📄 জান্নাতে রাসূল ﷺ এর সাথে সাক্ষাৎ না হওয়ার আশংকায় জনৈক সাহাবীর দুশ্চিন্তা
প্রকৃত রাসুল প্রেমিক দেখুন যখন সে নিজ এবং রাসুলের মৃত্যুতে স্মরণ করে তখন সে দুশ্চিন্তায় পতিত হয়। তার চিন্তার কারণ এই ভয়ে যে, সে যদি জান্নাতে প্রবেশ করে তবুও সে রাসুলের উজ্জ্বল চেহারা দর্শন করতে পারবে না, কেননা তিনি তো নবীগণের সাথে অবস্থান করবেন আর সে কোন নিম্ন স্তরের জান্নাতে থাকবে। এই প্রকৃত নবী প্রেমীর কথা ইমাম তাবারানী মুমেনীন জননী আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা সনদে এভাবে বর্ণনা করেন:
"جَاءَ رَجُلُ إِلَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَارَسُولَ اللهِ إِنَّكَ لَأَحَبُّ إِلَى مِنْ نَفْسِي وَإِنَّكَ لَأَحَبُّ إِلَى مِنْ وَلَدِي، وَإِنِّي لَأَكُونُ فِي الْبَيْتِ فَاذْكُرُكَ فَمَا أَصْبِرُ حَتَّى آتِيَ فَأَنْظُرَ إِلَيْكَ، وَإِذَا ذَكَرْتُ مَوْتِي وَمَوْتَكَ عَرَفْتُ أَنَّكَ إِذَا دَخَلْتَ الْجَنَّةَ رُفِعْتَ مَعَ النَّبِيِّينَ، وَإِنِّي إِذَا دَخَلْتُ الْجَنَّةَ خَشِيتُ أَنْ لَا أَرَاكَ". فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى نَزَلَ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ بِهَذِهِ الْآيَةِ : "وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ والرسول فألتك مع الذين أنعم الله عليهم من النبيين والصدقيين والشهداء والصالحين وحسن أولئك رفيقا (النساء : ٦٩)
অর্থ, জনৈক ব্যক্তি রাসূল এর নিকট এসে বল্ল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার জীবন ও আমার সন্তানাদির চেয়ে অধিক প্রিয়, সত্য কথা বলতে কি যখন বাড়ীতে বসে আপনাকে মনে পড়ে তখন আপনার কাছে এসে আপনাকে না দেখা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করতে পারি না। আর যখন আমার ও আপনার মরণকে স্মরণ করি তখন বুঝতে পারি আপনি জান্নাতে প্রবেশ করে নবীগণের সঙ্গে উচ্চ মর্যাদায় থাকবেন এবং আমি যদিও জান্নাতে প্রবেশ করি তবুও আপনার দর্শনের সুযোগ পাব না এই আমার আশংকা। নবী তার কথার উত্তর দিলেন না যতক্ষণ না জিবরীল মারফত এই আয়াত অবতীর্ণ হল:-
" ومن يطع الله والرسول فأولئك مع الذين أنعم الله عليهم من النبيين والصديقين والشهداء والصالحين" (النساء: ٦٩) অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করবে সে ঐ ব্যক্তিদের সঙ্গে জান্নাতে অবস্থান করবে যাদের উপর আল্লাহ নিয়ামত প্রদান করেছেন। অর্থাৎ নবী, শহীদ এবং সৎব্যক্তিগণ। (মাজমাউযাওয়াদে ওয়া মাম্বাউল ফাওয়াদে ২/২) (-)(-)
টিকাঃ
45 সূরা নেসা: ৬৯।
46 মাজমাউয যাওয়ায়েদ ওয়া মাম্বাউল ফাওয়ায়েদ, কিতাবুততাফসীর হতে গৃহীত ৭/৭। এ সম্পর্কে হাফেয আল-হাইসেমী বলেন, এটি তাবারানী "মুজামে সাগীর ও আওসাতে" বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারী সহীর বর্ণনাকারী, আব্দুল্লাহ বিন ইমরান ব্যতীত, তবে সেও নির্ভর যোগ্য। ঐ। এটি ইবনে মারদুয়াহ ও আবু নায়ীম "হিলিয়াতে" বর্ণনা করেছেন এবং যিয়া আল- মাকদেসী" সেফাতিল জান্নাতে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন আমি এর সানাদে কোন অসুবিধা দেখছিনা। (দেখুন হামেশ যাদুল মাসীর ১২৬/২।
📄 জান্নাতে রাসূলের সঙ্গী হওয়ার জন্য রাবী ﷺ এর আবেদন
আরো একজন প্রকৃত নবী প্রেমী রাবীআ, বিন কাআ, ব আল-আসলামীকে আবেদন করার সুযোগ দেয়া হলে তাঁর আবেদন কি ছিল? ইমাম মুসলিম তার আবেদনের কথা তাঁর ভাষায় এভাবে বর্ণনা করেন: كنت أبيت مع رسول الله صلى الله عليه سلم فآتيته بوضوئه وحاجته، فقال لي: سل، فقلت: أسألك مرافقتك في الجنة، قال أو غير ذلك؟ قلت: هو ذاك، قال: فأعني على نفسك بكثرة السجود (مسلم) অর্থ, আমি রাসূলের নিকটে রাত কাটাতাম। (একদিন) তার নিকট ওযুর পানি এবং প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে উপস্থিত হই, অত:পর আমাকে বলেন, তুমি কিছু চাও, আমি বল্লাম, জান্নাতে আপনার সঙ্গী হতে চাই, তিনি বলেন, এছাড়া আর কিছু? আমি বল্লাম, এটাই, তিনি বলেন, (এই আশা পূরণের জন্য) বেশী বেশী সিজদাহ করে আমাকে সহযোগিতা কর। ()(মুসলিম)
আল্লাহু আব্বার! প্রকৃত নবী প্রেমী কিছু চাওয়ার সুযোগ পাওয়ার সাথে সাথে বিনা দ্বিধায় জান্নাতে রাসূলের সঙ্গী হওয়ার দাবী করেন, দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়া হলে একই চাহিদার পুনরাবৃত্তি করেন, অন্য কোন কিছু চাওয়ার কথা তার চিন্তায় আসেনি।
টিকাঃ
47 সহীহ মুসলিম, কিতাবুস্সালাহ, পাঠ, সিজদার ফযীলত ও তার জন্য উৎসাহ প্রদান, হাদীস সংখ্যা ৩৫৩/১,৪৮৯।
📄 আনসারগণের উট-ছাগলের উপর রাসূল ﷺ এর সাহচর্যের অগ্রাধিকার
অন্য জিনিসের উপর রাসূলের সঙ্গ ও সাহচর্যের গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কেবল রাবীআ, বিন কাআব, ও আল-আসলামী একা নন। বরং রাসূল ﷺ এর অন্যান্য সাহাবাগণের অবস্থাও এই রূপ ছিল। হুনাইনের যুদ্ধে রাসূল ﷺ আনসারগণের সম্বন্ধে প্রশ্ন রাখেন, তোমরা কি উট, ছাগল নিয়ে তোমাদের শহর মদিনায় প্রত্যাবর্তন করতে চাও? না কি রাসূল ﷺ কে নিয়ে তোমাদের শহর মদিনায় যেতে চাও? তাঁরা সকলে বিনা দ্বিধায় উট, ছাগলের উপর তাঁর সঙ্গ ও সাহচর্যের অধিকার দেন। হাদিস এবং সীরাত গ্রন্থে এ ঘটনা বিস্তারিত ভাবে আলোচিত হয়েছে। ইমাম বুখারী আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ বিন আসেমের সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।
“আল্লাহ তা’আলা যখন হুনাইনের যুদ্ধে নিজ রাসূলকে গনীমতের মাল প্রদান করেন তখন তিনি সেগুলো এ মানুষের (নব মুসলিমের) মাঝে এজন্য বন্টন করেন যাতে তারা ইসলামের উপর দৃঢ় থাকে, তা থেকে আন্সারগণকে কিছু দেননি। আন্সারদের মনে একথা জাগতে পারে যে, তিনি আমাদেরকে কিছু দিলেন না, এই জন্য তিনি আন্সারদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে আন্সারগণ, আমি তোমাদেরকে সরল পথ ব্যতীত বিপথগামী পাইনি। আল্লাহ আমার মাধ্যমে তোমাদেরকে হিদায়াত করেন, তোমরা বিছিন্ন ছিলে আমার মাধ্যমে তোমাদেরকে একত্রিত করেন, তোমরা দরিদ্র ছিলে আল্লাহ আমার মাধ্যমে তোমাদেরকে ধনী করেন। রাসূল যা বলছিলেন তার উত্তরে আন্সারগণ বলছিলেন, আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূল অতি দয়াবান। রাসূল তাদেরকে বলেন, তোমরা যদি চাও তাহলে বলতে পার আপনিও তো আমাদের নিকটে (মক্কা থেকে মদীনায়) ঐ একই অবস্থায় এসেছিলেন।(-) (এর পর তিনি বলেন,) তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, অন্য মানুষেরা ছাগল, উট নিয়ে বাড়ী ফিরুক আর তোমরা নবী ﷺ কে নিয়ে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন কর? (-) যদি হিজরত না হত তাহলে আমি আনসারদের মধ্যে গণ্য হতাম। মানুষ যে স্থানের দিকে মুখ করুক না কেন আমি আনসারগণের স্থানের দিকেই যাব। তারা আমার শেয়ার (নিকটের) (-) আর অন্যরা (দেসার) দূরের। আমার পরে তোমরা নিজেদেরকে ‘উসরাতান’ (~) (একাধী) মনে করবে। সুতরাং হুজুগে কাওসারের নিকট আমার সঙ্গে সাক্ষাৎকরা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ কর।” আবু সাঈদ খুদরী হাদীসে এ শব্দ রয়েছেঃ اللهم ارحم الأنصار وأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار অর্থাৎ, হে আল্লাহ আপনি আনসার, তাদের সন্তানদের এবং তাদের সন্তানদের সন্তানদের উপর রহম কর। (ফাতহুল বারী৮/৫০)
قال: فبكى القوم حتى أخضلوا لحاهم، وقالوا: رضينا برسول الله صلى الله عليه وسلم قسما وحظا" (البخاري) অর্থাৎ, আবু সাঈদ বলেন, অত:পর লোকেরা এমন কান্না করে যে, তাদের অশ্রুতে দাড়ি ভিজে যায় এবং বলে, রাসূলকে আমাদের ভাগে পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। (বুখারী)(-)
ইমাম ইবনে কাইয়েম বলেন, রাসূল যখন আনসারগণের সামনে মাল বণ্টনের রহস্য বর্ণনা করেন তখন তারা তাঁর আনুগত্যের দিকে ফিরে আসেন, তারা বুঝে নেন যে সব চেয়ে বৃহৎ নিয়ামত হচ্ছে নবীকে নিয়ে নিজ এলাকায় ফিরা। তারা নবীজীর জীবন-মরণ উভয় অবস্থায় বৃহৎ সম্পদ হাতে পেয়ে ছাগল, উট, দাস-দাসীর কথা ভুলে যান। (ফাতহুল বারী৮/৫২) (-)
টিকাঃ
৪৮ আবু সাঈদের হাদীসে রয়েছ যে তাঁরা বলেন, আমরা আর কি উত্তর দিব আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দয়া ও মেহের বানী। (ফাতহুলবারী হতে গৃহীত ৫০/৮)
৪৯ আনাস এর হাদীসে রয়েছে যা ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন: তোমরাও তো একথা বলতে পারতে যে আপনিও তো আমাদের কাছে ভীতাবস্থায় এসেছিলেন আপনাকে নিরাপত্তা দিয়েছি, বিতাড়িত হয়েছিলেন আমরা স্থান দিয়েছি, দুর্বল ছিলেন অসহায় ছিলেন আমরা সাহায্য করেছি। অতঃপর তারা প্রত্যুত্তরে বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল আমাদের প্রতি দয়া (সন্তুষ্ট)। ইবনে হাজর এর সানাদকে সহীহ বলেছেন।
51 “শেয়ার” ঐ কাপড় যা শরীরের চামড়ার সাথে লেগে থাকে। “দেসার” অর্থাৎ হালকা কাপড় যা তার উপর থাকে। ঐ শব্দ আনসারদের নিকটতম বুঝানোর জন্য তিনি ব্যবহার করেছেন, এবং তাঁরা তাঁর খুব খাস ও একাধারে গোপনের একমাত্র বৃত্তান্তে চেয়েছেন।
52 “উসরাতান” শরীকের অংশে থেকে আলাদা হওয়া এবং তাতে কাউকে শরিক না করা।
53 সহীহ বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, পাঠঃ গাওয়াতুতু তাহাক্বীক্ব কী শওআল সনাতা সামান, হাদীস নং ৪৪৭৬, ৪৩০৩
ফাতহুলবারী থেকে গৃহীত: ৫২/৮। ঐ।
📄 উমার ফারুকের রাসূল ﷺ এর পাশে কবরস্থ হওয়ার আশা
রাসূল ﷺ এর প্রকৃত প্রেমী আমীরুল মুমিনীন উমার এই দুনিয়া ছেড়ে চিরতরে বিদায় নিচ্ছেন, এ সময় তাঁর সব চেয়ে বড় আশা হচ্ছে রাসূলের পার্শ্বে কবরস্থ হওয়া। এটি ইমাম বুখারী এ ভাবে বর্ণনা করেন:
عن عمرو ميمون الأودى قال: رأيت عمر بن الخطاب رضی الله عنه،،،،،، قال: يا عبد الله بن عمر ،،،،، انطلق إلى عائشة أم المؤمنين رضى الله عنها فقل: يقرأ عمر بن الخطاب عليك السلام ولا تقل " أمير المؤمين" فإني لست اليوم للمؤمنين أميرا، وقل يستأذن عمر بن الخطاب أن يدفن مع صاحبيه فسلم واستأذن ثم دخل عليها فوجدها قاعدة تبكى فقال : يقرأ عليك السلام عمر بن الخطاب ويستأذن أن يدفن مع صاحبيه فقالت: كنت أريده لنفسي ولا وثرته به اليوم على نفسي. فلما أقبل قيل هذا عبد الله بن عمر قد جاء، قال: ارفعوني فأسنده رجل إليه. فقال : ما لديك؟ قال الذي تحب يا أمير المؤمنين، أذنت قال الحمد الله ، قال : ما كان من شئ أهم إلى من ذلك ، فإذا أنا قضيت فاحملوني ثم سلم فقل: يستأذن عمر بن الخطاب ، فإن أذنت لي فادخلوني وإن ردتني ردوني إلى مقابر المسلمين،،،،، (البخاري)
অর্থ, আম্র বিন মাইমুন কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উমার কে বলতে দেখেছি, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমারকে বলেন, তুমি মু, মিনীন জননী আয়েশা (رضی الله عها( এর নিকটে গিয়ে বল, উমার আপনাকে সালাম দিয়েছেন এবং আমীরুল মুমিনীন বল না, কারণ আমি আজ মুমিনীনদের আমীর নই। বল, তিনি নিজ সঙ্গীদ্বয়ের পার্শ্বে কবরস্থ হওয়ার জন্য আপনার অনুমতি কামনা করছেন। আব্দুল্লাহ বিন উমার তাঁর উপর সালাম দিয়ে অনুমতি চেয়ে (আয়েশার কাছে) যান, তখন তিনি বসে বসে কান্না করছিলেন। তিনি তাঁকে বলেন, উমার বিন খাত্তাব আপনাকে সালাম দিয়েছেন এবং তাঁর সঙ্গীদ্বয়ের নিকট দাফন হওয়ার জন্য অনুমতি চাচ্ছেন, প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন, এ স্থানটি আমি নিজের জন্য রেখেছিলাম, কিন্তু আজ আমি তাঁকে নিজের উপর অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তিনি যখন ফিরে আসেন তখন বলা হয় এই তো আব্দুল্লাহ বিন উমার ফিরে এসেছেন। অত:পর তিনি (উমার) বলেন, আমাকে উঠাও জনৈক ব্যক্তি তাঁকে নিজের উপর হেলান দিয়ে বসান, এরপর বলেন, তোমার কাছে কি (সংবাদ) আছে? তিনি বলেন, তিনি (আয়েশা) আপনার জন্য অনুমতি দিয়েছেন, উমার আল-হামদুল্লিল্লাহ বলার পর বলেন, ঐ স্থানটির চেয়ে আমার নিকট আর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, আমি যখন মৃত্যু বরণ করব তখন আমাকে তাঁর (আয়েশার) কাছে নিয়ে যাবে এবং অনুমতি চাবে যদি অনুমতি দেন তাহলে আমাকে সেখানে দাফন করবে নচেৎ মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করবে (বুখারী)(-)
টিকাঃ
56 সহীহ বুখারী কিতাবু ফাযায়েলিস সাহাবা, পাঠ, কিসসাতুল বাইয়ে অল ইত্তেফাক আলা উসমান অয়া ফীহে মাকতালু উমার বিন খাত্তাব হাদীস সংখ্যা ৬১-৬০/৭,৩৭০০।