📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 পরিবারের সঙ্গে নেশ আলাপ

📄 পরিবারের সঙ্গে নেশ আলাপ


ইসলামী শরীয়ত ব্যক্তির উপর তার পরিবারের যেসকল হক আরোপ করেছে, তার একটি হচ্ছে- কোনো কারণ ছাড়া ছয় মাস সময় পরিবার থেকে দূরে না থাকা; কোনো প্রয়োজন ছাড়া ছাড়া তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন না থাকা। কেউ কোনো প্রয়োজনে সফরে গেলে, যখনই সফরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে, তখনই ফিরে আসবে। আমাদের নবীজী ﷺ-র পক্ষ থেকে এমন আদেশই করা হয়েছে। যেমন, এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
السَّفَرُ قِطْعَةٌ مِنَ الْعَذَابِ يَمْنَعُ أَحَدَكُمْ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَنَوْمَهُ فَإِذَا قَضَى نَهْمَتَهُ فَلْيُعَجِّلْ إِلَى أَهْلِهِ

সফর আযাবের অংশ বিশেষ। তা তোমাদের যথাসময় পানাহার ও নিদ্রায় বাধা সৃষ্টি করে। তাই প্রত্যেকেই যেন নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অবিলম্বে আপন পরিজনের কাছে ফিরে আসে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৯০, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯২৭]
এই হাদীস বিনা প্রয়োজনে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকা ও প্রবাসে থাকার অপছন্দনীয়তা প্রমাণ করে। কারণ, একজন পুরুষ সফরে থাকাকালীন তার স্ত্রী-পরিজন ও সন্তানাদি কষ্টের থাকার বিষয়টি একেবারেই স্পষ্ট।
ইসমাইল হারাইছেন যখন তার পিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন, তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল- ‘কোন সফরে আযাবের একটা অংশ?’, তখন তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দিয়েছিলেন- ‘কেননা, তাতে রয়েছে আপনজনদের বিচ্ছেদ-বিরহ।’
পরিবার-পরিজন ও সন্তানাদির পাশে পিতা বসল, তাদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের প্রতি আদর-স্নেহ-ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা, এতে করে তাদের মানসিক ও সহজাত আগ্রহের প্রতি সাড়া দেওয়া হয়। তাদের প্রতি যথাযথ কদর ও মর্যাদার প্রকাশ ঘটানো হয়।
অনেক ভাই দুনিয়াবী বিভিন্ন কাজে পরিবার থেকে দূরে থাকেন। অনেকে এমন সফরেও বের হন, যে সফরের কোনো প্রয়োজন নেই। এমনকি তার উপর্যুক্ত বিপদও আছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের সফর ও পরিবার থেকে দূরে থাকা নিঃসন্দেহে বিভিন্ন সংকট, সমস্যা ও জটিলতার সৃষ্টি করে। পিতা ও সন্তানদের এবং স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে জটিল করে তুলে। বরং স্ত্রী থেকে দূরে থাকা সময়ের জন্য দূরে থাকা অনেক সময়ই স্ত্রীকে অটুট ও বিচ্যুতির পথে ঠেলে দেয়। বহু নারীর অন্যায় ও গর্হিত কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণ তাদের স্বামীরা দীর্ঘদিন তাদের থেকে দূরে থাকেন। তেমনই এক নারীর বক্তব্য- আমার স্বামী পাঁচ বছর যাবৎ সফরে আছেন। এই দীর্ঘ সময়ে আমি তাকে একবার চোখের দেখাও দেখতে পাইনি।
আরেকজনের বক্তব্য- আমার স্বামী বিগত দশ বছর যাবৎ আমার সঙ্গে মিলিত হন না।
আরেক বাহার! এগুলো কি বিবেকেরসম্মত কথা? মনে নেওয়ার মতো বিষয়?! অনেক মানুষ -আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুন- সফরে বের হয় কিন্তু পরিবারে এমন কোনো মাল-সম্পদ রেখে যায় না, যা দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ ও ব্যয়ভার নির্বাহ করা যায়; কিংবা এমন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে যায় না, যিনি তার অনুপস্থিতিতে তাদের দেখাশোনা করবে। আপনি কোনো কোনো পরিবারকে দেখবেন, যার কর্তা সফরে চলে গেছেন, কিন্তু তার ঘর ভাড়াশূন্য। অনেক সময় পান করার মতো পানিও থাকে না। পরিবারের ছোট্ট শিশু অসুস্থ হয়, কিন্তু তারা এমন কাউকে পায় না, যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে। কখনও বা যুবতী নারীকে একাকীই মধ্যরাতে-গভীররাতে হাসপাতালে নিয়ে যেতে। রাস্তার অজানা-অচেনা গাড়িতে চড়তে হয়। অনেক সময় গাড়ির চালক হয় মানুষেরূপী হিংস্র হায়েনার অত্যন্ত কামনীয়- রাস্তায় ফাঁকা। প্রিয় পাঠক! এর পরের অংশ সম্পর্কে কোনো কথা জিজ্ঞাসা করা না!

ইসলামী শরীয়ত ব্যক্তির উপর তার পরিবারের যেসকল হক আরোপ করেছে, তার একটি হচ্ছে- কোনো কারণ ছাড়া ছয় মাস সময় পরিবার থেকে দূরে না থাকা; কোনো প্রয়োজন ছাড়া ছাড়া তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন না থাকা। কেউ কোনো প্রয়োজনে সফরে গেলে, যখনই সফরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে, তখনই ফিরে আসবে। আমাদের নবীজী ﷺ-র পক্ষ থেকে এমন আদেশই করা হয়েছে। যেমন, এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
السَّفَرُ قِطْعَةٌ مِنَ الْعَذَابِ يَمْنَعُ أَحَدَكُمْ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَنَوْمَهُ فَإِذَا قَضَى نَهْمَتَهُ فَلْيُعَجِّلْ إِلَى أَهْلِهِ

সফর আযাবের অংশ বিশেষ। তা তোমাদের যথাসময় পানাহার ও নিদ্রায় বাধা সৃষ্টি করে। তাই প্রত্যেকেই যেন নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অবিলম্বে আপন পরিজনের কাছে ফিরে আসে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৯০, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯২৭]
এই হাদীস বিনা প্রয়োজনে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকা ও প্রবাসে থাকার অপছন্দনীয়তা প্রমাণ করে। কারণ, একজন পুরুষ সফরে থাকাকালীন তার স্ত্রী-পরিজন ও সন্তানাদি কষ্টের থাকার বিষয়টি একেবারেই স্পষ্ট।
ইসমাইল হারাইছেন যখন তার পিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন, তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল- ‘কোন সফরে আযাবের একটা অংশ?’, তখন তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দিয়েছিলেন- ‘কেননা, তাতে রয়েছে আপনজনদের বিচ্ছেদ-বিরহ।’
পরিবার-পরিজন ও সন্তানাদির পাশে পিতা বসল, তাদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের প্রতি আদর-স্নেহ-ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা, এতে করে তাদের মানসিক ও সহজাত আগ্রহের প্রতি সাড়া দেওয়া হয়। তাদের প্রতি যথাযথ কদর ও মর্যাদার প্রকাশ ঘটানো হয়।
অনেক ভাই দুনিয়াবী বিভিন্ন কাজে পরিবার থেকে দূরে থাকেন। অনেকে এমন সফরেও বের হন, যে সফরের কোনো প্রয়োজন নেই। এমনকি তার উপর্যুক্ত বিপদও আছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের সফর ও পরিবার থেকে দূরে থাকা নিঃসন্দেহে বিভিন্ন সংকট, সমস্যা ও জটিলতার সৃষ্টি করে। পিতা ও সন্তানদের এবং স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে জটিল করে তুলে। বরং স্ত্রী থেকে দূরে থাকা সময়ের জন্য দূরে থাকা অনেক সময়ই স্ত্রীকে অটুট ও বিচ্যুতির পথে ঠেলে দেয়। বহু নারীর অন্যায় ও গর্হিত কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণ তাদের স্বামীরা দীর্ঘদিন তাদের থেকে দূরে থাকেন। তেমনই এক নারীর বক্তব্য- আমার স্বামী পাঁচ বছর যাবৎ সফরে আছেন। এই দীর্ঘ সময়ে আমি তাকে একবার চোখের দেখাও দেখতে পাইনি।
আরেকজনের বক্তব্য- আমার স্বামী বিগত দশ বছর যাবৎ আমার সঙ্গে মিলিত হন না।
আরেক বাহার! এগুলো কি বিবেকেরসম্মত কথা? মনে নেওয়ার মতো বিষয়?! অনেক মানুষ -আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুন- সফরে বের হয় কিন্তু পরিবারে এমন কোনো মাল-সম্পদ রেখে যায় না, যা দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ ও ব্যয়ভার নির্বাহ করা যায়; কিংবা এমন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে যায় না, যিনি তার অনুপস্থিতিতে তাদের দেখাশোনা করবে। আপনি কোনো কোনো পরিবারকে দেখবেন, যার কর্তা সফরে চলে গেছেন, কিন্তু তার ঘর ভাড়াশূন্য। অনেক সময় পান করার মতো পানিও থাকে না। পরিবারের ছোট্ট শিশু অসুস্থ হয়, কিন্তু তারা এমন কাউকে পায় না, যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে। কখনও বা যুবতী নারীকে একাকীই মধ্যরাতে-গভীররাতে হাসপাতালে নিয়ে যেতে। রাস্তার অজানা-অচেনা গাড়িতে চড়তে হয়। অনেক সময় গাড়ির চালক হয় মানুষেরূপী হিংস্র হায়েনার অত্যন্ত কামনীয়- রাস্তায় ফাঁকা। প্রিয় পাঠক! এর পরের অংশ সম্পর্কে কোনো কথা জিজ্ঞাসা করা না!

ইসলামী শরীয়ত ব্যক্তির উপর তার পরিবারের যেসকল হক আরোপ করেছে, তার একটি হচ্ছে- কোনো কারণ ছাড়া ছয় মাস সময় পরিবার থেকে দূরে না থাকা; কোনো প্রয়োজন ছাড়া ছাড়া তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন না থাকা। কেউ কোনো প্রয়োজনে সফরে গেলে, যখনই সফরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে, তখনই ফিরে আসবে। আমাদের নবীজী ﷺ-র পক্ষ থেকে এমন আদেশই করা হয়েছে। যেমন, এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
السَّفَرُ قِطْعَةٌ مِنَ الْعَذَابِ يَمْنَعُ أَحَدَكُمْ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَنَوْمَهُ فَإِذَا قَضَى نَهْمَتَهُ فَلْيُعَجِّلْ إِلَى أَهْلِهِ

সফর আযাবের অংশ বিশেষ। তা তোমাদের যথাসময় পানাহার ও নিদ্রায় বাধা সৃষ্টি করে। তাই প্রত্যেকেই যেন নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অবিলম্বে আপন পরিজনের কাছে ফিরে আসে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৯০, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯২৭]
এই হাদীস বিনা প্রয়োজনে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকা ও প্রবাসে থাকার অপছন্দনীয়তা প্রমাণ করে। কারণ, একজন পুরুষ সফরে থাকাকালীন তার স্ত্রী-পরিজন ও সন্তানাদি কষ্টের থাকার বিষয়টি একেবারেই স্পষ্ট।
ইসমাইল হারাইছেন যখন তার পিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন, তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল- ‘কোন সফরে আযাবের একটা অংশ?’, তখন তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দিয়েছিলেন- ‘কেননা, তাতে রয়েছে আপনজনদের বিচ্ছেদ-বিরহ।’
পরিবার-পরিজন ও সন্তানাদির পাশে পিতা বসল, তাদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের প্রতি আদর-স্নেহ-ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা, এতে করে তাদের মানসিক ও সহজাত আগ্রহের প্রতি সাড়া দেওয়া হয়। তাদের প্রতি যথাযথ কদর ও মর্যাদার প্রকাশ ঘটানো হয়।
অনেক ভাই দুনিয়াবী বিভিন্ন কাজে পরিবার থেকে দূরে থাকেন। অনেকে এমন সফরেও বের হন, যে সফরের কোনো প্রয়োজন নেই। এমনকি তার উপর্যুক্ত বিপদও আছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের সফর ও পরিবার থেকে দূরে থাকা নিঃসন্দেহে বিভিন্ন সংকট, সমস্যা ও জটিলতার সৃষ্টি করে। পিতা ও সন্তানদের এবং স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে জটিল করে তুলে। বরং স্ত্রী থেকে দূরে থাকা সময়ের জন্য দূরে থাকা অনেক সময়ই স্ত্রীকে অটুট ও বিচ্যুতির পথে ঠেলে দেয়। বহু নারীর অন্যায় ও গর্হিত কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণ তাদের স্বামীরা দীর্ঘদিন তাদের থেকে দূরে থাকেন। তেমনই এক নারীর বক্তব্য- আমার স্বামী পাঁচ বছর যাবৎ সফরে আছেন। এই দীর্ঘ সময়ে আমি তাকে একবার চোখের দেখাও দেখতে পাইনি।
আরেকজনের বক্তব্য- আমার স্বামী বিগত দশ বছর যাবৎ আমার সঙ্গে মিলিত হন না।
আরেক বাহার! এগুলো কি বিবেকেরসম্মত কথা? মনে নেওয়ার মতো বিষয়?! অনেক মানুষ -আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুন- সফরে বের হয় কিন্তু পরিবারে এমন কোনো মাল-সম্পদ রেখে যায় না, যা দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ ও ব্যয়ভার নির্বাহ করা যায়; কিংবা এমন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে যায় না, যিনি তার অনুপস্থিতিতে তাদের দেখাশোনা করবে। আপনি কোনো কোনো পরিবারকে দেখবেন, যার কর্তা সফরে চলে গেছেন, কিন্তু তার ঘর ভাড়াশূন্য। অনেক সময় পান করার মতো পানিও থাকে না। পরিবারের ছোট্ট শিশু অসুস্থ হয়, কিন্তু তারা এমন কাউকে পায় না, যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে। কখনও বা যুবতী নারীকে একাকীই মধ্যরাতে-গভীররাতে হাসপাতালে নিয়ে যেতে। রাস্তার অজানা-অচেনা গাড়িতে চড়তে হয়। অনেক সময় গাড়ির চালক হয় মানুষেরূপী হিংস্র হায়েনার অত্যন্ত কামনীয়- রাস্তায় ফাঁকা। প্রিয় পাঠক! এর পরের অংশ সম্পর্কে কোনো কথা জিজ্ঞাসা করা না!

📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 বিনা প্রয়োজনে অধিকহারে দূরে না থাকা

📄 বিনা প্রয়োজনে অধিকহারে দূরে না থাকা


আমাদের বর্তমান সমাজে ছড়িয়ে পড়া বহু অঘটন ও বিপর্যয়ের কারণ পরিবার থেকে পরিবারকর্তার দূরে থাকা।
प्रिय पाठक!
এভাবে আমরা কোথায় যেতে চাচ্ছি? আমরা কি সেখানেই যেতে চাচ্ছি, যেখানে গিয়েছে ইউরোপ-আমেরিকা? কাফের-মুশরিকরা? আমেরিকাতে সন্তানদের থেকে পিতার দূরে অবস্থান করাকে বড় বড় ও জাতীয় সমস্যার অন্যতম সমস্যা বলে মনে করা হয়। সেখানকার মাত্র ৫১% শিশু তাদের পিতার সাথে বসবাস করে। তা ছাড়া সে দেশে অবৈধ সম্পর্কের ফলে যে শিশুরা জন্মলাভ করে, তার সংখ্যা মোট শিশুর ৩০%। ‘উন্ম শ’ রাষ্ট্রের দশকে যেখানে তাদের দেশের ১৭% শিশু আপন পিতা থেকে দূরে থাকত, সেখানে মাত্র ত্রিশ বছরের ব্যবধানে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮%-এ।
এ অবস্থা তাদের শিশুদের মনকে আবেগ-অনুভূতি ও কোমলতাশূন্য করে দিয়েছে; এ সকল ভুলে তাদের অন্তরে হিংসা জন্মানো করে দিয়েছে।
আমেরিকাতে শিশুযৌন নির্যাতন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সেখানকার ৮৬%-এরও বেশি ধর্ষক শৈশবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
এ দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ শিশু পিতা-মাতা কর্তৃক খুন হয়।
আমেরিকার এক নাগরিক দীর্ঘ ১২ বছরের গবেষণা করে অবশেষে একটি বই লিখেছেন, যার নাম দিয়েছেন ‘উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ক্রোধ’। বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন, আমেরিকাতে শিশুদের মধ্যে ক্রোধ, সহিংসতা, হতাশা, বিষণ্ণতা, একাকিত্ব, বিচ্ছিন্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা কীভাবে বংশপরম্পরায় চলে আসছে।
সেখানকার এক ব্যক্তি তার বইতে লিখেছেন, ‘আমরা আমেরিকী’ নামে। যে বই তাদের দেশে পিতামাতার অভিভাবকত্ব ও পতিবিহীন সন্তান সংখ্যা কথা জানানো হয়। সেখানকার শিশুরা এতিম; হয়তো মায়েরা সন্তানদের ছেড়ে চলে যায় অন্য কারও সাথে কিংবা পিতা ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন কাজে বা সফরে।
এই বইয়ের ভাষ্যমতে- সেখানকার পিতা-সন্তানের ফলগুলো বেশে পরিচয় ঘটে সন্তানদের থেকে পিতামাতার দূরে থাকার কারণে। মনোবিজ্ঞানীগণও জানিয়েছেন- একটি শিশুর পিতা যখন তার থেকে দূরে থাকে, তখন এক সময় শিশু কল্পনাশক্তি নিজে নিজে অনেক কিছুই ভাবতে শুরু করে। প্রথমেই তার মস্তিষ্কে একটি গর্তের উদয় ঘটে। যেখানে একটি শিশু আছে। তার সাথে তার পিতা নেই। পিতা ছেলের জন্য কোনো খেলনা কিনে আনেন। তাকে খেলতে দিচ্ছেন। তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন। ওদিকে শিশুর মনে বিভিন্ন দুশ্চিন্তার আনাগোনা চলতে থাকে। আর এভাবেই একটি একটি শিশু তার অভিভাবক শূন্যতার কল্পনায় পূর্ণ করার চেষ্টা করে। ফলশ্রুতিতে তার মাঝে বিভিন্ন মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। মানসিক বিচ্ছিন্নতা, বিকারগ্রস্ততা, অনুভূতিহীনতা ও অস্থিরতার সৃষ্টি হয়।
তদ্রুপ সন্তানের পিতা দূরে থাকা সন্তানদের সংস্খলিত অর্থাৎ অর্থ করে তোলে। বিভিন্ন অপরাধ ও মাদকের প্রতি আসক্ত বানিয়ে দেয়। জুলুম-অত্যাচার, বাড়াবাড়ি, যৌন সহিংসতা, ধর্ষণ, খুন ও আত্মহত্যার মতো জঘন্য অপরাধে অভ্যস্ত করে তোলে। আমেরিকাতে অপরাধে তরুণ -যাদের বয়স ১৮ এর কম- তাদের হাতে নিহতদের সংখ্যা ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৪ ইং এর মধ্যে দ্বিগুণ হয়েছিল।
বছরে সেখানে ১২%-এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সকলেই সন্তানদের থেকে পিতামাতার দূরে থাকার বলির; সন্তানদের প্রতি অবহেলা, উদাসীনতা ও সঠিক পরিচর্যাহীনতার শিকার। এর খেসারত তাদের দিতে হয়েছে এবং দিতে হচ্ছে রক্ত, মাংস ও সুস্থতা বিসর্জনের মাধ্যমে- দ্বীন থেকে দূরে থাকার কারণে।
प्रिय पाठक!
আমরাও কি আমাদের সন্তানদের জন্য এমনটাই পছন্দ করব?
অতএব, হে পিতসকল! ‘তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে [জাহান্নামের] আগুন থেকে রক্ষা কর' [সূরা তাহরীম : ৬] তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন ও দূরে অবস্থান করা থেকে বিরত থেকে।

আমাদের বর্তমান সমাজে ছড়িয়ে পড়া বহু অঘটন ও বিপর্যয়ের কারণ পরিবার থেকে পরিবারকর্তার দূরে থাকা।
प्रिय पाठक!
এভাবে আমরা কোথায় যেতে চাচ্ছি? আমরা কি সেখানেই যেতে চাচ্ছি, যেখানে গিয়েছে ইউরোপ-আমেরিকা? কাফের-মুশরিকরা? আমেরিকাতে সন্তানদের থেকে পিতার দূরে অবস্থান করাকে বড় বড় ও জাতীয় সমস্যার অন্যতম সমস্যা বলে মনে করা হয়। সেখানকার মাত্র ৫১% শিশু তাদের পিতার সাথে বসবাস করে। তা ছাড়া সে দেশে অবৈধ সম্পর্কের ফলে যে শিশুরা জন্মলাভ করে, তার সংখ্যা মোট শিশুর ৩০%। ‘উন্ম শ’ রাষ্ট্রের দশকে যেখানে তাদের দেশের ১৭% শিশু আপন পিতা থেকে দূরে থাকত, সেখানে মাত্র ত্রিশ বছরের ব্যবধানে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮%-এ।
এ অবস্থা তাদের শিশুদের মনকে আবেগ-অনুভূতি ও কোমলতাশূন্য করে দিয়েছে; এ সকল ভুলে তাদের অন্তরে হিংসা জন্মানো করে দিয়েছে।
আমেরিকাতে শিশুযৌন নির্যাতন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সেখানকার ৮৬%-এরও বেশি ধর্ষক শৈশবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
এ দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ শিশু পিতা-মাতা কর্তৃক খুন হয়।
আমেরিকার এক নাগরিক দীর্ঘ ১২ বছরের গবেষণা করে অবশেষে একটি বই লিখেছেন, যার নাম দিয়েছেন ‘উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ক্রোধ’। বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন, আমেরিকাতে শিশুদের মধ্যে ক্রোধ, সহিংসতা, হতাশা, বিষণ্ণতা, একাকিত্ব, বিচ্ছিন্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা কীভাবে বংশপরম্পরায় চলে আসছে।
সেখানকার এক ব্যক্তি তার বইতে লিখেছেন, ‘আমরা আমেরিকী’ নামে। যে বই তাদের দেশে পিতামাতার অভিভাবকত্ব ও পতিবিহীন সন্তান সংখ্যা কথা জানানো হয়। সেখানকার শিশুরা এতিম; হয়তো মায়েরা সন্তানদের ছেড়ে চলে যায় অন্য কারও সাথে কিংবা পিতা ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন কাজে বা সফরে।
এই বইয়ের ভাষ্যমতে- সেখানকার পিতা-সন্তানের ফলগুলো বেশে পরিচয় ঘটে সন্তানদের থেকে পিতামাতার দূরে থাকার কারণে। মনোবিজ্ঞানীগণও জানিয়েছেন- একটি শিশুর পিতা যখন তার থেকে দূরে থাকে, তখন এক সময় শিশু কল্পনাশক্তি নিজে নিজে অনেক কিছুই ভাবতে শুরু করে। প্রথমেই তার মস্তিষ্কে একটি গর্তের উদয় ঘটে। যেখানে একটি শিশু আছে। তার সাথে তার পিতা নেই। পিতা ছেলের জন্য কোনো খেলনা কিনে আনেন। তাকে খেলতে দিচ্ছেন। তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন। ওদিকে শিশুর মনে বিভিন্ন দুশ্চিন্তার আনাগোনা চলতে থাকে। আর এভাবেই একটি একটি শিশু তার অভিভাবক শূন্যতার কল্পনায় পূর্ণ করার চেষ্টা করে। ফলশ্রুতিতে তার মাঝে বিভিন্ন মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। মানসিক বিচ্ছিন্নতা, বিকারগ্রস্ততা, অনুভূতিহীনতা ও অস্থিরতার সৃষ্টি হয়।
তদ্রুপ সন্তানের পিতা দূরে থাকা সন্তানদের সংস্খলিত অর্থাৎ অর্থ করে তোলে। বিভিন্ন অপরাধ ও মাদকের প্রতি আসক্ত বানিয়ে দেয়। জুলুম-অত্যাচার, বাড়াবাড়ি, যৌন সহিংসতা, ধর্ষণ, খুন ও আত্মহত্যার মতো জঘন্য অপরাধে অভ্যস্ত করে তোলে। আমেরিকাতে অপরাধে তরুণ -যাদের বয়স ১৮ এর কম- তাদের হাতে নিহতদের সংখ্যা ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৪ ইং এর মধ্যে দ্বিগুণ হয়েছিল।
বছরে সেখানে ১২%-এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সকলেই সন্তানদের থেকে পিতামাতার দূরে থাকার বলির; সন্তানদের প্রতি অবহেলা, উদাসীনতা ও সঠিক পরিচর্যাহীনতার শিকার। এর খেসারত তাদের দিতে হয়েছে এবং দিতে হচ্ছে রক্ত, মাংস ও সুস্থতা বিসর্জনের মাধ্যমে- দ্বীন থেকে দূরে থাকার কারণে।
प्रिय पाठक!
আমরাও কি আমাদের সন্তানদের জন্য এমনটাই পছন্দ করব?
অতএব, হে পিতসকল! ‘তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে [জাহান্নামের] আগুন থেকে রক্ষা কর' [সূরা তাহরীম : ৬] তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন ও দূরে অবস্থান করা থেকে বিরত থেকে।

আমাদের বর্তমান সমাজে ছড়িয়ে পড়া বহু অঘটন ও বিপর্যয়ের কারণ পরিবার থেকে পরিবারকর্তার দূরে থাকা।
प्रिय पाठक!
এভাবে আমরা কোথায় যেতে চাচ্ছি? আমরা কি সেখানেই যেতে চাচ্ছি, যেখানে গিয়েছে ইউরোপ-আমেরিকা? কাফের-মুশরিকরা? আমেরিকাতে সন্তানদের থেকে পিতার দূরে অবস্থান করাকে বড় বড় ও জাতীয় সমস্যার অন্যতম সমস্যা বলে মনে করা হয়। সেখানকার মাত্র ৫১% শিশু তাদের পিতার সাথে বসবাস করে। তা ছাড়া সে দেশে অবৈধ সম্পর্কের ফলে যে শিশুরা জন্মলাভ করে, তার সংখ্যা মোট শিশুর ৩০%। ‘উন্ম শ’ রাষ্ট্রের দশকে যেখানে তাদের দেশের ১৭% শিশু আপন পিতা থেকে দূরে থাকত, সেখানে মাত্র ত্রিশ বছরের ব্যবধানে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮%-এ।
এ অবস্থা তাদের শিশুদের মনকে আবেগ-অনুভূতি ও কোমলতাশূন্য করে দিয়েছে; এ সকল ভুলে তাদের অন্তরে হিংসা জন্মানো করে দিয়েছে।
আমেরিকাতে শিশুযৌন নির্যাতন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সেখানকার ৮৬%-এরও বেশি ধর্ষক শৈশবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
এ দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ শিশু পিতা-মাতা কর্তৃক খুন হয়।
আমেরিকার এক নাগরিক দীর্ঘ ১২ বছরের গবেষণা করে অবশেষে একটি বই লিখেছেন, যার নাম দিয়েছেন ‘উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ক্রোধ’। বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন, আমেরিকাতে শিশুদের মধ্যে ক্রোধ, সহিংসতা, হতাশা, বিষণ্ণতা, একাকিত্ব, বিচ্ছিন্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা কীভাবে বংশপরম্পরায় চলে আসছে।
সেখানকার এক ব্যক্তি তার বইতে লিখেছেন, ‘আমরা আমেরিকী’ নামে। যে বই তাদের দেশে পিতামাতার অভিভাবকত্ব ও পতিবিহীন সন্তান সংখ্যা কথা জানানো হয়। সেখানকার শিশুরা এতিম; হয়তো মায়েরা সন্তানদের ছেড়ে চলে যায় অন্য কারও সাথে কিংবা পিতা ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন কাজে বা সফরে।
এই বইয়ের ভাষ্যমতে- সেখানকার পিতা-সন্তানের ফলগুলো বেশে পরিচয় ঘটে সন্তানদের থেকে পিতামাতার দূরে থাকার কারণে। মনোবিজ্ঞানীগণও জানিয়েছেন- একটি শিশুর পিতা যখন তার থেকে দূরে থাকে, তখন এক সময় শিশু কল্পনাশক্তি নিজে নিজে অনেক কিছুই ভাবতে শুরু করে। প্রথমেই তার মস্তিষ্কে একটি গর্তের উদয় ঘটে। যেখানে একটি শিশু আছে। তার সাথে তার পিতা নেই। পিতা ছেলের জন্য কোনো খেলনা কিনে আনেন। তাকে খেলতে দিচ্ছেন। তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন। ওদিকে শিশুর মনে বিভিন্ন দুশ্চিন্তার আনাগোনা চলতে থাকে। আর এভাবেই একটি একটি শিশু তার অভিভাবক শূন্যতার কল্পনায় পূর্ণ করার চেষ্টা করে। ফলশ্রুতিতে তার মাঝে বিভিন্ন মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। মানসিক বিচ্ছিন্নতা, বিকারগ্রস্ততা, অনুভূতিহীনতা ও অস্থিরতার সৃষ্টি হয়।
তদ্রুপ সন্তানের পিতা দূরে থাকা সন্তানদের সংস্খলিত অর্থাৎ অর্থ করে তোলে। বিভিন্ন অপরাধ ও মাদকের প্রতি আসক্ত বানিয়ে দেয়। জুলুম-অত্যাচার, বাড়াবাড়ি, যৌন সহিংসতা, ধর্ষণ, খুন ও আত্মহত্যার মতো জঘন্য অপরাধে অভ্যস্ত করে তোলে। আমেরিকাতে অপরাধে তরুণ -যাদের বয়স ১৮ এর কম- তাদের হাতে নিহতদের সংখ্যা ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৪ ইং এর মধ্যে দ্বিগুণ হয়েছিল।
বছরে সেখানে ১২%-এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সকলেই সন্তানদের থেকে পিতামাতার দূরে থাকার বলির; সন্তানদের প্রতি অবহেলা, উদাসীনতা ও সঠিক পরিচর্যাহীনতার শিকার। এর খেসারত তাদের দিতে হয়েছে এবং দিতে হচ্ছে রক্ত, মাংস ও সুস্থতা বিসর্জনের মাধ্যমে- দ্বীন থেকে দূরে থাকার কারণে।
प्रिय पाठक!
আমরাও কি আমাদের সন্তানদের জন্য এমনটাই পছন্দ করব?
অতএব, হে পিতসকল! ‘তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে [জাহান্নামের] আগুন থেকে রক্ষা কর' [সূরা তাহরীম : ৬] তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন ও দূরে অবস্থান করা থেকে বিরত থেকে।

📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 সন্তানের ক্ষেত্রে দূরে থাকার ক্ষতি

📄 সন্তানের ক্ষেত্রে দূরে থাকার ক্ষতি


প্রিয় পাঠক!
আল্লাহ নারীকে সৃষ্টি করেছেন দুর্বল করে। তদ্রুপ পুরুষরা জন্মগতভাবেই ও শিক্ষাকালে দুর্বল থাকে। তা ছাড়া জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আবারও দুর্বলতার শিকার হয়। বাকি থাকলে জীবনের মধ্যবর্তী সময়টুকু; যৌনকলট্রক। অনেক সময় সেটুকুতেও দুর্বলতা ভোগ করতে হয় নানা অসুস্থ-বিসুখ ও বিভিন্ন কারণে।
অতএব, একজন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান গৃহকর্তা তার পরিবারে বিদ্যমান এ দুর্বলতাগুলোর প্রতি লক্ষ রাখেন; যত্নশীল থাকেন। তাদের প্রতি কোমল ও দয়ার্দ্র আচরণ করেন। তাদের যথাযথ সাহায্য-সহযোগিতা করেন। তাদের উপর এমন কিছু চাপিয়ে দেন না, যা তাদের সাধ্যাতীত বা তাদের জন্য কষ্টকর।
এ ক্ষেত্রে নবীজী ﷺ তাঁর পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে খুব লক্ষ রাখতেন। এমনকি হজের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান ক্ষেত্রে নবীজী তাঁর পরিজনের দুর্বল সদস্যদের রাতের বেলায় মুযদালিফা থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, যাতে মানুষের ভিড়ের মধ্যে পড়তে না হয়। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
أَنَا مِمَّنْ قَدَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ فِي ضَعَفَةِ أَهْلِهِ

নবীজী ﷺ মুযদালিফার রাতে তাঁর পরিবারের যে সকল লোককে আগে পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁদের একজন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৭৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৯৩]

প্রিয় পাঠক!
আল্লাহ নারীকে সৃষ্টি করেছেন দুর্বল করে। তদ্রুপ পুরুষরা জন্মগতভাবেই ও শিক্ষাকালে দুর্বল থাকে। তা ছাড়া জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আবারও দুর্বলতার শিকার হয়। বাকি থাকলে জীবনের মধ্যবর্তী সময়টুকু; যৌনকলট্রক। অনেক সময় সেটুকুতেও দুর্বলতা ভোগ করতে হয় নানা অসুস্থ-বিসুখ ও বিভিন্ন কারণে।
অতএব, একজন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান গৃহকর্তা তার পরিবারে বিদ্যমান এ দুর্বলতাগুলোর প্রতি লক্ষ রাখেন; যত্নশীল থাকেন। তাদের প্রতি কোমল ও দয়ার্দ্র আচরণ করেন। তাদের যথাযথ সাহায্য-সহযোগিতা করেন। তাদের উপর এমন কিছু চাপিয়ে দেন না, যা তাদের সাধ্যাতীত বা তাদের জন্য কষ্টকর।
এ ক্ষেত্রে নবীজী ﷺ তাঁর পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে খুব লক্ষ রাখতেন। এমনকি হজের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান ক্ষেত্রে নবীজী তাঁর পরিজনের দুর্বল সদস্যদের রাতের বেলায় মুযদালিফা থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, যাতে মানুষের ভিড়ের মধ্যে পড়তে না হয়। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
أَنَا مِمَّنْ قَدَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ فِي ضَعَفَةِ أَهْلِهِ

নবীজী ﷺ মুযদালিফার রাতে তাঁর পরিবারের যে সকল লোককে আগে পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁদের একজন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৭৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৯৩]

প্রিয় পাঠক!
আল্লাহ নারীকে সৃষ্টি করেছেন দুর্বল করে। তদ্রুপ পুরুষরা জন্মগতভাবেই ও শিক্ষাকালে দুর্বল থাকে। তা ছাড়া জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আবারও দুর্বলতার শিকার হয়। বাকি থাকলে জীবনের মধ্যবর্তী সময়টুকু; যৌনকলট্রক। অনেক সময় সেটুকুতেও দুর্বলতা ভোগ করতে হয় নানা অসুস্থ-বিসুখ ও বিভিন্ন কারণে।
অতএব, একজন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান গৃহকর্তা তার পরিবারে বিদ্যমান এ দুর্বলতাগুলোর প্রতি লক্ষ রাখেন; যত্নশীল থাকেন। তাদের প্রতি কোমল ও দয়ার্দ্র আচরণ করেন। তাদের যথাযথ সাহায্য-সহযোগিতা করেন। তাদের উপর এমন কিছু চাপিয়ে দেন না, যা তাদের সাধ্যাতীত বা তাদের জন্য কষ্টকর।
এ ক্ষেত্রে নবীজী ﷺ তাঁর পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে খুব লক্ষ রাখতেন। এমনকি হজের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান ক্ষেত্রে নবীজী তাঁর পরিজনের দুর্বল সদস্যদের রাতের বেলায় মুযদালিফা থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, যাতে মানুষের ভিড়ের মধ্যে পড়তে না হয়। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
أَنَا مِمَّنْ قَدَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ فِي ضَعَفَةِ أَهْلِهِ

নবীজী ﷺ মুযদালিফার রাতে তাঁর পরিবারের যে সকল লোককে আগে পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁদের একজন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৭৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৯৩]

📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 পরিবারের দুর্বলেদের প্রতি যত্নশীল হওয়া

📄 পরিবারের দুর্বলেদের প্রতি যত্নশীল হওয়া


এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ

আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা -কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী কারীম ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। তবে সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৪]
অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী ﷺ নিজেই কাপড় সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য পুরুষরা সাধারণত ঘরে যেসব কাজ করে তিনিও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৪৯৪ ৭]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। নিজেই জামা-কাপড় পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। [সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৫৬৭৫]
এ বর্ণনাবলি প্রমাণ করে, একজন মুসলিম পুরুষ, যিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-র আনুগত্য ও অনুসরণ করতে চান, তার জন্য উচিত- নিজ ঘরে-পরিবারে নারীদের-স্ত্রীদের সাহায্য করা; তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
পরিবারকে সাহায্য করার বহু বিষয় ও পদ্ধতি রয়েছে
* ঘরের কিছু কিছু কাজ-কর্মে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে কিছুটা বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
* স্ত্রী যেন স্বামীর মাঝে আদর্শ স্বামীর দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়, তিনি যেন উপলব্ধি করতে বাধ্য হন- স্বামী তার প্রতি যত্নশীল, মনোযোগী ও তার কাজে সাহায্যকারী।
* স্বামী বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করবেন। অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মম্ভরিতা থেকে দূরে থাকবেন।
* বিলাসিতা, বিলাসী মন-মানসিকতা ও আয়েশী দৃষ্টিভঙ্গি সহজে পরিহার করে চলবেন। এমন বিলাসী ও আয়েশ থেকে দূরে থাকবেন, যার প্রতি আল্লাহ ﷺ-র নির্দেশ পালিত ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النِّعْمَةِ

বিলাস-সামগ্রীর অধিকারী মিথ্যারোপকারীদের আমার হাতে ছেড়ে দিন। [সূরা মুযযাম্মিল : ১১]
অতএব, বোঝা যাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের কাজে সহযোগিতা করা নিজের নফসের জন্য অনেক তারবিয়াত ও পরিচর্যা রয়েছে।

এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ

আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা -কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী কারীম ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। তবে সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৪]
অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী ﷺ নিজেই কাপড় সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য পুরুষরা সাধারণত ঘরে যেসব কাজ করে তিনিও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৪৯৪ ৭]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। নিজেই জামা-কাপড় পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। [সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৫৬৭৫]
এ বর্ণনাবলি প্রমাণ করে, একজন মুসলিম পুরুষ, যিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-র আনুগত্য ও অনুসরণ করতে চান, তার জন্য উচিত- নিজ ঘরে-পরিবারে নারীদের-স্ত্রীদের সাহায্য করা; তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
পরিবারকে সাহায্য করার বহু বিষয় ও পদ্ধতি রয়েছে
* ঘরের কিছু কিছু কাজ-কর্মে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে কিছুটা বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
* স্ত্রী যেন স্বামীর মাঝে আদর্শ স্বামীর দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়, তিনি যেন উপলব্ধি করতে বাধ্য হন- স্বামী তার প্রতি যত্নশীল, মনোযোগী ও তার কাজে সাহায্যকারী।
* স্বামী বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করবেন। অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মম্ভরিতা থেকে দূরে থাকবেন।
* বিলাসিতা, বিলাসী মন-মানসিকতা ও আয়েশী দৃষ্টিভঙ্গি সহজে পরিহার করে চলবেন। এমন বিলাসী ও আয়েশ থেকে দূরে থাকবেন, যার প্রতি আল্লাহ ﷺ-র নির্দেশ পালিত ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النِّعْمَةِ

বিলাস-সামগ্রীর অধিকারী মিথ্যারোপকারীদের আমার হাতে ছেড়ে দিন। [সূরা মুযযাম্মিল : ১১]
অতএব, বোঝা যাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের কাজে সহযোগিতা করা নিজের নফসের জন্য অনেক তারবিয়াত ও পরিচর্যা রয়েছে।

এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে—
عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ

আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা -কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী কারীম ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। তবে সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৪]
অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী ﷺ নিজেই কাপড় সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য পুরুষরা সাধারণত ঘরে যেসব কাজ করে তিনিও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৪৯৪ ৭]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। নিজেই জামা-কাপড় পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। [সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৫৬৭৫]
এ বর্ণনাবলি প্রমাণ করে, একজন মুসলিম পুরুষ, যিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-র আনুগত্য ও অনুসরণ করতে চান, তার জন্য উচিত- নিজ ঘরে-পরিবারে নারীদের-স্ত্রীদের সাহায্য করা; তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
পরিবারকে সাহায্য করার বহু বিষয় ও পদ্ধতি রয়েছে
* ঘরের কিছু কিছু কাজ-কর্মে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে কিছুটা বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
* স্ত্রী যেন স্বামীর মাঝে আদর্শ স্বামীর দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়, তিনি যেন উপলব্ধি করতে বাধ্য হন- স্বামী তার প্রতি যত্নশীল, মনোযোগী ও তার কাজে সাহায্যকারী।
* স্বামী বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করবেন। অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মম্ভরিতা থেকে দূরে থাকবেন।
* বিলাসিতা, বিলাসী মন-মানসিকতা ও আয়েশী দৃষ্টিভঙ্গি সহজে পরিহার করে চলবেন। এমন বিলাসী ও আয়েশ থেকে দূরে থাকবেন, যার প্রতি আল্লাহ ﷺ-র নির্দেশ পালিত ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النِّعْمَةِ

বিলাস-সামগ্রীর অধিকারী মিথ্যারোপকারীদের আমার হাতে ছেড়ে দিন। [সূরা মুযযাম্মিল : ১১]
অতএব, বোঝা যাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের কাজে সহযোগিতা করা নিজের নফসের জন্য অনেক তারবিয়াত ও পরিচর্যা রয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00