📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 যেসব হকের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত

📄 যেসব হকের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত


۱. পরিবারের জন্য খরচ করা
একজন পরিবারকর্তা তার পরিবার-পরিজনের জন্য সম্পদ ব্যয় করতে আদিষ্ট। তাদের প্রয়োজনাদি পূরণ করতে দায়বদ্ধ। যাতে তাদের অন্যের হাতের দিকে তাকাতে না হয়। অন্যের সম্পদের প্রতি মুখাপেক্ষী হতে না হয়।
নবীজী ﷺ মুসলিম পুরুষদের আদেশ করেছেন অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে আগে পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করতে। তিনি ইরশাদ করেছেন—
ابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ

প্রথমে তাদেরকে দিবে, যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে। [বুখারী, হাদীস নং ৫৩৫৫, মুসলিম, হাদীস নং ১০৪২]
উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَبِيعُ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَيَحْبِسُ لِأَهْلِهِ قُوتَ سَنَتِهِمْ

নবীজী ﷺ বনু নাযীরের খেজুর বিক্রি করে ফেলতেন এবং পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য রেখে দিতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৩৫২]
বান্দার উপর দয়াময় আল্লাহ -র অশেষ অনুগ্রহ ও মেহেরবানী যে, তিনি বান্দার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করার বিনিময়ে মহা প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন। এ খরচ করাকে তিনি সদকা ও সাওয়াবের মাধ্যমে বলে সাব্যস্ত করেছেন- যদি বান্দা আল্লাহ -র কাছে সাওয়াবের আশা রাখে। যেমন, হযরত আবু মাসউদ থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
إِذَا أَنْفَقَ الرَّجُلُ عَلَى أَهْلِهِ يَحْتَسِبُهَا فَهُوَ لَهُ صَدَقَةٌ

মানুষ স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য সাওয়াবের আশায় যখন ব্যয় করে, তখন সেটা তার জন্য সদকা হিসেবে বিবেচিত হয়। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৫, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০০২]
ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, হাদীসে ব্যবহৃত শব্দ ‘ইহতিসাব’ অর্থ সাওয়াব ও প্রতিদান লাভের আশা রাখা। এ হাদীস থেকে বোঝা যায়, নিয়ত না থাকলে কোনো আমলের সাওয়াব পাওয়া যায় না। আর তাই ইমাম বুখারী আবু মাসউদ -র এই হাদীসটিকে ‘আমলসমূহ নিয়ত ও সাওয়াবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী’ নামক অধ্যায়ে এনেছেন।
হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ যে বলেছেন, ‘স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য’- এর মধ্যে স্ত্রী ও নিকটতম ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত। কেননা, পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করা ‘ইজমা’ দ্বারা ওয়াজিব। তবে শরীয়ত একে ‘সদকা’ বলে উল্লেখ করেছে এই কারণে, যেন কেউ এ কথা মনে না করে যে, পরিবারের ভরণ-পোষণের বিনিময়ে কোনো সাওয়াব নেই। সবাই জানে সদকায় প্রতিদান আছে। অতএব, সকলেই বুঝাতে পারবে, পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করলে তা সদকা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তার বিনিময়ে প্রতিদান ও সাওয়াব লাভ করবে। যাতে কেউ পরিবারের চাহিদা ও প্রয়োজন পূরণ করা ছাড়া অন্যদের সম্পদ ব্যয় না করে। অতএব, বোঝা গেল, পরিবারের জন্য খরচ করার বিষয়টি একদিকে যেমন ওয়াজিব এবং অপরদিকে শরীয়ত কর্তৃক একে সদকা বলে উল্লেখ করায় তা সর্বশ্রেষ্ঠ দান। তা হচ্ছে, প্রথমে পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের জন্য খরচ করা। [ফাতহুল বারী : ৯/৪৯১]
সদকা বলে উল্লেখ করার মাঝে কোনো বৈপরীত্য নেই। বরং তা [পরিবারের জন্য খরচ করা]-ই নফল সদকাসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সদকা। [ফাতহুল বারী : ৯/৪৯৮]
একই মর্মে জাবের থেকে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا يَقُولُ فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ

[এ অর্থ] তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর। তারপর যদি কিছু বাকি থাকে, তা হলে তোমার পরিবারের লোকদের জন্য ব্যয় কর। অতঃপর তোমার নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর। এরপরও যদি কিছু অবকাশ থাকে, তা হলে এ এদিক-সেদিক ব্যয় কর। এ বলে তিনি সামনে ডানে ও বামে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৯৭]
তবে প্রিয় পাঠক! এর অর্থ এই নয় যে, আমরা অন্যান্য দান-সদকার কথা ভুলে যাব; অন্যকোনো ক্ষেত্রে দান করব না, খরচ করব না। বরং আমাদের দান-সদকার কিছু অংশ অন্যদের জন্যও বরাদ্দ রাখা উচিত। বুদ্ধিমান লোক তিনিই, যিনি সকল ক্ষেত্রেই মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেন। পরিবারের জন্য খরচের ক্ষেত্রে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করবেন; ভারসাম্য রক্ষা করবেন। কোনোরূপ অপচয়-অপব্যয় করবেন না। সম্পদের কিছু অংশ রেখে দিবেন কল্যাণ ও নেকের অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যয় করার জন্য।

۱. পরিবারের জন্য খরচ করা
একজন পরিবারকর্তা তার পরিবার-পরিজনের জন্য সম্পদ ব্যয় করতে আদিষ্ট। তাদের প্রয়োজনাদি পূরণ করতে দায়বদ্ধ। যাতে তাদের অন্যের হাতের দিকে তাকাতে না হয়। অন্যের সম্পদের প্রতি মুখাপেক্ষী হতে না হয়।
নবীজী ﷺ মুসলিম পুরুষদের আদেশ করেছেন অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে আগে পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করতে। তিনি ইরশাদ করেছেন—
ابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ

প্রথমে তাদেরকে দিবে, যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে। [বুখারী, হাদীস নং ৫৩৫৫, মুসলিম, হাদীস নং ১০৪২]
উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَبِيعُ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَيَحْبِسُ لِأَهْلِهِ قُوتَ سَنَتِهِمْ

নবীজী ﷺ বনু নাযীরের খেজুর বিক্রি করে ফেলতেন এবং পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য রেখে দিতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৩৫২]
বান্দার উপর দয়াময় আল্লাহ -র অশেষ অনুগ্রহ ও মেহেরবানী যে, তিনি বান্দার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করার বিনিময়ে মহা প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন। এ খরচ করাকে তিনি সদকা ও সাওয়াবের মাধ্যমে বলে সাব্যস্ত করেছেন- যদি বান্দা আল্লাহ -র কাছে সাওয়াবের আশা রাখে। যেমন, হযরত আবু মাসউদ থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
إِذَا أَنْفَقَ الرَّجُلُ عَلَى أَهْلِهِ يَحْتَسِبُهَا فَهُوَ لَهُ صَدَقَةٌ

মানুষ স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য সাওয়াবের আশায় যখন ব্যয় করে, তখন সেটা তার জন্য সদকা হিসেবে বিবেচিত হয়। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৫, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০০২]
ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, হাদীসে ব্যবহৃত শব্দ ‘ইহতিসাব’ অর্থ সাওয়াব ও প্রতিদান লাভের আশা রাখা। এ হাদীস থেকে বোঝা যায়, নিয়ত না থাকলে কোনো আমলের সাওয়াব পাওয়া যায় না। আর তাই ইমাম বুখারী আবু মাসউদ -র এই হাদীসটিকে ‘আমলসমূহ নিয়ত ও সাওয়াবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী’ নামক অধ্যায়ে এনেছেন।
হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ যে বলেছেন, ‘স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য’- এর মধ্যে স্ত্রী ও নিকটতম ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত। কেননা, পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করা ‘ইজমা’ দ্বারা ওয়াজিব। তবে শরীয়ত একে ‘সদকা’ বলে উল্লেখ করেছে এই কারণে, যেন কেউ এ কথা মনে না করে যে, পরিবারের ভরণ-পোষণের বিনিময়ে কোনো সাওয়াব নেই। সবাই জানে সদকায় প্রতিদান আছে। অতএব, সকলেই বুঝাতে পারবে, পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করলে তা সদকা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তার বিনিময়ে প্রতিদান ও সাওয়াব লাভ করবে। যাতে কেউ পরিবারের চাহিদা ও প্রয়োজন পূরণ করা ছাড়া অন্যদের সম্পদ ব্যয় না করে। অতএব, বোঝা গেল, পরিবারের জন্য খরচ করার বিষয়টি একদিকে যেমন ওয়াজিব এবং অপরদিকে শরীয়ত কর্তৃক একে সদকা বলে উল্লেখ করায় তা সর্বশ্রেষ্ঠ দান। তা হচ্ছে, প্রথমে পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের জন্য খরচ করা। [ফাতহুল বারী : ৯/৪৯১]
সদকা বলে উল্লেখ করার মাঝে কোনো বৈপরীত্য নেই। বরং তা [পরিবারের জন্য খরচ করা]-ই নফল সদকাসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সদকা। [ফাতহুল বারী : ৯/৪৯৮]
একই মর্মে জাবের থেকে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا يَقُولُ فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ

[এ অর্থ] তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর। তারপর যদি কিছু বাকি থাকে, তা হলে তোমার পরিবারের লোকদের জন্য ব্যয় কর। অতঃপর তোমার নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর। এরপরও যদি কিছু অবকাশ থাকে, তা হলে এ এদিক-সেদিক ব্যয় কর। এ বলে তিনি সামনে ডানে ও বামে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৯৭]
তবে প্রিয় পাঠক! এর অর্থ এই নয় যে, আমরা অন্যান্য দান-সদকার কথা ভুলে যাব; অন্যকোনো ক্ষেত্রে দান করব না, খরচ করব না। বরং আমাদের দান-সদকার কিছু অংশ অন্যদের জন্যও বরাদ্দ রাখা উচিত। বুদ্ধিমান লোক তিনিই, যিনি সকল ক্ষেত্রেই মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেন। পরিবারের জন্য খরচের ক্ষেত্রে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করবেন; ভারসাম্য রক্ষা করবেন। কোনোরূপ অপচয়-অপব্যয় করবেন না। সম্পদের কিছু অংশ রেখে দিবেন কল্যাণ ও নেকের অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যয় করার জন্য।

۱. পরিবারের জন্য খরচ করা
একজন পরিবারকর্তা তার পরিবার-পরিজনের জন্য সম্পদ ব্যয় করতে আদিষ্ট। তাদের প্রয়োজনাদি পূরণ করতে দায়বদ্ধ। যাতে তাদের অন্যের হাতের দিকে তাকাতে না হয়। অন্যের সম্পদের প্রতি মুখাপেক্ষী হতে না হয়।
নবীজী ﷺ মুসলিম পুরুষদের আদেশ করেছেন অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে আগে পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করতে। তিনি ইরশাদ করেছেন—
ابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ

প্রথমে তাদেরকে দিবে, যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে। [বুখারী, হাদীস নং ৫৩৫৫, মুসলিম, হাদীস নং ১০৪২]
উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَبِيعُ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَيَحْبِسُ لِأَهْلِهِ قُوتَ سَنَتِهِمْ

নবীজী ﷺ বনু নাযীরের খেজুর বিক্রি করে ফেলতেন এবং পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য রেখে দিতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৩৫২]
বান্দার উপর দয়াময় আল্লাহ -র অশেষ অনুগ্রহ ও মেহেরবানী যে, তিনি বান্দার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করার বিনিময়ে মহা প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন। এ খরচ করাকে তিনি সদকা ও সাওয়াবের মাধ্যমে বলে সাব্যস্ত করেছেন- যদি বান্দা আল্লাহ -র কাছে সাওয়াবের আশা রাখে। যেমন, হযরত আবু মাসউদ থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
إِذَا أَنْفَقَ الرَّجُلُ عَلَى أَهْلِهِ يَحْتَسِبُهَا فَهُوَ لَهُ صَدَقَةٌ

মানুষ স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য সাওয়াবের আশায় যখন ব্যয় করে, তখন সেটা তার জন্য সদকা হিসেবে বিবেচিত হয়। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৫, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০০২]
ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, হাদীসে ব্যবহৃত শব্দ ‘ইহতিসাব’ অর্থ সাওয়াব ও প্রতিদান লাভের আশা রাখা। এ হাদীস থেকে বোঝা যায়, নিয়ত না থাকলে কোনো আমলের সাওয়াব পাওয়া যায় না। আর তাই ইমাম বুখারী আবু মাসউদ -র এই হাদীসটিকে ‘আমলসমূহ নিয়ত ও সাওয়াবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী’ নামক অধ্যায়ে এনেছেন।
হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ যে বলেছেন, ‘স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য’- এর মধ্যে স্ত্রী ও নিকটতম ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত। কেননা, পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করা ‘ইজমা’ দ্বারা ওয়াজিব। তবে শরীয়ত একে ‘সদকা’ বলে উল্লেখ করেছে এই কারণে, যেন কেউ এ কথা মনে না করে যে, পরিবারের ভরণ-পোষণের বিনিময়ে কোনো সাওয়াব নেই। সবাই জানে সদকায় প্রতিদান আছে। অতএব, সকলেই বুঝাতে পারবে, পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করলে তা সদকা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তার বিনিময়ে প্রতিদান ও সাওয়াব লাভ করবে। যাতে কেউ পরিবারের চাহিদা ও প্রয়োজন পূরণ করা ছাড়া অন্যদের সম্পদ ব্যয় না করে। অতএব, বোঝা গেল, পরিবারের জন্য খরচ করার বিষয়টি একদিকে যেমন ওয়াজিব এবং অপরদিকে শরীয়ত কর্তৃক একে সদকা বলে উল্লেখ করায় তা সর্বশ্রেষ্ঠ দান। তা হচ্ছে, প্রথমে পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের জন্য খরচ করা। [ফাতহুল বারী : ৯/৪৯১]
সদকা বলে উল্লেখ করার মাঝে কোনো বৈপরীত্য নেই। বরং তা [পরিবারের জন্য খরচ করা]-ই নফল সদকাসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সদকা। [ফাতহুল বারী : ৯/৪৯৮]
একই মর্মে জাবের থেকে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا يَقُولُ فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ

[এ অর্থ] তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর। তারপর যদি কিছু বাকি থাকে, তা হলে তোমার পরিবারের লোকদের জন্য ব্যয় কর। অতঃপর তোমার নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর। এরপরও যদি কিছু অবকাশ থাকে, তা হলে এ এদিক-সেদিক ব্যয় কর। এ বলে তিনি সামনে ডানে ও বামে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৯৭]
তবে প্রিয় পাঠক! এর অর্থ এই নয় যে, আমরা অন্যান্য দান-সদকার কথা ভুলে যাব; অন্যকোনো ক্ষেত্রে দান করব না, খরচ করব না। বরং আমাদের দান-সদকার কিছু অংশ অন্যদের জন্যও বরাদ্দ রাখা উচিত। বুদ্ধিমান লোক তিনিই, যিনি সকল ক্ষেত্রেই মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেন। পরিবারের জন্য খরচের ক্ষেত্রে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করবেন; ভারসাম্য রক্ষা করবেন। কোনোরূপ অপচয়-অপব্যয় করবেন না। সম্পদের কিছু অংশ রেখে দিবেন কল্যাণ ও নেকের অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যয় করার জন্য।

📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 পরিবারের জন্য খরচ করা

📄 পরিবারের জন্য খরচ করা


ইসলামী শরীয়ত পুরুষের জন্য পরিবারের ব্যাপারে বহু জন ও শিষ্টাচার প্রণয়ন করেছে। সেসব শিষ্টাচার রক্ষা করা চলা আবশ্যক। উদাহরণস্বরূপ—
কোনো পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করবে, তার জন্য মু’স্তাহাব দোয়া পড়া উচিত। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَتَى أَهْلَهُ قَالَ بِاسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَقُضِيَ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ لَمْ يَضُرَّهُ

তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বলে- بِاسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا [আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং আমাদের দান করতে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখ] তারপর [এ মিলনের মাধ্যমে] তাদের কোনো সন্তান থাকলে শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। [বুখারী, হাদীস নং ১৪১, মুসলিম, হাদীস নং ১৪৩৪]
শরীয়তের পক্ষ থেকে স্ত্রীর প্রতি একটি হক হচ্ছে- স্বামী দূরে কোথাও সফরে গেলে ফেরার সময় স্ত্রীর পূর্ব-অবগতিব্যতীত অতর্কিত রাতের বেলায় তার ঘরের কড়া নাড়বে না। যেমন, হযরত জাবের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَطْرُقَ الرَّجُلُ أَهْلَهُ لَيْلًا

রাসূলুল্লাহ ﷺ কোনো পুরুষকে বেলায় অতর্কিত তার স্ত্রীর ঘরে ফিরতে নিষেধ করেছেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮০১, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭০৭১, ভাষ্য মুসলিমের]
অর্থাৎ কোনো পুরুষ যখন কোথাও সফরে যাবে এবং স্ত্রী থেকে দূরে থাকবে, অতঃপর সফর থেকে নিজ শহরে রাতের বেলায় ফিরে আসবে, তখন সে তাৎক্ষণিকভাবে স্ত্রীর কাছে গিয়ে হাজির হবে না। বরং প্রথমে কারও মাধ্যমে [ফেরার কোনো উপায়ে] স্ত্রীর কাছে তার আগমনের বার্তা পাঠাবে। যাতে স্ত্রী তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য প্রস্তুত গ্রহণ করতে পারে এবং নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারে।
যেমন, জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—
إِذَا دَخَلْتَ لَيْلًا فَلَا تَدْخُلْ عَلَى أَهْلِكَ حَتَّى تَسْتَحِدَّ الْمُغِيبَةُ وَتَمْتَشِطَ الشَّعْثَةُ

সফর থেকে রাতে ফিরে এসে এসে গৃহে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী ক্ষৌরকার্য করে নিতে পারে এবং এলোকেশী স্ত্রী চিরুনি করে নিতে পারে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫২৪৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭১৫]
অতএব, পরিবার দেখবে, পুরুষ লোকটি শরয়ী আদব ও শিষ্টাচারের প্রতি অনুরাগী ও যত্নশীল, তখন তারাও তাকে শরয়ী আদবের প্রতি অনুরাগী ও যত্নশীল উৎসাহিত করবে। আর এটি পরিবারকে জাহান্নাম থেকে রক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর একটি মাধ্যম।

ইসলামী শরীয়ত পুরুষের জন্য পরিবারের ব্যাপারে বহু জন ও শিষ্টাচার প্রণয়ন করেছে। সেসব শিষ্টাচার রক্ষা করা চলা আবশ্যক। উদাহরণস্বরূপ—
কোনো পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করবে, তার জন্য মু’স্তাহাব দোয়া পড়া উচিত। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَتَى أَهْلَهُ قَالَ بِاسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَقُضِيَ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ لَمْ يَضُرَّهُ

তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বলে- بِاسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا [আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং আমাদের দান করতে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখ] তারপর [এ মিলনের মাধ্যমে] তাদের কোনো সন্তান থাকলে শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। [বুখারী, হাদীস নং ১৪১, মুসলিম, হাদীস নং ১৪৩৪]
শরীয়তের পক্ষ থেকে স্ত্রীর প্রতি একটি হক হচ্ছে- স্বামী দূরে কোথাও সফরে গেলে ফেরার সময় স্ত্রীর পূর্ব-অবগতিব্যতীত অতর্কিত রাতের বেলায় তার ঘরের কড়া নাড়বে না। যেমন, হযরত জাবের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَطْرُقَ الرَّجُلُ أَهْلَهُ لَيْلًا

রাসূলুল্লাহ ﷺ কোনো পুরুষকে বেলায় অতর্কিত তার স্ত্রীর ঘরে ফিরতে নিষেধ করেছেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮০১, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭০৭১, ভাষ্য মুসলিমের]
অর্থাৎ কোনো পুরুষ যখন কোথাও সফরে যাবে এবং স্ত্রী থেকে দূরে থাকবে, অতঃপর সফর থেকে নিজ শহরে রাতের বেলায় ফিরে আসবে, তখন সে তাৎক্ষণিকভাবে স্ত্রীর কাছে গিয়ে হাজির হবে না। বরং প্রথমে কারও মাধ্যমে [ফেরার কোনো উপায়ে] স্ত্রীর কাছে তার আগমনের বার্তা পাঠাবে। যাতে স্ত্রী তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য প্রস্তুত গ্রহণ করতে পারে এবং নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারে।
যেমন, জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—
إِذَا دَخَلْتَ لَيْلًا فَلَا تَدْخُلْ عَلَى أَهْلِكَ حَتَّى تَسْتَحِدَّ الْمُغِيبَةُ وَتَمْتَشِطَ الشَّعْثَةُ

সফর থেকে রাতে ফিরে এসে এসে গৃহে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী ক্ষৌরকার্য করে নিতে পারে এবং এলোকেশী স্ত্রী চিরুনি করে নিতে পারে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫২৪৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭১৫]
অতএব, পরিবার দেখবে, পুরুষ লোকটি শরয়ী আদব ও শিষ্টাচারের প্রতি অনুরাগী ও যত্নশীল, তখন তারাও তাকে শরয়ী আদবের প্রতি অনুরাগী ও যত্নশীল উৎসাহিত করবে। আর এটি পরিবারকে জাহান্নাম থেকে রক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর একটি মাধ্যম।

ইসলামী শরীয়ত পুরুষের জন্য পরিবারের ব্যাপারে বহু জন ও শিষ্টাচার প্রণয়ন করেছে। সেসব শিষ্টাচার রক্ষা করা চলা আবশ্যক। উদাহরণস্বরূপ—
কোনো পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করবে, তার জন্য মু’স্তাহাব দোয়া পড়া উচিত। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَتَى أَهْلَهُ قَالَ بِاسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَقُضِيَ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ لَمْ يَضُرَّهُ

তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বলে- بِاسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا [আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং আমাদের দান করতে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখ] তারপর [এ মিলনের মাধ্যমে] তাদের কোনো সন্তান থাকলে শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। [বুখারী, হাদীস নং ১৪১, মুসলিম, হাদীস নং ১৪৩৪]
শরীয়তের পক্ষ থেকে স্ত্রীর প্রতি একটি হক হচ্ছে- স্বামী দূরে কোথাও সফরে গেলে ফেরার সময় স্ত্রীর পূর্ব-অবগতিব্যতীত অতর্কিত রাতের বেলায় তার ঘরের কড়া নাড়বে না। যেমন, হযরত জাবের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَطْرُقَ الرَّجُلُ أَهْلَهُ لَيْلًا

রাসূলুল্লাহ ﷺ কোনো পুরুষকে বেলায় অতর্কিত তার স্ত্রীর ঘরে ফিরতে নিষেধ করেছেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮০১, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭০৭১, ভাষ্য মুসলিমের]
অর্থাৎ কোনো পুরুষ যখন কোথাও সফরে যাবে এবং স্ত্রী থেকে দূরে থাকবে, অতঃপর সফর থেকে নিজ শহরে রাতের বেলায় ফিরে আসবে, তখন সে তাৎক্ষণিকভাবে স্ত্রীর কাছে গিয়ে হাজির হবে না। বরং প্রথমে কারও মাধ্যমে [ফেরার কোনো উপায়ে] স্ত্রীর কাছে তার আগমনের বার্তা পাঠাবে। যাতে স্ত্রী তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য প্রস্তুত গ্রহণ করতে পারে এবং নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারে।
যেমন, জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—
إِذَا دَخَلْتَ لَيْلًا فَلَا تَدْخُلْ عَلَى أَهْلِكَ حَتَّى تَسْتَحِدَّ الْمُغِيبَةُ وَتَمْتَشِطَ الشَّعْثَةُ

সফর থেকে রাতে ফিরে এসে এসে গৃহে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী ক্ষৌরকার্য করে নিতে পারে এবং এলোকেশী স্ত্রী চিরুনি করে নিতে পারে। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫২৪৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭১৫]
অতএব, পরিবার দেখবে, পুরুষ লোকটি শরয়ী আদব ও শিষ্টাচারের প্রতি অনুরাগী ও যত্নশীল, তখন তারাও তাকে শরয়ী আদবের প্রতি অনুরাগী ও যত্নশীল উৎসাহিত করবে। আর এটি পরিবারকে জাহান্নাম থেকে রক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর একটি মাধ্যম।

📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 শরীয়ী আদব ও শিষ্টাচার রক্ষা করা

📄 শরীয়ী আদব ও শিষ্টাচার রক্ষা করা


পরিবারের একটি হক হচ্ছে তাদের সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ, হাস্য-রসিকতা ও বিনোদন করা।
যেমন, আয়েশা সিদ্দীকা থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি বলেন—
كُنْتُ أَشْرَبُ وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ فَيَشْرَبُ وَأَتَعَرَّقُ الْعَرْقَ وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ

আমি পানি পান করে সে পাত্র রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দিতাম। আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। আমার মুখ লাগানো স্থানে তিনি তাঁর মুখ লাগিয়ে পানি পান করতেন। আমি হাড় থেকে গোশত কামড়ে খেতাম। তারপর তা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দিতাম। অথচ আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। তিনি আমার মুখ লাগানো স্থানে তাঁর মুখ লাগাতেন। [মুসলিম, হাদীস নং ৩০০]
আয়েশা থেকে বর্ণিত অপর এক হাদীসে তিনি বলেন—
أَنَّهَا كَانَتْ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ قَالَتْ فَسَابَقْتُهُ فَسَبَقْتُهُ عَلَى رِجْلَيَّ فَلَمَّا حَمَلْتُ اللَّحْمَ سَابَقْتُهُ فَسَبَقَنِي فَقَالَ هَذِهِ بِتِلْكَ السَّبْقَةِ

তিনি এক সফরে নবীজী ﷺ-র সাথে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে তাঁর আগে চলে গেলাম। অতঃপর আমি মোটা হয়ে যাওয়ার পর তাঁর সাথে আবারও দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম। এবার তিনি আমাকে পিছনে ফেলে দিলেন; বিজয়ী হয়ে গেলেন। তখন তিনি বললেন, এই বিজয় সেই বিজয়ের বদলা। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ২৫৭৮]
নবীজী ﷺ ছোটদের সঙ্গেও রসিকতা করতেন, কৌতুক করতেন। যেমন, আনাস থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺযাইনব বিনতে উম্মে সালামার সাথে হাস্য-রসিকতা করতেন। নবীজী তাকে দেখতেন বলতেন- ‘হে যাইনব! হে যুইনাইব!’ এভাবে একাধিকবার বলতেন। [আল মুজামুল ফীযিয়াহ লিয যিয়া : ২/৪৫]
আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজী একদিন উম্মে সুলাইমের ঘরে প্রবেশ করলেন। উম্মে সুলাইমের একটি ছেলে ছিল তার ভাইয়ের ঔরস থেকে। তাকে আবু উমাইর বলে ডাকা হত। নবীজী তার সাথে হাস্য-রসিকতা করতেন। সেদিন নবী প্রবেশ করলেন, আবু উমাইর পেরেশান অবস্থায় বসে আছে। তখন নবীজী বললেন, আবু উমাইর, কী হয়েছে, তাকে পেরেশান দেখছি?! নবীজীকে জানানো হল, তার পাখিটি মারা গেছে; যাকে নিয়ে সে খেলা করত। তিনি [আনাস ] বলেন, এরপর নবীজী বলতে লাগলেন- হে আবু উমাইর! কী করেছে [তোমার] নুগাইর [ছোট্ট পাখি]? [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১২৯৮০]
[টীকা- এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের মধ্যে মুসলিমের ভাষ্য অনুযায়ী আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ মানুষের মাঝে চরিত্রের সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, তাকে আবু উমাইর বলে সম্বোধন করা হত। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি, তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রাসূলুল্লাহ যখনই [আমাদের ঘরে] আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবু উমাইর! কী করেছে [তোমার] নুগাইর [ছোট্ট পাখি]? এ কথা বলে তিনি তার সঙ্গে খেলা করতেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২১৫০]
এই হাদীসের ফায়দাসমূহ বর্ণনা করে একটি কিতাবই লিখে ফেলেছেন শায়েখ মায়াহের বিখ্যাত ফকীহ ইবনু আব্দ আহমাদ আত-তাবারী । সেখানে তিনি এই হাদীসের ফায়দাসমূহের মধ্যে এ ফায়দাটিও কোথাও উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ তার কাছে তার সঙ্গে রসিকতা করতেন ‘রাসূলুল্লাহ তার কাছে তার সঙ্গে রসিকতা করতেন।’
আমাদের এ আলোচনার উদ্দেশ্য এই যে, একজন মানুষ সর্বক্ষণ কৌতূহলাবস্থায় হয় যাপন কিংবা হায্য-রসিকতা ও কৌতুককে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে নিবেন। এটা ভুল। কেননা, অতিমাত্রায় হায্য-রসিকতা করার মাঝে ব্যক্তিত্বের গুরুত্ব ও গাম্ভীর্য কমিয়ে দেয়। যত্র, পরিবার-পরিজনের কাছে কদর কমিয়ে দেয়। তবে যেটা বলতে চাই, তা হচ্ছে- একজন মানুষ বাইরে যতটা সদলাপী ও হাস্য-রসিকতাকারী হন, তিনি তার চেয়ে বেশি সদলাপী ও রসিকতাকারী হবেন।

পরিবারের একটি হক হচ্ছে তাদের সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ, হাস্য-রসিকতা ও বিনোদন করা।
যেমন, আয়েশা সিদ্দীকা থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি বলেন—
كُنْتُ أَشْرَبُ وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ فَيَشْرَبُ وَأَتَعَرَّقُ الْعَرْقَ وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ

আমি পানি পান করে সে পাত্র রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দিতাম। আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। আমার মুখ লাগানো স্থানে তিনি তাঁর মুখ লাগিয়ে পানি পান করতেন। আমি হাড় থেকে গোশত কামড়ে খেতাম। তারপর তা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দিতাম। অথচ আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। তিনি আমার মুখ লাগানো স্থানে তাঁর মুখ লাগাতেন। [মুসলিম, হাদীস নং ৩০০]
আয়েশা থেকে বর্ণিত অপর এক হাদীসে তিনি বলেন—
أَنَّهَا كَانَتْ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ قَالَتْ فَسَابَقْتُهُ فَسَبَقْتُهُ عَلَى رِجْلَيَّ فَلَمَّا حَمَلْتُ اللَّحْمَ سَابَقْتُهُ فَسَبَقَنِي فَقَالَ هَذِهِ بِتِلْكَ السَّبْقَةِ

তিনি এক সফরে নবীজী ﷺ-র সাথে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে তাঁর আগে চলে গেলাম। অতঃপর আমি মোটা হয়ে যাওয়ার পর তাঁর সাথে আবারও দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম। এবার তিনি আমাকে পিছনে ফেলে দিলেন; বিজয়ী হয়ে গেলেন। তখন তিনি বললেন, এই বিজয় সেই বিজয়ের বদলা। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ২৫৭৮]
নবীজী ﷺ ছোটদের সঙ্গেও রসিকতা করতেন, কৌতুক করতেন। যেমন, আনাস থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺযাইনব বিনতে উম্মে সালামার সাথে হাস্য-রসিকতা করতেন। নবীজী তাকে দেখতেন বলতেন- ‘হে যাইনব! হে যুইনাইব!’ এভাবে একাধিকবার বলতেন। [আল মুজামুল ফীযিয়াহ লিয যিয়া : ২/৪৫]
আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজী একদিন উম্মে সুলাইমের ঘরে প্রবেশ করলেন। উম্মে সুলাইমের একটি ছেলে ছিল তার ভাইয়ের ঔরস থেকে। তাকে আবু উমাইর বলে ডাকা হত। নবীজী তার সাথে হাস্য-রসিকতা করতেন। সেদিন নবী প্রবেশ করলেন, আবু উমাইর পেরেশান অবস্থায় বসে আছে। তখন নবীজী বললেন, আবু উমাইর, কী হয়েছে, তাকে পেরেশান দেখছি?! নবীজীকে জানানো হল, তার পাখিটি মারা গেছে; যাকে নিয়ে সে খেলা করত। তিনি [আনাস ] বলেন, এরপর নবীজী বলতে লাগলেন- হে আবু উমাইর! কী করেছে [তোমার] নুগাইর [ছোট্ট পাখি]? [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১২৯৮০]
[টীকা- এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের মধ্যে মুসলিমের ভাষ্য অনুযায়ী আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ মানুষের মাঝে চরিত্রের সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, তাকে আবু উমাইর বলে সম্বোধন করা হত। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি, তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রাসূলুল্লাহ যখনই [আমাদের ঘরে] আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবু উমাইর! কী করেছে [তোমার] নুগাইর [ছোট্ট পাখি]? এ কথা বলে তিনি তার সঙ্গে খেলা করতেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২১৫০]
এই হাদীসের ফায়দাসমূহ বর্ণনা করে একটি কিতাবই লিখে ফেলেছেন শায়েখ মায়াহের বিখ্যাত ফকীহ ইবনু আব্দ আহমাদ আত-তাবারী । সেখানে তিনি এই হাদীসের ফায়দাসমূহের মধ্যে এ ফায়দাটিও কোথাও উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ তার কাছে তার সঙ্গে রসিকতা করতেন ‘রাসূলুল্লাহ তার কাছে তার সঙ্গে রসিকতা করতেন।’
আমাদের এ আলোচনার উদ্দেশ্য এই যে, একজন মানুষ সর্বক্ষণ কৌতূহলাবস্থায় হয় যাপন কিংবা হায্য-রসিকতা ও কৌতুককে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে নিবেন। এটা ভুল। কেননা, অতিমাত্রায় হায্য-রসিকতা করার মাঝে ব্যক্তিত্বের গুরুত্ব ও গাম্ভীর্য কমিয়ে দেয়। যত্র, পরিবার-পরিজনের কাছে কদর কমিয়ে দেয়। তবে যেটা বলতে চাই, তা হচ্ছে- একজন মানুষ বাইরে যতটা সদলাপী ও হাস্য-রসিকতাকারী হন, তিনি তার চেয়ে বেশি সদলাপী ও রসিকতাকারী হবেন।

পরিবারের একটি হক হচ্ছে তাদের সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ, হাস্য-রসিকতা ও বিনোদন করা।
যেমন, আয়েশা সিদ্দীকা থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি বলেন—
كُنْتُ أَشْرَبُ وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ فَيَشْرَبُ وَأَتَعَرَّقُ الْعَرْقَ وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ

আমি পানি পান করে সে পাত্র রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দিতাম। আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। আমার মুখ লাগানো স্থানে তিনি তাঁর মুখ লাগিয়ে পানি পান করতেন। আমি হাড় থেকে গোশত কামড়ে খেতাম। তারপর তা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দিতাম। অথচ আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। তিনি আমার মুখ লাগানো স্থানে তাঁর মুখ লাগাতেন। [মুসলিম, হাদীস নং ৩০০]
আয়েশা থেকে বর্ণিত অপর এক হাদীসে তিনি বলেন—
أَنَّهَا كَانَتْ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ قَالَتْ فَسَابَقْتُهُ فَسَبَقْتُهُ عَلَى رِجْلَيَّ فَلَمَّا حَمَلْتُ اللَّحْمَ سَابَقْتُهُ فَسَبَقَنِي فَقَالَ هَذِهِ بِتِلْكَ السَّبْقَةِ

তিনি এক সফরে নবীজী ﷺ-র সাথে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে তাঁর আগে চলে গেলাম। অতঃপর আমি মোটা হয়ে যাওয়ার পর তাঁর সাথে আবারও দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম। এবার তিনি আমাকে পিছনে ফেলে দিলেন; বিজয়ী হয়ে গেলেন। তখন তিনি বললেন, এই বিজয় সেই বিজয়ের বদলা। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ২৫৭৮]
নবীজী ﷺ ছোটদের সঙ্গেও রসিকতা করতেন, কৌতুক করতেন। যেমন, আনাস থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺযাইনব বিনতে উম্মে সালামার সাথে হাস্য-রসিকতা করতেন। নবীজী তাকে দেখতেন বলতেন- ‘হে যাইনব! হে যুইনাইব!’ এভাবে একাধিকবার বলতেন। [আল মুজামুল ফীযিয়াহ লিয যিয়া : ২/৪৫]
আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজী একদিন উম্মে সুলাইমের ঘরে প্রবেশ করলেন। উম্মে সুলাইমের একটি ছেলে ছিল তার ভাইয়ের ঔরস থেকে। তাকে আবু উমাইর বলে ডাকা হত। নবীজী তার সাথে হাস্য-রসিকতা করতেন। সেদিন নবী প্রবেশ করলেন, আবু উমাইর পেরেশান অবস্থায় বসে আছে। তখন নবীজী বললেন, আবু উমাইর, কী হয়েছে, তাকে পেরেশান দেখছি?! নবীজীকে জানানো হল, তার পাখিটি মারা গেছে; যাকে নিয়ে সে খেলা করত। তিনি [আনাস ] বলেন, এরপর নবীজী বলতে লাগলেন- হে আবু উমাইর! কী করেছে [তোমার] নুগাইর [ছোট্ট পাখি]? [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১২৯৮০]
[টীকা- এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের মধ্যে মুসলিমের ভাষ্য অনুযায়ী আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ মানুষের মাঝে চরিত্রের সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, তাকে আবু উমাইর বলে সম্বোধন করা হত। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি, তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রাসূলুল্লাহ যখনই [আমাদের ঘরে] আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবু উমাইর! কী করেছে [তোমার] নুগাইর [ছোট্ট পাখি]? এ কথা বলে তিনি তার সঙ্গে খেলা করতেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২১৫০]
এই হাদীসের ফায়দাসমূহ বর্ণনা করে একটি কিতাবই লিখে ফেলেছেন শায়েখ মায়াহের বিখ্যাত ফকীহ ইবনু আব্দ আহমাদ আত-তাবারী । সেখানে তিনি এই হাদীসের ফায়দাসমূহের মধ্যে এ ফায়দাটিও কোথাও উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ তার কাছে তার সঙ্গে রসিকতা করতেন ‘রাসূলুল্লাহ তার কাছে তার সঙ্গে রসিকতা করতেন।’
আমাদের এ আলোচনার উদ্দেশ্য এই যে, একজন মানুষ সর্বক্ষণ কৌতূহলাবস্থায় হয় যাপন কিংবা হায্য-রসিকতা ও কৌতুককে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে নিবেন। এটা ভুল। কেননা, অতিমাত্রায় হায্য-রসিকতা করার মাঝে ব্যক্তিত্বের গুরুত্ব ও গাম্ভীর্য কমিয়ে দেয়। যত্র, পরিবার-পরিজনের কাছে কদর কমিয়ে দেয়। তবে যেটা বলতে চাই, তা হচ্ছে- একজন মানুষ বাইরে যতটা সদলাপী ও হাস্য-রসিকতাকারী হন, তিনি তার চেয়ে বেশি সদলাপী ও রসিকতাকারী হবেন।

📘 নিজে বাঁচুন পরিবার বাঁচান > 📄 আমোদ-প্রমোদ ও হাস্য-রসিকতা করা

📄 আমোদ-প্রমোদ ও হাস্য-রসিকতা করা


নবীজী ﷺ রাতে ঘুমানোর পূর্বে পবিত্র স্ত্রীদের সঙ্গে গল্প করতেন। যেমন, আয়েশা থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি ইরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ [সফরকালে] রাতের বেলায় তাঁর সাথে [আয়েশা -র সাথে] একযোগে হওয়ার হোন এবং তাঁর সাথে কথা বলতে বলতে পথ চলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৯১৩, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৪৪৫]
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবীজী রাতের বেলায় ঘুমানোর পূর্বে পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৫৬৯, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৬৩]
এ থেকে উলামায়ে কেরাম রাতের বেলায় স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গল্প ও গল্প করার বৈধতা প্রমাণ করেন। এমনকি ইমাম বুখারী তার সহীহ বুখারীতে একটি অধ্যায়ই কায়েম করেছেন ‘পরিবার-পরিজন ও মেহমানদের সাথে রাতে কথাবার্তা বলা’ নামে।
স্ত্রীদের কথোপকথন ও গল্প নিশ্চয়ই তাদের মনে আনন্দ জোগায়। তা ছাড়া এর মাধ্যমে তারা অনুভব করে যে, গৃহকর্তার কাছে তাদের কদর আছে। মনে রাখবেন, পুরুষরা যেমন নারীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে আগ্রহী, তেমন নারীরাও পুরুষদের সঙ্গে কথাবার্তা বলায় আগ্রহী। অতএব, একজন পুরুষ যখন নিজ মানসিক চাহিদার এই দিকটিতে সাড়া দিবেন, তখন স্ত্রীর আর অন্য কারও প্রতি মন দিবেন না; কারও প্রতি মনোযোগী হবে না। আর এভাবেই একজন স্বামী জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকল্পে তার স্ত্রীর সামনে একটি প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করে দিতে পারেন।

নবীজী ﷺ রাতে ঘুমানোর পূর্বে পবিত্র স্ত্রীদের সঙ্গে গল্প করতেন। যেমন, আয়েশা থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি ইরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ [সফরকালে] রাতের বেলায় তাঁর সাথে [আয়েশা -র সাথে] একযোগে হওয়ার হোন এবং তাঁর সাথে কথা বলতে বলতে পথ চলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৯১৩, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৪৪৫]
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবীজী রাতের বেলায় ঘুমানোর পূর্বে পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৫৬৯, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৬৩]
এ থেকে উলামায়ে কেরাম রাতের বেলায় স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গল্প ও গল্প করার বৈধতা প্রমাণ করেন। এমনকি ইমাম বুখারী তার সহীহ বুখারীতে একটি অধ্যায়ই কায়েম করেছেন ‘পরিবার-পরিজন ও মেহমানদের সাথে রাতে কথাবার্তা বলা’ নামে।
স্ত্রীদের কথোপকথন ও গল্প নিশ্চয়ই তাদের মনে আনন্দ জোগায়। তা ছাড়া এর মাধ্যমে তারা অনুভব করে যে, গৃহকর্তার কাছে তাদের কদর আছে। মনে রাখবেন, পুরুষরা যেমন নারীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে আগ্রহী, তেমন নারীরাও পুরুষদের সঙ্গে কথাবার্তা বলায় আগ্রহী। অতএব, একজন পুরুষ যখন নিজ মানসিক চাহিদার এই দিকটিতে সাড়া দিবেন, তখন স্ত্রীর আর অন্য কারও প্রতি মন দিবেন না; কারও প্রতি মনোযোগী হবে না। আর এভাবেই একজন স্বামী জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকল্পে তার স্ত্রীর সামনে একটি প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করে দিতে পারেন।

নবীজী ﷺ রাতে ঘুমানোর পূর্বে পবিত্র স্ত্রীদের সঙ্গে গল্প করতেন। যেমন, আয়েশা থেকে বর্ণিত এক হাদীসে তিনি ইরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ [সফরকালে] রাতের বেলায় তাঁর সাথে [আয়েশা -র সাথে] একযোগে হওয়ার হোন এবং তাঁর সাথে কথা বলতে বলতে পথ চলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৯১৩, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৪৪৫]
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবীজী রাতের বেলায় ঘুমানোর পূর্বে পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৫৬৯, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৬৩]
এ থেকে উলামায়ে কেরাম রাতের বেলায় স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গল্প ও গল্প করার বৈধতা প্রমাণ করেন। এমনকি ইমাম বুখারী তার সহীহ বুখারীতে একটি অধ্যায়ই কায়েম করেছেন ‘পরিবার-পরিজন ও মেহমানদের সাথে রাতে কথাবার্তা বলা’ নামে।
স্ত্রীদের কথোপকথন ও গল্প নিশ্চয়ই তাদের মনে আনন্দ জোগায়। তা ছাড়া এর মাধ্যমে তারা অনুভব করে যে, গৃহকর্তার কাছে তাদের কদর আছে। মনে রাখবেন, পুরুষরা যেমন নারীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে আগ্রহী, তেমন নারীরাও পুরুষদের সঙ্গে কথাবার্তা বলায় আগ্রহী। অতএব, একজন পুরুষ যখন নিজ মানসিক চাহিদার এই দিকটিতে সাড়া দিবেন, তখন স্ত্রীর আর অন্য কারও প্রতি মন দিবেন না; কারও প্রতি মনোযোগী হবে না। আর এভাবেই একজন স্বামী জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকল্পে তার স্ত্রীর সামনে একটি প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করে দিতে পারেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00