📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আমাদের বুদ্ধি আছে

📄 আমাদের বুদ্ধি আছে


এ সম্পর্কে যে দিকে আপনাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে চাই তা এই যে, একটা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র (secular state) যাকে ধর্মহীন রাষ্ট্র বলা যায়, সে তার রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কিভাবে পরিচালনা করবে এজন্য তার কাছে কোন নীতিমালা নেই। বরং একথা বলা হয়, আমাদের কাছে বুদ্ধি আছে, আমাদের কাছে পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা আছে। এই বুদ্ধি, পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা এটা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, আমাদের বর্তমান সময়ের প্রয়োজনীয়তা এবং চাহিদা কী? আর কোন জিনিস আমাদের উপযোগী ? তারপর ঐ উপযোগিতা অনুযায়ী আমরা আমাদের আইনকে ঢেলে সাজাতে পারি। যুগের চাহিদা অনুযায়ী আমরা সেটির ভিতর পরিবর্তন আনতে পারি এবং উন্নতি করতে পারি।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 বুদ্ধি কি সর্বশেষ মানদণ্ড ?

📄 বুদ্ধি কি সর্বশেষ মানদণ্ড ?


একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে বুদ্ধি, পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতাকে সর্বশেষ মানদণ্ড ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এখন লক্ষণীয় বিষয়, এই মানদণ্ড কতখানি শক্তিশালী? এই মানদণ্ড কি এই যোগ্যতা রাখে যে, কেয়ামত পর্যন্ত আগত মানবতাকে পথ প্রদর্শন করতে পারে? এই মানদণ্ড কি শুধু বুদ্ধি, পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতার উপর ভরসা করে আমাদের জীবনের জন্য যথেষ্ট হতে পারে?

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 জ্ঞানার্জনের মাধ্যমসমূহ

📄 জ্ঞানার্জনের মাধ্যমসমূহ


এর উত্তরের জন্য আমাদেরকে লক্ষ্য করতে হবে যে, কোন ব্যবস্থা যতক্ষণ পর্যন্ত উহার পিছনে জ্ঞানের সূক্ষ্ম বিষয়ের পুঁজি না থাকে ততক্ষণ সেটা সফলভাবে চলতে পারে না। এবং যে কোন বিষয়ের জ্ঞানার্জনের জন্য আল্লাহ্ তায়ালা মানুষকে কিছু মাধ্যম দান করেছেন। এই মাধ্যম সমূহের প্রত্যেকেরই একটা নির্ধারিত পরিধি আছে। এই পরিধির মধ্যে ঐ মাধ্যম কাজে আসে এবং তা দিয়ে উপকৃত হওয়া যায় কিন্তু সেটির সীমানার বাইরে ঐ মাধ্যম কাজে আসে না এবং তা দিয়ে উপকৃতও হওয়া যায় না।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের পরিধি

📄 পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের পরিধি


উদাহরণস্বরূপ মানুষকে সর্বপ্রথম জ্ঞানার্জনের যে মাধ্যম দান করা হয়েছে তা হল তার পঞ্চ ইন্দ্রিয়। চোখ, কান, নাক, ত্বক, জিহবা। চোখে দেখে অনেক জিনিসের জ্ঞান অর্জিত হয়। জিহ্বা দিয়ে স্বাদ নিয়ে জ্ঞান অর্জন হয়। নাক দিয়ে ঘ্রাণ নিয়ে জ্ঞান অর্জন হয়। হাত দিয়ে স্পর্শ করে অনেক জিনিসের জ্ঞান অর্জন হয়। কিন্তু জ্ঞানের এই পাঁচটি মাধ্যম যা দৃষ্টি সীমায় আসে এদের প্রত্যেকের একটা পরিধি আছে। এই পরিধির বাইরে ঐ মাধ্যমগুলি কাজে আসে না। চোখ দেখতে পারে কিন্তু শুনতে পারে না। কান শুনতে পারে কিন্তু দেখতে পারে না। নাক ঘ্রাণ নিতে পারে কিন্তু দেখতে পারে না। যদি কোন ব্যক্তি এই ইচ্ছা করে যে, চোখ বন্ধ করে কান দিয়ে দেখবে তাহলে সবাই ঐ ব্যক্তিকে নির্বোধ বলবে। এজন্য যে, কানকে দেখার জন্য বানানো হয়নি। যদি কোন ব্যক্তি তাকে বলে যে, যেহেতু তোমার কান দেখতে পারে না, এজন্য কান দিয়ে তোমার দেখার চেষ্টা একেবারে অনর্থক। উত্তরে যদি সে ব্যক্তি বলে, যদি কান নাই দেখতে পারে তাহলে সেটা বেকার জিনিস, তাহলেও সমগ্র পৃথিবী তাকে বোকা বলরে। এজন্য যে, কানের একটা পরিধি আছে, ঐ পরিধি পর্যন্ত সেটি কাজে আসবে সে এতটুকুও জানে না। তা দিয়ে যদি চোখের কাজ করতে চায় তা হবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00