📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 যুক্তির দিক দিয়ে অপকর্ম নয়

📄 যুক্তির দিক দিয়ে অপকর্ম নয়


যদি কেউ একথা বলে যে, এটা তো বড় অপকর্ম, বড় ঘৃণার কথা এটার উত্তর এই যে, এই অপকর্ম এবং ঘৃণার ধারণা সবপরিবেশের সৃষ্টি করা ধ্যান-ধারণা। আপনি এমন পরিবেশে জন্মগ্রহণ করেছেন যেখানে এই কাজগুলিকে দূষণীয় মনে করা হয়। এজন্য আপনি উহাকে দূষণীয় মনে করছেন তা না হলে যুক্তির ভিত্তিতে এটা কোন দোষের নয়।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বংশের সংরক্ষণ কোন যৌক্তিক নীতি নয়

📄 বংশের সংরক্ষণ কোন যৌক্তিক নীতি নয়


যদি আপনি এ কথা বলেন যে, এর দ্বারা বংশ নষ্ট হয়ে যাবে, তার উত্তর এই যে, বংশ যদি নষ্ট হয়ে যায় যাক, তাতে মন্দের কি আছে? বংশের সংরক্ষণের এমন কি যৌক্তিক নীতিমালা আছে যে, সেজন্য বংশের সংরক্ষণ আবশ্যক হবে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 এটাও মানুষের স্বভাবগত চাহিদা-এর অংশ

📄 এটাও মানুষের স্বভাবগত চাহিদা-এর অংশ


আপনি যদি এ কথার উত্তরে বলেন যে, এতে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি রয়েছে কারণ এখন এর প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, মাহরাম তথা রক্ত সম্পর্কের যে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের দ্বারা স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। কিন্তু এর বিপরীতে বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বে এই বিষয়ের উপর বই প্রকাশিত হয়েছে যে, (যাদের সঙ্গে শরীয়াত বিবাহ হারাম বা রক্তের সম্পর্ক আত্মীয় স্বজন) মাহরাম আত্মীয়-স্বজন ((Incest)-এর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা মানুষের স্বভাবগত চাহিদা (human urge)-এর একটি অংশ। এবং ইনসেস্ট সম্পর্কে যে স্বাস্থ্যগত ক্ষয়ক্ষতি বর্ণনা করা হয় সেটি সঠিক নয়। ঐ শ্লোগান যা আজ থেকে আটশত বছর পূর্বে উবায়দুল্লাহ বিন হাসান কায়রওয়ানী দিয়েছিলেন উহার শুধু প্রতিধ্বনিই নয় বরং আজ পশ্চিমা বিশ্বে উহার উপর আমল হচ্ছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আসমানী কিতাব থেকে বিচ্যুত হওয়ার ফল

📄 আসমানী কিতাব থেকে বিচ্যুত হওয়ার ফল


এত সব কেন হচ্ছে? এ জন্য যে, বুদ্ধিকে ঐ স্থানে ব্যবহার করা হচ্ছে যা বুদ্ধির পরিধির বাইরে। যেখানে আসমানী কিতাবের পথ-প্রদর্শনের কথা সেখানে বুদ্ধিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর বুদ্ধিকে আসমানী কিতাবের পথ প্রদর্শন থেকে মুক্ত করার ফল এই যে, বৃটিশ সংসদ সমকামীতা (homo-sexuality)-এর বৈধতার বিল হাতে তালি বাজিয়ে পাস করছে। আর এখন এটা একটা নিয়মিত বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে। আমি ঘটনাক্রমে একবার নিউইয়র্কের একটি লাইব্রেরীতে গিয়েছিলাম। সেখানে পৃথক একটি সেকশন ছিল যার উপর এই শিরোনাম লাগানো ছিল "গে ষ্টাইল অব লাইফ” (gay style of life ) এই বিষয়ের উপর বিপুল পরিমাণ পুস্তকও বাজারে এসে গেছে এবং এর জন্য ক্লাবও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের গ্রুপ এবং পার্টিও আছে, তারা বড় বড় পদেও রয়েছে। ঐ সময় নিউইয়র্কের মেয়রও একজন গে (gay-সমকামী) ছিল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00