📄 ভোরের পূর্বে ঈষৎ ঘুম
রাতের এক-ষষ্ঠাংশ বাকি থাকতে অর্থাৎ প্রায় শেষ প্রহরে নবীজি ﷺ দীর্ঘ কিয়ামুল লাইল, তাসবীহ, দুআ, নিকটাত্মীয়দের প্রতি স্নেহশীল আচরণ এবং মৃত সাথিদের কল্যাণকামনার পর কিছু সময় বিশ্রাম নেয়ার উদ্দেশ্যে আবার বিছানায় যেতেন। ফজর সালাত এবং দিনের কর্মব্যস্ততার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে তিনি তখন ভাতঘুম ঘুমাতেন। এভাবেই সুবহে সাদিকের প্রারম্ভের সময়টুকু নবীজি ﷺ-এর ঈষৎ ঘুমেই কেটে যেত। উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা রা. বলেন, “নবীজি ﷺ যে রাতেই আমার সাথে থাকতেন, সুবহে সাদিকের শুরুর সময়টুকুতে তিনি নিদ্রা যেতেন।”
রাতের আঁধার কেটে ভোরের আলো ফোঁটার সময় বিলাল রা. এর সুমধুর আযানের ধ্বনি যখন মদীনার নিস্তব্ধতা ভেঙে দিত তখন নবীজি জেগে উঠতেন। প্রিয় রাসূল ﷺ তাঁর একেকটা নতুন দিন শুরু করতেন আযানের সুর শুনে, যা নববী সুসংবাদের বার্তা এবং ইসলামের আলোকিত বাণী বহন করে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হতো মদীনা নগরীর অলিতে-গলিতে।