📄 ঘ। সর্বাপেক্ষা বড় নিয়ামত
সর্বাপেক্ষা বড় নেয়ামত (أعظم النعم): আল্লাহ তা'আলা অসংখ্য নেয়ামতের মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের উপর অনুগ্রহ করেছেন। এ নেয়ামত সমূহের মূলতঃ তিনটি ধরণ রয়েছে: (ক) সৃষ্টি সম্পর্কিত নেয়ামত (খ) সাহায্য সম্পর্কিত নেয়ামত (গ) হেদায়াত সম্পর্কিত নেয়ামত।
আর এসব নেয়ামতের মধ্যে ইসলাম সর্বাপেক্ষা বড়, যা দিয়ে যুগে যুগে আল্লাহ তা'আলা রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন এবং প্রেরিত রাসূলগণের সর্দার (মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সকল মানুষের নিকট পাঠিয়ে তিনি নবুঅতের ইতি টেনেছেন।
প্রত্যেক নবী-রাসূলকে আল্লাহ তা'আলা তিনটি বিষয় বর্ণনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেছেন: (১) মানুষের নিকট তাদের প্রতিপালক, সৃষ্টিকর্তা এবং রিযিকদাতার পরিচয় দান করা, যাতে তারা তাঁর ইবাদত, সম্মান ও শুকরিয়া আদায় করতে পারে। (২) মানুষকে তাঁর প্রতিপালকের নিকট পৌঁছার রাস্তা সম্বন্ধে পরিচয় করানো, আর তা হলো দ্বীন ইসলাম। (৩) মুমিন কাফের আল্লাহর নিকট গমনের পর মানুষের জন্য কী থাকবে, সে সম্বন্ধে তাদেরকে জানানো। আর তা হচ্ছে, মুমিনদের জন্য জান্নাত এবং কাফেরদের জন্য জাহান্নাম।
১। আল্লাহ তা'আলা বলেন: {وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ } ... [إبراهيم: 34]
‘যদি তোমরা আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে তার সংখ্যা নিরূপণ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অধিক অত্যাচারী এবং অকৃতজ্ঞ’ (সূরা ইবরাহীম: ৩৪)।
২। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন:
{النحل: 53} وَمَا بِكُمْ مِنْ نِعْمَةٍ فَمِنَ اللَّهِ ثُمَّ إِذَا مَسَّكُمُ الضُّرُّ فَإِلَيْهِ تَجْأَرُونَ
‘আর তোমাদের নিকট যে সব নেয়ামত আছে, সেসব আল্লাহর পক্ষ হতে। অতঃপর দুঃখ-দুর্দশা যখন তোমাদেরকে স্পর্শ করে, তখন তোমরা শুধু তাঁর নিকটই ফরিয়াদ কর’ (সূরা আন-নাহল: ৫৩)।
📄 ঙ। দ্বীন ইসলামের পরিপূর্ণতা
দ্বীন ইসলামের পরিপূর্ণতা (ইসলাম): (كمال دين الإسلام)
ইসলাম এমন একটি দ্বীন, যা দিয়ে আল্লাহ তা'আলা রাসূলগণকে তাঁর সৃষ্টির কাছে প্রেরণ করেছেন। আর মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আল্লাহ তা'আলা যে দ্বীনসহ সকল মানুষের কাছে প্রেরণ করেছেন, তা হচ্ছে ইসলাম, যা পরিপূর্ণ, জীবনের সকল দিক ও বিভাগ যার অন্তর্ভুক্ত, যা ব্যাপক, স্থায়ী এবং নির্ভেজাল। এ দ্বীন পূর্ণাঙ্গ, কেননা তা মান-সম্মান ও সৌন্দর্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। আর এর বিধি-বিধান ন্যায়সঙ্গত ও পূর্ণরূপে একত্রিত করা হয়েছে। জীবনের সকল দিক ও বিভাগ দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত, কেননা তা দুনিয়া ও আখেরাতে মানুষের সৌভাগ্য বয়ে আনে। এ দ্বীন ব্যাপক, কেননা তা সমগ্র জগতের এবং সমস্ত মানুষের জন্য রহমত। তা স্থায়ী, কেননা তা ক্বিয়ামত পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকবে। তা নির্ভেজাল, কেননা আল্লাহ তা'আলা নিজে তা সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অতএব, এ দ্বীন পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও হ্রাস-বৃদ্ধি হতে নিরাপদ।
১। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
ٱلْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِى وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلْإِسْلَٰمَ دِينًا ۚ } [المائدة: 3]
'আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের উপর আমার নেয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসাবে পছন্দ করলাম' (সূরা আল-মায়েদা: ৩)।
২। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন:
إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُوا۟ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسْتَقَٰমُوا۟ تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا۟ وَلَا تَحْزَنُوا۟ وَأَبْشِرُوا۟ بِٱلْجَنَّةِ ٱلَّتِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ (30) نَحْنُ أَوْلِيَآؤُكُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْآخِرَةِ ۖ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِىٓ أَنفُসُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ (31) نُزُلًا مِّنْ غَفُورٍ رَّحِيمٍ (32)} 32- 30 :فصلত...
নিশ্চয় যারা বলে, 'আল্লাহই আমাদের রব' অতঃপর অবিচল থাকে, ফেরেশতামণ্ডলী তাদের কাছে অবতীর্ণ হন এবং বলেন, 'তোমরা ভয় পেয়ো না, দুশ্চিন্তা করো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর, যার ওয়াদাপ্রাপ্ত তোমরা হয়েছিলে (৩০) আমরা দুনিয়ার জীবনে তোমাদের বন্ধু এবং আখেরাতেও। সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে যা কিছু তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আরও থাকবে যা তোমরা দাবী করবে (৩১) পরম ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়নস্বরূপ (৩২) (সূরা হা-মীম সাজদা: ৩০-৩২)।
৩। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন:
وَلَقَدْ مَنَّ ٱللَّهُ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِّنْ أَنফُسِهِمْ يَتْلُوا۟ عَلَيْهِمْ آيَٰتِهِۦ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا۟ مِن قَبْلُ لَفِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ (164)} ... [آল ইমরান: 164]
'অবশ্যই আল্লাহ মুমিনদের উপর অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের মধ্য থেকে তাদের প্রতি একজন রাসূল পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করেন এবং তাদেরকে পরিশুদ্ধ করেন আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেন। যদিও তারা ইতঃপূর্বে স্পষ্ট ভ্রান্তিতে ছিল' (সূরা আলে ইমরান: ১৬৪)।
৪। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন: {وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا كَافَّةً لِلنَّاسِ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ (28)} [سبأ: 28] 'আর আমি তো কেবল তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী হিসাবে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না' (সূরা সাবা: ২৮)।
৫। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন: {وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ (107)} ... [الأنبياء: 107] 'আর আমি তো কেবল তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসাবেই প্রেরণ করেছি' (সূরা আল-আম্বিয়া: ১০৭)।
৬। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন: {إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ (9)} [الحجر: 9]. 'নিশ্চয় আমি কুরআন নাযিল করেছি, আর আমিই তার হিফাযতকারী' (সূরা আল-হিজর: ৯)।
📄 চ। দ্বীন ইসলামের পূর্ণাঙ্গতার কতিপয় দিক
মযাহেরুল কামাল ফি দীন (দ্বীন ইসলামের পূর্ণাঙ্গতার কতিপয় দিক) (الإسلام):
ইসলাম পরিপূর্ণ দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা), যা জীবনের সার্বিক দিক অন্তর্ভুক্ত করে এবং সব ধরণের প্রয়োজন পূরণ করে:
১। এটা এমন সত্য দ্বীন, যা ইবাদত, একত্ববাদ, সম্মান প্রদর্শন, আনুগত্য করণ, শুকরিয়া জ্ঞাপনসহ মানুষের সকল বিষয়ে তার প্রভুর দিকে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে উভয়ের মধ্যকার সম্পর্ককে সুবিন্যস্ত করে।
২। এটা এমন দ্বীন যা আল্লাহর প্রতি ঈমান, ভালবাসা, ভরসা, ভয়ভীতি, আশা, সাহায্য কামনা, তাঁর মুখাপেক্ষী হওয়া এবং তাঁর জন্য বিনম্র হওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে অন্তরকে পরিপূর্ণ করে দেয়।
৩। ইসলাম এমন জীবন ব্যবস্থা, যা বিবেকের সামনে আল্লাহকে তাঁর নাম ও গুণাবলিসহ চেনা, মানুষের নিজেকে চেনা, দুনিয়া ও আখেরাত সম্পর্কে জানা, শরী'আতের নানা বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা এবং তদনুযায়ী আমল করার দরজা উন্মুক্ত করে দেয়।
৪। ইসলাম রাসূলগণের সাথে মানুষের সম্পর্ককে সুবিন্যস্ত করে এবং তাদের অনুসরণের জন্য মানুষকে আহ্বান করে। ইসলাম সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে মানুষের সম্পর্ককেও সুবিন্যস্ত করে। ফলে, ইসলাম রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভালবাসা, তাঁর আনুগত্য করা, তাঁকে শ্রদ্ধা করা, তাঁর সুন্নাতের অনুসরণ করা, তিনি যা নিয়ে এসেছেন তার সত্যায়ন করা, তাঁর অনুসরণ করা এবং শরী'আত তাঁর নির্দেশিত পদ্ধতি ছাড়া ভিন্ন পদ্ধতিতে আল্লাহর ইবাদত না করার প্রতি মানুষকে নির্দেশ দেয়।
৫। ইসলাম মুসলিম-কাফের, শাসক-প্রজা, জ্ঞানী-মূর্খ, ধনী-গরীব, শত্রু-মিত্র, আত্মীয়-অনাত্মীয় ইত্যাদি শ্রেণীর মানুষের সাথে সম্পর্ককেও সুশৃঙ্খলিত করে এবং এর উপর অনেক নেকী দান করে।
৬। হালাল উপার্জন, হারাম বর্জন এবং ঠগবাজি ও ধোঁকাবাজি না করার মাধ্যমে ইসলাম মানুষের অর্থনৈতিক লেনদেনকে সুশৃঙ্খলিত করে। ক্রয়-বিক্রয়, উত্তম ও কল্যাণকর কাজে ব্যয়, সর্বদা সত্য অনুসন্ধান এবং মিথ্যা ও সূদ বর্জনের ক্ষেত্রে মহানুভবতার দিকে আহ্বান জানায়। সাথে সাথে দান-ছাদাকা ও মীরাছ বণ্টনের পদ্ধতি বর্ণনা করে।
৭। সুখ-দুঃখ, স্বচ্ছলতা-অস্বচ্ছলতা, সুস্থতা-অসুস্থতা, সফর-ইক্বামাত, নিরাপত্তা-ভয়ভীতি সর্বাবস্থায় ইসলাম নারী-পুরুষের জীবনকে শৃঙ্খলিত করে। সদাচরণ ও ন্যায়, সুন্দরভাবে সন্তান প্রতিপালন, ফাসাদ থেকে পরিবার রক্ষা এবং স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সদাচার বজায় রাখার মাধ্যমে মানুষের বৈবাহিক জীবনকেও ইসলাম সুশৃঙ্খলিত করে। আর এগুলোর মহা প্রতিদান দেয়।
৮। আল্লাহর জন্য ভালবাসা ও শত্রুতা পোষণ করার মত সৎ চরিত্রসহ নানা শক্ত সেতুর উপর প্রতিষ্ঠিত সকল সম্পর্ককে ইসলাম সুশৃঙ্খলিত করে। ইসলাম সম্মান-বদান্যতা, ক্ষমা-মার্জনা, সহনশীলতা-লজ্জাশীলতা, সত্যবাদিতা- উদারতা, ন্যায়পরায়ণতা-উত্তম ব্যবহার, দয়া-সহানুভূতি, নরম-কোমল আচরণ ইত্যাদির মত নানা উত্তম চরিত্র ও সুন্দর গুণাবলীর দিকে আহ্বান করে। আর এগুলোর উত্তম প্রতিদান দেয়।
৯। ইসলাম জীবনধারাকে সুশৃঙ্খলিত করে যাবতীয় কল্যাণের আদেশ এবং যাবতীয় অকল্যাণ, যুলম-অত্যাচার ও বাড়াবাড়ি থেকে নিষেধের মাধ্যমে। যেমন- আল্লাহর সাথে শিরক, অন্যায়ভাবে হত্যা, ব্যভিচার, মিথ্যা, অহংকার, কপটতা, প্রতারণা, অপকৌশল, ষড়যন্ত্র, হিংসা, শত্রুতা, গীবত, চোগলখোরি, চুরি, ছিনতাই, যাদু, মদপান, অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ ইত্যাদি নানা অশ্লীলতা, হারাম কাজ ও কাবীরা গুনাহ, যেগুলি ব্যক্তি ও সমাজকে নষ্ট করে ফেলে। আর এগুলোর এমন সাজা প্রয়োগ করে, যদ্বারা যুলম বিদূরিত হয়।
১০। এসব কিছুর পরে ইসলাম মানুষের পরকালীন জীবনকে সুশৃঙ্খলিত করে এবং ইহকালীন জীবনের উপর পরকালীন জীবনের ভিত্তি রচনা করে। তাই, যে ঈমান আনবে ও সৎ আমল করবে, সে দুনিয়াতে ভাগ্যবান হবে এবং আখেরাতে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দাদের উত্তম কাজের প্রতিদান দশ থেকে সাতশতগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন এবং মন্দ বিষয়ের খারাপ প্রতিদান অনুরূপই দান করেন।
১। আল্লাহ তা'আলা বলেন: قَدْ جَاءَكُمْ مِنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُبِينٌ (15) يَهْدِي بِهِ اللَّهُ مَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَهُ سُبُلَ السَّلَامِ وَيُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِهِ وَيَهْدِيهِمْ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ) {(16 16- 15 :المائدة]
'অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ হতে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে। এর দ্বারা যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে, তিনি তাদেরকে নিরাপত্তার পথ প্রদর্শন করেন এবং তাদেরকে স্বীয় নির্দেশ দ্বারা অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে আনয়ন করেন এবং সরল পথে পরিচালিত করেন' (সূরা আল-মায়িদা: ১৫-১৬)।
২। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন: وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ (13) وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيهَا وَلَهُ عَذَابٌ [14 – 13 :النساء ] ... {(14) مُهِينٌ
'আর যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহ তাকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতসমূহে, যেগুলির তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর এটা মহা সফলতা। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফলমানী করে এবং তাঁর সীমালঙ্ঘন করে, আল্লাহ তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন। সেখানে সে স্থায়ী হবে। আর তার জন্যই রয়েছে অপমানজনক আযাব’ (সূরা আন-নিসা: ১৩-১৪)।