📘 নারীর হজ্জ ও উমরাহ > 📄 মহিলা হাজী সাহেবার ইহরামের পোশাক

📄 মহিলা হাজী সাহেবার ইহরামের পোশাক


মহিলাদের ইহরামের পোশাকের ক্ষেত্রে শরী'আত কোনো পোশাক নির্দিষ্ট করে দেয়নি। অনেকেই মনে করে থাকে মহিলারা সেলোয়ার কামিজ পড়তে হবে বা তাদের পোশাক সাদা হতে হবে। এ ধরনের কোনো নিয়ম শরী'আত নির্ধারণ করে দেয় নি।
সুতরাং মহিলা ইহরামের জন্য তার স্বাভাবিক পোশাকই পরতে পারবে। তবে তাকে অবশ্যই শরী'আত নিষিদ্ধ পোশাক পরিত্যাগ করতে হবে। তার পোশাক আঁটসাট, এমন মিহি যেন না হয় যাতে শরীর স্পষ্ট হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় এমন পোশাক পরা যা মানুষের দৃষ্টি কাড়বে না। কেননা, এখানে পুরুষ মহিলা কাছাকাছি অবস্থান করে থাকে। সৌন্দর্যময় পোশাক পরার মধ্যে ফিতনায় পড়ে যাওয়া এবং ফেলে দেওয়ার ভয় আছে।
তারপরও মহিলারা কয়েকটি পোশাক পরতে পারবে না:
১ ও ২- ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য হাত মোজা ও নেকাব পড়া হারাম:
কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ইহরাম অবস্থায় মহিলারা নেকাবও পরবে না, আবার হাত মোজাও পরবে না।” সহীহ বুখারি: ১৭৪১ কিন্তু যদি অপরিচিত পুরুষ মহিলাদের পাশ দিয়ে যায়, তবে মাথার ওড়না দ্বারা মুখ ঢেকে রাখতে হবে। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “পুরুষরা আমাদের পাশ দিয়ে যেত যখন আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ইহরাম অবস্থায় ছিলাম, তখন আমাদের নিকটবর্তী হলে আমাদের প্রত্যেকে মাথার ওড়না মুখের উপর দিতাম। যখন তারা আমাদের পাশ দিয়ে চলে যেত, তখন আবার মুখের থেকে কাপড় সরিয়ে নিতাম।”
৩- ইহরাম অবস্থায় মহিলারা সুগন্ধিযুক্ত কাপড় ব্যবহার করতে পারবে না। 'আয়েশা রাদিয়াল্লাহু 'আনহা ইহরাম অবস্থায় বলেন, “ঠোঁটের ওপর কোনো কাপড় দেবে না, নেকাব পরবে না এবং যে কাপড়ে জাফরান ও ওয়ার্স (এক ধরনের সুগন্ধি) লেগে আছে, সে কাপড় পরিধান করবে না।”
৪- ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য যেকোনো রঙের পোশাক পরা জায়েয আছে। যেমন, কালো, লাল, সবুজ, হলুদ ইত্যাদি। অন্য রঙের চেয়ে সবুজ বা সাদা রঙের কোনো বিশেষত্ব নেই।
৫- ইহরাম অবস্থায় মহিলারা তাদের কাপড় বদলিয়ে পরিষ্কার অন্য কোনো কাপড় পরতে পারবে।
৬- ইহরাম অবস্থায় যদি কোনো মহিলা ভুলে অথবা অজ্ঞাতবশত নেকাব পরে, তবে তার ওপর কোনো কাফ্ফারা নেই এবং তার হজ বা উমরাহ সঠিক হবে। কেননা, কাফ্ফারা শুধুমাত্র ঐ ব্যক্তির জন্য, যে হুকুম জানার পরও নিষিদ্ধ কাজে হাত দেয়।
৭- ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য পা-মোজা পরা জায়েয আছে। বরং তা উত্তম। কেননা এর দ্বারা তার পা ঢেকে রাখা যাবে।

টিকাঃ
২১. আবু দাউদ, হাদীস নং ১৮৩৩।
২২. সহীহ বুখারী ২/৫৫৯।

📘 নারীর হজ্জ ও উমরাহ > 📄 মহিলা হাজী সাহেবারা কীভাবে হজ এবং উমরাহ সম্পন্ন করবেন

📄 মহিলা হাজী সাহেবারা কীভাবে হজ এবং উমরাহ সম্পন্ন করবেন


এতে তিনটি বিষয় আলোচনা করা হবে। আর তা হল:
এক. তামাতু হাজী সাহেবাদের জন্য বিস্তারিত পদক্ষেপসমূহ।
দুই. তামাতু হাজী সাহেবাদের জন্য সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট নকশা।
তিন, কিরান ও ইফরাদ হাজী সাহেবাদের জন্য সংক্ষিপ্ত নকশা।

এক. তামাতু' হাজী সাহেবাদের জন্য বিস্তারিত পদক্ষেপসমূহ:
এটা স্বীকৃত কথা যে, যে ব্যক্তি হাদী সাথে নিয়ে আসে নি তার জন্য সবচেয়ে উত্তম হজ হলো, তামাতু হজ। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করার জন্য সাহাবায়ে কেরামকে নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: "যদি আমি পিছনে যা করে এসেছি তা নতুন করে করতাম তবে আমি 'হাদী' নিয়ে আসতাম না।' অর্থাৎ যদি আমি এখন যা দেখছি তা আগে দেখতাম এবং আমার আবার নতুনকরে কাজ শুরু করার সুযোগ থাকত তবে আমি কিরান হজ না করে তামাত্তু হজ করতাম। এবং হজ ও উমরার মাঝখানে ইহরাম ছেড়ে হালাল হয়ে যেতাম।

টিকাঃ
২৩. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫৬৮ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৬

📘 নারীর হজ্জ ও উমরাহ > 📄 উমরা অথবা হজের ইহরাম হওয়ার আগে মহিলাদের জন্য যা কিছু মুস্তাহাব

📄 উমরা অথবা হজের ইহরাম হওয়ার আগে মহিলাদের জন্য যা কিছু মুস্তাহাব


গোসল করা: মহিলাদের মধ্যে কারও যদি হায়েয অথবা নিফাস থাকে, তবুও গোসল করা যাবে। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসমা বিনতে 'উমাইসকে যখন তার সন্তান মুহাম্মাদ ইবন আবি বকরের জন্ম হলো তখন বললেন: “গোসল কর, কাপড় দিয়ে ভালো করে বেঁধে নাও এবং ইহরাম কর।”
গায়ে সুগন্ধি ব্যবহার করা: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী-গণ ইহরাম করার আগে গায়ে সুগন্ধি মেখে নিতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দেখতেন, কিন্তু কিছু বলতেন না। 'আয়েশা রাদিয়াল্লাহু 'আনহা বলেন, “আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মক্কায় যেতাম তখন ইহরামের আগে আমাদের কপালে সুগন্ধি মেখে নিতাম। যদি কেউ ঘেমে যেত, তবে তা মুখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দেখতেন, কিন্তু নিষেধ করতেন না।”
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া: আর তা বিভিন্নভাবে হওয়া যায়। যেমন, নখ কাটা, বগলের চুল উঠিয়ে ফেলা, নাভির নিচের চুল কাটা ইত্যাদি।
মেহেদি লাগানো: ইহরামের আগে মেহেদি লাগানো যেতে পারে।
আর এ কাজগুলো মুস্তাহাব, ওয়াজিব নয়। সমস্ত উলামা একমত হয়েছেন যে, গোসল করা বাদে ইহরাম করা জায়েয এবং ইহরামের আগে গোসল করা ওয়াজিব নয়।

টিকাঃ
২৪. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৮।
২৫. সুনান আবি দাউদ হাদীস নং ১৮৩০।
২৬. ইবনুল মুনযির, আল-ইজমা‘।

📘 নারীর হজ্জ ও উমরাহ > 📄 ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের পোশাক

📄 ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের পোশাক


এরপর মহিলা তার স্বাভাবিক সংহত পোশাক পরে নেবে। শরী‘আত সমর্থিত যে কোনো পোশাকই পরে সে ইহরাম করতে পারে। আলিমগণ এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, মহিলা তার কামিজ, ওড়না এবং সেলোয়ার, পা মোজা সহ ইহরাম করতে পারে।
তবে সে তার চেহারা ঢাকার জন্য নেকাব বা ওড়না অথবা অন্য কোনো কাপড় পরতে পারবে না। অনুরূপভাবে সে হাত মোজা পরতে পারবে না। কিন্তু যখন মাহরাম ছাড়া অন্য কেউ তার দিকে তাকানোর সম্ভাবনা থাকবে তখন সে মাথার ওপর থেকে টেনে তার চেহারাকে ঢেকে রাখবে। যেমনটি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু 'আনহা ও রাসূলের স্ত্রী-গণ এবং সালফে সালেহীনের স্ত্রী-গণ করেছিলেন।
পুরুষের মতো মহিলাও শরী'আত নির্ধারিত স্থান থেকে ইহরাম বাঁধবে। হজ ও উমরার জন্য সে এ সমস্ত মীকাত অতিক্রম কালেই ইহরাম বাঁধতে হবে। এ স্থানগুলো হচ্ছে: মদীনাবাসীদের জন্য জিল-হুলাইফাহ, (আবইয়ারে আলী), সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহফা (রাবেগ) ইয়ামনবাসীদের জন্য ইয়ালমলম, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল মানাযেল আর ইরাকিদের জন্য যাতে ইরক নামক স্থানসমূহ। আমরা পূর্বাঞ্চলের অধিবাসীরা যদি সরাসরি মক্কায় যাওয়ার নিয়ত করি তবে ইয়ামনের মীকাত অনুসরণ করে আমাদেরকে 'ইয়ালমলম' থেকে ইহরাম বাঁধতে হবে। কিন্তু এ স্থানটি যেহেতু জেদ্দার একটু আগে এবং এখানে বিমান অপেক্ষা করার মত অবস্থা থাকে না তাই আমাদেরকে আমাদের বিমানবন্দরেই ইহরাম বেঁধে উঠতে হবে। আর যদি আমরা সরাসরি মক্কায় না গিয়ে মদিনা শরীফে আগে যাই তবে আমাদেরকে মদিনায় গিয়ে সেখানকার অধিবাসীদের ন্যায় 'জিলহুলাইফা' তথা আবইয়ারে আলী থেকে ইহরাম বাঁধতে হবে।
আর যদি কোনো মহিলা এ সমস্ত মীকাত-এর ভিতরে অবস্থান করে তবে সে তার ঘর থেকেই হজের ইহরাম বাঁধবে। যেমন, মক্কা ও জেদ্দার অধিবাসীরা তারা তাদের ঘর থেকেই হজের ইহরাম বাঁধবে। কিন্তু মক্কাবাসীরা যদি উমরার ইহরাম করে তবে তাদেরকে কমপক্ষে সবচেয়ে কাছের হালাল এলাকায় যেতে হবে যাকে আমরা 'মসজিদে আয়েশা' বা তান'য়ীম বলে থাকি।
মনে রাখা আবশ্যক যে, মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা সুন্নাত। যদি কেউ তার পূর্বেই ইহরাম বাঁধে তবে তার ইহরাম শুদ্ধ হবে যদিও তার একটি সুন্নাত বাদ পড়ে গেল। কেউ ইহরাম ব্যতীত মীকাত অতিক্রম করলে তাকে মীকাতে ফিরে যেতে হবে এবং পুনরায় ইহরাম বাঁধতে হবে। আর যদি মীকাত অতিক্রম করার পর ইহরাম বাঁধে তাহলে তাকে একটি ছাগল পশু সাদকা করতে হবে। যা সে নিজে খেতে পারবে না। হারাম এলাকার ফকিরদের মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে।
ইহরাম বাধার জন্য বিশেষ কোনো সালাত নেই, তবে কোনো ফরয বা নফল সালাতের পরে ইহরামটি হওয়া মুস্তাহাব। যেমন, তাহিয়্যাতুল অযু, বা তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা চাশতের সালাত বা বিতরের সালাত-এর পরে ইহরাম বাঁধা। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
أتاني الليلة آت من ربي، فقال: صل في هذا الوادي المبارك، وقل عمرة في حجة.
"এ রাত্রিতে আমার নিকটি এক আগন্তুক (ফিরিশতা) এসে আমাকে বলেছে, এ উপত্যকায় সালাত পড়ুন এবং বলুন: হজের সাথে উমরার নিয়ত করছি"।
সালাতের পরে ইহরাম বাধার জন্য মনে মনে নিয়ত বা দৃঢ় সংকল্প করে নিতে হবে। তারপর কোনো ধরনের হজ আদায় করছে তা মুখে বলা সুন্নাত। যেমনটি উপরোক্ত হাদীসে এসেছে। যদি তামাতু হজ করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন বলে, لَبَّيْكَ عُمْرَةٌ "লাববাইকা ওমরাতান" বা "আমি উমরাহ আদায়ের জন্য হাযির হচ্ছি"। তারপর তালবিয়া পাঠ করতে হবে। তালবিয়া হলো:
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ».
"লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান-নি'মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারীকা লাকা"।
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি যে জন্য আমাকে আসার আহবান জানিয়েছেন আমি সে জন্য হাযির, সদা হাযির। আমি সদা উপস্থিত, আমি ঘোষণা করছি যে, আপনার কোনো শরীক নেই। আমি এও ঘোষণা করছি যে, যাবতীয় হামদ তথা সগুণে প্রশংসার অধিকারী হিসেবে প্রাপ্য প্রশংসা শুধু আপনারই, অনুরূপভাবে যাবতীয় নিয়ামাতও আপনার। যেমনিভাবে সব ধরনের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি আপনারই। আপনার কোনো শরীক নেই। আপনি ব্যতীত আর কেউ এগুলো পেতে পারে না।
এ তালবিয়া পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। বেশি বেশি করে তালবিয়া পাঠ করুন। তবে উচ্চ স্বরে নয়। মহিলারা তালবিয়া পাঠের সময় তাদের স্বর উচ্চ করবে না।
ইহরাম করার পর-পরই তার ওপর কিছু বিষয় পরিত্যাজ্য হয়ে পড়ে। যা আমরা ইতিপূর্বে আলোচনা করেছি।
তারপর যখন ইহরামকারী হাজী সাহেবা মসজিদে হারামে পৌঁছাবেন তখন আপনার ডান পা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করুন এবং নিম্নোক্ত দো'আ পাঠ করুন:
بِسْمِ اللهِ، وَالصَّلَاةُ وَالسَّلامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوبِي، وافْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ، أَعُوْذُ بِاللهِ العَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ، وَبِسُلْطَانِهِ القَدِيمِ، مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّحِيمِ
উচ্চারণ: "বিসমিল্লাহ, ওয়স্-সালাতু ওয়াস্-সালামু 'আলা রাসূলিল্লাহ্, আল্লাহুম্মাগফির লী যুনুবী, ওয়াক্তাহ্ লী আওয়াবা রাহমাতিকা, আ'উযু বিল্লাহিল 'আযীম ওয়া বি ওয়াজহিহিল কারীম, ওয়াবি সুলত্বানিহিল ক্বাদীম, মিনাশ্ শাইত্বানির রাজীম।"
তারপর যখন কা'বার কাছে পৌঁছবেন তখন তাওয়াফ শুরু করার আগে তালবিয়া পাঠ করা বন্ধ করে দিতে হবে। তারপর হাজারে আসওয়াদের কাছে এসে সম্ভব হলে তা স্পর্শ করুন, আর যদি সম্ভব না হয় তবে হাজারে আসওয়াদের সোজা হয়ে সেদিকে হাত দিয়ে ইশারা করে বলবেন:
بِسْمِ اللهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
উচ্চারণ: "বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার।” তারপর কা'বাকে বাম পাশে রেখে সাত বার তাওয়াফ করুন।

টিকাঃ
২৭. ইবনুল মুনযির: আল-ইজমা' পৃ. ১৮
২৮. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৮৩।
২৯. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৬১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪৬।
৩০. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৭৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৮৪।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00