📄 পরিবারের দুর্বলেদের প্রতি যত্নশীল হওয়া
এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ
আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা -কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী কারীম ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। তবে সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৪]
অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী ﷺ নিজেই কাপড় সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য পুরুষরা সাধারণত ঘরে যেসব কাজ করে তিনিও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৪৯৪ ৭]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। নিজেই জামা-কাপড় পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। [সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৫৬৭৫]
এ বর্ণনাবলি প্রমাণ করে, একজন মুসলিম পুরুষ, যিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-র আনুগত্য ও অনুসরণ করতে চান, তার জন্য উচিত- নিজ ঘরে-পরিবারে নারীদের-স্ত্রীদের সাহায্য করা; তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
পরিবারকে সাহায্য করার বহু বিষয় ও পদ্ধতি রয়েছে
* ঘরের কিছু কিছু কাজ-কর্মে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে কিছুটা বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
* স্ত্রী যেন স্বামীর মাঝে আদর্শ স্বামীর দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়, তিনি যেন উপলব্ধি করতে বাধ্য হন- স্বামী তার প্রতি যত্নশীল, মনোযোগী ও তার কাজে সাহায্যকারী।
* স্বামী বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করবেন। অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মম্ভরিতা থেকে দূরে থাকবেন।
* বিলাসিতা, বিলাসী মন-মানসিকতা ও আয়েশী দৃষ্টিভঙ্গি সহজে পরিহার করে চলবেন। এমন বিলাসী ও আয়েশ থেকে দূরে থাকবেন, যার প্রতি আল্লাহ ﷺ-র নির্দেশ পালিত ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النِّعْمَةِ
বিলাস-সামগ্রীর অধিকারী মিথ্যারোপকারীদের আমার হাতে ছেড়ে দিন। [সূরা মুযযাম্মিল : ১১]
অতএব, বোঝা যাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের কাজে সহযোগিতা করা নিজের নফসের জন্য অনেক তারবিয়াত ও পরিচর্যা রয়েছে।
এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ
আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা -কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী কারীম ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। তবে সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৪]
অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী ﷺ নিজেই কাপড় সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য পুরুষরা সাধারণত ঘরে যেসব কাজ করে তিনিও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৪৯৪ ৭]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। নিজেই জামা-কাপড় পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। [সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৫৬৭৫]
এ বর্ণনাবলি প্রমাণ করে, একজন মুসলিম পুরুষ, যিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-র আনুগত্য ও অনুসরণ করতে চান, তার জন্য উচিত- নিজ ঘরে-পরিবারে নারীদের-স্ত্রীদের সাহায্য করা; তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
পরিবারকে সাহায্য করার বহু বিষয় ও পদ্ধতি রয়েছে
* ঘরের কিছু কিছু কাজ-কর্মে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে কিছুটা বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
* স্ত্রী যেন স্বামীর মাঝে আদর্শ স্বামীর দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়, তিনি যেন উপলব্ধি করতে বাধ্য হন- স্বামী তার প্রতি যত্নশীল, মনোযোগী ও তার কাজে সাহায্যকারী।
* স্বামী বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করবেন। অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মম্ভরিতা থেকে দূরে থাকবেন।
* বিলাসিতা, বিলাসী মন-মানসিকতা ও আয়েশী দৃষ্টিভঙ্গি সহজে পরিহার করে চলবেন। এমন বিলাসী ও আয়েশ থেকে দূরে থাকবেন, যার প্রতি আল্লাহ ﷺ-র নির্দেশ পালিত ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النِّعْمَةِ
বিলাস-সামগ্রীর অধিকারী মিথ্যারোপকারীদের আমার হাতে ছেড়ে দিন। [সূরা মুযযাম্মিল : ১১]
অতএব, বোঝা যাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের কাজে সহযোগিতা করা নিজের নফসের জন্য অনেক তারবিয়াত ও পরিচর্যা রয়েছে।
এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ
আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা -কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী কারীম ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। তবে সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৪]
অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী ﷺ নিজেই কাপড় সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য পুরুষরা সাধারণত ঘরে যেসব কাজ করে তিনিও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৪৯৪ ৭]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। নিজেই জামা-কাপড় পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। [সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৫৬৭৫]
এ বর্ণনাবলি প্রমাণ করে, একজন মুসলিম পুরুষ, যিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-র আনুগত্য ও অনুসরণ করতে চান, তার জন্য উচিত- নিজ ঘরে-পরিবারে নারীদের-স্ত্রীদের সাহায্য করা; তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
পরিবারকে সাহায্য করার বহু বিষয় ও পদ্ধতি রয়েছে
* ঘরের কিছু কিছু কাজ-কর্মে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে কিছুটা বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
* স্ত্রী যেন স্বামীর মাঝে আদর্শ স্বামীর দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়, তিনি যেন উপলব্ধি করতে বাধ্য হন- স্বামী তার প্রতি যত্নশীল, মনোযোগী ও তার কাজে সাহায্যকারী।
* স্বামী বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করবেন। অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মম্ভরিতা থেকে দূরে থাকবেন।
* বিলাসিতা, বিলাসী মন-মানসিকতা ও আয়েশী দৃষ্টিভঙ্গি সহজে পরিহার করে চলবেন। এমন বিলাসী ও আয়েশ থেকে দূরে থাকবেন, যার প্রতি আল্লাহ ﷺ-র নির্দেশ পালিত ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النِّعْمَةِ
বিলাস-সামগ্রীর অধিকারী মিথ্যারোপকারীদের আমার হাতে ছেড়ে দিন। [সূরা মুযযাম্মিল : ১১]
অতএব, বোঝা যাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের কাজে সহযোগিতা করা নিজের নফসের জন্য অনেক তারবিয়াত ও পরিচর্যা রয়েছে।