📄 বিপদ-আপদের ফযিলত
আল-ইযয ইবনু আব্দুস সালাম
বিপদ, পরীক্ষা, দুর্ভাগ্য আর দুর্যোগের মাঝে রয়েছে অনেক উপকারিতা। বিভিন্ন মর্যাদার মানুষের উপর এ সকল উপকারিতা বিভিন্ন মাত্রায় প্রযোজ্য।
১। আল্লাহর প্রভুত্ব ও সর্বব্যাপী ক্ষমতার ব্যাপারে উপলব্ধি জন্মানো।
২। বান্দার নগণ্যতা উপলব্ধি করা।
৩। আল্লাহ তা'আলার প্রতি ইখলাস বাস্তবায়ন। কারণ, এই অবস্থায় আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে যাওয়ার থাকে না, তিনি ছাড়া আর কেউ বিপদ সরাতে পারে না।
৪। অনুতপ্ত হয়ে অন্তরকে আল্লাহর দিকে ফেরানো।
৫। বিনয় অবলম্বন ও দু'আ করতে পারা।
৬। সহনশীলতা। সহনশীলতার মর্যাদা বিপদের ভয়াবহতা অনুসারে বাড়ে-কমে। ভয়াবহতম দুর্যোগে সহনশীলতা প্রদর্শন হলো এর উত্তম রূপ।
৭। বিপদের মুখে ধৈর্যধারণ ও দৃঢ়তা প্রদর্শন। এতে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যায় ও নেকি লাভ হয়।
৮। নানা রকম উপকারিতার কারণে বিপদের আগমনে আনন্দ অনুভব করা।
৯। নানা রকম উপকারিতার কারণে বিপদের আগমনে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া। এটি হলো রোগাক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলার কারণে ডাক্তারের প্রতি রোগীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের মতো, যদিও এর ফলে তাকে বিকলাঙ্গ হয়ে যেতে হয়েছে।
১০। গুনাহ মাফ পাওয়া।
১১। বিপদগ্রস্তদের প্রতি দয়া প্রদর্শন ও তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারা।
১২। সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের নিয়ামাত যথাযথভাবে উপলব্ধি করা। কারণ, হারিয়ে ফেলার আগে কেউ ঠিকমতো নিয়ামাতের মূল্য বোঝে না।
১৩। এই বিপদের বিনিময়ে আখিরাতে আল্লাহ কত পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন, তা চিন্তা করা।
১৪। এর নানা লুক্কায়িত উপকারিতা আবিষ্কার করা। যেমন: সারাহকে (আলাইহাস সালাম) ধরে নিয়ে যাওয়ার পর অত্যাচারী বাদশা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সময় উপহার হিসেবে দেন দাসী হাজারকে (আলাইহাস সালাম)। তাঁর গর্ভেই জন্ম হয় ইবরাহীম-এর ছেলে ইসমাঈল, যার বংশ থেকে এসেছেন রাহমাতাল্লিল আলামীন মুহাম্মাদ। বিপদের ফলাফল কতই-না উত্তম!
১৫। বিপদের ফলে মানুষ মন্দকাজ, বিলাসিতা, অহংকার, লোকদেখানো, অপচয় ও অত্যাচার থেকে বিরত থাকে। এ কারণেই সবচেয়ে বেশি বিপদ দেওয়া হয়েছে নবীগণকে, তাঁদের পর সৎকর্মশীলগণকে, এভাবে একে একে তাঁদের সবচেয়ে নিকটবর্তী মর্যাদার মানুষগণকে। তাঁদের পাগল, জাদুকর, গণক বলা হয়েছিল। ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা হয়েছিল। সাহাবাগণকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তাঁদের বিপদ আর শত্রুসংখ্যা বাড়তেই থাকে। কিছু ক্ষেত্রে তাঁরা পরাজিত হন। উহুদ ও অন্যান্য যুদ্ধে অনেকে শহীন হন। রাসূল মুখে আঘাত পান, দাঁত ভেঙে যায়, হেলমেট ভেঙে মাথায় গেঁথে যায়। তাঁর শত্রুরা আনন্দিত হয় আর সঙ্গীরা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁরা এক অনিঃশেষ দারিদ্র্য, দুর্দশা ও ভয়ের অবস্থায় থাকতেন। ক্ষুধার জ্বালায় তাঁরা পেটে পাথর বেঁধেছেন আর দো-জাহানের সর্দার কখনো এক দিনে দুবার পেট পুরে রুটি খাননি। তাঁকে মানসিকভাবে এমনই আঘাত করা হয়েছে যে, তাঁর পবিত্রা স্ত্রীকে চরিত্রহীনতার অপবাদ দেওয়া হয়েছে। নবী- রাসূল ও সৎকর্মশীল সকলকেই বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রত্যেকের বিপদ ছিল তাঁর মর্যাদার অনুপাতে। তাঁদের কাউকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে, কিন্তু এতে তাঁদের ঈমান টলে যায়নি। বিপদ-আপদের কারণে বান্দা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার দিকে ফিরে যায়। সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মাঝে থাকলে বান্দা আল্লাহ থেকে দূরে সরে যায়। এ কারনেই নবীগণ অল্প খেতেন, অনাড়ম্বর পোশাক পরতেন, যাতে তাঁরা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার একনিষ্ঠ বান্দা হয়ে থাকতে পারেন।
১৬। বিপদে এমন সন্তুষ্ট থাকা যে, এর ফলে আল্লাহ তা'আলা সন্তুষ্ট হন। কারণ, সৎকর্মশীল ও পাপাচারী উভয়কেই বিপদ দেওয়া হয়। বিপদের আগমনে যে রুষ্ট হয়, দুনিয়া ও আখিরাতে তার পরিণতি খারাপ। আর যে এতে সন্তুষ্ট থাকে, তার জন্য রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি, যা জান্নাত ও এর সকল নিয়ামাতের চেয়ে উত্তম。
টিকাঃ
৩০৪. হিল্ম: তাড়াহুড়া ত্যাগ করা। রাগিব, আল-মুফরাদাতে বলেন, "এটি হলো রাগের সময় নাফস ও মেজাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারার ক্ষমতা।" জাহিয, তাহাযিবুল আখলাকে বলেন, "এটি হলো সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও চরম রাগের সময় প্রতিশোধ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা।” জুরজানি, আত-তারিফাতে বলেন, "এটি হলো রাগের সময় শান্ত থাকা।"
৩০৫. আহমাদ: ১৪৮১-১৪৯৪-১৫৫৫-১৬০৭; তিরমিযি: ২৪০০; ইবনু মাজাহ : ৪০২৩; সাইদ ইবনু আবু ওয়াক্কাস থেকে বর্ণিত। তিরমিযি একে হাসান সহীহ বলেছেন; হাকিম: ১২০ একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবি একমত।
৩০৬. বুখারি: ৬৪৫২; আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত।
৩০৭. মুসলিম: ২৯৭০; আয়িশা থেকে বর্ণিত।
৩০৮. মুনাওয়ি, ফাইদুল কাদির: খণ্ড ১, ২৪৫ পৃষ্ঠায় বলেন, "গাযালি বলেছেন, 'তুমি যদি দেখো আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা পৃথিবীকে তোমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন, তোমাকে বারবার পরীক্ষায় ফেলছেন, তাহলে জেনে রেখো, তাঁর কাছে তোমার মর্যাদা বিশাল। জেনে রেখো, তিনি তোমার সাথে সে রকম আচরণ করছেন, যেমন আচরণ করেছেন তাঁর আউলিয়াগণের সাথে এবং নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ বানাদাদের সাথে। আর তিনি তোমাকে দেখেশুনে রাখছেন। তুমি কি তাঁর বাণী শোনোনি? “তুমি ধৈর্যধারণ করে তোমার প্রতিপালকের হুকুমের অপেক্ষায় থাকো, কারণ তুমি তাঁর দৃষ্টির সামনেই আছো।” [সূরাহ আত-তুর, ৫২ : ৪৮] অতএব, নিজের উপর এই মহান অনুগ্রহ স্বীকার করো।”
৩০৯. ফাওয়াইদুল বালওয়া ওয়াল মিহান থেকে সংক্ষেপিত। পূর্ণ ইংরেজি অনুবাদটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৪ সালে দারুস সুন্নাহ পাবলিশার্স, বার্মিংহাম, ইউনাইটেড কিংডম থেকে Trials & Tribulations: Wisdom & Benefits শিরোনামে।
📄 আল-ইযয ইবনু আব্দুস সালাম রহ.
বিপদ, পরীক্ষা, দুর্ভাগ্য আর দুর্যোগের মাঝে রয়েছে অনেক উপকারিতা। বিভিন্ন মর্যাদার মানুষের উপর এ সকল উপকারিতা বিভিন্ন মাত্রায় প্রযোজ্য।
১। আল্লাহর প্রভুত্ব ও সর্বব্যাপী ক্ষমতার ব্যাপারে উপলব্ধি জন্মানো।
২। বান্দার নগণ্যতা উপলব্ধি করা।
৩। আল্লাহ তা'আলার প্রতি ইখলাস বাস্তবায়ন। কারণ, এই অবস্থায় আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে যাওয়ার থাকে না, তিনি ছাড়া আর কেউ বিপদ সরাতে পারে না।
৪। অনুতপ্ত হয়ে অন্তরকে আল্লাহর দিকে ফেরানো।
৫। বিনয় অবলম্বন ও দু'আ করতে পারা।
৬। সহনশীলতা। সহনশীলতার মর্যাদা বিপদের ভয়াবহতা অনুসারে বাড়ে-কমে। ভয়াবহতম দুর্যোগে সহনশীলতা প্রদর্শন হলো এর উত্তম রূপ।
৭। বিপদের মুখে ধৈর্যধারণ ও দৃঢ়তা প্রদর্শন। এতে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যায় ও নেকি লাভ হয়।
৮। নানা রকম উপকারিতার কারণে বিপদের আগমনে আনন্দ অনুভব করা।
৯। নানা রকম উপকারিতার কারণে বিপদের আগমনে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া। এটি হলো রোগাক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলার কারণে ডাক্তারের প্রতি রোগীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের মতো, যদিও এর ফলে তাকে বিকলাঙ্গ হয়ে যেতে হয়েছে।
১০। গুনাহ মাফ পাওয়া।
১১। বিপদগ্রস্তদের প্রতি দয়া প্রদর্শন ও তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারা।
১২। সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের নিয়ামাত যথাযথভাবে উপলব্ধি করা। কারণ, হারিয়ে ফেলার আগে কেউ ঠিকমতো নিয়ামাতের মূল্য বোঝে না।
১৩। এই বিপদের বিনিময়ে আখিরাতে আল্লাহ কত পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন, তা চিন্তা করা।
১৪। এর নানা লুক্কায়িত উপকারিতা আবিষ্কার করা। যেমন: সারাহকে (আলাইহাস সালাম) ধরে নিয়ে যাওয়ার পর অত্যাচারী বাদশা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সময় উপহার হিসেবে দেন দাসী হাজারকে (আলাইহাস সালাম)। তাঁর গর্ভেই জন্ম হয় ইবরাহীম-এর ছেলে ইসমাঈল, যার বংশ থেকে এসেছেন রাহমাতাল্লিল আলামীন মুহাম্মাদ। বিপদের ফলাফল কতই-না উত্তম!
১৫। বিপদের ফলে মানুষ মন্দকাজ, বিলাসিতা, অহংকার, লোকদেখানো, অপচয় ও অত্যাচার থেকে বিরত থাকে। এ কারণেই সবচেয়ে বেশি বিপদ দেওয়া হয়েছে নবীগণকে, তাঁদের পর সৎকর্মশীলগণকে, এভাবে একে একে তাঁদের সবচেয়ে নিকটবর্তী মর্যাদার মানুষগণকে। তাঁদের পাগল, জাদুকর, গণক বলা হয়েছিল। ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা হয়েছিল। সাহাবাগণকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তাঁদের বিপদ আর শত্রুসংখ্যা বাড়তেই থাকে। কিছু ক্ষেত্রে তাঁরা পরাজিত হন। উহুদ ও অন্যান্য যুদ্ধে অনেকে শহীন হন। রাসূল মুখে আঘাত পান, দাঁত ভেঙে যায়, হেলমেট ভেঙে মাথায় গেঁথে যায়। তাঁর শত্রুরা আনন্দিত হয় আর সঙ্গীরা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁরা এক অনিঃশেষ দারিদ্র্য, দুর্দশা ও ভয়ের অবস্থায় থাকতেন। ক্ষুধার জ্বালায় তাঁরা পেটে পাথর বেঁধেছেন আর দো-জাহানের সর্দার কখনো এক দিনে দুবার পেট পুরে রুটি খাননি। তাঁকে মানসিকভাবে এমনই আঘাত করা হয়েছে যে, তাঁর পবিত্রা স্ত্রীকে চরিত্রহীনতার অপবাদ দেওয়া হয়েছে। নবী- রাসূল ও সৎকর্মশীল সকলকেই বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রত্যেকের বিপদ ছিল তাঁর মর্যাদার অনুপাতে। তাঁদের কাউকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে, কিন্তু এতে তাঁদের ঈমান টলে যায়নি। বিপদ-আপদের কারণে বান্দা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার দিকে ফিরে যায়। সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মাঝে থাকলে বান্দা আল্লাহ থেকে দূরে সরে যায়। এ কারনেই নবীগণ অল্প খেতেন, অনাড়ম্বর পোশাক পরতেন, যাতে তাঁরা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার একনিষ্ঠ বান্দা হয়ে থাকতে পারেন।
১৬। বিপদে এমন সন্তুষ্ট থাকা যে, এর ফলে আল্লাহ তা'আলা সন্তুষ্ট হন। কারণ, সৎকর্মশীল ও পাপাচারী উভয়কেই বিপদ দেওয়া হয়। বিপদের আগমনে যে রুষ্ট হয়, দুনিয়া ও আখিরাতে তার পরিণতি খারাপ। আর যে এতে সন্তুষ্ট থাকে, তার জন্য রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি, যা জান্নাত ও এর সকল নিয়ামাতের চেয়ে উত্তম。
টিকাঃ
৩০৪. হিল্ম: তাড়াহুড়া ত্যাগ করা। রাগিব, আল-মুফরাদাতে বলেন, "এটি হলো রাগের সময় নাফস ও মেজাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারার ক্ষমতা।" জাহিয, তাহাযিবুল আখলাকে বলেন, "এটি হলো সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও চরম রাগের সময় প্রতিশোধ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা।” জুরজানি, আত-তারিফাতে বলেন, "এটি হলো রাগের সময় শান্ত থাকা।"
৩০৫. আহমাদ: ১৪৮১-১৪৯৪-১৫৫৫-১৬০৭; তিরমিযি: ২৪০০; ইবনু মাজাহ : ৪০২৩; সাইদ ইবনু আবু ওয়াক্কাস থেকে বর্ণিত। তিরমিযি একে হাসান সহীহ বলেছেন; হাকিম: ১২০ একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবি একমত।
৩০৬. বুখারি: ৬৪৫২; আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত।
৩০৭. মুসলিম: ২৯৭০; আয়িশা থেকে বর্ণিত।
৩০৮. মুনাওয়ি, ফাইদুল কাদির: খণ্ড ১, ২৪৫ পৃষ্ঠায় বলেন, "গাযালি বলেছেন, 'তুমি যদি দেখো আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা পৃথিবীকে তোমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন, তোমাকে বারবার পরীক্ষায় ফেলছেন, তাহলে জেনে রেখো, তাঁর কাছে তোমার মর্যাদা বিশাল। জেনে রেখো, তিনি তোমার সাথে সে রকম আচরণ করছেন, যেমন আচরণ করেছেন তাঁর আউলিয়াগণের সাথে এবং নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ বানাদাদের সাথে। আর তিনি তোমাকে দেখেশুনে রাখছেন। তুমি কি তাঁর বাণী শোনোনি? “তুমি ধৈর্যধারণ করে তোমার প্রতিপালকের হুকুমের অপেক্ষায় থাকো, কারণ তুমি তাঁর দৃষ্টির সামনেই আছো।” [সূরাহ আত-তুর, ৫২ : ৪৮] অতএব, নিজের উপর এই মহান অনুগ্রহ স্বীকার করো।”
৩০৯. ফাওয়াইদুল বালওয়া ওয়াল মিহান থেকে সংক্ষেপিত। পূর্ণ ইংরেজি অনুবাদটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৪ সালে দারুস সুন্নাহ পাবলিশার্স, বার্মিংহাম, ইউনাইটেড কিংডম থেকে Trials & Tribulations: Wisdom & Benefits শিরোনামে।