📘 নবী সাঃ প্রীতি ও তার নিদর্শন সমূহ > 📄 নবী ﷺ এর মৃত্যু ও মহা সংকট মুহূর্তেও আবু বাকরের উসামার সেনা বাহিনীকে প্রেরণ

📄 নবী ﷺ এর মৃত্যু ও মহা সংকট মুহূর্তেও আবু বাকরের উসামার সেনা বাহিনীকে প্রেরণ


রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর সাহাবাগণ কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন, কারণ আরবরা পুনরায় ধর্ম ত্যাগ করতে আরম্ভ করে এবং তারা মুসলিমদের বাসস্থান মদীনায় তাদের উপর আক্রমণ করার পরিকল্পনা করে, সাহাবাগণ রাখাল বিহীন উটের ন্যায় হয়ে যান, যেমন আম্মার বিন ইয়াসির মন্তব্য করেছেন। তিনি আরো বলেন, মদীনা, মদীনা বাসীদের জন্য আংটির চেয়েও সংকীর্ণ হয়ে যায়।

("")এই কঠিন ও জটিলাবস্থায় উসামা এর সেনা পাঠানোর প্রসঙ্গ এসে যায় যা রাসূল ﷺ মদীনা থেকে দূরে শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু নবীজীর অসুস্থতা ও তাঁর মৃত্যুর কারণে সেনা পাঠানো স্থগিত হয়ে যায়, নবীজীর এক নম্বর প্রেমী আবু বাক্র তাঁর (নবীজীর) আদেশের ব্যাপারে কি ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন? ইমাম তাবারী আসেম বিন আদী থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা আমরা এবার শ্রবণ করি। তিনি বলেন, নবী এর মৃত্যুর দ্বিতীয় দিনের পর আবু বাক্র এর পক্ষ হতে এক ঘোষণাকারী ঘোষণা দেন: উসামার সেনা পরিপূর্ণ ভাবে প্রস্তুত করা হোক, উসামার কোন সেনা যেন মদীনায় অবশিষ্ট না থাকে, বরং (জুরফে) (৩) সেনা শিবিরে চলে যায়। (তারিখ, আত্তাবারী, ৩য়: ২২৩)

মদীনার অবস্থার পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে উসামা যখন সেনা দলের সঙ্গে মদীনায় অবস্থান করার জন্য আবু বাক্স এর নিকট অনুমতি চান তখন তিনি তার প্রতি পত্র লেখেন:

"مَا كُنتُ لَأَسْتَفْتِحُ بِشَيْءٍ أَوْلَىٰ مِنْ إِنْفَاذِ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَأَنْ تَخْطَفَنِي الطَّيْرُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ ذَلِكَ"
অর্থ, রাসূল ﷺ এর আদেশ বাস্তবায়ন ব্যতীত আমি আমার (খেলাফতের) কোন কর্ম আরম্ভ করা পছন্দ করি না। এ ছাড়া অন্য কোন কর্ম দ্বারা আরম্ভ করার চেয়ে কোন পাখির আমাকে ছোঁ মেরে নিয়ে যাওয়া আমার নিকট অধিক প্রিয়। (-) তারা যখন নবী ﷺ এর মৃত্যুর সংবাদ শ্রবণ করেন তখন তাঁরা তাঁকে মদীনার উপর শত্রুদের আক্রমণের কথা স্মরণ করিয়ে দেন, অত:পর আবু বাক্ তাঁদের কথা এ ভাবে খন্ডন করেন:

"أَنَا أَحْبِسُ جَيْشًا بَعَثَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقَدْ اجْتَرَأْتَ عَلَى أَمْرٍ عَظِيمٍ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَأَنْ تَمِيلَ الْعَرَبُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَحْبِسَ جَيْشًا بَعَثَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ" (تاريخ الإسلام للذهبي ২০-২১)
অর্থ, রাসূল ﷺ যে সেনা পাঠাতে চেয়েছেন তা আমি আবদ্ধ করে রাখবো? এ তো তুমি দুঃসাহসের কথা বললে, ঐ সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার জীবন আছে, (আরবদের-শত্রুদের) প্রতি রাসূল ﷺ যে সেনা প্রেরণ করতে চেয়েছেন তা আবদ্ধ করার চেয়ে আরবদের (শত্রুদের) আক্রমন আমার নিকট অনেক প্রিয়। (-) অন্য বর্ণনায় এসেছে: তিনি বলেন, ঐ সত্তার কসম! যাঁর হস্তে আবু বাকরের জীবন আছে, আমি যদি জানতাম যে হিংস্র পশু আমাকে থাবা মেরে নিয়ে যাবে তবুও আমি উসামার সেনা দলকে পাঠাতাম যা পাঠাতে রাসূল ﷺ আদেশ দিয়েছেন, আমি ছাড়া মদীনায় কেউ যদি অবশিষ্ট না থাকে তাহলেও আমি তা বাস্তবায়ন করব। (তারিখ, আতাবারী, ৩/২২৫)

আল্লাহর কসম! যিনি ব্যতীত কোন সত্য উপাস্য নেই,এই হচ্ছে নবীজীর প্রকৃত প্রেমী। তাঁকে (আবু বাকরকে) দেখা যায় যে, তিনি সৈনিকদের বিদায়ের সময় বের হয়ে হেঁটে যাচ্ছেন, উসামা ؓ বাহনের পৃষ্ঠে অরোহিত হয়ে আছেন, আব্দুর রহমান বিন আওউফ তাঁর সওয়ারীর লাগাম ধরে আছেন, উসামা ؓ তাঁকে বলছেন, হে আল্লাহর রাসূলের খলিফা, আমি আল্লাহর

কসম করে বলছি আপনি সওয়ারীর পিঠে আরোহণ করুন, নচেৎ আমি আমার বাহনের পৃষ্ঠ হতে অবতরণ করব,। প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন, আল্লাহর কসম আমি বাহনের পিঠে উঠবো না। আল্লাহর পথে কিছুক্ষণের জন্য আমার পদদ্বয় যদি ময়লা-মাটি স্পর্শ করে তাতে কি আসে যায়। (৯) অত:পর তিনি উসামাকে উপদেশ দেন যে, আপনি ঐ কর্ম করুন রাসূল যা করতে আদেশ দিয়েছেন, (-) "কোযাআহ” নামক স্থান থেকে যুদ্ধ করুন, অত:পর "আবেল” নামক স্থানে আসুন এবং রাসূলের আদেশ পালনে কোন অংশ কম করবেন না।

অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, তিনি বলেন, হে উসামাহ আপনি সেনাদলকে ঐ দিকেই নিয়ে যান যে দিকে নিয়ে যেতে আদিষ্ট হয়েছেন এবং যুদ্ধ আরম্ভ করুন সেখান থেকে যেখান থেকে আল্লাহর রাসূল আরম্ভ করতে আদেশ দিয়েছেন। (-) প্রিয় নবীর আদেশানুযায়ী দ্বীনের

টিকাঃ
119 দেখুন আসিরাতুন নাবাবীয়াহ, ইবনে হিব্বান আল্বাসতী পৃ: ৪২৮।
120 শামের পথে মদীনা থেকে তিন কিলো মিটার দূরে একটি স্থানের নাম। (ম,জামুল বুলদান, সংখ্যা ১৪৯/২,৩০৫৩। তারিখে তাবারী ২২৩/৩।
১২১ তারিখে খলিফা বিন খাইয়াত পৃ: ১০০।
122 তারিখে ইসলাম, আযযাহাবী ( খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগ পৃ: ২১-২০
123 তারিখ, আতাবারী, ২২৬৩/)
124 জী।
125 (তারিখুল ইসলাম, ২০-২১)

📘 নবী সাঃ প্রীতি ও তার নিদর্শন সমূহ > 📄 কঠিনাবস্থা সত্ত্বেও মুরতাদ ও যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে আবুবাকর ﷺ এর যুদ্ধ

📄 কঠিনাবস্থা সত্ত্বেও মুরতাদ ও যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে আবুবাকর ﷺ এর যুদ্ধ


কালেমা বিজয়ী ও প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে বের হওয়াই হচ্ছে নবী প্রেমের প্রকৃত পরিচয়।

কঠিনাবস্থা সত্ত্বেও মুরতাদ ও যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে আবু বকর এর যুদ্ধ।

যখন যাকাত না দেয়ার বিষয় সামনে আসে তখন এই প্রকৃত নবী প্রেমীকে আমরা দেখি যে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা ও সিদ্ধান্ত তাঁর প্রসিদ্ধ বাণী দ্বারা এ ভাবে প্রকাশ করেন: ،،، والله لو منعوني عقالا (۱) كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه. (مسلم)
অর্থ, আল্লাহর কসম! তারা যদি একটি দড়ি বা রশি দেয়া বন্ধ করে যা রাসূল এর যুগে দেয়া হত তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব।(-)অত:পর আবু বাক্স যখন মুরতাদ গোষ্ঠীর মদীনা আক্রমনের প্রতিজ্ঞা জানতে পারেন তখন তিনি স্বয়ং তলোয়ার শানিয়ে বেরিয়ে পড়েন। মুমিনীন জননী আয়েশা সিদ্দীকাহ (রা) বলেন, আমার পিতা খোলা তলোয়ার হাতে নিয়ে সাওয়ারীর পিঠে চড়ে “যিলকিস্সার”(-) অভিমুখে রওয়ানা হয়ে যান।(-) তাঁর প্রতিনিধিকে যুদ্ধের মাঠে পাঠিয়ে তাঁকে মদীনায় থাকার জন্য অনুরোধ করা হয় তখন তিনি এই কথা বলে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন যে, না, আমি তা করব। না, বরং আমার জীবন দিয়ে তোমাদের সাহায্য করতে চাই। ()

রাসূলের এই সত্য প্রেমীকে, প্রিয় নবীর আনীত দ্বীন, বের হওয়ার জন্য আহবান করছে তা শ্রবণ করে তিনি কেমন করে বসে থাকতে পারেন? উজ্জ্বল ও স্পষ্ট শরীয়ত যা আল্লাহ নিজ প্রিয় নবীর উপর অবতীর্ণ করেছেন তার আর্তনাদ শ্রবণের পর কেমন করে নিরবে বসে থাকতে পারেন? এ সমস্ত নবী প্রেমীরা কোথায় আর আমরা কোথায়? পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম দিগন্তে সত্য দ্বীন আমাদের নিকটে আর্তনাদ করছে, তা কি আমরা শ্রবণ করছি না? নিকট ও দূর হতে, পৃথিবীর সকল প্রান্ত থেকে ইসলামের ফরিয়াদ আমরা শুনতে পাচ্ছি না? আছে কেউ ঐ ডাকে সাড়া দেয়ার মত? আমাদের মধ্যে অনেকে নবী প্রেমের দাবী করলেও তারা কি এ কথার ভয় বা চিন্তাভাবনা করে না যে তারা তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,

لهم قلوب لا يفقهون بها و لهم أعين لا يبصرون بها ولهم آذان لا يسمعون بها أولئك كالأنعام بل هم أضل أولئك هم الغافلون (الأعراف: ۱۷۹) অর্থাৎ, তাদের অন্তর আছে কিন্তু তা দ্বারা বুঝার চেষ্টা করে না, তাদের চোখ আছে কিন্তু দর্শন করে না, কান আছে কিন্তু শ্রবণ করে না। এরাই তো চতুস্পদ জন্তুর ন্যায় বরং আরও অধম এবং এরাই হচ্ছে গাফেল। (")

টিকাঃ
126 (একা, লান), ঐ রশী যা দ্বারা উট বাঁধা হয় এবং যা যাকাতেও নেয়া হত, কারণ যাকাত প্রদানকারী উটের সাথে তা দিয়ে দিত, বাঁধনের মাধ্যম ছাড়া তো উট গ্রহণ করা হয় না। (দেখুন আননেহায়াহ ফী গারীবিল হাদীস অল-আসার, ধাতু, "عقل" ২৮০/৩,
127 সহীহ মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, পাঠ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলা পর্যন্ত মানুষের সাথে যুদ্ধ করা, হাদীস সংখ্যা ৫২/১,৩২।
128 "যিলকিস্সা" একটি স্থানের নাম, মদীনা ও তার মধ্যে কুড়ি কিলো মিটারের দূরত্ব, এটি যুবদাহর রাস্তা (মু'যামুলবুলদান, ৪১৬/৪,৯৭২০।
129 (বিদায়াহ-নিহায়াহ,৬/৩৫৫)
13০ তারিখুততাবারী, ২৪৭৩, এবং দেখুন আল-কামেল ফী-ততারীখ, ইবনে আসীর ২৩৩/২ আল-বিদায়াহ-অননেহায়া, ৩৫৫/৬
131(আ, রাফ: ১৭৯)

📘 নবী সাঃ প্রীতি ও তার নিদর্শন সমূহ > 📄 শত্রুদের আশ্রয়স্থল বাগানের দরজা খোলার উদ্দেশ্যে ভিতরে নিক্ষিপ্ত হওয়ার জন্য বারা ﷺ এর আবেদন

📄 শত্রুদের আশ্রয়স্থল বাগানের দরজা খোলার উদ্দেশ্যে ভিতরে নিক্ষিপ্ত হওয়ার জন্য বারা ﷺ এর আবেদন


ইয়ামামাহর যুদ্ধে মুসাইলামাহ কায্যাবের যোদ্ধারা যখন (প্রাণ ভয়ে) এক বাগানে প্রবেশ করে তার গেট বন্ধ করে দেয়, তখন নবীর এক প্রেমী তার ভাইদের কাছে দেয়াল টপকিয়ে বাগানের ভিতরে ফেলে দেয়ার আবেদন করে যাতে সে মুসলিমদের জন্য দরজা খুলে দিতে পারে।

ইমাম তাবারী তাঁর কাহিনী নিজ গ্রন্থে এ ভাবে বর্ণনা করেন; মুসলিমরা যুদ্ধ করেন, এমন কি শত্রুরা “হাদীকাতুল মাউত” অর্থাৎ মরণের বাগানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়, সেখানে আল্লাহর দুশমন "মুসাইলামাহ আল-কায্যাব” ও আশ্রয় নেয়। অত:পর বারাআ ইবনে মালেক বলেন, হে মুসলিম বাহিনী! তোমরা আমাকে তাদের কাছে বাগানের ভিতরে নিক্ষেপ কর। অন্য বর্ণনায় “আল-কুনী” শব্দের পরিবর্তে "ইরমুনী” শব্দ উল্লেখিত হয়েছে, (-) দুই শব্দের অর্থ একই (নিক্ষেপ), তারা বললেন, হে বারা, তুমি এ কাজ কর না, প্রত্যুত্তরে বারা, বলেন, আল্লাহর কসম! তোমরা আমাকে ভিতরে তাদের কাছে নিক্ষেপ কর। অত:পর তাঁরা তাঁকে উঠিয়ে বাগানের ভিতরে দেয়ালের কাছে নিক্ষেপ করে। এরপর তিনি লড়তে-লড়তে বাগানের গেট খুলে ফেলেন এবং মুসলিমরা বাগানে প্রবেশ করে ও যুদ্ধ হয়। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় মুসলিমদের হাতে মুসাইলামাহ নিহত হয়। (-)

আল্লাহু আকবার! আল্লাহর পথে জিহাদ করার জন্য বারা, কেমন করে নিজ আত্মাকে তুচ্ছ জ্ঞান করেন? অথচ সেটি একটি মূল্যবান জিনিস বরং কাবার রবের কসম! আমাদের মত সহস্র মানুষের আত্মার চেয়েও মূল্যবান।

টিকাঃ
132. দেখুন আসসিরাতুন নাবাবীরাহ ওয়া আখবারুল খোলাফা, আল-বাসতী পৃ: ৪৩৮।
133. তারীখুতাবারী ২৯০/৩ এবং দেখুন আল-কামেল ফী-তারীখ ২৪৬/২।

📘 নবী সাঃ প্রীতি ও তার নিদর্শন সমূহ > 📄 ইয়ারমুকের যুদ্ধে মৃত্যুর জন্য চারশ মানুষের অঙ্গীকার

📄 ইয়ারমুকের যুদ্ধে মৃত্যুর জন্য চারশ মানুষের অঙ্গীকার


আল্লাহর কালেমা বিজয়ী, দ্বীনের প্রতিরক্ষা এবং ফিতনা-ফাসাদ বিমোচনের জন্য ইয়ারমুকের যুদ্ধে চারশো জন রাসূলের প্রকৃত প্রেমিক মৃত্যুর অঙ্গীকার করেছেন। হাফেয ইবনে কাসীর আবু উসমান আল-গাস্সানী থেকে তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইকরামাহ ইবনে আবু জেহেল বলেন, "قاتلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في مواطن وافر منكم اليوم ثم نادى من يبايع على الموت " অর্থাৎ, আমি রাসূল ﷺ এর সঙ্গে বহু স্থানে যুদ্ধ করেছি আজ তোমাদের কাছ হতে পালিয়ে যাব? অত:পর তিনি হাঁক দিয়ে বলেন, মৃত্যুর জন্য কে অঙ্গীকার করতে চাও? তাঁর কথায় মুসলিমদের মধ্য থেকে তাঁর চাচা হারেস বিন হিশাম, যিরার বিন আযওয়ার সহ চারশো জনের মত হাতে হাত মিলান এবং খালেদের তাবুর সামনে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে যুদ্ধ করে আহত এবং নিহত হন। তার মধ্যে যিরার বিন আযওয়ারও একজন। (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) (রাঃ)। (বিদায়াহ-নিহায়াহ, ৭/১১-১২, আল-কামেল ফিত্তারীখ ২/২৮৩)

টিকাঃ
১৩৪ আল-বেদায়াহ অয়াননেহায়াহ ১২-১১/৭,এবং দেখুন তারিখে তাবারী ৪০/৩, আল-কামেল ফী-ততারীখ ২৮৩/২।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00