📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 ইসলাম এবং ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য

📄 ইসলাম এবং ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য


ইসলাম এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য এই যে, ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থায় জ্ঞানার্জনের প্রথম দুটো মাধ্যম ব্যবহার করার পর থেমে যায়। তাদের বক্তব্য হল মানুষের কাছে জ্ঞানার্জনের তৃতীয় কোন মাধ্যম নেই। আমাদের চোখ, কান, নাক আছে এবং আমাদের বুদ্ধি আছে এটাই যথেষ্ট। এর বাইরে অন্য কোন মাধ্যম নেই। আর ইসলাম এ কথা বলে যে, জ্ঞানার্জনের এই দুই মাধ্যম ছাড়াও মানুষের কাছে আরও একটি মাধ্যম আছে, আর তা হল আল্লাহ্ তায়ালার পক্ষ থেকে ওহী।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 ওহীর প্রয়োজনীয়তা

📄 ওহীর প্রয়োজনীয়তা


এখানে লক্ষণীয় বিষয় এই যে, ইসলামের এই দাবী, বুদ্ধির দ্বারা সব কিছু জানা যায় না বরং আসমানী হেদায়েতের প্রয়োজন আছে, ওহীর প্রয়োজন আছে, নবী-রসূলের প্রয়োজন আছে, আসমানী কিতাবের প্রয়োজন আছে- ইসলামের এই দাবী আমাদের বর্তমান সমাজে কতখানি সঠিক?

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বুদ্ধির প্রতারণা

📄 বুদ্ধির প্রতারণা


আজকাল বুদ্ধি পূজার বড় প্রচার। বলা হয় যে, প্রত্যেক জিনিসকে বুদ্ধির কষ্টি পাথরে যাচাই করে গ্রহণ করব। কিন্তু বুদ্ধির কাছে এমন কোন বাঁধা-ধরা নিয়ম নেই যা সর্বজনীন। (universal truth)। যা সমগ্র পৃথিবীর মানুষ স্বীকার করে নেবে এবং যাকে নিজেদের ভাল-মন্দের মানদণ্ড সাব্যস্ত করবে যে, কোনটা ভাল? কোন্টা মন্দ? কোনটা গ্রহণ করা উচিত আর কোনটা গ্রহণ করা উচিত নয়? এর মীমাংসা যখন আমরা বুদ্ধির কাছে ন্যস্ত করি তখন আপনি ইতিহাস দেখুন সেখানে আপনি দেখতে পাবেন যে, বুদ্ধি মানুষকে এত ধোঁকা দিয়েছে যার কোন হিসেব নেই। যদি এই নীতি গ্রহণ করা হয়, বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা কর আর যা বুঝে আসে তাই কর। তাহলে দেখা যাবে যে, বুদ্ধিকে এ রকম স্বাধীনভাবে ছেড়ে দেয়ার কারণে মানুষ কোথায় নেমে যায়। এটা প্রমাণের জন্য ইতিহাস থেকে কয়েকটি দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করছি।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বোনকে বিবাহ করা বুদ্ধির পরিপন্থী নয়

📄 বোনকে বিবাহ করা বুদ্ধির পরিপন্থী নয়


আজ থেকে প্রায় আটশত বছর পূর্বে ইসলামী জগতে একটা উপদলের সৃষ্টি হয়েছিল যা “বাতেনী ফেরকা” বা “কারামতিয়াহ” নামে পরিচিত। এই ফেরকার একজন প্রসিদ্ধ নেতা ছিল যার নাম উবায়দুল্লাহ বিন হাসান কায়রওয়ানী। তিনি তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখেছিলেন, সে চিঠিটা বড় চিত্তাকর্ষক। তাতে তিনি তার অনুসারীদেরকে জীবনযাপনের পদ্ধতি সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। উক্ত চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, “আমার জ্ঞানে এই নির্বুদ্ধিতার কথা বুঝে আসে না যে, মানুষের কাছে তাদের ঘরে একটা বড় সুন্দরী উত্তম রীতিনীতি অবলম্বনকারিনী মেয়ে, বোনের আকৃতিতে বিদ্যমান এবং সে তার ভাইয়ের স্বভাবও বোঝে। তার মানসিকতা সম্পর্কেও জ্ঞাত। কিন্তু এই নির্বোধ মানুষ একটা অপরিচিত লোকের হাতে ঐ বোনকে তুলে দেয়। যার সম্পর্কে এতটুকুও জানা নেই যে, তার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত সঠিক ভাবে কার্যসম্পাদন হবে কি-না? অপরদিকে কোন কোন সময় নিজের জন্য এ রকম মেয়ে নিয়ে আসে যে সৌন্দযের দিক দিয়ে, উত্তম আচরণের দিক দিয়ে, স্বভাব বুঝার দিক দিয়ে, এক কথায় কোনভাবেই তার বোনের সমকক্ষ হয় না। আমার এটা বুঝে আসে না এই নির্বুদ্ধিতার কি যৌক্তিকতা আছে যে, নিজের ঘরের সম্পদ অপরকে দিবে আর নিজের জন্য এ রকম একজনকে নিয়ে আসবে, সে তাকে পূর্ণ শান্তি দিবে না। এটা চরম নির্বুদ্ধিতা, এটা বুদ্ধির পরিপন্থী। আমি আমার অনুসারীদেরকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তারা যেন এই নিবুদ্ধিতা থেকে দুরে থাকে এবং নিজের ঘরের সম্পদ ঘরেই রাখে। (আল ফরকু বাইনাল ফিরাকি লিল বাগদাদী, পৃঃ ২৯৭, বয়ানু মাযাহিবিল বাতেনিয়্যা লিদ্দয়লামী, পৃঃ ৮১)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00