📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 ধর্ষণের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ

📄 ধর্ষণের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ


এর কারণ এই যে, মানুষ তার সৃষ্টিগত সীমা অতিক্রম করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ সৃষ্টিগত সীমার মধ্যে থেকে যৌন চাহিদা মেটানোর পন্থা অবলম্বন করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ যৌন চাহিদা পূরণের মাধ্যমে শান্তি পাবে। কিন্তু যখন সে সৃষ্টিগত সীমা অতিক্রম করবে তখন যৌন ক্ষুধা এমন ক্ষুধায় পরিণত হবে যা কখনও মিটবে না। তারপর সে একটি নির্দিষ্ট সীমারেখার উপর সন্তুষ্ট হবে না বরং সে আরও পাবার প্রত্যাশী থাকবে। অতএব নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার ফল এটাই হবে যা আপনি স্বচক্ষে দেখছেন, আর এসব কিছু আল্লাহ তায়ালার এই নির্দেশের বিদ্রোহের ফল যা তিনি এই আয়াতে দিয়েছেন "وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ " 'তোমরা আপন ঘরে স্থির থাক।' আজ মানুষ এই নির্দেশ অমান্য করে অন্য পথে চলছে।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 প্রয়োজনের সময় বাইরে যাওয়ার অনুমতি

📄 প্রয়োজনের সময় বাইরে যাওয়ার অনুমতি


একটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয় যে, নারীরাওতো মানুষ তাদেরওতো বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে, তাদের অন্তরেও বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা জাগতে পারে, যাতে তারা নিজেদের প্রিয়জন এবং আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারে। তা ছাড়া কোন কোন সময় নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটানোর জন্যও বাইরে যাওয়ার দরকার হয়, আবার কখনও বৈধ চিত্ত বিনোদনেরও প্রয়োজন হয়। অতএব নারীর এসব কাজের জন্য ঘরের বাইরে যাওয়ার অনুমতি থাকা উচিত।
খুব ভাল করে বুঝে নিন, নারীদের ঘরের মধ্যে থাকার নির্দেশের অর্থ এই নয় যে, ঘরে তালা ঝুলিয়ে তাদেরকে ঘরের মধ্যে বন্দী করে দেয়া হবে। বরং এর অর্থ এই যে, প্রয়োজনের সময় সে ঘরের বাইরে যেতে পারবে। আল্লাহ তায়ালা নারীদের উপর কোন সময়ই রুজি উপার্জনের দায়িত্ব দেননি। বিয়ের পূর্বে তার পূর্ণ দায়িত্ব পিতার উপর আর বিয়ের পরে তার পূর্ণ দায়িত্ব স্বামীর উপর। তবে যে নারীর পিতা এবং স্বামী কেউ নেই এবং তার জীবিকা নির্বাহের অন্য কোন ব্যবস্থাও নেই তখন স্বাভাবিকভাবেই তাকে জীবিকা নির্বাহের জন্য বাইরে যেতে হবে, এই অবস্থায় বাইরে যাওয়ার অনুমতি আছে। এবং বৈধ চিত্ত বিনোদনের জন্যও ঘর থেকে বের হবার অনুমতি আছে। হুজুর (স) কোন কোন সময় হযরত আয়েশা (রা) কে নিজের সঙ্গে বাইরে নিয়ে যেতেন।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 আয়েশা (রা)-এরও কি দাওয়াত ?

📄 আয়েশা (রা)-এরও কি দাওয়াত ?


হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, একবার এক সাহাবী হুজুর (স)- এর দারবারে হাজির হলেন এবং বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ (স)! আমি আপনাকে দাওয়াত করতে চাই। হুজুর (স) জিজ্ঞাসা করলেন, আয়েশা (রা) এরও কি আমার সঙ্গে দাওয়াত? যেহেতু সরলতার জামানা ছিল এবং ঐ সময় ঐ সাহাবীর হযরত আয়েশা (রা)কে দাওয়াত করার ইচ্ছা ছিল না এজন্য তিনি স্পষ্ট বলে দিলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (স) আমি শুধু আপনাকে দাওয়াত করতে চাই। হুজুর (স)ও স্পষ্ট উত্তর দিলেন, যদি আয়েশা (রা)এর দাওয়াত না থাকে তাহলে আমিও যাবনা। কিছু সময় পরে ঐ সাহাবী পুনরায় হাজির হয়ে বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ (স) আমি আপনাকে দাওয়াত করতে চাই, হুজুর (স) আবার ঐ প্রশ্ন করলেন আয়েশা (রা)এরও কি আমার সঙ্গে দাওয়াত আছে? তিনি ঐ উত্তর দিলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (স) শুধু আপনার দাওয়াত! হুজুর (স) পুনরায় অস্বীকৃতি জানালেন তাহলে আমিও যাবনা। কিছু সময় পর তৃতীয় বার এসে আবার দাওয়াত দিলেন এবং বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ (স) আমার অন্তর চায়, আপনি আমার দাওয়াত কবুল করুন। হুজুর (স) পুনরায় ঐ প্রশ্ন করলেন, আয়েশা (রা)এরও কি আমার সঙ্গে দাওয়াত আছে? এবার তিনি বললেন হ্যাঁ ইয়া রাসূলাল্লাহ (স) হযরত আয়েশা (রা) এরও আপনার সঙ্গে দাওয়াত। হুজুর (স) বললেন এখন আমি দাওয়াত কবুল করলাম।

📘 নারী স্বাধীনতা, পর্দা ও বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা > 📄 হুজুর (স)-এর পীড়াপীড়ির কারণ

📄 হুজুর (স)-এর পীড়াপীড়ির কারণ


হাদীস শরীফে এর কারণ সম্পর্কে কোন স্পষ্ট বর্ণনা নেই। তবে কোন কোন ওলামা লিখেছেন, সাধারণত হুজুর (স)-এর এই অভ্যাস ছিল না যে, যখন কেউ হুজুর (স)কে দাওয়াত করত তখন তিনি হযরত আয়েশা (রা)কেও সঙ্গে যাওয়ার শর্ত জুড়ে দিতেন। বরং হুজুর (স)-এর অভ্যাস এই ছিল যে, যখন কোন ব্যক্তি হুজুর (স)কে দাওয়াত করত তখন হুজুর (স) তা কবুল করতেন। কিন্তু এই ঘটনায় এ রকম মনে হচ্ছে যে, সাহাবী হুজুর (স)কে দাওয়াত করেছিলেন সম্ভবত তাঁর অন্তরে হযরত আয়েশা (রা)র প্রতি অসন্তোষ ভাব ছিল এবং হুজুর (স) ঐ অসন্তোষকে দূরীভূত করতে চেয়েছিলেন, এজন্য হুজুর (স) বারবার হযরত আয়েশা (রা) কে সঙ্গে নেয়ার শর্ত লাগিয়ে ছিলেন। অথবা হুজুর (স) হযরত আয়েশা (রা)কে বাইরে বেড়াতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00