📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 শূকর হালাল হওয়া সম্পর্কে

📄 শূকর হালাল হওয়া সম্পর্কে


কুরআন মজীদে শূকর হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এটা ওহীর বিধান। এখানে বুদ্ধি ব্যবহার করে এ কথা বলা যে, জনাব! এটা হারাম কেন? এটা হালাল হওয়া উচিত। এটা বুদ্ধিকে অযথার্থ স্থানে ব্যবহার করার শামিল। বুদ্ধিকে অযথার্থস্থানে ব্যবহার করে কিছু লোক একথা বলেছে, কুরআন মজীদে শূকর হারাম ঘোষণা দেয়ার আসল কারণ হল, ঐ সময় শূকর বড় ময়লা যুক্ত ছিল এবং দূষিত পরিবেশে লালিত-পালিত হত আর ময়লা-আবর্জনা খেত। এখন শূকরের জন্য হাইজেনিক ফার্ম তৈরী হয়েছে এবং স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতিতে লালনপালন করা হচ্ছে। অতএব এখন ঐ বিধান শেষ হয়ে যাওয়া উচিত। এই বুদ্ধি প্রসূত চিন্তার ফল হল এই যে, যেখানে পরিষ্কার বিধান রয়েছে সেখানে এমন অকাট্য হুকুমের বিপরীত কথা বলে, বুদ্ধিকে অযথার্থ স্থানে ব্যবহার করার কারণে দ্বীনের বিধান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দুনিয়া এবং আখেরাতে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আল্লাহ এমন চিন্তা থেকে আমাদের হেফাজত করুন। এটাই হল বুদ্ধিকে ঐ স্থানে ব্যবহার করা যেখানে সে কাজ করতে অসম্মতি জ্ঞাপন করছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 সুদ এবং ব্যবসার মধ্যে পার্থক্য

📄 সুদ এবং ব্যবসার মধ্যে পার্থক্য


এমনিভাবে কুরআন মজীদ যখন সুদকে হারাম ঘোষণা দিয়েছে তখন তা হারাম হয়ে গেছে। বুদ্ধির আয়ত্তে আসুক বা না আসুক। দেখুন কুরআন মজীদে আরবের মুশরিকদের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, তারা বলছে "اِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا "ব্যবসা সুদের মত (সূরা বাকারাহ, ২৭৫)। ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্বারাও মানুষ মুনাফা অর্জন করে আর সুদের দ্বারাও মানুষ মুনাফা অর্জন করে। কিন্তু কুরআন মজীদ এর উত্তরে কোন পার্থক্য নির্দেশ করেননি যে, ব্যবসা এবং সুদের মধ্যে এই পার্থক্য বরং এর উত্তর এই ভাবে দিয়েছে- أَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا -
তায়ালা ব্যবসা হালাল করেছেন আর সুদ হারাম করেছেন। (সূরা নিসা, ২৭৫) এখন এই বিধানের মধ্যে তোমাদের প্রশ্ন করার কোন সুযোগ নেই। এজন্য যে, আল্লাহ তায়ালা ব্যবসা হালাল করেছেন সুতরাং তা হালাল আর সুদ হারাম করেছেন এখন তা হারাম। এরপর এ সম্পর্কে প্রশ্ন করার অর্থ হল প্রকৃতপক্ষে বুদ্ধিকে অযথার্থ স্থানে ব্যবহার করা।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 হিন্দুস্তানি এক গায়কের ভাবনা

📄 হিন্দুস্তানি এক গায়কের ভাবনা


একটি প্রসিদ্ধ ঘটনা আছে যে, এক হিন্দুস্তানী গায়ক একবার হজ্বে গেল। হজ্ব শেষে মদীনা শরীফ যাওয়ার পথে এক মনযিলে সে রাতে থাকার জন্য অবস্থান করল। সেখানে এক আরব গায়ক খুবই বিশ্রী আওয়াজে সারঙ্গী বাজিয়ে গান গাইতে ছিল। আওয়াজ খুবই বিশ্রী ছিল এবং সে ভালভাবে সারঙ্গী বাজাতেও জানত না। হিন্দুস্তানী গায়ক তার আওয়াজ শুনে বলল, আজকে একথা আমার বুঝে আসলো যে, হুজুর (স) গানবাদ্য কেন হারাম করেছেন। এজন্য যে, হুজুর (স) এই সমস্ত গ্রাম্য লোকের গান শুনেছিলেন। যদি হুজুর (স) আমাদের গান শুনতেন তাহলে গান হারাম করতেন না। (নাউজুবিল্লাহ)। প্রকৃতপক্ষে এগুলো মনগড়া গবেষণা ও প্রবৃত্তির কুফল বৈ কিছু নয়। আজকাল এই সমস্ত চিন্তা (thinking) যাকে গবেষণা নাম দেয়া হচ্ছে তা তথাকথিত ভোগবাদী প্রগতিশীলদের প্রবৃত্তির চাহিদা মেটানোর নিমিত্তে গৃহীত স্বেচ্ছাচারিতার ফলমাত্র।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বর্তমান যুগের এক চিন্তাবিদের অভিনব ব্যাখ্যা

📄 বর্তমান যুগের এক চিন্তাবিদের অভিনব ব্যাখ্যা


আমাদের ওখানে একজন প্রসিদ্ধ চিন্তাবিদ আছেন। “চিন্তাবিদ” বলার কারণ হল তিনি নিজকে বড় চিন্তাবিদ মনে করেন। কুরআন মজীদের আয়াত- السَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوْا أَيْدِيَهُمَا -পুরুষ এবং মহিলা চোরের হাত কেটে দাও। (সূরা মায়িদাহ, ৩৮)
ঐ চিন্তাবিদ সাহেব এই আয়াতের ব্যাখ্যা এ রকম করেছেন, “চোর” দ্বারা উদ্দেশ্য পুঁজিবাদী, যারা বড় মিল-কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। আর “হাত” দ্বারা উদ্দেশ্য হল তাদের কল-কারখানা (industris) আর “কাটা”র দ্বারা উদ্দেশ্য হল জাতীয়করণ। অতএব আয়াতের অর্থ হল, পুঁজিবাদীদের সমস্ত কল-কারখানা জাতীয়করণ করা। এভাবে চুরির পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00