মিকদাদ নেই। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- নেতৃত্ব এমনই। হযরত মিকদাদ (রা.) বলেন- ঐ সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন, আমি আর কখনও নেতৃত্ব গ্রহণ করবো না, গভর্নর হবো না। লোকেরা যখন বলতো, আপনি সামনে যান, আমাদেরকে নামায পড়ান, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করতেন। তাবারানীর বর্ণনায় এসেছে, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোন এক যুদ্ধে আমীর বানিয়ে প্রেরণ করেন। (সম্ভবত তিনি মিকদাদ রা.ই ছিলেন)। যখন তিনি ফিরে আসেন তখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করেন, নেতৃত্বকে কেমন দেখলে? তিনি বলেন, আমি জাতিরই একজন। অথচ যখন আমি কোন দিকে যেতে উদ্যত হতাম জাতিও আমার সাথে সাথে চলার জন্য তেরি হতো। আর আমি থেমে গেলে তারা থেমে যেতো।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- রাজা-বাদশাহ এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা লোকদের নিন্দার শিকার থাকে। কিন্তু তারা ছাড়া যাদেরকে আল্লাহ তাআলা হেফাজত করেন। এটা শুনে তিনি বলেন- আল্লাহর কসম! আমি আর কখনও আপনারও গভর্নর হবো না এবং অন্য কারও গভর্নর হবো না।
এটা শুনে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত দেখা যাচ্ছিল।
রাফে বলেন- আমি এক সফরে আবু বকরের সাথে ছিলাম। আলাদা হওয়ার সময় আমি তাঁকে বললাম, আমাকে উপদেশ দিন।
তিনি বলেন- নামায সময়মত আদায় করো। আত্মপ্রশান্তির সাথে যাকাত দাও। রমযান মাসের রোযা রাখ। হজ করো। হিজরত আর জিহাদ অনেক দামী জিনিস। কিন্তু তুমি কারও নেতা বা আমীর হয়ো না। আমীরের হিসাব-কিতাব কঠিন হবে। শাস্তিও হবে কঠিন। আর যে আমীর নয়, তার হিসাব হবে সহজ। [বায্যার, কিতাবুযু যুহদ ও হায়াতুস্ সাহাবা: ২: ৬০]

📘 নবীজীর ﷺ হাসি > 📄 এক আনসার সাহাবীর কথায় নবীজীর হাসি

📄 এক আনসার সাহাবীর কথায় নবীজীর হাসি


হযরত উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হলো এবং তার কাছে কিছু চাইলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার কাছে তো কিছু নেই, আমি তোমাকে কী দেব! বরং তুমি আমার নামে কোন কিছু কিনে নিয়ে যাও। আমার হাতে যখন টাকা আসবে তখন আমি পরিশোধ করে দেব।
এটা শুনে হযরত উমর (রা.) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি তাকে দিয়েছেন। কিন্তু যা আপনার হাতে নেই, আল্লাহ তাআলা তার দায়িত্ব আপনাকে দেননি।
উমর (রা.)-এর কথা নবীজীর ভালো লাগলো না। এক আনসার ব্যক্তি বললেন- হে আল্লাহর রাসূল! আপনি খরচ করুন এবং আরশের মালিকের পক্ষ থেকে কোন সংকীর্ণতার ভয় করবেন না। এটা শুনে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। তাঁর পবিত্র উজ্জ্বল চেহারায় মুচকি হাসির ঝলক ফুটে উঠলো। তাঁর কথা হলো, তাঁকে এ কাজেরই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এক বর্ণনায় এসেছে, হযরত জাবির (রা.) বলেন- এক ব্যক্তি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হলো এবং কিছু চাইল। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দিলেন। তখনই আরেক ব্যক্তি আসলো। সেও কিছু চাইলো। তিনি তার সাথে ওয়াদা করে ফেললেন। এটা দেখে হযরত উমর (রা.) দাঁড়িয়ে গেলেন। বললেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার কাছে একজন চাইলো। আপনি দিলেন। আরেকজন চাইলো। আপনি দিলেন। তৃতীয় আরেকজন চাইলো। আপনি তার সাথে ওয়াদা করে ফেললেন।
উমরের কথাটি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভালো লাগলো না। আবদুল্লাহ ইবনে হুযাইফা সাহমী দাঁড়িয়ে বললেন- হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি খরচ করুন এবং আরশের মালিকের পক্ষ থেকে মুখপেক্ষিতার ভয় করবেন না। এটা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কর্মনীতি।
একবার হযরত বেলাল (রা.) কে বলেন- হে বেলাল! খরচ কর, আরশের মালিকের পক্ষ থেকে সংকীর্ণতার ভয় করো না।
হযরত আনাস (রা.) বলেন- হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে তিনটা পাখি হাদীয়া হিসেবে আসলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা পাখি খাদেমার কাছে দিলেন। সে দ্বিতীয় দিন ঐ পাখিটি খাবারের সাথে নবীজীর সামনে হাজির করলো। তিনি বলেন- আমি কি তোমাকে কোন জিনিস আগামীকালের জন্য রেখে দিতে নিষেধ করিনি? আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন আমার কাছে জীবিকা প্রেরণ করেন। [তিরমিযী, ইবনে জরীর, বায্যার, তাবারানী, আবু নায়ীম, আবু ইয়ালা ও হায়াতুস্ সাহাবা ২: ১৬৩]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00