📄 আল্লাহর দরবারে আমল কবুল হওয়ার জন্য শর্তসমূহ
মহান আল্লাহর দরবারে কোনো আমল কবুল হতে হলে দু'টি শর্ত অপরিহার্য।
এক. ইখলাস তথা কাজটি একমাত্র আল্লাহর জন্য হওয়া। সুতরাং আমল করার আগে তাওহীদ ঠিক রাখতে হবে। শির্ক থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
দুই. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত মোতাবেক হতে হবে। যদি রাসূলের সুন্নাত অনুযায়ী না হয় তা হলে বিদ'আতে পরিণত হবে।
📄 হজ শুরু করার আগে যা করণীয়
এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।
📄 মহিলা হাজী সাহেবার জন্য যা বর্জনীয়
এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।
📄 ইহরামের আগে ও পরে সর্বাবস্থায় বর্জনীয় বিষয়সমূহ
কিছু কিছু জিনিস এমন আছে যেগুলো ইহরাম অবস্থা ছাড়াও হারাম। তারপর যদি সেগুলো ইহরাম অবস্থায় করা হয় তখন সেটা গুরুতর অপরাধ বলে বিবেচিত হয়। সুতরাং হজের ইহরাম বাধা বা সংকল্প করার সাথে সাথে প্রত্যেকে হাজী সাহেবার উচিৎ এগুলো থেকে নিজেকে হেফাজত করা। যেমন, গিবত, চোগলখোরী, পরনিন্দা, পর-চর্চা, মিথ্যা কথা, মিথ্যা সাক্ষী, হারাম গান-বাজনা শোনা, হারাম বস্তুর দিকে তাকানো, গালি-গালাজ অন্যায় আচরণ ও ঝগড়া ইত্যাদি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে রাখতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿الْحَبُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُومَتْ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَج وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ اللَّهُ وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى وَاتَّقُونِ يَسْأُوْلِي الْأَلْبَابِ ﴾ [البقرة: ١٩٧]
"হজ হয় সুবিদিত মাসগুলোতে। তারপর যে কেউ এ মাসগুলোতে হজ করা স্থির করে তার জন্য হজের সময় স্ত্রী-সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহ-বিবাদ করা যাবে না। তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু কর আল্লাহ তা জানেন আর তোমরা পাথেয় সংগ্রহ কর, অবশ্য তাকওয়াই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ! তোমরা আমাকে ভয় কর।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৯৭]
এ জন্য মহিলা হাজী সাহেবাদের উচিৎ যে সমস্ত কথাবার্তায় কোনো উপকার নেই সে সমস্ত কথা ত্যাগ করে চলা। এতে করে তিনি অনেক পাপাচার থেকে নিজেকে হিফায়ত করতে পারবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيراً أو ليصمت
"তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও আখিরাত দিনের ওপর ঈমান রাখে সে যেন কল্যাণের কথা বলে অথবা চুপ থাকে”।
সুতরাং আপনার উচিৎ কাজ হবে অবসর সময়টুকু তালবিয়া, আল্লাহর যিকির, কুরআন তিলাওয়াত, সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজ থেকে নিষেধ অথবা কোনো মূর্খকে কিছু শেখানোর মাধ্যমে কাটানো। যে সমস্ত কথা-বার্তায় গুনাহ নেই তা বলা জায়েয হলেও কম বলা উচিৎ।
টিকাঃ
১৪. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৬৭২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৭।