📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বাধা দেয়ার কোন দলীল নেই

📄 বাধা দেয়ার কোন দলীল নেই


আরও একটি দৃষ্টান্ত মনে পড়ল। যা একটু আগেই আমি বলেছি। যে সময় বৃটিশ পার্লামেন্টে সমকামিতা (homo sexuality)-এর বিল হাতে তালি বাজিয়ে পাশ করা হল। উক্ত বিল পাশ হওয়ার পূর্বে যথেষ্ট বিরোধিতাও হয়েছিল এবং উক্ত বিলের উপর চিন্তা-ভাবনা করার জন্য একটা কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। যে কমিটি এই বিষয়ের উপর চিন্তা-ভাবনা করে, এই বিল পাশ হওয়া উচিত কি-না। উক্ত কমিট যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তার সারাংশ fridman-এর প্রসিদ্ধ বই দি লিগ্যাল থিউরী (The Legal Theory) তে দেয়া আছে। সেখানে ঐ কমিটির রির্পোট উল্লেখ করার পর লিখেছে, "যদিও এর মধ্যে কোন সন্দেহ নেই যে, এটা ভাল জিনিস নয়। কিন্তু যেহেতু আমরা একবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে আইনের নাক গলানো উচিত নয়। সেহেতু এই নীতির আলোকে যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা অন্যায় (sin) এবং অপরাধ (crime)-এর মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখব যে, অন্যায় ( sin ) এক জিনিস আর অপরাধ (crime) আরেক জিনিস, ততক্ষণ পর্যন্ত এই কাজকে বাধা দেয়ার কোন দলীল আমাদের কাছে নেই। হ্যাঁ যদি অন্যায় এবং অপরাধকে এক জিনিস ধরা হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে এই বিলের বিরুদ্ধে মত দেয়া যায়। অতএব আমাদের কাছে এই বিলকে বাধা দেয়ার কোন বৈধতা নেই, সুতরাং এই বিল পাশ হয়ে যাওয়া উচিত”।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আল্লাহর ওহীকে জ্ঞানার্জনের মাধ্যম বানান

📄 আল্লাহর ওহীকে জ্ঞানার্জনের মাধ্যম বানান


যখন আমরা এ কথা বলি যে, আইন (law)কে ইসলামীকরণ করা হোক, সে কথার অর্থ এই যে, ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা জ্ঞানার্জনের যে দুটো ভিত্তি পঞ্চইন্দ্রিয় (চোখ, কান, নাক, ত্বক, জিহ্বা) এবং বুদ্ধিকে গ্রহণ করেছে তা থেকে আরও এক ধাপ অগ্রসর হয়ে আল্লাহ তায়ালার ওহীকেও জ্ঞানার্জন এবং পথ প্রদর্শনের মাধ্যম ঘোষণা দিয়ে সেটিকেও নিজেদের রীতিনীতি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 এই বিধানের কারণ আমার বুঝে আসে না

📄 এই বিধানের কারণ আমার বুঝে আসে না


আর যখন একথা আমাদের বুঝে এসে যায় যায়, আল্লাহর ওহী শুরুই সেখান থেকে হয়, যেখানে বুদ্ধির দৌড় শেষ হয়ে যায়। তখন ওহীর মাধ্যমে কুরআন এবং হাদীসে কোন বিধান আসার পর ঐ বিধানকে একথা বলে প্রত্যাখ্যান করা যে, জনাব! এই বিধানের কারণ আমার বুঝে আসে না, এটা নির্বোধের মত কাজ হবে।
এজন্য যে, ওহীর বিধান এসেছেই ঐ স্থানে যেখানে বুদ্ধি (reason) কাজে আসছিল না যদি কাজে আসত তাহলে ওহীর প্রয়োজনই ছিল না। ঐ বিধানের পিছনে যে সমস্ত রহস্য লুক্বায়িত আছে যদি ঐ সমস্ত রহস্যাবলী আমাদের বুদ্ধি আয়ত্ত করতে পারত তাহলে আল্লাহ তায়ালার ওহীর মাধ্যমে ঐ বিধান দেয়ার মোটেই প্রয়োজন ছিল না।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 কুরআন-হাদীসে সাইন্স ও টেকনোলজী

📄 কুরআন-হাদীসে সাইন্স ও টেকনোলজী


এখান থেকে আরও একটি প্রশ্নের উত্তর হয়ে গেল, যা আমাদের অধিকাংশ শিক্ষিত লোকের মস্তিষ্কে উদয় হয়। সেটা এই, জনাব! বর্তমানে সমগ্র পৃথিবী সাইন্স ও টেকনোলজীতে উন্নতি করছে। কিন্তু কুরআন ও হাদীস আমাদেরকে সাইন্স এবং টেকনোলজী সম্পর্কে কোন ফর্মুলা পেশ করে না, কিভাবে আমরা পারমাণবিক বোমা তৈরী করব, কিভাবে হাইড্রোজেন বোমা তৈরী করব। এটার কোন ফর্মুলা না কুরআন মজীদে পাওয়া যায় আর না রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীসে পাওয়া যায়। ফলে কিছু লোক হীনমন্যতার শিকার হয়। বলে, জনাব ! পৃথিবীতো চন্দ্র এবং মঙ্গলগ্রহে পৌঁছে যাচ্ছে আর কুরআন আমাদেরকে এ সম্পর্কে কিছুই বলে না, আমরা চাঁদে কিভাবে পৌঁছব?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00